বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৬:৫৭ পি.এম
২০৩৪ সালের পুরুষদের বিশ্বকাপ আয়োজক দেশ সৌদি আরব ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে। বিশ্বকাপ স্বত্ব বিক্রির পরিকল্পনা ভেস্তে যাওয়ার পর সংস্থাটির প্রধান বর্তমানে ব্যাপক বিরোধীতার মুখে রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) এক বিবৃতিতে সৌদি আরব ফুটবল ফেডারেশন ফিফার ভুল স্বীকার, ক্ষমা প্রার্থনা এবং প্রস্তাবটি বাতিলের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে। একই সঙ্গে ফুটবলের সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মধ্যে সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে ঐক্য ফিরিয়ে আনার আহ্বানও জানিয়েছে তারা।
ফেডারেশনটি তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিবৃতিতে বলেছে, ফুটবল পরিবারের মধ্যে ঐক্য পুনরুদ্ধার এবং সবার স্বার্থে খেলার প্রসার অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো ও ফিফা নেতৃত্বের চলমান প্রচেষ্টাকে এসএএফএফ সমর্থন করে।
উয়েফা, এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন এবং কনকাকাফ-এর বিরোধিতার মুখে ফিফা যখন ‘ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ’ নামক নতুন একটি বাণিজ্যিক উদ্যোগের মাধ্যমে ভবিষ্যতের বিশ্বকাপ থেকে আয়ের একটি অংশ বিক্রির পরিকল্পনা বাতিল করে। এরপর তিনি চাপের মুখে রয়েছেন। একই সঙ্গে তার নেতৃত্বের ওপর অনাস্থা এবং ফিফার ব্যাপক সংস্কারের দাবি জানিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেপালের ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যয়ের জন্য দায় এড়াতে চীন। কাঠমাণ্ডু ও বেইজিংয়ের মধ্যে সম্পর্কের ফাটল দেখা দিয়েছে।
নেপাল বর্তমানে ভয়াবহ বন্যার কবলে রয়েছে, যেখানে মৃতের সংখ্যা ৩৩২ জনে পৌঁছেছে।
বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটে দেশটির পুলিশ এই তথ্য প্রকাশ করেছে।
এর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই পরিস্থিতিতে চীন নেপালের বিপর্যয়ের দায় নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। বেইজিং স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে, দোষারোপ করে কোনো লাভ নেই। ফলে, কি চীন-কাঠমাণ্ডুর সম্পর্কের মধ্যে ফাটল দেখা দিয়েছে? এই প্রশ্ন এখন জোরালো হয়ে উঠেছে।
বুধবার ভয়াবহ এই দুর্যোগের পর নেপাল চীনের দিকে আঙুল তোলার সিদ্ধান্ত নেয়। তারা অভিযোগ করে, চীনের একটি বাঁধ ভেঙে পড়ার কারণে এই আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বিপদের সংকেত বুঝেও কাঠমাণ্ডুকে সতর্ক করেনি বেইজিং।
নেপালের সকল দাবি চীন নাকচ করে দিয়েছে।
এছাড়া, এ ধরনের খবরকে ‘ভুয়া’ বলেও অভিহিত করেছে প্রতিবেশী দেশটি।
নেপালের চীনা দূতাবাস সোশ্যাল মিডিয়াতে এক বিবৃতিতে জানায়, ‘বিপর্যয়ের সূচনা ঘটে নেপালের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে। গত ২৬ আগস্ট সকালে নেপালে ভূমিকম্প অথবা হিমবাহ ধসের ঘটনা ঘটে। এর ফলে কাদা ধস সৃষ্টি হয়। এই কারণেই গিরং-রাসুয়াগাধি সীমান্ত অঞ্চলে নেপাল ও চীনে প্রাণহানি এবং নিখোঁজের ঘটনা ঘটে।
বেইজিং জানায়, দোষারোপ করে কোনো লাভ নেই। সহযোগিতাই জীবন বাঁচায়।
