ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

তেলেগু অভিনেতা নারায়ণ রাওয়ের মৃত্যু


তেলেগু অভিনেতা নারায়ণ রাওয়ের মৃত্যু

ভারতের হায়দরাবাদে হৃদরোগের কারণে শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেছেন তেলেগু চলচ্চিত্রের প্রবীণ ও গুণী অভিনেতা জিভি নারায়ণ রাও। বুধবার রাতে ৭৩ বছর বয়সে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছেন সহশিল্পী ও অভিনেত্রী কারাতে কল্যাণী।

এই গুণী অভিনেতার প্রয়াণে তেলেগু চলচ্চিত্র অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। আজ শুক্রবার (২৮ আগস্ট) হায়দরাবাদের বৈকুণ্ঠ মহাপ্রস্থান শ্মশানে তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে বলে জানানো হয়েছে।

জিভি নারায়ণ রাও ১৯৭৬ সালে কে বালচন্দরের আলোচিত চলচ্চিত্র ‘আন্তুলেনি কথা’ দিয়ে সেলুলয়েডের জগতে প্রবেশ করেন। সূচনাতেই তিনি অভিনয়নৈপুণ্য প্রদর্শন করে দর্শকদের নজর আকর্ষণ করেন। প্রায় পাঁচ দশকের দীর্ঘ অভিনয়জীবনে তিনি অন্তত ১০০টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করে তেলেগু সিনেমাজগতে একটি অনন্য স্থান তৈরি করেন। মুখ্য অভিনেতা হিসেবে তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে ১৯৭৭ সালের ‘ওকা উরি কথা’, ১৯৮১ সালের ‘উ রুকিচ্ছিনা মাটা’ এবং ১৯৮২ সালের ‘মঞ্চু পাল্লাকি’।

আরও পড়ুন: ইসরায়েলে রাজনৈতিক অচলাবস্থা: সরকার গঠনের তিন সম্ভাব্য পথ

প্রধান চরিত্রের পাশাপাশি তিনি বহু ব্যবসায়িক সফল চলচ্চিত্রেও দুর্দান্ত পারফরম্যান্স উপহার দিয়েছেন। ‘চিলকমা চেপ্পিন্দি’, ‘মুথিয়ালা পাল্লাকি’র পাশাপাশি চিরঞ্জীবী অভিনীত সুপারহিট ছবি ‘গ্যাং লিডার’ ও ‘হিটলার’-এ তার অভিনয় দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসা অর্জন করে। কর্মজীবনে তিনি চিরঞ্জীবী ও রজনীকান্তের মতো দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমার শীর্ষ তারকাদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে অভিনয় করেছেন।

অভিনয়ের গণ্ডি পেরিয়ে তিনি চলচ্চিত্র প্রযোজনাতেও সফলতা অর্জন করেছেন। ১৯৮১ সালে ‘চেত্তানিকি কাল্লু লেভু’, ১৯৮৪ সালে ‘দেবাস্তকুদু’ এবং ১৯৮৮ সালে সাড়া জাগানো ‘যমুদিকি মগুডু’র মতো জনপ্রিয় সিনেমাগুলো তার প্রযোজনায় নির্মিত হয়।

কেবল রুপালি পর্দাতেই নয়, ছোট পর্দাতেও জিভি নারায়ণ রাও ছিলেন অত্যন্ত পরিচিত ও প্রিয় মুখ। ‘পাসুপু কুমকুমা’ এবং ‘সুন্দরকাণ্ড’-এর মতো তুমুল জনপ্রিয় টেলিভিশন ধারাবাহিকে অভিনয় করে তিনি সাধারণ দর্শকের হৃদয়ে স্থায়ী আসন করে নিয়েছিলেন।

সূত্র: এনডিটিভি

আরও পড়ুন: নির্বাচনে হারের মুখে আরব দলগুলোর বিরুদ্ধে ভোট চুরির অভিযোগ লিকুদ পার্টির

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভেনেজুয়েলার তেলক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণ নিতে চুক্তি করছে যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২৮শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:২৬ এম


ভেনেজুয়েলার তেলক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণ নিতে চুক্তি করছে যুক্তরাষ্ট্র

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন দেশটির সঙ্গে একটি চুক্তির মাধ্যমে কয়েকটি তেলক্ষেত্রের ওপর দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করার পরিকল্পনা করছে। এই চুক্তির আওতায় মার্কিন তেল কোম্পানিগুলো এসব তেলক্ষেত্রের উন্নয়ন করবে।

