মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০১:১০ এম
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম দাবি করেছেন যে, বিএনপি সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে থাকলে সব ধর্মের মানুষ সমঅধিকার পায়।
তিনি সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাতে ফরিদপুরের সালথায় শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে মণ্ডপ পরিদর্শনকালে এ কথা বলেন।
শামা ওবায়েদ বলেন, ‘বিগত বছরগুলো এবং চলতি বছরের পূজা উদ্যাপনের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। বর্তমানে আমরা একটি গণতান্ত্রিক সরকারের অধীনে রয়েছি। গত ফেব্রুয়ারি মাসে জনগণের বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করেছে বিএনপি। এই সরকার সব ধর্মের মানুষের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘গত ১৭ বছর মানুষ একটি কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে পার করেছেন। তবে এবারের শারদীয় দুর্গাপূজায় সব ধর্মের মানুষ এক হয়ে, ভাই ভাই হিসেবে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে উৎসব পালন করছেন। এটাই বাংলাদেশের সৌন্দর্য ও মাধুর্য। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার অংশগ্রহণে সম্প্রীতির এই বন্ধন আরও সুদৃঢ় হবে।’
শামা ওবায়েদ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের অবস্থান তুলে ধরে বলেন, ‘আমরা ১৮ কোটি মানুষকে আশ্বস্ত করতে চাই, তারা যে ধর্মের বা বর্ণেরই হোন না কেন, সবাই সমঅধিকার নিয়ে বাঁচবেন। আমরা সংখ্যালঘু শব্দে বিশ্বাস করি না। পূজামণ্ডপগুলোতে বিগত সরকারের সময়ের বরাদ্দের চেয়ে এবছর বর্তমান সরকার বরাদ্দও বেশি দিয়েছে।’
তিনি বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘নিজেদের মধ্যে কোনো ধরনের কোন্দল সৃষ্টি করা যাবে না। সবাইকে মিলেমিশে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজের মধ্য দিয়ে সংগঠনকে শক্তিশালী করতে হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকির কঠোরভাবে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, অপরাধীরা যতই ক্ষমতাবান হোক, তাদেরকে কোনো ছাড় দেয়া হবে না।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জ শহরের রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রমে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে তিনি এই হুঁশিয়ারি দেন। প্রেস ব্রিফিংয়ে আইজিপি বলেন, ‘মাদক ও কিশোর গ্যাং পাড়া মহল্লাগুলোতে ভয়াবহভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। সব অপরাধের মূল কারণ হচ্ছে মাদক। মাদকের কারণে হত্যাকাণ্ডের ঘটনাও ঘটছে।’
তিনি মাদক, কিশোর গ্যাং এবং চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করে বলেন, ‘অপরাধীরা যে ধর্মের, মতের বা যত ক্ষমতাবান হোক না কেন, পুলিশ তাদের কাউকেই রেহাই দেবে না।’
আলী হোসেন ফকির উল্লেখ করেন, পাড়ায় পাড়ায় যুব সমাজ মাদকের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পড়েছে। তিনি বলেন, ‘তারা পড়াশোনা ছেড়ে এখন বিভিন্ন অন্ধকার জায়গায় নেশা করছে। এর ফলে বড় বড় খুনের ঘটনা ঘটছে। সব কিন্তু নেশাগ্রস্ত লোকের কারণে। কিশোর গ্যাং নির্মূলে আমরা কাজ করছি।’
কিশোর গ্যাংয়ের প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘আজ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে একটি সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। ওসি সদস্য সচিব হবে এবং টিএনও সভাপতি হবে।’
আইজিপি ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ও তার পরবর্তী সময়ে পুলিশের মধ্যে ভীতিকর পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘জুলাই অভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর যে অবস্থান ছিল, পুলিশ রাস্তায় ডিউটি করতে ভয় পেত। সেখান থেকে পুলিশকে আমরা ঘুরে দাঁড়াতে সক্ষম করেছি। তাদের মনোবল, ক্যাপাসিটি ও স্কিল বৃদ্ধির জন্য আমরা সার্বিকভাবে চেষ্টা করছি। মানুষ যাতে নিরাপদে ঘরে বসবাস করতে পারে এবং দিনে রাতে নির্ভয়ে চলাচল করতে পারে, সেই পরিবেশ সৃষ্টি করেছি। আপনারা আমাদের সহযোগিতা করুন। সহযোগিতা ছাড়া কিন্তু হবে না।’
আইজিপি আলী হোসেন ফকির আইন প্রয়োগ যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করতে দেশের প্রচলিত সব আইন মেনে চলতে প্রতিটি নাগরিককে আহ্বান জানান।
