শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:৫৮ পি.এম
ঢাকা, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বাংলাদেশ দল বড় জয় দিয়ে শুরু করেছে অনূর্ধ্ব-২০ নারী এশিয়া কাপ হকি।
বাংলাদেশ নারী দল আজ তাদের প্রথম ম্যাচে চাইনিজ তাইপেকে ৭-০ গোলের ব্যবধানে পরাজিত করেছে।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলায় মেতে ওঠা বাংলাদেশ ২০ মিনিটের মাথায় কনা আক্তারের গোলে প্রথমবারের মতো এগিয়ে যায়।
এরপর নাদিরা ইমা ও আইরিন আক্তারের জোড়া গোলে বাংলাদেশ ৫-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।
চতুর্থ কোয়ার্টারে অধিনায়ক সারিকা রিমন আরও দুটি গোল করার মাধ্যমে ৭-০ ব্যবধানে বড় জয় নিশ্চিত করে বাংলাদেশ।
এই দাপুটে জয় বাংলাদেশের পরবর্তী ম্যাচগুলোর জন্য দলের আত্মবিশ্বাস উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করেছে।
আগামীকাল (রোববার) বাংলাদেশ নারী দল গ্রুপ পর্বে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় সিনেমা ‘দিল্লি-৬’-এর সঙ্গে ‘মাসাকালি’ গানটির নাম জড়িয়ে আছে। তবে, গানটি মূলত অন্য একটি সিনেমার জন্যই তৈরি করা হয়েছিল।
নির্মাতা ফারাহ খান সম্প্রতি একটি চমকপ্রদ তথ্য প্রকাশ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, এ আর রহমান আসলে শাহরুখ খান এবং দীপিকা পাড়ুকোন অভিনীত ‘ওম শান্তি ওম’-এর জন্য গানটি তৈরি করেছিলেন।
ফারাহ আরও জানান, ‘ওম শান্তি ওম’-এর সংগীত পরিচালনার জন্য প্রথম পছন্দ হিসেবে এ আর রহমানকে বিবেচনা করা হয়েছিল। কিন্তু সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত না হওয়ায় বিশাল-শেখর সংগীত পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
সম্প্রতি ফারাহ তাঁর ইউটিউব ভ্লগের একটি নতুন পর্বে বিশাল দাদলানির খামারবাড়িতে গিয়ে আড্ডা দেওয়ার সময় পুরনো সেই ঘটনা তুলে ধরেন।
দীর্ঘদিনের সম্পর্কের স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে ফারাহ জানান, ‘ওম শান্তি ওম’-এর সংগীত নিয়ে তিনি প্রথমে এ আর রহমানের সঙ্গে কাজ করার পরিকল্পনা করেছিলেন। কিন্তু সেই কাজ না হওয়ায় তিনি বিশাল দাদলানি ও শেখরের নাম ভাবেন।
ফারাহর পরিকল্পনার কথা শুনে বিশাল তখন জানিয়েছিলেন, তিনি আশা করেন রহমানের সঙ্গে কাজটি সফল হবে।
এমনকি প্রয়োজন হলে তাঁরা দুজন রহমানের সহকারী হিসেবেও কাজ করতে রাজি ছিলেন।
ফারাহ জানান, রহমান তখন ‘ওম শান্তি ওম’-এর জন্য একটি গানও তৈরি করে ফেলেছিলেন।
ফারাহ বলেন, ‘রহমান ‘ওম শান্তি ওম’-এর জন্য প্রথম যে গানটি তৈরি করেছিলেন, সেটি ছিল ‘মাসাকালি’! আমি জানি না আমি এটা কোথায় রাখব, কিন্তু আমি গানটা এবং শব্দটা ভালোবাসি।’
বিশাল দাদলানি মজা করে বলেন, শেষ পর্যন্ত তিনি ও শেখর ‘ওম শান্তি ওম’-এর সংগীত পরিচালনার দায়িত্ব না পেলেও সিনেমাটির সংগীত দুর্দান্ত হতো।
ফারাহ তাঁর জবাবে বলেন, বিশাল ও শেখরের কারণেই সিনেমাটির সংগীত এতটা জমজমাট হয়েছিল।
বিশাল সিনেমাটির সংগীতের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ‘ওম শান্তি ওম-এ যে বিশাল, মসলাদার সংগীত ছিল, সেটাই একমাত্র। এটাই শেষ! বলিউডের চিরাচরিত মসলাদার সংগীত এটাই; এখনো আমি এমন রিল পাই যেখানে ব্যাখ্যা করা হয়, কিভাবে আমরা সেই সময়ে এআই ছাড়াই ‘ধুম তানা’ তৈরি করেছিলাম, যখন এআই-এর অস্তিত্বই ছিল না। ভিজ্যুয়ালগুলো! ওরা কিভাবে ওগুলো তৈরি করেছিল? আমরা শুধু কাজটা করেছিলাম এবং মজা করছিলাম।’
পরবর্তীতে এ আর রহমানের তৈরি ‘মাসাকালি’ গানটি রাকেশ ওমপ্রকাশ মেহরার সিনেমা ‘দিল্লি-৬’-এ জায়গা করে নেয়। সিনেমাটি মুক্তি পায় ২০০৯ সালে, অর্থাৎ ‘ওম শান্তি ওম’ মুক্তির এক বছর পর।