যুক্তরাষ্ট্রের জন্য উৎপাদিত অপরিশোধিত তেলের একটি বড় অংশ নিশ্চিত করা হবে। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কয়েকটি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে যে, চুক্তিটি খুব শিগগিরই সই ও প্রকাশ করা হতে পারে। এতে ভেনেজুয়েলার কিছু গুরুত্বপূর্ণ তেলক্ষেত্র মার্কিন সরকারের নিয়ন্ত্রণে দেওয়ার ব্যবস্থা থাকতে পারে। একটি সূত্র জানায়, বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলা সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ে আলোচনা চলছে।

সূত্রের ভাষ্য, “এটি সত্যি এবং দুই দেশের সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ে এ নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।” অন্য একটি সূত্র বলেছে, চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য “ইজারা” পদ্ধতি ব্যবহারের কথা ভাবা হচ্ছে। পরে নিলাম বা দরপত্রের মাধ্যমে প্রতিটি তেলক্ষেত্র মার্কিন তেল উৎপাদনকারী কোম্পানির কাছে দেওয়া হতে পারে।

রয়টার্স যে আলোচনার তালিকা দেখেছে, তাতে মোট ১৭টি তেলক্ষেত্রের নাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এই তালিকার মধ্যে ভেনেজুয়েলার বিশাল ওরিনোকো বেল্টের নতুন তেলক্ষেত্র রয়েছে। এছাড়া মারাকাইবো হ্রদের আশপাশের পুরোনো ও বেশি উৎপাদনশীল তেলক্ষেত্রও রয়েছে। তালিকায় থাকা কয়েকটি তেলক্ষেত্র বর্তমানে একটি ছোট চীনা কোম্পানি পরিচালনা করছে। সাবেক প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর সরকারের সময়ে ওই কোম্পানির সঙ্গে এসব তেলক্ষেত্র নিয়ে চুক্তি হয়েছিল।

সম্ভাব্য চুক্তির বিষয়ে হোয়াইট হাউসের কাছে জানতে চাওয়া হলে তারা প্রশ্নটি যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি দপ্তরের কাছে পাঠায়।

তবে ভেনেজুয়েলার তেল মন্ত্রণালয়, রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি পিডিভিএসএ এবং যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি দপ্তর তাৎক্ষণিকভাবে মন্তব্যের অনুরোধে সাড়া দেয়নি। ভেনেজুয়েলার তেলমন্ত্রী পাওলা এনাওয়ের সঙ্গেও যোগাযোগ করা যায়নি। বৃহস্পতিবার ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভেনেজুয়েলা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ করার অংশ হিসেবে ওপেক থেকে বের হয়ে যাওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে।

ভেনেজুয়েলা ১৯৬০ সালে ওপেকের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে সংগঠনটিতে যোগ দেয়। তবে দেশটির রাষ্ট্রীয় তেল খাতে দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা, বিনিয়োগের ঘাটতি ও দুর্নীতির কারণে দেশটি অনেক বছর ধরে ওপেকের নির্ধারিত উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারেনি। তেলের উৎপাদন ও দামের ওপর ওপেকের প্রভাব নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংগঠনটির দীর্ঘদিনের মতবিরোধ রয়েছে। ফলে ভেনেজুয়েলার ওপেক ছাড়ার সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলার সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনতে পারে।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় অপরিশোধিত তেলের মজুত ভেনেজুয়েলায় রয়েছে। তবে দেশটির বর্তমান জ্বালানি আইনে সরাসরি তেলক্ষেত্র ইজারা দেওয়ার ব্যবস্থা নেই। দেশটির সংবিধানেও তেল শিল্পের মূল কার্যক্রম রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে রাখার কথা বলা হয়েছে। हालের সংস্কার করা তেল আইনে যৌথ উদ্যোগ ও উৎপাদন ভাগাভাগির চুক্তির মাধ্যমে তেলক্ষেত্র পরিচালনার সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে কয়েক দশক ধরে ভেনেজুয়েলা বিদেশি তেল কোম্পানিগুলোকে দেশটির তেলের মজুত নিজেদের সম্পদ হিসেবে হিসাবভুক্ত করার অনুমতি দেয়নি। এই কারণে যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলার মধ্যে যে চুক্তির আলোচনা চলছে, সেটি বাস্তবায়িত হলে দেশটির সংবিধান ও বিদ্যমান আইনের সঙ্গে এর সামঞ্জস্য নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, চুক্তিটি আইনি চ্যালেঞ্জের মুখেও পড়তে পারে। কারণ, তেলক্ষেত্রের নিয়ন্ত্রণ বিদেশি কোম্পানি বা অন্য কোনো দেশের হাতে দেওয়ার ক্ষেত্রে ভেনেজুয়েলার আইনে বেশ কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র সাবেক প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে ভেনেজুয়েলার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর থেকেই দেশটির অপরিশোধিত তেলের স্থিতিশীল সরবরাহ নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে ভেনেজুয়েলার দুর্বল হয়ে পড়া তেল ও জ্বালানি খাতে মার্কিন বিনিয়োগ বাড়ানোর উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে ভেনেজুয়েলায় প্রতিদিন প্রায় ১২ লাখ ৫০ হাজার ব্যারেল অপরিশোধিত তেল উৎপাদিত হয়। দেশটির বিশাল তেল মজুতের তুলনায় এই উৎপাদন অনেক কম। মার্কিন প্রশাসন মনে করছে, দেশটির তেলক্ষেত্রে নতুন বিনিয়োগ ও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করা গেলে উৎপাদন আরো বাড়ানো সম্ভব। এতে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য দীর্ঘমেয়াদে তেলের সরবরাহ নিশ্চিত করা সহজ হবে।

নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে দেশটিতে পেট্রলের দাম বেড়ে যাওয়ায় ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর রাজনৈতিক চাপ বাড়ছে। ভেনেজুয়েলা থেকে তুলনামূলক কম দামে তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং দেশটির উৎপাদন বাড়াতে পারলে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির বাজারে চাপ কিছুটা কমতে পারে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র তার কৌশলগত পেট্রোলিয়াম মজুত বা স্ট্র্যাটেজিক পেট্রোলিয়াম রিজার্ভ (এসপিআর) আবার পূরণ করার চেষ্টা করছে। জরুরি পরিস্থিতিতে ব্যবহারের জন্য এই মজুত রাখা হয়। মজুত পূরণের ক্ষেত্রে মার্কিন তেল উৎপাদনকারী কোম্পানিগুলোর সঙ্গে অপরিশোধিত তেল বিনিময়ের সম্ভাবনাও বিবেচনা করা হচ্ছে।

তবে এসপিআর পূরণ করতে অর্থের সংকট রয়েছে। পাশাপাশি মজুতের অবকাঠামোতে চলমান রক্ষণাবেক্ষণের কাজও প্রশাসনের পরিকল্পনাকে সীমিত করছে। ২০২২ সালে রাশিয়া ইউক্রেনে হামলা চালানোর পর জ্বালানির দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে যুক্তরাষ্ট্র তার কৌশলগত মজুত থেকে বিপুল পরিমাণ তেল বাজারে ছাড়ে। এরপর ফেব্রুয়ারিতে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পরও মজুত থেকে তেল নেওয়া হয়। এতে এসপিআরের মজুত অনেক কমে গেছে। ফলে এখন সেই মজুত আবার পূরণ করা ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভেনেজুয়েলার তেলক্ষেত্রে মার্কিন কোম্পানিগুলোর প্রবেশের সম্ভাব্য চুক্তি তাই শুধু দুই দেশের জ্বালানি সম্পর্কের বিষয় নয়। এর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের তেলের সরবরাহ, জ্বালানির দাম এবং কৌশলগত তেল মজুত পূরণের বিষয়ও সরাসরি জড়িত।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুই প্রকল্পে বাংলাদেশকে ১২ মিলিয়ন ইউরো সহায়তা দেবে জার্মানি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৮শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:২৭ এম


দুই প্রকল্পে বাংলাদেশকে ১২ মিলিয়ন ইউরো সহায়তা দেবে জার্মানি

জার্মানি বাংলাদেশকে মোট ১২ মিলিয়ন ইউরো অনুদান প্রদান করবে, যা ম্যানগ্রোভ ও সামুদ্রিক সম্পদের সুরক্ষা এবং জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধির দুটি প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) রাজধানীর অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে (ইআরডি) বাংলাদেশ ও জার্মানির মধ্যে দুটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

 

‘বেটার প্রটেকশন অব ম্যানগ্রোভস, সোয়াম্প ফরেস্টস অ্যান্ড মেরিন এরিয়াস (কানেক্ট)’ প্রকল্পের আওতায় জার্মানি ৫ মিলিয়ন ইউরো বা প্রায় ৭১ কোটি ৫২ লাখ টাকা অনুদান দেবে। এই প্রকল্পটি বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকবে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মৎস্য অধিদপ্তর এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের বন অধিদপ্তর।

