সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৫:৫৪ পি.এম
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন জানিয়েছেন যে, সরকার মাদ্রাসার শিক্ষাব্যবস্থাকে আধুনিকায়ন করার জন্য বিভিন্ন ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
তিনি সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীতে তানযীমুল উম্মাহ ফাউন্ডেশন কর্তৃক আয়োজিত কোরআন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে এই তথ্য প্রকাশ করেন।
শিক্ষামন্ত্রী আক্ষেপ করে বলেন, “আমরা দ্বীন শিক্ষা থেকে পিছিয়ে যাচ্ছি। এটা আমাদের জাতির জন্য কল্যাণকর নয়।”
তিনি আগামী দিনের শিক্ষাব্যবস্থায় ধর্ম শিক্ষার গুরুত্বের কথা উল্লেখ করে বলেন, “নাহলে আগামীর যে বাংলাদেশ আমরা চাচ্ছি সেটা পাবো না।”
এহসানুল হক মিলন আরও বলেন, “মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থাকে কীভাবে আধুনিক করা যায় সেটার জন্য আমরা অনেকগুলো উদ্যোগ নিয়েছি। আজকের সমাজে আমাদের বেঁচে থাকতে হলে শিক্ষাব্যবস্থাকে আধুনিকায়নের কোনো বিকল্প নেই।”
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেত্রকোনার পূর্বধলা বাজারের ড্রেনেজ ব্যবস্থা সংস্কার, যানজট নিরসন, ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের দাবি উঠেছে। বাজারের সার্বিক উন্নয়ন ও ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে এসব দাবি তুলে ধরেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে পূর্বধলা পাটবাজারে বাজার বণিক সমিতির নতুন কমিটি গঠন উপলক্ষে আয়োজিত সাধারণ সভায় এসব দাবি জানানো হয়।
সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন নেত্রকোনা জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও পূর্বধলা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ আবু তাহের তালুকদার। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শফিকুল ইসলাম ও পূর্বধলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বাজার বণিক সমিতির নবনির্বাচিত সভাপতি আব্দুল গফুর। সঞ্চালনা করেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক ইশতিয়াক আহামেদ বাবু।
সভায় ব্যবসায়ীরা বাজারের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরে বলেন, বাজারের পরিবেশ উন্নত করতে ড্রেনেজ ব্যবস্থার সংস্কার, যানজট নিরসন এবং নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা জরুরি। এ ছাড়া রাতের পাহারা জোরদার, গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, যানজট কমাতে নির্ধারিত স্ট্যান্ড নির্মাণ এবং কাঁচাবাজার স্থানান্তরের বিষয়েও আলোচনা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আবু তাহের তালুকদার বলেন, নবগঠিত কমিটিকে দ্রুত পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করে বাজারের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করতে হবে। ব্যবসায়ীরা যাতে নিরাপদে ও নির্বিঘ্নে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারেন, সে জন্য নিরাপত্তা জোরদার ও নিয়মিত পাহারার ব্যবস্থা নিশ্চিত করাসহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে। নতুন কমিটি ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষা ও বাজারের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ইউএনও শফিকুল ইসলাম বলেন, বাজারের সার্বিক উন্নয়ন ও ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষায় নবগঠিত পূর্ণাঙ্গ কমিটির সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে উপজেলা প্রশাসন। ব্যবসায়ীরা যাতে নিরাপদে ও নির্বিঘ্নে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারেন, সে লক্ষ্যে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তাসহ প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়া হবে।
তিনি বাজারে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, যানজট নিরসনে স্ট্যান্ড স্থাপন ও কাঁচাবাজার স্থানান্তরসহ বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নেত্রকোনা জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি আব্দুর রহিম তালুকদার, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি বাবুল আলম তালুকদার, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান ফকির, সায়েদ আল মামুন শহীদ ফকির, রুহুল আমিন ফকির, হাবিবুর রহমান হাবিব, আনোয়ারুল ইসলাম আনার, উপজেলা বিএনপির সদস্য আশরাফ উদ্দিন তালুকদার, পূর্বধলা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিদ্দিকুর রহমান বুলবুল, ধান ব্যবসায়ী তরুণ কুমার রায়সহ স্থানীয় রাজনৈতিক, সামাজিক ও ব্যবসায়ী নেতারা।
