বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:২২ পি.এম
নেপাল বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সঙ্গে নিয়মিত দ্বিপাক্ষিক সিরিজ আয়োজনের আগ্রহ প্রকাশ করেছে। বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভাণ্ডারি খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভাণ্ডারি এসব বিষয় তুলে ধরেন।
বৈঠকে দুই দেশের ক্রীড়া উন্নয়ন, পর্বতমালা সুবিধা গ্রহণ এবং সম্ভাব্য টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট সিরিজ আয়োজনের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। রাষ্ট্রদূত সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
দক্ষিণ এশিয়ার এই দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান শক্তিশালী রাজনৈতিক সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে ভাণ্ডারি দ্বিপাক্ষিক সম্পৃক্ততা আরও গভীর করার ওপর জোর দেন।
তিনি বলেন, "আমাদের মধ্যে চমৎকার রাজনৈতিক সম্পর্ক বিদ্যমান, তবে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের মাধ্যমে আরও অনেক কিছু করার বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে।"
রাষ্ট্রদূত দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক ক্রিকেট সিরিজ পুনরায় শুরুর জন্য বিশেষ প্রস্তাব দেন। তিনি উল্লেখ করেন, "সম্প্রতি নেপাল ও বাংলাদেশের মধ্যে কোনো দ্বিপাক্ষিক সিরিজ অনুষ্ঠিত হয়নি। আমাদের জনগণের—বিশেষ করে যারা সাম্প্রতিক দুর্যোগ কাটিয়ে ওঠার প্রক্রিয়ায় আছেন—অনুপ্রেরণা প্রয়োজন।"
নেপালের রাষ্ট্রদূত বলেন, "আমরা বাংলাদেশের কাছে একটি টি-টোয়েন্টি সিরিজ আয়োজনের অনুরোধ জানাচ্ছি; আমাদের দল বাংলাদেশে যাওয়ার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত, অথবা আমরা বাংলাদেশ দলকে নেপালে সাদরে স্বাগত জানাব।"
এই প্রস্তাবে ইতিবাচক সাড়া দিয়ে প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক আঞ্চলিক সহযোগিতার অন্যতম প্রধান মাধ্যম হিসেবে 'স্পোর্টস ডিপ্লোম্যাসি' বা ক্রীড়া কূটনীতির প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, "আমরা ক্রীড়া কূটনীতিতে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি এবং বিভিন্ন খেলাধুলায় সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই কাজ করছি।"
তিনি নেপালি রাষ্ট্রদূতকে একটি আনুষ্ঠানিক আগ্রহপত্র (লেটার অফ ইনটেন্ট) জমা দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন, যাতে মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা শুরু করতে পারে।
এছাড়া, প্রতিমন্ত্রী হক বাংলাদেশি ক্রীড়াবিদদের সহায়তায় নেপালের ভৌগোলিক সুবিধাকে কাজে লাগানোর প্রস্তাব দেন এবং পর্বতারোহণের ক্ষেত্রে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য নেপালকে আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-কে প্রভাব-প্রতিপত্তি বিবেচনা না করে দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘দুর্নীতিবাজ যত প্রভাবশালীই হোক না কেন, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে।’
আজ বঙ্গভবনে দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান বিচারপতি এ. কে. এম. আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ আহ্বান জানান। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম ব্রিফিংকালে বাসসকে এই তথ্য জানান।
সাক্ষাৎকালে দুদক চেয়ারম্যান কমিশনের সার্বিক কার্যক্রম, চলমান বিভিন্ন উদ্যোগ এবং দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে বিদ্যমান সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করার পাশাপাশি দুর্নীতি দমনে কমিশনের কার্যক্রম আরও কার্যকর করতে রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা কামনা করেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, দীর্ঘদিনের অপশাসন, অনিয়ম ও জবাবদিহিতার অভাবে দুর্নীতি বর্তমানে বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি বলেন, দুর্নীতি দমন ও নিয়ন্ত্রণের ওপর নির্ভর করছে জাতির অগ্রগতি ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ। দুদককে সততা ও সাহসের সঙ্গে দুর্নীতি দমনে কাজ করে যেতে হবে।
রাষ্ট্রপতি দীর্ঘদিনের বিপুল সংখ্যক বিচারাধীন মামলাগুলো আইনগতভাবে দ্রুত নিষ্পত্তি ও দীর্ঘসূত্রিতা কমানোর জন্য দুদকের প্রতি আহ্বান জানান। এসময় তিনি গুরুতর দুর্নীতির ব্যাপারে দ্রুত অনুসন্ধান ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেন।
তিনি দুর্নীতিবিরোধী মূল্যবোধ গড়ে তুলতে জনসচেতনতা ও প্রচারণামূলক কার্যক্রম আরও জোরদারের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন এবং কমিশনকে তার সাংবিধানিক ও আইনগত দায়িত্ব কার্যকরভাবে পালনে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
প্রতিনিধিদলের অন্য সদস্যদের মধ্যে ছিলেন কমিশনার (তদন্ত) ড. জাহাঙ্গীর আলম খান, কমিশনার (অনুসন্ধান) ড. মো.সাজ্জাদ হোসেন ভূইয়া এবং সচিব মো. সাইদুর রহমান খান। সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিবগণ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে, আন্তর্জাতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির নাম পরিবর্তন করে ‘ট্রাম্প প্রণালি’ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি একইসাথে ইরানকে সতর্ক করে দাবি করেছেন যে, তেহরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে ওয়াশিংটন বিজয়ী হচ্ছে।