প্রসঙ্গত, ২০০৭ সালে মুক্তি পাওয়া ‘ওম শান্তি ওম’ পরিচালনা করেন ফারাহ খান। রেড চিলিজ এন্টারটেইনমেন্ট প্রযোজিত সিনেমাটিতে শাহরুখ খান ও দীপিকা পাড়ুকোনের পাশাপাশি অভিনয় করেন অর্জুন রামপাল, শ্রেয়াস তালপাড়ে ও কিরণ খের।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তুরস্কের মুগলা প্রদেশের মিলাসে বিয়ের উপহার হিসেবে প্রাপ্ত সোনা ও নগদ অর্থ নিয়ে উধাও হওয়ার অভিযোগে পুলিশ এক নববধূকে আটক করেছে। পরিবারের অভিযোগ, বিয়ের পরদিনই তিনি স্বামীর বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ গহনা ও নগদ অর্থ নিয়ে চলে যান।
তুরস্কের সংবাদমাধ্যম তোলো নিউজের বরাতে খামা প্রেস জানিয়েছে, মামুরা কালপুনোভা নামে ওই নববধূ উজবেকিস্তানের নাগরিক। মুস্তফা আতেসোগলোর সঙ্গে তার বিয়ে হয়। ঐতিহ্যবাহী ইয়োরুক রীতিতে আয়োজিত ওই বিয়ের অনুষ্ঠান তিন দিন ও তিন রাত ধরে চলে।
বিয়েতে নববধূ বিপুল পরিমাণ সোনা ও নগদ অর্থ উপহার পান। নিখোঁজ এসব গহনার মূল্য আনুমানিক ৪০ থেকে ৫০ লাখ তুর্কি লিরা বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। স্বামীর পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়ার পর মিলাসের প্রসিকিউটর কার্যালয় তদন্ত শুরু করে। পরে পুলিশ মামুরা কালপুনোভাকে আটক করে।
তবে মামুরা গহনা চুরির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তদন্তকারীদের কাছে দেওয়া প্রাথমিক বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, বিয়েতে পাওয়া সব গহনা তিনি সঙ্গে নিয়ে যাননি। তার ভাষ্য, বিয়ের পর স্বামী তাকে হুমকি ও অপমান করেন। এ কারণে তিনি মায়ের বাড়িতে চলে যান।
মামুরা আরও দাবি করেন, স্বামীর বাড়ি ছাড়ার সময় তিনি শুধু ২০টি সোনার কয়েন ও ২ লাখ ২৬ হাজার তুর্কি লিরা নগদ নিয়েছিলেন। বাকি সোনার গহনা তার শ্বশুরের কাছে রয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।
যেখান থেকে মামুরাকে আটক করা হয়, সেখানে পুলিশ তল্লাশি চালায়। তবে সেখানে নিখোঁজ গহনার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। পুলিশ গহনা ও নগদ অর্থের প্রকৃত অবস্থান এবং ঘটনার পেছনে কী ঘটেছিল, তা খতিয়ে দেখছে।
স্থানীয়ভাবে বেশ আলোচিত ওই বিয়েতে ছিল নানা ঐতিহ্যবাহী আয়োজন। এর মধ্যে রাতে তেল কুস্তির প্রতিযোগিতায় তুরস্কের পরিচিত কয়েকজন কুস্তিগিরও অংশ নেন। অনুষ্ঠানে শত শত অতিথি উপস্থিত ছিলেন।
তুরস্কে বিয়েতে নবদম্পতিকে সোনার গহনা উপহার দেওয়ার প্রচলন রয়েছে। অনেক পরিবার এসব গহনাকে নবদম্পতির ভবিষ্যৎ আর্থিক নিরাপত্তা ও পারিবারিক সম্পদের অংশ হিসেবে বিবেচনা করে। ফলে বিপুল পরিমাণ বিয়ের গহনা নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় দেশটিতে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
তদন্ত চলমান থাকায় মামুরার বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ এখনও প্রমাণিত হয়নি। ঘটনার প্রকৃত তথ্য উদ্ঘাটনে কর্তৃপক্ষ তদন্ত করছে।
সূত্র:
