মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:২৩ পি.এম
ঢাকা, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রস্তুতি সভায় স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল চূড়ান্ত করার কাজ সম্পন্ন হবে, যা বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও কর্তৃপক্ষের সঙ্গে অনুষ্ঠিত হবে।
রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এই তথ্য প্রকাশ করেন।
তিনি উল্লেখ করেন, ‘আমরা ১৭ সেপ্টেম্বর অংশীজনদের নিয়ে, যারা বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে এবং যারা নির্বাচন ভোট গ্রহণ কার্যক্রমের সঙ্গে সরাসরি জড়িত, তাদের নিয়ে একটি মিটিং করবো। মিটিংয়ের পর কমিশন যে ইনপুট পাবে, সেই ইনপুটের ভিত্তিতে কমিশন (স্থানীয় সরকার নির্বাচন) তফসিল চূড়ান্ত করবে।’ তিনি আরও জানান, ওইদিন আপনাদেরকে এ বিষয়ে আপডেট তথ্য জানানো হবে। ইনপুট পাওয়ার পর কমিশনই এ বিষয়ে ব্রিফ করবে।
এছাড়া, স্থানীয় সরকার নির্বাচন এবং ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপ-নির্বাচনের প্রেক্ষিতে আগামী বৃহস্পতিবার বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হবে।
বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সম্মেলন কক্ষে (কক্ষ নম্বর-৫২০), নির্বাচন ভবন, আগারগাঁও, ঢাকায় এ সভা অনুষ্ঠিত হবে। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিতব্য সভায় নির্বাচন কমিশনারগণ উপস্থিত থাকবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শৃঙ্খলা ভঙ্গ, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, ক্লাবের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করে অসৎ উদ্দেশ্যে নিয়মবহির্ভূতভাবে একই নামে পৃথক কমিটি গঠন,দীর্ঘদিন মাসিক চাঁদা পরিশোধ না করা এবং ক্লাবের সভায় অনুপস্থিত থাকার অপরাধে ঝালকাঠির কাঠালিয়া প্রেসক্লাবের তিন সদস্যকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বহিষ্কৃতরা ক্লাবের উন্নয়নমূলক কাজে দীর্ঘদিন যাবত বাধার সৃষ্টি, বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি দপ্তরে ক্লাব ও সাংবাদিকতার পেশার বিরুদ্ধে বিদ্বেষপূর্ণ মনোভাব প্রচারসহ নানাবিধ ষড়যন্ত্র করে আসছেন। সর্বশেষ গত ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ বহিষ্কৃত তিন সদস্যের নেতৃত্বে কাঠালিয়া প্রেসক্লাব নামে পৃথক একটি সংগঠন গঠন করেন।
বহিষ্কৃতরা হলেন—দৈনিক ইত্তেফাকের কাঠালিয়া উপজেলা সংবাদদাতা মো. আব্দুল হালিম, দৈনিক সমকালের কাঠালিয়া প্রতিনিধি মো. ফারুক হোসেন এবং দৈনিক ইনকিলাবের কাঠালিয়া উপজেলা সংবাদদাতা মো. সাকিবুজ্জামান সবুর।
আজ মঙ্গলবার ১৫ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টায় কাঠালিয়া প্রেসক্লাবের এক জরুরি সভায় তাদের বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
কাঠালিয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি মাসউদুল আলম ও সাধারণ সম্পাদক শহিদুল আলম স্বাক্ষরিত এক পত্রে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়,ক্লাবের শৃঙ্খলা, সাংগঠনিক নিয়ম ও মর্যাদা রক্ষার স্বার্থে জরুরি সভায় আলোচনা শেষে ওই তিন সদস্যের বিরুদ্ধে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গ্রামীণ কল্যাণের ৬৬৬ কোটি টাকার করসংক্রান্ত মামলায় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জানিয়েছেন, সরকারের কোনো ধরনের হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই। তিনি উল্লেখ করেছেন, বিষয়টি আদালতের অধীনে এবং মামলা নিজস্ব গতিতে চলবে। সরকারের পক্ষ থেকে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বা অন্য কারও প্রতি কোনো অনুরাগ কিংবা বিরাগের প্রশ্নও নেই।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব মন্তব্য করেন। গ্রামীণ কল্যাণের ৬৬৬ কোটি টাকার কর মওকুফের বিষয়ে হাইকোর্টের আদেশ এবং এ নিয়ে করা দুটি রিটের প্রসঙ্গে এক সাংবাদিক জানতে চান, এ পরিস্থিতিতে গ্রামীণ কল্যাণের পেছনে থাকা ব্যক্তিদের বিষয়ে সরকারের কোনো বিশেষ বার্তা আছে কি না।