সভায় বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন কমিটির নেতৃত্বে বাজারের বিদ্যমান সমস্যাগুলো সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে। এর মাধ্যমে ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বাজারের পরিবেশ ও ব্যবসাবান্ধব কার্যক্রম আরও উন্নত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের অধীনস্থ সকল কার্যালয়কে শতভাগ তামাক ও ধূমপানমুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে, যা অধূমপায়ীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় পরোক্ষ ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করবে। এখন থেকে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সব কার্যক্রম তামাক নিয়ন্ত্রণ-সংক্রান্ত জাতীয় নির্দেশিকা অনুসরণ করে ধূমপানমুক্ত এলাকা হিসেবে পরিচালিত হবে।
সোমবার, রাজধানীর বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের প্রধান কার্যালয়ে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন ও বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সকল কার্যালয়কে শতভাগ তামাক ও ধূমপানমুক্ত ঘোষণা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই ঘোষণা দেন বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) মো. শফিকুল ইসলাম।
তিনি উল্লেখ করেন, খাদ্য কর্তৃপক্ষের সকল কার্যালয়ে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং প্রতিষ্ঠানটির সেবা নিতে আসা নাগরিকদের পরোক্ষ ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের তামাক নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের সমন্বয়কারী মো. শরিফুল ইসলাম মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, "তামাকের ধোঁয়ায় প্রায় ৭০০০ ধরনের রাসায়নিক পদার্থ রয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ২৫০ ধরনের রাসায়নিক পদার্থ মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর এবং মারাত্মক রোগ সৃষ্টি করে ও মৃত্যু ঘটায়।" তিনি আরও জানান, বাংলাদেশে প্রতিবছর তামাকের কারণে প্রায় ২ লাখ মানুষ প্রাণ হারায়। গ্যাটসের তথ্যমতে, আচ্ছাদিত কর্মক্ষেত্রে ৪২.৭ শতাংশ ও সরকারি কার্যালয়ে ২১.৬ শতাংশ অধূমপায়ী নারী-পুরুষ পরোক্ষ ধূমপানজনিত স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছে।
দেশে প্রায় ৩ কোটি ৭৮ লাখ মানুষ তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার করে। এর মধ্যে ১ কোটি ৯২ লাখ মানুষ ধূমপান করে এবং প্রায় ৪ কোটি মানুষ ধূমপান না করেও পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হচ্ছে। কর্মক্ষেত্রের পাশাপাশি, ৪২ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ কর্মক্ষেত্রে পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হন। সুতরাং, পরোক্ষ ধূমপানের ক্ষতি থেকে সকলকে রক্ষায় সকল পাবলিক প্লেসকে শতভাগ ধূমপানমুক্ত রাখতে হবে।
বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের এই উদ্যোগ অন্যান্য সরকারি প্রতিষ্ঠানেও শতভাগ ধূমপানমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার অনুপ্রেরণা সৃষ্টি করবে। বক্তারা তাদের বক্তব্যে সংশোধিত আইনের বিধিমালা দ্রুত প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বিধিমালা প্রণীত হলে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো আরও স্পষ্ট নির্দেশনা পাবে।
এ সময় বক্তারা ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্যের ক্ষতি থেকে সকলকে রক্ষায় সংশোধিত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন ২০২৬-এর বিধিমালা দ্রুত প্রণয়নের দাবি জানান। তারা বলেন, "বিধিমালা প্রণয়ন বিলম্বিত হলে আইনে অন্তর্ভুক্ত জনস্বাস্থ্য সুরক্ষামূলক ব্যবস্থাগুলোর সুফল জনগণের কাছে পৌঁছাতে দেরি হবে।"
বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের আইন কর্মকর্তা ফেরদৌস আরাফাতের সঞ্চালনায় আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সদস্য আনোয়ারুল ইসলাম সরকার, অতিরিক্ত পরিচালক কাউছারুল ইসলাম সিকদার, ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সেক্টরের সহকারী ডা. নায়লা পারভিন, আহ্ছানিয়া মিশন ইয়ুথ ফোরাম ফর হেলথ অ্যান্ড ওয়েলবিয়িংয়ের সদস্যসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় নাগরিক কমিটির শীর্ষ নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ, আইজিপির ‘অনুমতি পেলে ক্রসফায়ার’ সংক্রান্ত সাম্প্রতিক মন্তব্যের বিরুদ্ধে সরকারের কাছে কঠোর জবাবদিহি দাবি করেছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন, পুলিশ বাহিনীকে আবারো সাবেক বিতর্কিত কর্মকর্তাদের মতো বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও ক্রসফায়ারের পথে ঠেলে দিয়ে পুরো বাহিনীকে কলঙ্কিত করার চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে তিনি বাজারে সিন্ডিকেট, গ্যাস সংকট এবং মোড়ে মোড়ে প্রকাশ্য চাঁদাবাজির তীব্র নিন্দা জানান।