এদিকে, ইউএসজিএস প্রাথমিকভাবে জানায়, বুধবার ভোরে কাঠমাণ্ডু থেকে প্রায় ৬৬ কিলোমিটার উত্তরে নেপাল-চীন সীমান্তের কাছে ৪.৪ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিল। তবে পরে তারা তাদের মূল্যায়ন সংশোধন করে জানায়, এই কম্পন ভূমিকম্পের কারণে হয়নি। এটি হিমবাহ ধসের ফলস্বরূপ। রিখটার স্কেলে এই কম্পনের তীব্রতা ছিল ৫.২।
সংস্থাটি জানায়, নিকটবর্তী ভূ-কম্পন পরিমাপক কেন্দ্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য, ভূ-কম্পন তরঙ্গ এবং উপগ্রহ চিত্র বিশ্লেষণ করে তারা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে।
সংস্থাটি আরও জানায়, হিমবাহ ধসের ফলে বিপুল পরিমাণ বরফ ও পাথর নিচের দিকে নেমে আসে এবং আকস্মিক জলোচ্ছ্বাস সৃষ্টি করে। এর ফলে উপত্যকার নিচের জনবসতিগুলি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
জলবায়ু বিশেষজ্ঞরাও এই বন্যার পেছনে হিমবাহ ধসকেই দায়ী করছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হরমুজে চলমান উত্তেজনা প্রশমনে পর্দার আড়ালে আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে কূটনীতি। সংশ্লিষ্ট সূত্রের খবর, তেহরান কিছুটা ছাড় দিলে পুনরায় আলোচনার টেবিলে ফিরতে প্রস্তুত থাকার স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে ওয়াশিংটন।
গত ৭২ ঘণ্টায় ইরানের সঙ্গে বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক যোগাযোগ অনেকটাই বেড়েছে। মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান, ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী তেহরান সফর করেছেন। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালির অচলাবস্থা নিরসনে ইরান ও ওমানের মধ্যে নতুন সমঝোতার একটি উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই নৌপথের বিষয়টিই ছিল তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার সবচেয়ে বড় বিরোধের জায়গা।
এদিকে কাতারের প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি প্রমাণ করে, তেহরানে বার্তা আদান-প্রদানের পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে। ওয়াশিংটন ইঙ্গিত দিয়েছে, ইরান কিছু বিষয়ে ছাড় দিলে তারা আলোচনায় বসতে আগ্রহী।
তবে এই কূটনৈতিক তৎপরতার ক্ষেত্রে বড় বাধা হলো ইরানের অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের জটিলতা। সেখানে বাসিজ, আইআরজিসি, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং প্রেসিডেন্টের দপ্তর আলাদাভাবে ভূমিকা রাখছে। মধ্যস্থতাকারীরা যদি এই সব পক্ষকে এক টেবিলে আনতে না পারেন, তবে এই আলোচনা ফলপ্রসূ হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।
বিডিপ্রতিদিন/কেকে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সংসদ ভবন, ২৭ আগস্ট, ২০২৬ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, পুলিশের জনবল বৃদ্ধির জন্য নতুন ৪ হাজার এসআই, ৪ হাজার সার্জেন্ট ও ১০ হাজার কনস্টেবল পদ সৃজনের পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি জানান, পুলিশের জনবল বৃদ্ধি সংক্রান্তে বর্তমান সরকারের গৃহীত পরিকল্পনা হলো— নতুন ৪ হাজার এসআই (নিরস্ত্র), ৪ হাজার সার্জেন্ট এবং ১০ হাজার কনস্টেবল পদ সৃজন করা।
আজ সংসদে রংপুর-৬ আসনের বিরোধী দলের (জামায়াতে ইসলামী) সদস্য মো. নুরুল আমীনের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ তথ্য জানান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, এই পদসমূহ সৃজিত হলে রংপুর জেলাতেও জনবল বৃদ্ধি পাবে।
