মোঃ তুহিন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
১২:২৫ পি.এম
চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটে গরু চুরি করতে গিয়ে গণপিটুনিতে ফিরোজ আলী (৪০) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। আজ ০২ জুন মঙ্গলবার ভোর রাতে উপজেলার গোহালবাড়ি ইউনিয়নের গোহালবাড়ি গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
নিহত ফিরোজ আলী চাঁপাই সদর থানার পিটিআই কলেজ বস্তি গ্রামের মৃত নুর নবীর ছেলে। তিনি গত ৫ বছর যাবত ভোলাহাটের গোহালবাড়ি গ্রামে তাঁর শ্বশুরবাড়িতে বসবাস করছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ রাত আনুমানিক ০৩:০০ ঘটিকার সময় গোহালবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা মোঃ এমরান হোসেন (৫৭) এর গোয়াল ঘরে একদল চোর গরু চুরির চেষ্টা চালায়। এ সময় বাড়ির লোকজন টের পেয়ে চিৎকার শুরু করলে চোর সন্দেহে ফিরোজ আলীকে হাতেনাতে আটক করা হয়।
চিৎকার শুনে গ্রামের উত্তেজিত স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে আসে এবং ফিরোজ আলীকে গণধোলাই দেয়। গণপিটুনিতে তিনি গুরুতর জখম হন ।
পরবর্তীতে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ভোলাহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল আনুমানিক ০৭:১০ ঘটিকার সময় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
খবর পেয়ে ভোলাহাট থানা পুলিশ হাসপাতাল থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণের ব্যবস্থা করেছে। এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে এবং পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেত্রকোনার দুর্গাপুরে মাদক সেবনের সময় পুলিশ আপন দুই ভাইকে আটক করেছে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের তিন মাসের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
সোমবার (২ জুন) দিবাগত রাত ১২টার দিকে পৌর শহরের বুরুঙ্গা এলাকায় থানা পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনের যৌথ অভিযানে এ ঘটনা ঘটে।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- ওই এলাকার আব্দুস ছালামের দুই ছেলে জাহাঙ্গীর (২৭) ও আলমগীর (২৫)।
অভিযান সূত্রে জানা যায়, সোমবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে দুর্গাপুর থানার এসআই আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় বুরুঙ্গা এলাকা থেকে ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সেবনরত অবস্থায় দুই ভাইকে আটক করা হয়।
পরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মিজানুর রহমান ঘটনাস্থলে গিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মিজানুর রহমান জানান, আটক দুজন আপন ভাই। মাদক সেবনের অভিযোগে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে প্রত্যেককে তিন মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০০ টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের ফ্রিল্যান্সার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয়ের ওপর প্রস্তাবিত ৭.৫% কর আরোপ করার উদ্যোগ এখন হচ্ছে না। এই বিষয়টি কনটেন্ট ক্রিয়েটর এবং জনপ্রিয় ফেসবুক পেজ ‘চিত্ত মিডিয়া’র প্রতিষ্ঠাতা জুয়েল রানাকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিশ্চিত করেছেন।
সোমবার (০১ জুন) সচিবালয়ে একটি বিশেষ সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে এই আশ্বাস পেয়েছেন তিনি। সাক্ষাৎকার চলাকালীন, প্রধানমন্ত্রী তরুণদের প্রতি তার সমর্থন এবং এই সিদ্ধান্তের বিষয়টি তুলে ধরেন।
জুয়েল রানা কৃষি, প্রকৃতি, মানুষ ও সাহিত্যের সাথে সম্পর্কিত ভিডিও তৈরি করে প্রশংসিত হয়েছেন। গত বছরের ৪ ফেব্রুয়ারি ‘চিত্ত মিডিয়া’ পেজ চালুর পর থেকে মাত্র দেড় বছরে তার ফলোয়ার সংখ্যা ৪৩ লাখেরও বেশি হয়ে গেছে। এই অসাধারণ কাজের জন্য সোমবার তাকে সচিবালয়ে আমন্ত্রণ জানানো হয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক।
সাক্ষাৎকার শেষে এক গণমাধ্যমকে জুয়েল রানা জানান, তিনি প্রধানমন্ত্রীর সাথে কর সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেছেন। তিনি জানতে চান ফ্রিল্যান্সার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের ওপর ৭.৫% কর আরোপের গুঞ্জন কতটা সত্যি।
এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি প্রশ্ন করার পর প্রধানমন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ডেকে পাঠান এবং পুরো বিষয়টি খোঁজ নেওয়ার নির্দেশ দেন। তিনি স্পষ্ট উল্লেখ করেন, তরুণদের আয়ের ওপর এমন কোনো কর অথবা দায়িত্ব আরোপ করা হবে না।