রাজধানীতে অনুষ্ঠিত এক প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘আইজিপি বলছেন—সরকার অনুমতি দিলে নাকি ক্রসফায়ার দিয়ে মানুষ মারতে তাঁরা প্রস্তুত। যারা ক্রসফায়ার আর গুলি করে মানুষ মারার হুমকি দেয়, তারা হচ্ছে ডিবির হারুন আর বেনজীরের বংশধর। এমন বক্তব্যের পর কোনো সভ্য দেশে ওই আইজিপি স্বপদে বহাল থাকতে পারতেন না।’
তিনি আরো উল্লেখ করেন, ‘জুলাই অভ্যুত্থানের পর ভেঙে পড়া মনোবল কাটিয়ে যখন সাধারণ পুলিশ সদস্যরা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন, তখন কতিপয় কর্মকর্তার এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্যের কারণে পুরো পুলিশ বাহিনীকে আবারো কলঙ্কিত হতে হচ্ছে। সরকার যদি এই বিষয়ে স্পষ্ট সিদ্ধান্ত না নেয়, তবে আমরা ধরে নেব তারা আবারও গুম, খুন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের অন্ধকার পথকেই বেছে নিচ্ছে।’
সমাবেশে মোংলার মিরাজের সন্ধান দাবি করে তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন কোস্টগার্ডের দ্বারা গুমের শিকার ব্যক্তিদের অবিলম্বে ফিরিয়ে দিতে হবে। এছাড়া রাজনৈতিক ভিন্নমতের কারণে হয়রানিমূলকভাবে আটক নারীর দ্রুত মুক্তির দাবি জানান তিনি।
দ্রব্যমূল্য ও সিন্ডিকেট নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘মুগদাবাসী গ্যাস সংকটে রান্না পর্যন্ত করতে পারছেন না। ১৮০০ টাকার গ্যাস সিলিন্ডার সাধারণ মানুষকে কিনতে হচ্ছে ২৫০০ থেকে ৩০০০ টাকায়। সরকারের প্রত্যক্ষ পৃষ্ঠপোষকতায় এসব সিন্ডিকেট ও চাঁদাবাজি জিয়ে রাখা হয়েছে।’
সরকারের কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতির কড়া সমালোচনা করে তিনি ব্যঙ্গাত্মক সুরে বলেন, "সরকার ১৮ মাসে দেড় কোটি কর্মসংস্থানের কথা বলেছিল। আমাদের তথ্য অনুযায়ী তারা ইতিমধ্যে এক কোটি কর্মসংস্থান নিশ্চিত করে ফেলেছে—আর তা হলো মোড়ে মোড়ে প্রকাশ্য চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজি! বাংলাদেশের মানুষ চাঁদাবাজির মাধ্যমে এমন কর্মসংস্থান চায়নি।’
তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ায় গড়ে ওঠা চাঁদাবাজি ও সিন্ডিকেট বন্ধ না হলে সাধারণ মানুষ রাজপথে নেমে নিজেদের অধিকার আদায় করে নেবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুরের কালকিনি পৌরসভায় তরুণ ও যুবসমাজকে খেলাধুলায় উৎসাহিত করতে শুরু হয়েছে ‘আন্তঃ ঠেংগামারা ফুটবল প্রিমিয়ার লিগ-২০২৬’। সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকেলে পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের ঠেংগামারা টাইগার ক্লাব-সংলগ্ন মাঠে এ টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন আসন্ন কালকিনি পৌরসভা নির্বাচনে সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম হাওলাদার।
নিজ পায়ে ফুটবলে লাথি মেরে আনুষ্ঠানিকভাবে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন তিনি। এ সময় মাঠে উপস্থিত থেকে খেলোয়াড়দের উৎসাহ দেন এই সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী। ঠেংগামারা এলাকার তরুণ ও যুবসমাজের উদ্যোগে এ ফুটবল প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নজরুল ইসলাম হাওলাদার বলেন, যুব ও ছাত্রসমাজকে খেলাধুলায় মনোযোগী করতে বর্তমান সরকার ‘নতুন কুঁড়ি’ কর্মসূচি চালু করেছে। তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। প্রিয় নেতা আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন ভাইয়ের নির্দেশনায় তিনি এ টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেছেন বলেও জানান।
আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে দলীয় সমর্থন পাওয়ার বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে নজরুল ইসলাম হাওলাদার বলেন, দলের প্রতি অতীতের অবদানের কারণে তিনি আশাবাদী, দল তাঁকে সমর্থন দেবে।
স্থানীয় তরুণ ও যুবসমাজের এ উদ্যোগ এলাকায় ক্রীড়াচর্চা বাড়ানোর পাশাপাশি পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