তিনি জানান, পুলিশের যানবাহন প্রদান সংক্রান্তে বর্তমান সরকারের গৃহীত পরিকল্পনা নিম্নরূপ: আগামী ৫ অর্থবছরে পর্যায়ক্রমে টিওএন্ডইভুক্ত যানবাহন ও জলযানের ঘাটতি রাজস্ব বাজেটের মাধ্যমে ক্রয়পূর্বক পূরণ করা।
যানবাহনের প্রকৃত প্রয়োজনীয়তা নির্ধারণ করার জন্য সম্ভাব্যতা যাচাইপূর্বক উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের মাধ্যমে যানবাহনের ঘাটতি পূরণ করা।
নবসৃষ্ট ইউনিট, জনবল এবং কাজের পরিধি বিবেচনায় টিওএন্ডইতে যানবাহন ও জলযানের সংখ্যা বৃদ্ধি করা।
পর্যায়ক্রমে মাঠ পর্যায়ের ইউনিটসমূহে প্রয়োজনীয় যানবাহন সরবরাহ করা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভরা মৌসুমেও ইলিশের আকাল, জীবিকা সংকটে জেলে
“২০ দিন ধরে নদীতে যাই আর আই। ২০ দিন পর দুইডা মাছ পাইছি।
নদীতে যাওয়া মানুষের দেনা কইরা, আল্লায় মাছ দিলে দেনা হোদ দিয়া দিমু। কিন্তু নদীতে গিয়ে খালি হাতে ফিরতে হয়। গাঙ্গে তো যাই আশা কইরা, আল্লায় যদি মাছ না দেয় কিয়ারুম? আমগো তো আর কিছু করার নাই।”
এই কথাগুলো বলছিলেন ভোলার শিবপুরের ভোলার খাল মাছঘাটের ষাটোর্ধ্ব ওয়াদুদ মাঝি।
সম্প্রতি ভোলা সদর উপজেলার শিবপুর মাছঘাট এলাকায় গেলে দেখা মেলে ষাটোর্ধ্ব জালাল আহম্মদ ও ওয়াদুদ মাঝির। জ্বালানি খরচ পোষাতে না পেরে ইঞ্জিনচালিত ট্রলার রেখে দাড়ের নৌকায় মাছ শিকারে মেঘনায় যান তারা। তবে ঘাম ঝরানো কষ্টের পরও ইলিশ না পাওয়ায় আয়ের পরিবর্তে তাদের দেনাই বাড়ছে বলে জানান তারা।
এটি শুধুমাত্র জালাল আহম্মদ ও ওয়াদুদ মাঝির সমস্যা নয়, ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে মাছ শিকার করা প্রায় সব জেলেরই একই অবস্থা।
মনপুরার উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের তালতলি মাছঘাটের জেলে মো. ফরিদ মাঝি। ৪৫ বছর জীবনের তিন দশকই কাটিয়েছেন মেঘনা নদীতে মাছ শিকার করে। এক সময় অন্যের নৌকায় মাছ শিকার করলেও এখন তিনি একটি মাঝারি আকারের নৌকার মালিক। ওই নৌকায় তিনিসহ সাতজন জেলে মাছ শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করেন।
ফরিদ মাঝি জানান, এত দিন নদীতে মাছ শিকার করে তাদের জীবন ভালোই চলছিল।
তবে চলতি মৌসুমে নদীতে মাছ না পাওয়ায় হতাশায় দিন কাটছে তাদের। তিনি জানান, গত দুই মাস নদীতে মাছ শিকারে গিয়ে নৌকার জ্বালানিসহ তাদের খরচ হয়েছে প্রায় ৫০ হাজার টাকা। মাছ বিক্রি করে পেয়েছেন ৬৪ হাজার টাকা। দুই মাসে একেকজন জেলে ১২০০ থেকে ১৩০০ টাকা করে পেয়েছেন, যা একজন শ্রমিকের এক দিনের মজুরি।
মো. ফরিদ মাঝি বলেন, “প্রতিদিনই মাছের আশায় নদীতে যাই, কিন্তু দিন শেষে খালি হাতে ফেরা লাগে। এভাবে চলছে গত দুই মাস ধরে। মেঘনায় ইলিশের ভরা মৌসুম চললেও নদীতে মাছের তেমন দেখা নাই। দিন দিন আড়ত মালিকের দাদনের বোঝা বাড়তে বাড়তে ৯ লাখে এসে দাঁড়িয়েছে। এনজিওর ঋণ ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা। পাঁচ সদস্যের সংসার চালাতে গিয়ে অনেকটা দিশেহারা হয়ে পড়ছি।”
মনপুরার ফরিদ মাঝির মতো চরম হতাশা নিয়ে দিন কাটছে ভোলার দুই লক্ষাধিক জেলের। ভরা মৌসুমেও এমন সংকটের কারণ খুঁজে পাচ্ছে না স্থানীয় মৎস্য বিভাগ; সংকট নিরসনে বিকল্প উপায় জানা নেই তাদের।
