শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:২৫ পি.এম
ঢাকা, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : মহিলা ও শিশুবিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন মন্তব্য করেছেন যে, চিকিৎসা ব্যবস্থার দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই উন্নয়ন আগামী পঞ্চাশ বছরের চাহিদাকে বিবেচনায় নিয়ে ঘটাতে হবে।
তিনি উল্লেখ করেন, ‘আমরা কেউ চিরদিন থাকবো না, এ দেশ থাকবে এবং এ দেশের মানুষ থাকবে; তাই আগামী পঞ্চাশ বছরের চাহিদাকে বিবেচনায় নিয়ে চিকিৎসা ব্যবস্থার দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই উন্নয়ন ঘটাতে হবে।’
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে (এনআইসিভিডি) প্রথম অপেন হার্ট সার্জারি দিবস এবং কার্ডিওভাসকুলার সার্জিক্যাল কনফারেন্স অব এনআইসিভিডি-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন।
এজেডএম জাহিদ হোসেন জানান, জরুরি স্বাস্থ্যসেবা বিনামূল্যে প্রদান করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব, তবে রাষ্ট্রের সামগ্রিক আর্থিক সংগতির বিষয়টিকেও বাস্তবসম্মতভাবে বিবেচনা করতে হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু।
ডা. জাহিদ হোসেন আরও বলেন, দেশে হৃদরোগ ও জন্মগত হৃদরোগের পরিমাণ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। তিনি সতর্ক করেন যে, এ রোগ কার্যকরভাবে প্রতিরোধ করা না গেলে ভবিষ্যতে উৎপাদনশীল কর্মক্ষম জনসংখ্যার ওপর বিরূপ প্রভাব পড়বে। সরকার ইতোমধ্যে চিকিৎসা ক্ষেত্রে ব্যবহৃত ভাল্ব এবং স্টেন্ট (রিং)-এর ওপর ট্যাক্স মওকুফ করে হৃদরোগ চিকিৎসার ব্যয় সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে রাখতে চেষ্টা করছে।
মন্ত্রী দাবি করেন, দেশে আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা সম্প্রসারিত হওয়ায় বিদেশে গিয়ে চিকিৎসা গ্রহণের প্রবণতা অনেকাংশেই কমে এসেছে। তিনি জানান, সাধারণ মানুষের কষ্ট লাঘবে এবং জনকল্যাণে বর্তমান সরকার সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে ১ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। সরকারের পাশাপাশি এ সকল মানবিক কাজে সমাজের বিত্তবানদেরও এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে ডা. এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে হৃদরোগের সব ধরনের উন্নত চিকিৎসা সেবা প্রদান সম্ভব হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, বিগত সময়ের অনিয়ম কাটিয়ে বর্তমান সরকার জনগণের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিতকরণে আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে, যার অংশ হিসেবে জাতীয় বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ নিশ্চিত করা হয়েছে।
এর আগে, মন্ত্রী একটি বর্ণাঢ্য র্যালিতে অংশগ্রহণ করেন এবং জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল প্রাঙ্গণে একটি নিম গাছের চারা রোপণ করেন।
বিশ্বে ওপেন হার্ট সার্জারির সূচনা ঘটে ১৯৫৩ সালে ডা. জন হেইশাম গিবনের হাত ধরে। এর ধারাবাহিকতায়, ১৯৮১ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর ঢাকার এনআইসিভিডিতে কার্ডিও-পালমোনারি বাইপাসের মাধ্যমে বাংলাদেশের চিকিৎসা বিজ্ঞানের ইতিহাসে প্রথম সফল ওপেন হার্ট সার্জারি সম্পন্ন হয়। ঐতিহাসিক এ দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে প্রতিবছর দেশে ১৮ সেপ্টেম্বর দিবসটি উদযাপন করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর উত্তরা এলাকা থেকে নিষিদ্ধ যুবলীগের এক সক্রিয় কর্মীকে আটক করেছে উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশ।