এই প্রকল্পের লক্ষ্য হলো উপকূলীয় জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে সামুদ্রিক ও উপকূলীয় সম্পদের সুরক্ষা, পুনরুদ্ধার এবং টেকসই ব্যবহারকে জোরদার করা।

অন্যদিকে, ‘এনার্জি এফিশিয়েন্সি ফর সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট (ইই৪ডেভ)’ প্রকল্পে জার্মানি ৭ মিলিয়ন ইউরো বা প্রায় ১০০ কোটি ১২ লাখ টাকা অনুদান প্রদান করবে।

 

এই প্রকল্পটি বাস্তবায়নে টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (স্রেডা) এবং বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) যৌথভাবে কাজ করবে।

সরকারি ও বেসরকারি অংশীদারদের সহযোগিতায় শিল্পকারখানা এবং আবাসিক ভবনে জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি জাতীয় গ্রিড থেকে বিদ্যুতের ব্যবহার কমানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

১৯৭২ সাল থেকে জার্মানি বাংলাদেশের অন্যতম উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে কাজ করছে। এ পর্যন্ত দেশটি বাংলাদেশকে প্রায় ৪ বিলিয়ন ইউরোর আর্থিক ও কারিগরি সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বৃষ্টির পরও ঢাকার বাতাস অস্বাস্থ্যকর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৮শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৩১ এম


বৃষ্টির পরও ঢাকার বাতাস অস্বাস্থ্যকর

বিশ্বের বিভিন্ন শহরে বায়ুদূষণের মাত্রা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা জলবায়ু পরিবর্তন এবং বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের ফল। এই প্রেক্ষাপটে, মালয়েশিয়ার কুচিং শহর ১৭৪ স্কোর নিয়ে বায়ুদূষণের শীর্ষে অবস্থান করছে।

 

এই বায়ুর মান নাগরিকদের জন্য ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। অন্যদিকে, বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা সকালে বৃষ্টির মধ্যে ১১৭ স্কোর নিয়ে তালিকার ১৫ নম্বরে রয়েছে। বাতাসের এই মান ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) সূচক থেকে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

 

আইকিউএয়ারের এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স অনুযায়ী, মালয়েশিয়ার কুচিং শহরের পরবর্তী অবস্থানে রয়েছে ভারতের দিল্লি, যার বায়ুমান স্কোর ১৭৪। বাতাসের এই অবস্থানও ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে গণ্য করা হয়। তালিকার তৃতীয় স্থানে কাতারের দোহা রয়েছে।

 

দোহা শহরের বায়ুমান স্কোর ১৫৮। এর পরবর্তী অবস্থানে রয়েছে নেদারল্যান্ডসের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর রটারডাম, মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর, বাহরাইনের রাজধানী ও বৃহত্তম শহর মানামা এবং উগান্ডার কাম্পালা, যেগুলো দূষণের দিক থেকে উপরের দিকে রয়েছে।

আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ‘অনেক ভালো’ হিসেবে গণ্য করা হয়। ৫১ থেকে ১০০ স্কোর হলে বায়ুর মান ‘মাঝারি বা সহনীয়’ ধরা হয়। আর ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়।

 

অন্যদিকে, ১৫১ থেকে ২০০ স্কোর ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে গণ্য হয়। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে সেটি ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলে বিবেচিত হয়। এছাড়া, স্কোর ৩০১-এর বেশি হলে তা ‘দুর্যোগপূর্ণ’ হিসেবে গণ্য করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৫২ বছর পর হকি বিশ্বকাপে ভারতের সেরা সাফল্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ২৮শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৩৩ এম


৫২ বছর পর হকি বিশ্বকাপে ভারতের সেরা সাফল্য

হকি বিশ্বকাপে ভারতীয় নারী দলের অভাবনীয় সাফল্য অর্জিত হয়েছে। কোয়ার্টার ফাইনালে জার্মানিকে ৩-১ গোলে পরাজিত করে ভারতীয় নারীরা বিশ্বকাপে পঞ্চম স্থান নিশ্চিত করেছে।

 

১৯৭৪ সালের বিশ্বকাপে চতুর্থ হওয়ার পর এটি ভারতের জন্য বিশ্বকাপে সেরা ফলাফল।

বৃহস্পতিবার আমস্টেলভিনের ওয়াগেনার স্টেডিয়ামে ম্যাচ শুরু হওয়ার সাথে সাথে জার্মানি আক্রমণাত্মক খেলা শুরু করে। ভারত অবশ্য সতর্ক থেকে প্রতি-আক্রমণে গোলের সুযোগ তৈরির চেষ্টা চালাতে থাকে। অধিনায়ক সলিমা টেটেও আক্রমণে কয়েকবার এগিয়ে আসেন।