জেলা মৎস্য অফিসের তথ্য অনুযায়ী, ভোলায় মোট নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা এক লাখ ৬৮ হাজার। এর মধ্যে সমুদ্রগামী জেলে ৬৪ হাজার। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জেলায় মোট ইলিশ পাওয়া গেছে এক লাখ ৮১ হাজার ৩৪২ মেট্রিক টন, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তা নেমে দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৭৯ হাজার ৩৩১ মেট্রিক টনে। এই দুই বছরে এক দশমিক ১২ শতাংশ ইলিশ কম পাওয়া গেছে।
এ ছাড়া ২০২১-২২ অর্থবছরে পাওয়া ইলিশের পরিমাণ ছিল এক লাখ ৭৮ হাজার ৯০৫ মেট্রিক টন, ২০২২-২৩ অর্থবছরে এক লাখ ৭৯ হাজার ৯৯৪ মেট্রিক টন এবং ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এক লাখ ৬৮ হাজার ৬৭৪ মেট্রিক টন। এই পাঁচ বছরের মধ্যে ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে সবচেয়ে বেশি ইলিশ পাওয়া গেলেও পরে তা কমেছে।
সূত্র জানায়, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে এক লাখ ৮০ হাজার মেট্রিক টন ইলিশের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কী পরিমাণ ইলিশ পাওয়া গেছে, তা জানাতে পারেনি স্থানীয় মৎস্য বিভাগ।
জেলার বিভিন্ন মাছঘাট ঘুরে জেলেদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আষাঢ়-শ্রাবণ মাস থেকে ইলিশের ভরা মৌসুম শুরু হলেও ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে ইলিশের চরম আকাল চলছে। গত দুই-তিন মাস ধরে কাঙ্খিত ইলিশ না পেয়ে জীবন-জীবিকার সংকটে পড়েছেন জেলে ও মৎস্যজীবীরা। উচ্চ মূল্যের জ্বালানি পুড়ে নদী থেকে ফিরছেন খালি হাতে। এতে দিন দিন বাড়ছে দাদনের বোঝা। তবে এখনও আশায় বুক বেঁধে নদীতে নামছেন ইলিশ শিকারীরা।
ভোলা ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সিমিতির সভাপতি মো. এরশাদ ফরাজি জানান, জেলেরা প্রতিবছর এই সময়ে আশা করে ভরপুর ইলিশ মাছ পাবে। কিন্তু এ বছর ভরা মৌসুমেও ইলিশের দেখা নেই। জেলেরা নদীতে গিয়ে খালি হাতে ফিরে আসছে। এতে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে অনেক কষ্টে দিন পার করছেন তারা।
ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসাইন বলেন, ইলিশ সাগর ও নদী—দুই জায়গায়ই চলাচল করে। নদীতে অসংখ্য ডুবোচরের কারণে তাদের চলাচলে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে। এ ছাড়া জলবায়ু পরিবর্তন ও অবৈধ জালসহ নানা কারণে ইলিশ কমে যাচ্ছে। তার পরও আরো এক-দুই মাস অপেক্ষা করে দেখতে হবে। তাহলে আসল চিত্রটা বোঝা যাবে।
বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. তায়েফা আহমেদ কালের কণ্ঠকে বলেন, নদীতে ইলিশ কম পাওয়ার পেছনে সরাসরি কোনো একটিকে নির্দিষ্ট করে বলা যাচ্ছে না। এমনিতেই আমার নদীতে ডুবোচরের পাশাপাশি নদীর দূষণের কথা বলছি। এ সময় নদীতে ইলিশ আসার কথা, আমরা আরেকটু অপেক্ষা করি।
তায়েফা আহমেদ বলেন, সামনে সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাস ইলিশের ডিম ছারার সময়। সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি ইলিশের আসল চিত্রটি বলা যাবে। তিনি বলেন, বর্তমানে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে অনেক কিছুরই পরিবর্তন হচ্ছে। তাই ইলিশ কমে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে গবেষণা চলছে, মাঠ পর্যায় থেকে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হচ্ছে। এখনই কারণ হিসেবে কোনো কিছুকে নির্দিষ্ট করা যাবে না
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