ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

হবিগঞ্জে খোয়াই নদীর বাঁধ পরিদর্শনে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী


হবিগঞ্জে খোয়াই নদীর বাঁধ পরিদর্শনে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ আজ হবিগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার লস্করপুর ইউনিয়নের কালিগঞ্জে ভেঙ্গে যাওয়া খোয়াই নদীর বাঁধ পরিদর্শন করেছেন।

আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টায় তিনি নদীর ভাঙন অংশ পরিদর্শন করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য হুইপ আলহাজ্ব জিকে গউছ, হবিগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. সাখাওয়াত হাসান জীবন, জেলা প্রশাসক ড. জি এম সরফরাজ, হবিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সায়েদুল হক এবং স্থানীয় এলাকাবাসী।

আরও পড়ুন: বিজয়নগরে মোটরসাইকেলে স্কাফ সিরাপ বহন, ৭৫ বোতলসহ দুইজন গ্রেপ্তার

পরিদর্শনকালে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, "প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে এখানে এসেছি, যাতে স্থায়ী সমাধান করা যায়।"

তিনি আরও বলেন, "মানুষের দুঃখ কষ্ট দূর করতে যে প্রকল্প গ্রহণ করা উচিত, আমরা দ্রুতই তা করবো। আপাতত আমরা জিও ব্যাগ দিয়ে এখানে বাঁধ মেরামত করবো।"

এছাড়া তিনি উল্লেখ করেন, "হবিগঞ্জ শহর যেন কোনোভাবেই প্লাবিত না হয়, সেজন্য আমরা বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ করেছি। আশা করি বর্ষার পরপরই প্রকল্পের কাজ শুরু করবো।"

উল্লেখ্য, গত রোববার সকালে খোয়াই নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বাঁধ ভেঙ্গে অন্তত ৩০টি গ্রাম তলিয়ে যায়। পানিবন্দি হয়ে পড়ে ৫০ হাজার মানুষ।

আরও পড়ুন: বদলগাছীতে গ্রাম পুলিশ সদস্যদের মধ্যে ৬৩টি বাইসাইকেল বিতরণ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাধবপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের নির্দেশনায় শিক্ষকের মাঝে ধূম্রজালের সৃষ্টি হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ শরীফ উদ্দিন

মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:১৩ পি.এম


মাধবপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের নির্দেশনায় শিক্ষকের মাঝে ধূম্রজালের সৃষ্টি হয়েছে

আগামীকাল ২৬ আগষ্ট ইসলাম ধর্মালম্বীদের পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী। যা পালন করতে প্রত্যেক স্কুল শিক্ষকের নির্দেশা দেওয়া হয়েছে। অপদিকে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের শতবর্ষ পালন করতেও বলে দিয়েছেন শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ জাকিরুল ইসলাম।
এ নিয়ে প্রাগমিক শিক্ষক সমাজ সিদ্ধান্তহীনতা ও আতংকিত হয়ে আছে। দেশ ব্যাপী ঈদে মিলাদুন্নবী পালনের বিরোধীতা করে কওমী পন্থি ও তৌহিদি জনতার ব্যানারে হুশিয়ারী দিয়ে আসছে। এই আতংকিত পরিস্থিতির মাঝে ঈদে মিলাদুন্নবী(সাঃ) একই দিনে স্কুলে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের শতবর্ষ অনুষ্ঠান পালন করতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিত্য-পণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে ৮ হাজার কোটি টাকার পণ্য কিনবে টিসিবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:১৫ পি.এম


নিত্য-পণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে ৮ হাজার কোটি টাকার পণ্য কিনবে টিসিবি

নিত্য-প্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে সরকারি বিপণন সংস্থা ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকার পণ্য কেনার পরিকল্পনা করছে। সংস্থাটি ভোজ্যতেল, মসুর ডাল ও চিনির পাশাপাশি ছোলা ও খেজুরও সংগ্রহ করবে।