আজ ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা ২৫ মিনিটে উত্তরা পশ্চিম থানাধীন জসিমউদ্দিন এলাকায় হোন্ডা মোবাইল-৯১ ডিউটি চলাকালীন জসিমউদ্দিন-রাজলক্ষ্মীর মাঝামাঝি প্রিমিয়াম ব্যাংকের গলিতে সন্দেহজনকভাবে ওয়াকিটকি নিয়ে ঘোরাফেরা করার সময় তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতের নাম ইকবাল খন্দকার (৪২) পিতা- আব্দুল আজিজ খন্দকার। তার গ্রামের বাড়ি খাগড়াছড়ি জেলার খাগড়াছড়ি সদর থানার কলাবাগান এলাকায়। উত্তরা পশ্চিম থানার এসআই (নিরস্ত্র) জিল্লুর রহমান সঙ্গীয় ফোর্সসহ তাকে আটক করেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ইকবাল এলোমেলো তথ্য প্রদান করে। পরে সে তার প্রকৃত নাম ও ঠিকানা প্রকাশ করে। সে জানায়, তার পিতা স্থানীয় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও চেয়ারম্যান। নিজেকে নিষিদ্ধ যুবলীগের সক্রিয় কর্মী হিসেবে স্বীকার করে সে।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, ইকবাল নিজ এলাকায় বিভিন্ন অপরাধ করে ঢাকায় আত্মগোপনে ছিল। সিডিএমএস পর্যালোচনায় দেখা যায়, গ্রেফতারকৃত ইকবাল খন্দকারের বিরুদ্ধে খাগড়াছড়িতে একাধিক মামলা রয়েছে। খাগড়াছড়ি সদর থানার এফআইআর নং-৩, তারিখ- ১৫ আগস্ট, ২০২৪; জিআর নং-৮৫, ধারা- ১৪৩/১৪৭/১৪৮/ ৩২৩/৩২৫/ ৩০৭/৩৮৫/৪২৭/৪৪৭/৪৪৮/৪৩৬/৩৭৯/৩৮০/৫০৬/১১৪/৩৪, পেনাল কোড। পানছড়ি থানার এফআইআর নং-১, তারিখ- ৬ অক্টোবর, ২০২৪; জিআর নং-৪১, ধারা- ১৪৩/৪৪৭/৪৪৮/৩২৩/৩২৫/৩৮৫/৩৮৬/১১৪/৫০৬/৩৪, পেনাল কোড। এই মামলায় চার্জশিট নং-৩৩, তারিখ- ৩০ নভেম্বর, ২০২৫।
পানছড়ি থানার এফআইআর নং-১, তারিখ- ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৪; ধারা- ১৪৩/৩৪১/৩২৩/৩২৫/৩০৭/৩৭৯/৫০৬/১১৪, পেনাল কোড। উত্তরা পশ্চিম থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ খালিদ মুনসুর নিশ্চিত করেছেন যে, গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
একটি সড়ক দুর্ঘটনা থামিয়ে দিয়েছিল এক তরুণের জীবনযাত্রা। প্রিয় মানুষটিকে হারানোর সেই বেদনা আজও সহ্য করছেন পরিবার, স্বজন এবং এলাকাবাসী। সময় পেরিয়ে গেলেও সাইদুজ্জামান রাফির স্মৃতি যেন তাদের কাছে এখনো জীবন্ত রয়েছে।
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত এই যুবকের স্মরণে শুক্রবার জুমার নামাজের পর চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার চাংপুর গ্রামে তার নিজ বাড়িতে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। স্বজন ও এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে রাফির আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়।
দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের পূর্বে পরিবারের সদস্য ও স্বজনরা রাফির কবর জিয়ারত করেন। এরপর শাজুলিয়া দরবার শরীফের পীর আবুল হাসান শাহ মুহাম্মদ রুহুল্লাহ শাজুলী মিলাদ ও দোয়া পরিচালনা করেন। মোনাজাতে রাফির রুহের মাগফিরাত এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের জন্য ধৈর্য ও শান্তি কামনা করা হয়।
এ সময় মরহুমের বাবা জাকির হোসেন, শিক্ষানুরাগী মোহাম্মদ রমিজ উদ্দিন, আবদুল লতিফ মাস্টার, আবদুল কুদ্দুস খান, জুলহাস উদ্দিনসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি, আত্মীয়-স্বজন ও মুসল্লিরা উপস্থিত ছিলেন।
রাফির স্বজনদের কাছে তার চলে যাওয়া শুধুমাত্র একজন মানুষকে হারানো নয়; এটি একটি পরিবারের স্বপ্ন, ভালোবাসা ও প্রত্যাশার আকস্মিক থেমে যাওয়া। তার স্মৃতিকে ঘিরে এখনো পরিবার ও এলাকাবাসীর মনে রয়েছে নানা স্মৃতি। দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে উপস্থিত অনেকের চোখেমুখেও ফুটে ওঠে প্রিয় মানুষটিকে হারানোর সেই বেদনা।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর উপজেলার সাচার বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন সাইদুজ্জামান রাফি। তার অকাল মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকাবাসীর মাঝে নেমে আসে শোকের ছায়া।
দুই বছর পেরিয়ে গেলেও রাফিকে ভুলতে পারেনি তার পরিবার ও স্বজনরা। তাই তার স্মরণে আয়োজিত দোয়া ও মিলাদ মাহফিল হয়ে উঠেছে ভালোবাসা, স্মৃতি আর প্রিয়জনকে হারানোর বেদনার এক আবেগঘন মিলনমেলা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইংলিশ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এফএ) চেয়ারম্যান ও ফিফা ভাইস-প্রেসিডেন্ট ডেবি হিউইট ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনোকে আহ্বান জানিয়েছেন যে, বিশ্বকাপের শেয়ার বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রি করার পরিকল্পনা সংক্রান্ত সমস্ত নথি প্রকাশ করতে হবে।