তুর্কি বার্তা সংস্থা আনাদোলুর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, স্থানীয় সময় বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাতে টেক্সাসের ডালাসে রিপাবলিকান পার্টির সম্মেলনে বক্তব্য দেওয়ার সময় ট্রাম্প এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, মার্কিন বাহিনী যদি ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে জয়ী হয়, তবে বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমতে শুরু করবে।
ট্রাম্প আরও বলেন, ‘আমরা যুদ্ধে জিতছি এবং কৌশলগত এই প্রণালি আমরাই নিয়ন্ত্রণ করছি। আমার মনে হয়, হরমুজ প্রণালির নাম এখন থেকে "ট্রাম্প প্রণালি" রাখা উচিত। আমি শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে এই ঘোষণা দেব।’
ইরানের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট দাবি করেন যে, দেশটি সামরিক ও রাজনৈতিকভাবে ভেঙে পড়ছে। তিনি ইরানের ‘পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন’ এলাকায় হামলার ইঙ্গিত দিয়ে সতর্ক করেন, যাতে ইরান কোনো ধরনের চালাকি করার চেষ্টা না করে। তিনি কঠোরভাবে হুঁশিয়ারি দেন যে, ইরানকে কোনো অবস্থাতেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেওয়া হবে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অনিবার্য কারণে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের পূর্ব ও দক্ষিণ চত্বরে অনুষ্ঠিতব্য মাসব্যাপী ইসলামি বইমেলার উদ্বোধনের সময়সূচিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ইসলামিক ফাউন্ডেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা বিল্লাল বিন কাশেম কর্তৃক স্বাক্ষরিত একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, পূর্বনির্ধারিত সময় অনুযায়ী আগামীকাল শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় বইমেলার উদ্বোধন হওয়ার কথা ছিল। তবে নতুন সময়সূচি অনুযায়ী, উদ্বোধন অনুষ্ঠানটি আগামী শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টায় অনুষ্ঠিত হবে।
এই বইমেলা ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত হচ্ছে, যেখানে দেশি ও বিদেশি বিভিন্ন প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করছে। দেশের বিভিন্ন খ্যাতনামা প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানসহ বিপুলসংখ্যক প্রতিষ্ঠান এতে যুক্ত হচ্ছে।
মেলায় পবিত্র কোরআন, হাদিস, সিরাত, ইসলামী সাহিত্য, গবেষণা, ইতিহাস ও সংস্কৃতিবিষয়ক গ্রন্থের পাশাপাশি শিশু-কিশোরদের জন্য ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষামূলক বিভিন্ন বই পাওয়া যাবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন আশা করছে, এই বইমেলার মাধ্যমে সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে ইসলামী জ্ঞান, পাঠাভ্যাস ও নৈতিক মূল্যবোধের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
পরিবর্তিত সময়সূচি অনুযায়ী, আগামী শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টায় অনুষ্ঠিতব্য উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট সকলকে উপস্থিত থাকার জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ মন্তব্য করেছেন, ‘পৃথিবীর কোনো জ্যোতিষী কিংবা গোয়েন্দা সংস্থাও এইভাবে আওয়ামী লীগ পালিয়ে যাবে, তা ভাবেনি।’
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) সেন্ট্রাল অডিটোরিয়ামে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, ‘১৯৭৫ সালে মাত্র কয়েকজন কর্মকর্তা একটি ঘটনার জন্ম দিয়েছিল। কিন্তু তখন বিশাল রক্ষী বাহিনী একটিও শব্দ করেনি। আল্লাহ যা চান তাই ঘটে।’
তিনি বলেন, আমি আপনাদের মধ্যে যারা মুরুব্বি, তাদেরকে একটি কথা বলতে চাই, ১৯৭৫ সালে যে ঘটনা ঘটেছিল, সেটি মাত্র কয়েকজন কর্মকর্তার দ্বারা সংঘটিত হয়েছিল। সেদিন বিশাল রক্ষী বাহিনী শেখ মুজিবকে, তার পরিবারকে এবং আওয়ামী লীগকে রক্ষা করার জন্য অপেক্ষা করছিল। কিন্তু তারা একটিও শব্দ করেনি। আল্লাহ যা চান, তাই ঘটে। মানুষের মধ্যে আল্লাহর প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস থাকতে হবে।
অনুষ্ঠানে হামদ, নাতে রাসুল, কেরাত এবং রসূলের জীবনীর ওপর রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্রেস্ট বিতরণ করা হয়। উপস্থিত আলোচকরা মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন, আদর্শ ও শিক্ষার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী উৎযাপন ২০২৬ শীর্ষক অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. শেখ মো. গিয়াস উদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমিন এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক মুফতি মোহাম্মদ মুহিবুল্লাহিল বাকী নদভী। প্রধান আলোচক হিসেবে ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