টিসিবির পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রাথমিকভাবে এসব পণ্যের প্রায় অর্ধেক দেশীয় উৎস থেকে এবং বাকি অর্ধেক আন্তর্জাতিক বাজার থেকে সংগ্রহ করা হবে। তবে, যদি আন্তর্জাতিক বাজার থেকে পণ্য সংগ্রহ তুলনামূলক বেশি প্রতিযোগিতামূলক ও নির্ভরযোগ্য হয়, তাহলে বিদেশ থেকে কেনার পরিমাণ বাড়ানো হতে পারে।

টিসিবির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ ফয়সল আজাদ আজ এক সাক্ষাৎকারে এসব তথ্য প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, "আন্তর্জাতিক বাজার থেকে পণ্য সংগ্রহ বেশি প্রতিযোগিতামূলক ও নির্ভরযোগ্য হলে বিদেশ থেকে সংগ্রহের পরিমাণ বাড়ানো হতে পারে।"

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি অর্থবছরের জন্য টিসিবি একটি ক্রয় পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে, যার আওতায় স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক উৎস থেকে ২২ কোটি লিটার ভোজ্যতেল, ২ লাখ ২০ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল, ১ লাখ ১০ হাজার মেট্রিক টন চিনি, ১৪ হাজার মেট্রিক টন ছোলা এবং ৪ হাজার ৪০০ মেট্রিক টন খেজুর কেনা হবে।

পণ্যের পর্যাপ্ত মজুত ও ভোক্তাদের মধ্যে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে টিসিবি মাসভিত্তিক চাহিদা, বরাদ্দ, গুদামে থাকা মজুত এবং পাইপলাইনে থাকা সরবরাহ নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করছে।

মজুত ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করতে গুদাম সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নিয়েছে টিসিবি। বর্তমানে সংস্থাটির ৪০টি গুদাম রয়েছে, যার মধ্যে ৯টি নিজস্ব এবং ৩১টি ভাড়ায় নেওয়া। এসব গুদামের মোট ধারণক্ষমতা প্রায় ৪৮ হাজার ৩৭০ মেট্রিক টন। এর মধ্যে নিজস্ব গুদামের ধারণক্ষমতা ১৩ হাজার ৩৭১ মেট্রিক টন এবং ভাড়ার গুদামের ৩৪ হাজার ৯৯৯ মেট্রিক টন।

চলমান কার্যক্রমের জন্য টিসিবির বর্তমান মজুত পরিস্থিতি সন্তোষজনক বলে জানিয়েছেন চেয়ারম্যান ফয়সল আজাদ। তিনি বলেন, "নিত্যপণ্যের প্রাপ্যতা নিশ্চিত ও বাজার স্থিতিশীল রাখতে, বিশেষ করে সরকারি সহায়তায় পণ্য পাওয়া ভোক্তাদের জন্য ক্রয় ও মজুত ব্যবস্থাপনা জোরদার করা হচ্ছে।"

সরকারি ভর্তুকির ওপর নির্ভরতা কমাতেও কাজ করছে টিসিবি। প্রতিযোগিতামূলক দামে পণ্য কিনে কিছু পণ্য সামান্য মুনাফায় বিক্রির মাধ্যমে ভর্তুকি নির্ভরতা কমানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

ফয়সল আজাদ বলেন, সরকার টিসিবিকে বাজারের চাহিদার সঙ্গে আরও দ্রুত সাড়া দিতে সক্ষম একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করছে। একই সঙ্গে নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ ও বাজার স্থিতিশীল রাখতে সংস্থাটির ভূমিকা বাড়ানো হচ্ছে।

তিনি জানান, টিসিবি বছরে প্রায় আড়াই লাখ মেট্রিক টন ভোজ্যতেল সরবরাহ করে, যা দেশের মোট বাজারের প্রায় ১৫ শতাংশ। তবে পরিবার পর্যায়ে এর কার্যকর বাজার অংশীদারত্ব আরও বেশি।