ইনফান্তিনোর প্রস্তাবটি তীব্র প্রতিক্রিয়ার সম্মুখীন হয়ে দ্রুত বাতিল হয়ে যায়। ইউরোপীয় ফুটবল সংস্থা উয়েফা হুমকি দিয়েছিল যে, যদি প্রস্তাব কার্যকর হয়, তবে তারা সব ফিফা প্রতিযোগিতা বয়কট করবে।
হিউইট, যিনি ফিফা কাউন্সিলের সদস্যও, ইনফান্তিনোকে লিখিতভাবে জানিয়েছেন যে, আগামী ১৫ অক্টোবরের কাউন্সিল বৈঠকের পূর্বে পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রকাশ করা আবশ্যক।
তিনি আরও উল্লেখ করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ফোনকলের পর বিশ্বকাপে মার্কিন ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগুনের নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত সম্পর্কিত নথিও প্রকাশ করতে হবে।
ইনফান্তিনো আগস্টে প্রক্রিয়াগত ভুলের জন্য ক্ষমা চেয়েছিলেন। ফিফার ম্যানেজমেন্ট বোর্ড তদন্তের প্রতিশ্রুতি দিলেও, এখনও জানায়নি কে তদন্তটি পরিচালনা করছে।
উয়েফা জানিয়েছে যে তারা ইনফান্তিনোর প্রতি আস্থা হারিয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে নথি প্রকাশের জন্য আবেদন করেছে।
উয়েফা ঘোষণা করেছে যে, তারা ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে মার্চে অনুষ্ঠিতব্য ফিফা কংগ্রেসে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী দাঁড় করাবে। প্রার্থিতা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ১৮ নভেম্বর।
ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনো ইতোমধ্যেই পুনর্নির্বাচনের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে থাকা লুণ্ঠিত ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে তথ্য প্রদান করলে পুরস্কার দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে এসআরবি মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বাহিনীর আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক উইং কমান্ডার এ জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী এই তথ্য তুলে ধরেন।
ইন্তেখাব চৌধুরী উল্লেখ করেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে থাকা লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধার করার জন্য সরকার ও এসআরবির পক্ষ থেকে বিশেষ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, যদি কেউ কোনো ঘটনার সময় থানা থেকে অস্ত্র নিয়ে যান, তবে তার হয়তো কোনো দুরভিসন্ধি নেই। পরিস্থিতির কারণে বা তাৎক্ষণিকভাবে অস্ত্র নিয়ে যাওয়ার পর এখন তিনি কী করবেন, তা বুঝতে পারছেন না। আবার আইনগত প্রক্রিয়ার কথা চিন্তা করে কাউকে জানাতেও ভয় পাচ্ছেন। এই সমস্যা সমাধানের জন্যই তথ্য দেওয়ার এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
এসআরবির এই কর্মকর্তা জানান, "আপনারা অস্ত্রগুলো যেকোনো একটি জায়গায় রেখে আমাদের তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করুন। ওই জায়গায় দুটি পিস্তল, একটি রাইফেল, ১০টি ম্যাগাজিন বা গুলি আছে—এতটুকু তথ্যই আমাদের জন্য যথেষ্ট। আমরা গিয়ে সেগুলো সংগ্রহ করে নিয়ে আসব।" যিনি তথ্য দেবেন, তাকে সরকারিভাবে পুরস্কৃত করা হবে এবং তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
মোহাম্মদপুরের অপরাধ পরিস্থিতি নিয়ে তিনি মন্তব্য করেন, অপরাধপ্রবণতা কমিয়ে আনা একটি চলমান প্রক্রিয়া। এক রাতের মধ্যে পরিস্থিতির পুরো পরিবর্তন সম্ভব নয়। তবে যেসব এলাকায় অপরাধের প্রবণতা বেশি, সেখানে এসআরবির পক্ষ থেকে জোরালো কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।
অপরাধ নির্মূলের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে এসআরবির এই কর্মকর্তা বলেন, "আরেকটু অপেক্ষা করার জন্য আমাদের সহযোগিতা করুন। পুলিশ বাহিনীসহ যতগুলো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আছে, সবাইকে সহযোগিতা করুন। ইনশাআল্লাহ, খুব শিগগিরই মোহাম্মদপুর থেকে সমস্ত অপরাধ নির্মূল করতে আমরা সক্ষম হবো।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