জবাবে জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘খেয়াল করবেন, এটা আদালতের ব্যাপার এবং একটু মিসপারসেপশন ছিল। এটা এখন ডিটেইলড অনেকের সামনে এসেছে যে, এই কর মওকুফের ব্যাপারে রায় কী হয়েছিল, সেই রায়টা কেন তখন কার্যকর হয় নাই, ইন্টারিমের সময় ছিল, এখন তাদেরকে দিতে বলা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, আদালতের রায় অনুযায়ী সংশ্লিষ্টদের ওই কর পরিশোধ করতে হবে। এ বিষয়ে সরকারের কিছু করার নেই বলেও তিনি জানান। ‘আদালতের রায় হয়েছে, তাদেরকে ওই করটা দিতে হবে। তারা নিজেরাই বাদী হয়ে এই করটা দিতে চান নাই। সরকারের এখানে আসলে কিছু করার নেই।’
মামলার পরবর্তী কার্যক্রমও আদালতের নিয়মেই চলবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, ‘সরকারের কিছু করার নেই, কারণ এখন যে মামলা তার গতিতে চলবে। তারা হয়তো এটা নিয়ে আবার আপিল বিভাগে যেতে পারেন। যদি সেটা তারা সাসটেইন করতে না পারেন, তাহলে তাদেরকে এটা দিতে হবে।’
এ বিষয়ে সরকারের কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই জানিয়ে জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘সরকারের কোনো রকম ইনভলভমেন্ট নেই, কারণ ড. ইউনূস বা আর কেউ কারো প্রতি কোনো অনুরাগ-বিরাগের প্রশ্ন নাই।’
বিচার বিভাগের স্বাধীনতার বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘এটা যেহেতু বিচার বিভাগের ব্যাপার, আমরা বিশ্বাস করি এবং আপনারা অনেক ক্ষেত্রেই দেখবেন যে বিচার বিভাগ তার স্বাধীনভাবে যে দায়িত্ব পালন করার কথা, সেটা তারা করছেন।’
সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে আদালতের ফাঁসির রায় নিয়েও প্রশ্ন করা হয়। জবাবে জাহেদ উর রহমান বলেন, এ বিষয়ে সরকারের আলাদা করে কিছু বলার নেই। মামলায় সরকারের প্রসিকিউশন টিম কাজ করছে।
কোনো ব্যক্তির ফাঁসির রায় দেখে আনন্দিত হওয়ার চেয়ে সমাজে ন্যায়বিচার নিশ্চিত হচ্ছে কি না, সেটিই বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘আমরা যেটা দেখতে চাই অনেকে আমরা বলি না যে, ফাঁসির রায় দেখে আমরা ভীষণ খুশি হয়ে গেছি। কারো ফাঁসির রায় দেখে আসলে ভীষণ খুশি হওয়ার চাইতে যে জিনিসটা ইম্পর্টেন্ট আমার কাছে মনে হয়, সেটা হচ্ছে আমরা আমাদের সমাজের ন্যায়বিচারটা নিশ্চিত করতে পারছি কি না।’
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা আমাদের সমাজে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে চাই। আমরা মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণাপত্রে যে বলেছিলাম—আমরা সাম্য, মানবিক মর্যাদা এবং সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে চাই, সেটা নিশ্চিত হচ্ছে, সেটা আমরা দেখতে চাই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হাঙ্গেরি সরকার ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মানদণ্ডের সাথে সঙ্গতি বজায় রাখতে এবং মানবাধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিতর্কিত এলজিবিটিকিউ বিরোধী আইন সংশোধনের জন্য পার্লামেন্টে একটি বিল উত্থাপন করেছে। এই আইনটি সাবেক জাতীয়তাবাদী নেতা ভিক্টর অরবানের শাসনামলে প্রণীত হয় এবং এটি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দীর্ঘদিন ধরে সমালোচনার মুখে রয়েছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) নতুন সরকার সংশ্লিষ্ট বিলটি পার্লামেন্টে জমা দেয়। বিলে ২০২১ সালের বিতর্কিত আইন থেকে অপ্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে সমকামিতা বা লিঙ্গ পরিবর্তনের "প্রচার" ও "প্রদর্শন" নিষিদ্ধ করার অংশগুলো বাদ দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। পরিবর্তে, নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, অপ্রাপ্তবয়স্কদের শারীরিক, বুদ্ধিবৃত্তিক, মানসিক বা নৈতিক বিকাশে মারাত্মক ক্ষতি সাধন করতে পারে—এমন উপাদানের ক্ষেত্রে সর্বজনীন নিয়ম প্রযোজ্য হবে।