আইন প্রসঙ্গে নাগরিক সমাজকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘আইন ঠিক রাখতে হলে সিটিজেনদের আইন মানতে হবে। আইন ভঙ্গকারী সিটিজেন তো দেশের কোনো উপকারে আসবে না। সেই বিষয়গুলো নিয়ে আমরা সবাই একযোগে কাজ করব। আইনকে প্রতিষ্ঠিত করব। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে আরো ইম্পায়ার করব। তা না হলে তো আপনার আমার কারো ভবিষ্যৎ নিরাপদ নয়।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী মন্তব্য করেছেন যে, বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক সংকট এবং মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির প্রভাবে জ্বালানি খাত বর্তমানে অর্থনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেছেন, বিগত সরকারের কাছ থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া রাজস্ব ঘাটতি, ব্যাংক খাতের বিশৃঙ্খলা এবং বিদেশে অর্থ পাচারের মতো গভীর সংকট কাটিয়ে উঠতে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফআইসিসিআই) আয়োজিত ‘সাসটেইনেবল পাওয়ার অ্যান্ড এনার্জি : ড্রাইভিং ইনভেস্টমেন্ট ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
এ সময় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী দেশের জ্বালানি খাতের উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সংস্কারে সরকারের পরিকল্পনা তুলে ধরেন। তিনি জানান, সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে সরকার পূর্ণাঙ্গ কর অব্যাহতি ও প্রণোদনা সুবিধা প্রদান করেছে। বাসাবাড়ি এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠানের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপনে উৎসাহিত করা হচ্ছে। পাশাপাশি, এসব প্যানেলের মাধ্যমে উৎপাদিত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ স্বাভাবিক দরের চেয়ে বেশি মূল্যে কিনে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর ফলে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হবে।
আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আরও বলেন, অফশোর এবং অনশোর গ্যাস অনুসন্ধানের কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। চুক্তিভিত্তিক অনুসন্ধানের পাশাপাশি বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেডকে (বাপেক্স) শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে ১৫০টি কূপ খননের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
গ্যাস সংকট নিরসনে তিন থেকে চারটি নতুন ভাসমান সংরক্ষণ ও পুনর্গ্যাসীকরণ টার্মিনাল (এফএসআরইউ) চালুর পরিকল্পনা রয়েছে উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, এ উদ্যোগে কোরিয়ান, চাইনিজ এবং আমেরিকান বেসরকারি বিনিয়োগকারীরা যুক্ত হচ্ছেন।
আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আরও জানান, মাতারবাড়ীর পাশাপাশি খুলনার কাছে ২০ মিটার গভীরতাসম্পন্ন একটি নতুন স্থান চিহ্নিত করা হয়েছে। সেখানে বড় জাহাজ থেকে সরাসরি তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) খালাসের সুবিধাসংবলিত আধুনিক টার্মিনাল স্থাপন করা হবে। এর মাধ্যমে একটি জ্বালানি হাব গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।
অর্থমন্ত্রী জানান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) নীতি নির্ধারণ ও বাস্তবায়ন—এই দুটি পৃথক বিভাগে বিভক্ত করা হচ্ছে। এর ফলে নীতি প্রণয়নে স্বার্থের সংঘাত এবং দুর্নীতি কমবে। একই সঙ্গে ব্যাংকিং খাত ও পুঁজিবাজার পুনর্গঠন এবং ব্যবসার ব্যয় কমিয়ে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে নিয়ন্ত্রণমূলক বিধিনিষেধ শিথিলের উদ্যোগ জোরদার করা হয়েছে।
আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, হংকং পুঁজিবাজারে বাংলাদেশের জন্য একটি ডেডিকেটেড ইকুইটি ফান্ড গঠন করা হচ্ছে। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াল স্ট্রিটের শীর্ষ বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনার মাধ্যমে দেশের পুঁজিবাজার ও বন্ড খাতে বড় ধরনের আন্তর্জাতিক বিনিয়োগের প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