 

কিন্তু ধীরে ধীরে ভারতের উপর চাপ সৃষ্টি করতে থাকে জার্মানি। প্রথম কোয়ার্টারের শেষ দিকে জার্মানি পেনাল্টি কর্নার পায়। তবে প্রথম শটটি দুর্দান্তভাবে আটকে দেন গোলকিপার বিচু দেবী। ফের পেনাল্টি কর্নার দেওয়া হলেও তাতে গোল করতে ব্যর্থ হয় জার্মানি।

 

দ্বিতীয় কোয়ার্টারেও একই দৃশ্য দেখা যায়। বলের দখল ছিল জার্মানির কাছে। ভারতের আক্রমণও তেমন জমে উঠছিল না। তবে বিরতির আগে ভারত কিছুটা ছন্দ ফিরে পায়। নভনীত কৌর এবং সলিমা কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও জার্মান গোলকিপার পরপর সেভ করে ভারতকে আটকে রাখেন।

 

বিরতির পর ভারত সম্পূর্ণ ভিন্ন রূপে মাঠে আসে। আক্রমণের গতিকে বাড়িয়ে জার্মানির রক্ষণে একের পর এক চাপ তৈরি করতে থাকে ভারত। ৩৮ মিনিটে জ্যোতি চোট পেয়ে মাঠ ছাড়লেও ভারতের ছন্দ নষ্ট হয়নি। পাঁচ মিনিট পরেই গোল করে ভারতকে এগিয়ে দেন ইশিকা চৌধুরী। দুর্দান্ত ব্যক্তিগত দক্ষতায় জার্মান বক্সে ঢুকে বিপরীত দিক থেকে অসাধারণ শটে বল জালে জড়িয়ে দেন তিনি। ভারত ১-০ এগিয়ে যায়।

এরপর মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যে ব্যবধান বাড়ায় ভারত। ৪৪ মিনিটে পাওয়া পেনাল্টি কর্নার থেকে গোল করেন নভনীত কৌর। প্রথম সুযোগটি পা লাগার কারণে বাতিল হওয়ার পর ফের পেনাল্টি কর্নার পায় ভারত। সেখান থেকেই বল জালে পাঠিয়ে দেন নভনীত। মাত্র দুই মিনিটের মধ্যে গোলশূন্য ম্যাচ ২-০ করে ফেলে ভারত।

শেষ কোয়ার্টারের শুরুতেই ফের গোল করেন নভনীত। গোলকিপারকে কাটিয়ে বল নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ঠান্ডা মাথায় জালে পাঠিয়ে দেন তিনি। ভারত তখন ৩-০ এগিয়ে যায়। তবে জার্মানি হাল ছাড়েনি। শেষ দিকে ভারতের রক্ষণে প্রবল চাপ তৈরি করে তারা। গোলকিপার সবিতা পুনিয়াও গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি সেভ করে দলকে এগিয়ে রাখেন। ৫৩ মিনিটে জার্মানির পেনাল্টি কর্নার থেকেও গোল হতে দেননি তিনি।

শেষ পর্যন্ত ৫৯ মিনিটে লিন ক্রিংসের গোলে একটি গোল শোধ করে জার্মানি। ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তেও পেনাল্টি কর্নার পায় তারা। কিন্তু ভারতীয় রক্ষণ আর কোনও সুযোগ দেয়নি। ৩-১ জয় নিশ্চিত করে ভারত বিশ্বকাপে পঞ্চম স্থান দখল করে।

ম্যাচ শেষে ভারতীয় মিডফিল্ডার নেহা মন্তব্য করেন, ‘বিশ্বকাপে পঞ্চম হওয়া সত্যিই গর্বের বিষয়। আমরা সেমিফাইনাল এবং ফাইনাল খেলতে চেয়েছিলাম। সেটা হয়নি। তবে পঞ্চম হয়ে আমরা খুশি।’

আগামী এশিয়ান গেমস নিয়ে নেহা আত্মবিশ্বাসী। তিনি বলেন, ‘এশিয়ান গেমস আমাদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সামনে অলিম্পিক্সও রয়েছে। এশিয়ায় চিন, জাপান এবং কোরিয়ার মতো শক্তিশালী দল আছে। তাই প্রতিযোগিতা কঠিন হবে। আমরা নিজেদের খেলা আরও ভালো করার চেষ্টা করব এবং শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাব।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%