বর্তমান রক্ষণশীল প্রধানমন্ত্রী পিটার ম্যাগিয়ার জানান, এই নিয়মগুলো "যেকোনো যৌন পরিচয়ের ঊর্ধ্বেই প্রযোজ্য হবে" এবং এটি দেশকে ইইউ-এর মানদণ্ডের সাথে মানিয়ে নিতে সহায়তা করবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, অপ্রাপ্তবয়স্কদের সামনে যৌন সহিংসতা, ম্যানিপুলেশন ও শোষণের প্রচার বরদাশত করা হবে না।
উল্লেখ্য, ২০২১ সালে ভিক্টর অরবানের সরকার শিশু সুরক্ষার অজুহাতে এই আইনটি পাস করে, যার মাধ্যমে অপ্রাপ্তবয়স্কদের মাঝে সমকামিতা সম্পর্কিত তথ্য প্রচার নিষিদ্ধ করা হয়। পরবর্তীতে এই আইনের অজুহাতে প্রাইড মার্চও নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। তবে ২০২৬ সালের এপ্রিলে ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ আদালত (ইসিজে) এক রায়ে জানায়, এই আইনটি ব্লকের মূল নীতি ও মানবাধিকারের পরিপন্থী।
এরপর, এপ্রিলে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে দীর্ঘ ১৬ বছর ক্ষমতায় থাকা অরবানকে পরাজিত করে পিটার ম্যাগিয়ার ক্ষমতায় আসেন। নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর এই আইনি পরিবর্তনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়াও, সমলিঙ্গের দম্পতিদের সন্তান দত্তক নেওয়ার ওপর থাকা বিধিনিষেধ শিথিল করার বিষয়টিও হাঙ্গেরি সরকার বিবেচনা করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ডিজিটাল অটোমেশনের মাধ্যমে পেপারলেস ও ক্যাশলেস প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত হচ্ছে। উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ জানিয়েছেন, ২০২৭ সালের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব কার্যক্রম অনলাইনে পরিচালিত হবে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষাবৃত্তি ও ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব তথ্য তুলে ধরেন।
উপাচার্য উল্লেখ করেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ইতিমধ্যে ক্যাশলেস হয়ে গেছে। কিছু ক্ষেত্রে নগদ অর্থের ব্যবহার এখনও রয়েছে, তবে সেটিও খুব শীঘ্রই সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করা হবে। এর ফলে একটি পূর্ণাঙ্গ ক্যাশলেস ইকোসিস্টেম গড়ে তোলা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ২০২৭ সালের মধ্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে পেপারলেস বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত করার একটি বড় লক্ষ্য রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সব কার্যক্রম অনলাইনে পরিচালিত হবে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য ডিজিটালি সংরক্ষণ করা হবে। এতে কোনো প্রিন্ট আউটের প্রয়োজন হবে না।
উপাচার্য জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন কাজে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ কাগজ ব্যবহার ও নষ্ট হয়। ডিজিটাল ব্যবস্থায় যাওয়ার মাধ্যমে কাগজের ব্যবহার কমানোর পাশাপাশি কার্বন নিঃসরণও হ্রাস করা সম্ভব হবে।
পরীক্ষা ব্যবস্থায় ডিজিটাল অটোমেশনের অগ্রগতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, যদি কোনো পরীক্ষা সকাল ১০টায় শুরু হয়, তবে ১০টা ১৫ মিনিটের মধ্যেই কতজন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন এবং কতজন অনুপস্থিত রয়েছেন, সেই তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। বর্তমান প্রশাসন দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রায় ৪০ লাখ শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে গত সাত মাসে ১৬ লাখ শিক্ষার্থীর পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।
ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় দ্রুততম সময়ে পরীক্ষার ফল প্রকাশের দিকে এগোচ্ছে। আগামী ১ অক্টোবর অক্সফোর্ড অ্যাসেসমেন্ট অথরিটির একটি প্রতিনিধিদল জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা ব্যবস্থা পর্যালোচনা করতে আসবে। এই ব্যবস্থা বাস্তবায়িত হলে দুই সপ্তাহের মধ্যে যেকোনো পাবলিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা সম্ভব হবে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. নাজমুল হোসাইনসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