একটি যৌক্তিক সময়ের মধ্যে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি ও জ্বালানি খাত স্থিতিশীল হবে বলে আশা প্রকাশ করে আমির খসরু বলেন, অর্থনীতি স্থিতিশীল হলে তা স্বাভাবিক গতিতে ফিরবে এবং পরবর্তী সময়ে দ্রুত প্রবৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে।
অনুষ্ঠানে প্যানেল আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শেভরন বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক শু শিয়ং, ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তামিম, সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক ড. নাজনীন আহমেদ এবং বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশনের (এফবিসিসিআই) প্রশাসক ফজলুল হক।
এ ছাড়া এফআইসিসিআইয়ের প্রতিনিধি, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, অর্থনীতিবিদ এবং দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
উটের প্রস্রাবের উপাদান থেকে তৈরি পণ্য ব্যবহার করলে কি ক্যানসার সারানো সম্ভব? সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই দাবির ব্যাপারে সৌদি আরব তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে।
দেশটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আলোচনায় থাকা পণ্যটি ক্যানসারের চিকিৎসার জন্য কোনো ওষুধ নয়; বরং এটি শরীরের দৈনিক পুষ্টির চাহিদা পূরণে সহায়তা করার জন্য খাদ্যসম্পূরক হিসেবে নিবন্ধিত। ক্যানসারের চিকিৎসায় ব্যবহারের জন্য পণ্যটিকে অনুমোদন দেওয়া হয়নি।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ জানাচ্ছে, উটের মূত্রের সক্রিয় উপাদান থেকে তৈরি ক্যানসারের ওষুধ অনুমোদন দেওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর তা নাকচ করেছে সৌদি আরবের খাদ্য ও ওষুধ কর্তৃপক্ষ (এসএফডিএ)। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই দাবিকে মিথ্যা বলেও উল্লেখ করেছে সংস্থাটি।
নিজেদের এক্স অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এসএফডিএ জানায়, আলোচনায় থাকা পণ্যটি ক্যানসারের চিকিৎসার জন্য অনুমোদিত ওষুধ নয়। এটি খাদ্যসম্পূরক হিসেবে নিবন্ধিত হয়েছে।
কর্তৃপক্ষ জানায়, নিবন্ধিত পণ্যটিতে বিভিন্ন ভিটামিন ও খনিজ উপাদানের মিশ্রণ রয়েছে। এর উদ্দেশ্য হলো শরীরের প্রতিদিনের পুষ্টির চাহিদা পূরণে সহায়তা করা। পণ্যটির অনুমোদিত ব্যবহার শুধুমাত্র খাদ্যসম্পূরক হিসেবে সীমাবদ্ধ। রোগের চিকিৎসায় এটি কার্যকর—এমন কোনো অনুমোদিত দাবি নেই।
সৌদি এই কর্তৃপক্ষ আবারও স্পষ্ট করেছে, ক্যানসারের চিকিৎসায় ব্যবহারের জন্য পণ্যটিকে অনুমোদন দেওয়া হয়নি। এ বিষয়ে এর বিপরীত দাবি করে প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলোও নাকচ করেছে সংস্থাটি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাকিস্তানের রিয়েলিটি শো ‘তামাশা ৫’-এর রানারআপ এজরা আয়েশা জানিয়েছেন যে, তিনি এখন পর্যন্ত ৬০ থেকে ৭০টি বিয়ের প্রস্তাব গ্রহণ করেছেন। এসব প্রস্তাবের মধ্যে কিছু বিবাহিত পুরুষের প্রস্তাবও অন্তর্ভুক্ত ছিল।
সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে, এজরা বিয়ের প্রস্তাব এবং তার জীবনসঙ্গী সম্পর্কে নিজের পছন্দের কথা তুলে ধরেন।
এজরা জানান, তার দাদি চেয়েছিলেন যে, তিনি যেন চাচাতো ভাইকে বিয়ে করেন। তবে এজরা স্পষ্ট করেছেন যে, তিনি বিয়ের আগে নিজের ক্যারিয়ারকে গুছিয়ে নিতে চান।
অভিনেত্রী আরও জানান, এক বিবাহিত রাজনীতিবিদ তাকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। ওই ব্যক্তি তাকে বিয়ে করলে বিভিন্ন বিলাসী সুযোগ-সুবিধা যেমন গাড়ি, ক্রেডিট কার্ড এবং ভ্রমণের প্রস্তাব দিয়েছিলেন বলে দাবি করেন এজরা।
যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী এক বিবাহিত পুরুষও তাকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। এজরার ভাষ্য অনুযায়ী, ওই ব্যক্তি দাবি করেছিলেন যে, তার স্ত্রী দ্বিতীয় বিয়ে মেনে নিতে রাজি আছেন।
তবে এজরা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে, তিনি বিবাহিত কোনো পুরুষকে বিয়ে করতে চান না। তিনি অন্য কোনো নারীর সংসার ভাঙতে চান না।
এজরা বলেন, তিনি এমন একজন জীবনসঙ্গী খুঁজছেন, যিনি নারীদের সম্মান করবেন এবং শুধুমাত্র তার প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবেন।
সূত্র: ডেইলি পাকিস্তানি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