জুয়েল রানা বলেন, “প্রধানমন্ত্রী আমাকে বলেছেন, ‘এরকম কিছু হইতে দেওয়া যাবে না। আমি চাই যে ইয়াংরা ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে যাক, তারা বৈ বিদেশিক বিভিন্ন কাজে ইনভলভ থাকুক। তারা বাইরের অর্থ দেশে নিয়ে আসছে, দ্যাটস এনাফ (এটাই যথেষ্ট)।... ফ্রিল্যান্সাররা দেশের জন্য অনেক বড় ভূমিকা রাখে। যারা কন্টেন্ট ক্রিয়েশন করে তারা নিজেদের পরিবারের আয়ের নিশ্চয়তা প্রদান করে। এটি (কর আরোপ) হতে পারে না।’
তিনি আরো বলেন, ‘তারা দেশের টাকা পাচার করে না, বরং দেশে আনে।’
এখানে আলোচনা চলাকালীন, জুয়েল রানা প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে উল্লেখ করেন, ‘কনটেন্ট ক্রিয়েটর এবং ফ্রিল্যান্সাররা দেশের কোনো সম্পত্তি পাচার করে না। বরং তারা কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা দেশে নিয়ে আসে। তাই তাদের প্রতি সরকারের আরও বেশি সহানুভূতিশীল হওয়া উচিত।’
প্রধানমন্ত্রী যুবকের এই যুক্তির প্রতি সম্পূর্ণ একমত পোষণ করে বলেন, ‘অবশ্যই, আপনাকে ধন্যবাদ যে আপনি আমাকে মনে করিয়ে দিলেন। এরকম কিছু হবে না, নিশ্চিন্তে থাকুন। কন্টেন্ট ক্রিয়েশন যেসব করছেন এবং ফ্রিল্যান্সারদের জন্য এরকম কোনো ঘটনা ঘটবে না ইনশাআল্লাহ। নো টেনশন, আপনারা কাজ করে যান।’
তবে, জুয়েল রানার বক্তব্যের বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাজীপুরে রাস্তার পাশে সাইফুল ইসলাম (৫০) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে কালিগঞ্জ থানা পুলিশ। নিহতের মুখে বীভৎস আঘাতের একাধিক চিহ্ন রয়েছে।
মঙ্গলবার (২ জুন) সকালে কালীগঞ্জ থানা পুলিশ তুমুলিয়া ইউনিয়নের বঙ্গবন্ধু বাজার সংলগ্ন এলাকায় সড়কের পাশ থেকে লাশটি উদ্ধার করে। নিহত ব্যক্তি একই ইউনিয়নের উলুয়া গ্রামের আলফাজ উদ্দিনের ছেলে।
স্থানীয় সূত্র জানায় যে, সাইফুল ইসলাম বিভিন্ন জেলায় শ্রমিকের কাজ করতেন এবং সোমবার তিনি বাড়িতে ফিরেছিলেন।
এর পর স্থানীয় বঙ্গবন্ধু বাজারের উত্তর পাশে টায়ার ফ্যাক্টরির কাছে বেঁড়িবাধের রাস্তার পাশেই তার মরদেহ পাওয়া যায়। তার মুখে বীভৎস আঘাতের চিহ্ন লক্ষ্য করা গেছে। এ ছাড়া গলায় ছুরিকাঘাতের চিহ্নও রয়েছে। আঘাতের ধরণ দেখে পুলিশ ও স্থানীয়দের ধারণা হচ্ছে, এটি পূর্বপরিকল্পিত একটি হত্যাকাণ্ড।
কালীগঞ্জ থানার ওসি মো. জাকির হোসেন বলেন, ‘নিহতের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাশিয়া ইউক্রেনের কিয়েভ এবং দনিপ্রোর মতো শহরগুলোতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা নিক্ষেপ করেছে। এতে অন্তত ১০ জন নিহত এবং প্রায় ১০০ জন আহত হওয়ার তথ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
মস্কোর বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনার বিষয়ে কয়েক দিন ধরে সতর্কবার্তা দেওয়ার পর আজ মঙ্গলবার (২ জুন) ভোরে এই হামলা করা হয়।
চার বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা এই যুদ্ধে রাশিয়া ইউক্রেনের বিদ্যুৎ সরবরাহ ও অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। অন্যদিকে, ইউক্রেনও এ বছর রাশিয়ার তেল স্থাপনাগুলোতে হামলা বাড়িয়েছে। উভয় পক্ষই বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু করার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
গত সপ্তাহে রাশিয়ার নিয়ন্ত্রিত লুহানস্ক অঞ্চলের একটি ছাত্রাবাসে ড্রোন হামলায় ২১ জন নিহত হওয়ার ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় ক্রেমলিন কিয়েভে ‘পরিকল্পিত হামলা’ চালানোর হুমকি দিয়েছে। তবে ইউক্রেন ওই হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে রাতভর রাশিয়ান হামলায় অন্তত চারজন নিহত এবং শিশুসহ ৫৮ জন আহত হয়েছেন বলে জানান শহরের মেয়র ভিতালি ক্লিচকো। হামলার পর তোলা ছবিতে উঁচু ভবনের উপরে ধোঁয়ার কুণ্ডলী এবং বড় বিস্ফোরণের দৃশ্য দেখা যায়।
হামলার ভেতরে একটি স্থানীয় বাসিন্দা, ওলহা মুদ্রা, তার ছয় বছর বয়সী মেয়ে নাতালিয়াকে নিয়ে আতঙ্কের মুহূর্তের বর্ণনা দেন। তিনি বলেন, ‘আমরা বুঝতেই পারছিলাম না কী ঘটছে। মনে হচ্ছিল যেন পৃথিবীর শেষ সময় এসে গেছে।’
তিনি হামলার ভয়াবহতার বিষয় বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন, ‘চারদিক ছড়িয়ে ছিল ধ্বংসস্তূপ, সবকিছু ধোঁয়ায় ঢেকে গিয়েছিল। কিছুই দেখা যাচ্ছিল না।’ উক্ত ধ্বংস হয়ে যাওয়া একটি আবাসিক ভবন এবং ক্ষতিগ্রস্ত গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে তিনি এই কথা জানান।
কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিচকো বলেন, একটি সন্দেহভাজন ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ২৪ তলা একটি অ্যাপার্টমেন্ট ভবনের অংশ ধসে পড়েছে। এতে ধ্বংসস্তূপের নিচে মানুষ আটকা পড়ে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
তাছাড়া, ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ পড়ে একটি নয়তলা আবাসিক ভবন এবং আরও কয়েকটি ভবনে আগুন লেগেছে। ক্লিচকো জানান, ‘ওবোলন জেলায় ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ পড়ে কয়েকটি গাড়িতে আগুন লেগেছে। খোলা জায়গার অন্তত দুটি স্থানেও আগুন ছড়িয়ে পড়েছে, যার একটি একটি কিন্ডারগার্টেনের কাছাকাছি।’
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মঙ্গলবার ভোরে রুশ হামলা থেকে বাঁচার জন্য হাজার হাজার মানুষ কিয়েভের মেট্রো স্টেশনগুলোতে আশ্রয় নিতে উদ্যোগী হন। অনেককে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ও গদি সঙ্গে নিয়ে আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে দেখা গেছে। এ সময় শহরজুড়ে রাশিয়ার হামলা প্রতিহত করার জন্য ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার গর্জন শোনা যাচ্ছিল।
ভোর হওয়ার পরও কিয়েভে একের পর এক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে বলে জানিয়েছেন রয়টার্সের একজন প্রত্যক্ষদর্শী। ইউক্রেনের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় শহর ডনিপ্রো এবং এর আশপাশের এলাকায় রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় অন্তত ছয়জন নিহত এবং ৩৬ জন আহত হয়েছেন। আঞ্চলিক গভর্নর ওলেক্সান্দর হানঝা এই তথ্য জানান।
তিনি বলেন, আহত সবাইকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং তাদের অবস্থা স্থিতিশীল। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ধ্বংস হয়ে যাওয়া আবাসিক ভবন, পুড়ে যাওয়া যানবাহন এবং ক্ষতিগ্রস্ত শিশুদের খেলার মাঠের ছবিও তিনি প্রকাশ করেছেন। এর পাশাপাশি, মঙ্গলবার ভোরে ইউক্রেনের বেশিরভাগ অঞ্চলে বিমান হামলার সতর্কতা জারি করা হয়েছিল। এর আগের দিনই ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বড় ধরনের রুশ হামলার আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন।
রাতের ভিডিও ভাষণে জেলেনস্কি বলেন, ‘রাশিয়ার সম্ভাব্য হামলা নিয়ে গোয়েন্দা সতর্কতা এখনো বহাল রয়েছে। বড় ধরনের হামলা হতে পারে। তারা এর প্রস্তুতি নিয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের প্রতিরক্ষা বাহিনী বর্তমানে যেসব সরঞ্জাম ও সক্ষমতা রয়েছে, তা নিয়ে ২৪ ঘণ্টা প্রস্তুত রয়েছে।’
ইউক্রেনের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় খারকিভ অঞ্চলেও রুশ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় একটি শিশুসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। এ তথ্য জানিয়েছেন শহরের মেয়র ইহর তেরেখভ। অন্যদিকে, রাশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলও ইউক্রেনের হামলার মুখে পড়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দক্ষিণ রাশিয়ার ক্রাসনোদার অঞ্চলের ইলস্কি তেল শোধনাগারে ড্রোন হামলার আগে আগুন ধরে যায়।
ইউক্রেন সীমান্তবর্তী রাশিয়ার বেলগোরোদ অঞ্চলে একটি ইউক্রেনীয় ড্রোন একটি বাড়িতে আঘাত হানলে ১১ বছর বয়সী একটি ছেলেশিশু আহত হয় বলে স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে দেশটির সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, রাতভর ইউক্রেনের মোট ১৪৮টি ড্রোন ভূপাতিত করেছে রাশিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। এ ছাড়া রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণাধীন ক্রিমিয়ার সেভাস্তোপল নৌঘাঁটির ওপরও ড্রোন হামলার চেষ্টা চালানো হয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সেখানে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হামলা প্রতিহত করতে কার্যক্রম চালিয়েছে।
কিন্তু এসব ঘটনার সব তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি রয়টার্স। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রার আগ্রাসন শুরুর পর থেকে যুদ্ধ অব্যাহত রয়েছে। যুদ্ধ বন্ধের বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত মোকাবেলায় বেশি মনোযোগ দিচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