ডাল ও চিনির ক্ষেত্রেও পরিবারের চাহিদার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ টিসিবি সরবরাহ করে, যা এসব পণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি ঠেকাতে সহায়তা করে বলে তিনি জানান।

পণ্যের তালিকাও বাড়াচ্ছে টিসিবি। ভোজ্যতেল, ডাল ও চিনির পাশাপাশি পরীক্ষামূলকভাবে সাবান, ডিটারজেন্ট ও লবণ বিক্রি শুরু হয়েছে। ভবিষ্যতে আটা, বিভিন্ন মসলা, মরিচ ও হলুদ যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

ফয়সল আজাদ বলেন, "এসব পণ্য নিয়মিত বাজারদরের চেয়ে কম দামে সরবরাহ করা হবে, তবে এর জন্য সরকারি ভর্তুকি দেওয়া হবে না।"

বর্তমানে টিসিবির প্রায় ৮০ লাখ স্মার্ট কার্ড অনুমোদিত হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৭৫ লাখ কার্ড বিতরণ করা হয়েছে। বাকি সুবিধাভোগীদের আগামী পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগে স্মার্ট কার্ড দেওয়ার আশা করা হচ্ছে।

স্মার্ট কার্ড ব্যবস্থাকে একটি গতিশীল প্রক্রিয়া উল্লেখ করে তিনি বলেন, মৃত্যু, স্থানান্তর বা অন্য কোনো কারণে সুবিধাভোগীদের তালিকায় নতুন নাম যুক্ত, নাম বাদ বা পরিবর্তন হতে পারে।

টিসিবি সরবরাহব্যবস্থাকে পুরোপুরি স্বয়ংক্রিয় করার দিকেও এগোচ্ছে। বর্তমানে ডিলাররা মোবাইল ফোন ব্যবহার করে স্মার্ট কার্ড স্ক্যান করেন। শিগগিরই বিক্রয়কেন্দ্রে পয়েন্ট অব সেল (পিওএস) মেশিন চালুর পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে ভোক্তারা লেনদেনের রসিদ পান।

পাশাপাশি স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের জন্য নতুন একটি মোবাইলভিত্তিক ব্যবস্থা তৈরি করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে সুবিধাভোগীরা ডিজিটালভাবে তাদের স্মার্ট কার্ডের তথ্য দেখতে পারবেন এবং মোবাইল আর্থিক সেবা বা নগদে মূল্য পরিশোধ করতে পারবেন।

ফয়সল আজাদ বলেন, টিসিবি এমন একটি ব্যবস্থা তৈরি করেছে, যার সঙ্গে প্রায় ২১টি ভিন্ন কর্মসূচি যুক্ত করা সম্ভব। ভবিষ্যতে অন্যান্য সরকারি সংস্থাও তাদের সুবিধাভোগীকেন্দ্রিক কর্মসূচি এই প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে যুক্ত করতে পারবে।

নিজস্ব গুদাম সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগের কথাও জানান তিনি। টিসিবি প্রায় ১০ হাজার মেট্রিক টন অতিরিক্ত মজুত সক্ষমতা তৈরি করতে চায়, যাতে ভাড়ার গুদামের ওপর নির্ভরতা কমে।

তিনি বলেন, "পণ্য ক্রয় বাড়ানো এবং বাজারে হস্তক্ষেপের পরিধি বাড়াতে হলে লজিস্টিক সক্ষমতা জোরদার করা গুরুত্বপূর্ণ।"

ভবিষ্যৎ কৌশল সম্পর্কে টিসিবির চেয়ারম্যান বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মান বজায় রেখে সাশ্রয়ী দামে তা ভোক্তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং সরাসরি ভোক্তার চাহিদার ভিত্তিতে পণ্যের তালিকা বাড়ানোই সংস্থাটির লক্ষ্য।

তিনি বলেন, "নতুন কোনো পণ্য চালুর আগে আমরা জরিপ করি। ভোক্তারা যদি জানান কোন পণ্য তাদের প্রয়োজন, তাহলে আমরা তা সরবরাহের চেষ্টা করি। আমাদের উদ্দেশ্য মানুষের জীবনকে সহজ করা।"