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লিভারপুলের স্পোর্টিং ডিরেক্টর রিচার্ড হিউজ পদত্যাগ করেছেন সৌদি ক্লাবে যোগ দিতে। ক্লাব কর্তৃপক্ষ শনিবার এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।তিনি প্রায় দুই বছর ধরে দায়িত্ব পালন করার পর ক্লাবের সঙ্গে সম্পর্কের ইতি টানলেন। গুঞ্জন রয়েছে যে, তিনি সৌদি প্রো লিগের অন্যতম সফল ক্লাব আল হিলালের স্পোর্টিং ডিরেক্টর হিসেবে যোগ দিতে যাচ্ছেন। খবরটি বিবিসি দ্বারা প্রকাশিত হয়েছে।হিউজ ২০২৪ সালের জুনে বোর্নমাউথ থেকে অ্যানফিল্ডে যোগ দেন। তার চুক্তির মেয়াদ ২০২৭ সালের জুন মাসে শেষ হতে চলায় ক্লাব ছাড়ার বিষয়টি প্রত্যাশিত ছিল।গ্রীষ্মকালীন দলবদলে তিনি প্রায় ২০০ মিলিয়ন পাউন্ডের দলবদল ব্যয়ের তত্ত্বাবধান করেন। এর মধ্যে প্যারিস সেন্ট-জার্মেইন থেকে ব্র্যাডলি বারকোলার চুক্তিও অন্তর্ভুক্ত ছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গোপালগঞ্জ-১(কাশিয়ানী-মুকসুদপুর) আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিমুজ্জামান সেলিম মন্তব্য করেছেন যে, প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান শিক্ষিত জাতি গঠনে দিন-রাত নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, সুখী, সমৃদ্ধ ও সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে এই প্রচেষ্টা চলছে।
শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলা সদরে এম এ খালেক সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন।
এমপি সেলিমুজ্জামান সেলিম আরও বলেন, ‘আমরা একটি আধুনিক, উন্নত ও সম্প্রীতির কাশিয়ানী গড়ে তুলতে চাই। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে এ অঞ্চলের জনগণ অত্যন্ত আন্তরিক।' স্থানীয় জনগণের পাশাপাশি উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, থানা পুলিশ এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারাও কাশিয়ানীর উন্নয়ন ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে আন্তরিকভাবে কাজ করছেন।
নতুন একাডেমিক ভবন নির্মাণের গুরুত্ব তুলে ধরে সেলিমুজ্জামান সেলিম বলেন, ভবনটি নির্মিত হলে শিক্ষার্থীদের পাঠদানের পরিবেশ আরও উন্নত হবে। তিনি বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষার মানোন্নয়নেও গুরুত্ব দিতে হবে।
ভবন নির্মাণকাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, কাজের গুণগত মান কোনোভাবেই যাতে ব্যাহত না হয়, সেদিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। তিনি বলেন, নির্ধারিত মান বজায় রেখে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে নির্মাণকাজ সম্পন্ন করতে হবে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শহিদুজ্জামান মোল্লার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কাশিয়ানী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শাহিন মিয়া, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের গোপালগঞ্জ জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আশরাফুল হক, সহকারী প্রকৌশলী নাজমুল হাসান, উপ-সহকারী প্রকৌশলী ওহিদুল ইসলাম, উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী সজল দত্ত, উপজেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম মোস্তফা, সাধারণ সম্পাদক শেখ মো. সেলিম, বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক খন্দকার নিজামুল হকসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা নতুন একাডেমিক ভবন নির্মাণের উদ্যোগকে স্বাগত জানান। তাদের প্রত্যাশা, ভবনটি নির্মিত হলে বিদ্যালয়ের পাঠদান কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং শিক্ষার্থীদের জন্য উন্নত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত হবে।
অনুষ্ঠানের বক্তব্য শেষে এমপি সেলিমুজ্জামান সেলিম নতুন একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে নির্মাণকাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