নতুন যুক্ত হওয়া পণ্য কেনা বাধ্যতামূলক নয় বলেও জানান তিনি। একই সঙ্গে তিনি বলেন, "পণ্যের মানের সঙ্গে আমরা কোনো আপস করব না।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে র‍্যাবের বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:১৭ পি.এম


ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে র‍্যাবের বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা

পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং যেকোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতির মোকাবিলায় বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে র‍্যাব।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) র‍্যাব সদর দফতর থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন স্থানে র‍্যাবের নিয়মিত টহল জোরদার করা হচ্ছে। সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়াতে পর্যাপ্ত সংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

প্রতিটি ব্যাটালিয়ন তাদের নিজ নিজ এলাকার নিরাপত্তা হুমকি পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। বিভিন্ন অনুষ্ঠানস্থলে র‍্যাব সদস্যদের সংখ্যা পর্যাপ্ত রাখা হবে এবং ঝুঁকি বিবেচনায় পূর্ব থেকেই স্কেলিটন ফোর্স মোতায়েন থাকবে।

নিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য স্থানীয় মসজিদের ইমাম, সামাজিক ও নাগরিক নিরাপত্তা কমিটির নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে সার্বিক কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করা হয়েছে।

কোনও স্বার্থান্বেষী বা সন্দেহভাজন গোষ্ঠী যেন হামলা বা নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড চালাতে না পারে, সে লক্ষ্যে গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিতর্কিত বা উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড রোধে সতর্ক দৃষ্টি রাখা হচ্ছে।

যেকোনও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় র‍্যাবের ‘বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট’ এবং ‘ডগ স্কোয়াড’কে সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ধর্মীয় ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টকারী তথ্য, গুজব, অপপ্রচার বা বিভ্রান্তিকর উসকানিমূলক পোস্ট নজরদারিতে সাইবার পেট্রোলিং বিশেষভাবে জোরদার করা হয়েছে।

দেশবাসীকে শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ পরিবেশে পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপনের আহ্বান জানিয়েছে র‍্যাব। একই সঙ্গে সন্দেহজনক ব্যক্তি, বস্তু বা কর্মকাণ্ড পরিলক্ষিত হলে তা দ্রুত নিকটস্থ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানোর জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এবার জোট করতে ইরানকে ডেকেছে সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:১৮ পি.এম


এবার জোট করতে ইরানকে ডেকেছে সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তান

মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে এক নতুন এবং অভাবনীয় মেরুকরণের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। সম্প্রতি গঠিত মক্কা পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগ দেওয়ার জন্য ইরানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

সৌদি আরব, তুরস্ক এবং পাকিস্তানের সমন্বয়ে এই শক্তিশালী সামরিক জোট গঠিত হয়। লেবাননভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল মেয়াদিন সম্প্রতি তাদের এক বিশেষ প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এনেছে।

তবে জোটভুক্ত তিন দেশের সরকার বা ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে এই আমন্ত্রণের সত্যতা নিশ্চিত করা হয়নি। তারপরও বিষয়টি নিয়ে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।

ইরানের পার্লামেন্টের নিজস্ব সংবাদ সংস্থা খানে মিল্লাতের প্রধান মেহেদী রহিমি সংবাদমাধ্যমটিকে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, এই জোটে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার জন্য ইরান এরই মধ্যে একটি নিমন্ত্রণপত্র হাতে পেয়েছে।

বর্তমানে ইরানের শীর্ষ নেতারা অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে প্রস্তাবটি নিয়ে পর্যালোচনা করছেন। মেহেদী রহিমি মনে করেন, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো এখন নিজেদের মধ্যে একটি আঞ্চলিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলার দিকে প্রবলভাবে ঝুঁকছে।

ইরানের জন্য এই আমন্ত্রণকে একটি বিশাল কূটনৈতিক বিজয় হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ তেহরান দীর্ঘ সময় ধরে এই অঞ্চলে বাইরের হস্তক্ষেপ ছাড়া নিজস্ব একটি শক্তিশালী নিরাপত্তা বলয়ের দাবি জানিয়ে আসছিল।

এর আগে গত ৭ আগস্ট পবিত্র মক্কা নগরীতে এই ঐতিহাসিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করে তিন দেশ। সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান সেখানে সশরীরে উপস্থিত ছিলেন। তার সঙ্গে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এই চুক্তিতে সই করেন। এই জোটের মূল ভিত্তি হলো পারস্পরিক প্রতিরক্ষা ও গভীর সামরিক সহযোগিতা।

চুক্তির শর্ত অনুযায়ী জোটের যেকোনো একটি দেশের ওপর আক্রমণ হলে তা তিন দেশের ওপরই সম্মিলিত হামলা হিসেবে গণ্য করা হবে। তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান এই নীতিকে পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোর বিখ্যাত অনুচ্ছেদ ৫ এর সঙ্গে তুলনা করেছেন।

তবে তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে এই জোট নির্দিষ্ট কোনো দেশের বিরুদ্ধে আক্রমণ পরিচালনার জন্য তৈরি হয়নি। এটি মূলত সদস্য দেশগুলোর নিজস্ব সুরক্ষার জন্য একটি মজবুত প্রতিরক্ষামূলক ঢাল হিসেবে কাজ করবে।

চুক্তি স্বাক্ষরের পর থেকেই জোটের দেশগুলো অত্যন্ত দ্রুতগতিতে নিজেদের মধ্যে কাজ শুরু করে দিয়েছে। তারা ইতিমধ্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী এবং সামরিক বাহিনীর প্রধানদের মধ্যে নিয়মিত বৈঠকের রূপরেখা চূড়ান্ত করেছে।

এর পাশাপাশি সদস্য দেশগুলোর মধ্যে যৌথ সামরিক মহড়া আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদন ও শিল্পের ক্ষেত্রেও তারা একে অপরকে প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করবে বলে চুক্তিতে বলা হয়েছে।

তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারা থেকে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে ভবিষ্যতে এই জোটের পরিধি আরও অনেক বাড়তে পারে। মিশরের মতো বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আরব দেশ আগামীতে এই জোটে যুক্ত হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।

অন্যদিকে ইরান শুরু থেকেই এই নতুন জোট গঠনের বিষয়ে বেশ ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়ে আসছে। গত ১০ আগস্ট ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘেই বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে বিস্তারিত কথা বলেন।

তিনি জানান, এই জোট গঠন নিয়ে তেহরানের উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো যৌক্তিক কারণ নেই। বরং এটি আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোরদার করার ক্ষেত্রে যে কতটা জরুরি তারই একটি বড় প্রমাণ।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে ইরানের এই অন্তর্ভুক্তির দাবিটি যদি শেষ পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে বাস্তবায়িত হয় তবে এই অঞ্চলের পুরো চিত্র বদলে যাবে। পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত তিন দেশের তৈরি এই জোটের চরিত্র তখন আমূল পরিবর্তিত হবে।

দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরব ও ইরানের মধ্যে যে চরম বৈরী সম্পর্ক ছিল তা সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অনেকটাই কমে এসেছে। এখন তারা যদি একই সামরিক জোটে অবস্থান করে তবে তা গোটা বিশ্বের জন্যই একটি বড় চমক হবে।

বিশেষ করে তুরস্কের মতো শক্তিশালী দেশ এবং পাকিস্তানের মতো পারমাণবিক শক্তিধর দেশের সঙ্গে ইরানের সামরিক সখ্য নতুন এক যুগের সূচনা করবে। এটি নিছক একটি চুক্তি থেকে বেরিয়ে এসে এক বিশাল এবং বিস্তৃত আঞ্চলিক নিরাপত্তা প্ল্যাটফর্মে পরিণত হতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%