মোঃ উজ্জ্বল মিয়া, নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি
০৮:৪১ এম
নেত্রকোনার বারহাট্টায় প্রায় এক কোটি ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন একটি বক্স কালভার্টে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে সরেজমিনে গিয়ে অনিয়মের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর নির্মাণকাজ বন্ধ করে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট নথি সূত্রে জানা গেছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধীনে ‘গ্রামীণ রাস্তায় ১৫ মিটার দৈর্ঘ্য পর্যন্ত সেতু/কালভার্ট নির্মাণ (১ম সংশোধিত)’ প্রকল্পের আওতায় ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বারহাট্টা উপজেলার আসমা ইউনিয়নের গোড়ল কাউনাই নদীর ওপর আশরাফুলের বাড়ির পাশে ৭ দশমিক ৯৩ মিটার দৈর্ঘ্যের বক্স কালভার্টটি নির্মাণ করা হচ্ছে। কাজটির দায়িত্ব পেয়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স আবির ট্রেডার্স। নথিতে প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী হিসেবে মো. রুবেল ভূঁইয়ার নাম রয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্মাণকাজের শুরু থেকেই নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছে। সুরকি, জমাট বাঁধা সিমেন্ট, কাদামিশ্রিত পাথর ও ময়লাযুক্ত বালু ব্যবহারের পাশাপাশি ঢালাইয়ে মরিচাধরা রড ব্যবহারের অভিযোগও রয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, প্রায় ছয় মাস আগে ঢালাইয়ের প্রস্তুতির সময় সেন্টারিংসহ একটি অংশ ভেঙে পড়ে। এরপরও কাজের গতি ছিল ধীর। এর মধ্যে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আগাম বিল তুলে নিয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তারা।
রোববার (৪ অক্টোবর) পুনরায় সেতুর ঢালাইয়ের কাজ শুরু হলে স্থানীয়রা সেখানে কাদাযুক্ত পাথর ও জমাট সিমেন্ট ব্যবহারের অভিযোগ তোলেন। পরে বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হয়। খবর পেয়ে বাদ আসর ঘটনাস্থলে যান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সেলিনা আক্তার ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) ওবায়েদ উল্লাহ।
ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর চলমান ঢালাইয়ের কাজ বন্ধের নির্দেশ দেন কর্মকর্তারা।
স্থানীয় বাসিন্দা সুহেল মিয়া বলেন, ‘এই সেতুতে স্মরণকালের সবচেয়ে বাজে কাজ হয়েছে। মরিচাধরা রডের ওপরও ঢালাই দেওয়া হচ্ছিল।’
আরেক বাসিন্দা আনিস তালুকদার বলেন, ‘আমার বাড়ির কাছেই কাজ হচ্ছে। উপজেলা থেকে কাউকে নিয়মিত তদারকি করতে দেখিনি। পুরো কাজই দুই নম্বর হয়েছে। প্রশাসন এসে কাজ বন্ধ করায় আমরা স্বস্তি পেয়েছি।’
পিআইও ওবায়েদ উল্লাহ বলেন, ‘আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজের অনিয়ম পেয়েছি। তাৎক্ষণিকভাবে কাজ বন্ধ করতে বলা হয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে দ্রুত চিঠি দেওয়া হবে।’
ইউএনও সেলিনা আক্তার বলেন, ‘নিয়ম অনুযায়ী আমরা কাজটি পরিদর্শনে যাই। কিছু অনিয়মের প্রেক্ষিতে কাজটি সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।’ স্থানীয়দের পক্ষ থেকে শুরু থেকেই নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার ও কাদার মধ্যে ঢালাই দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘লিখিত অভিযোগ এলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এদিকে সরকারি নথিতে থাকা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী মো. রুবেল ভূঁইয়ার মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করা হলে তিনি দাবি করেন, তিনি নিজে কাজটি করছেন না; তার লাইসেন্স ব্যবহার করে তার বড় ভাই আবুল কাজটি করছেন। তবে নথিতে তার নাম থাকায় নিয়ম অনুযায়ী দায়বদ্ধতার বিষয়টি জানানো হলে তিনি তা স্বীকার করেন এবং বিষয়টি নিয়ে ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলে খোঁজ নেওয়ার কথা জানান।
অন্যদিকে প্রকল্পের তদারকির দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের নিয়মিত উপস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। তাদের অভিযোগ, দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের নিয়মিত তদারকি না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে কাজ চলেছে।
পরিদর্শনের সময় স্থানীয়দের ভিডিও ধারণে এক আনসার সদস্য বাধা দিয়েছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।
প্রশাসনের হস্তক্ষেপে আপাতত নির্মাণকাজ বন্ধ হলেও পুরোপুরি আশ্বস্ত নন স্থানীয়রা। তাদের দাবি, ইতোমধ্যে সেতুর বড় একটি অংশ নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে নির্মাণ করা হয়েছে। তাই শুধু কাজ বন্ধ নয়, নির্মিত অংশের গুণগত মানও কারিগরি বিশেষজ্ঞ দিয়ে পরীক্ষা করতে হবে।
স্থানীয়দের আশঙ্কা, নির্মাণকাজে অনিয়মের যথাযথ তদন্ত ও ব্যবস্থা না নিলে দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত এই সেতু ভবিষ্যতে এলাকাবাসীর জন্য নিরাপদ যোগাযোগের মাধ্যমের বদলে বড় ধরনের ঝুঁকিতে পরিণত হতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার গোবিন্দপুর বাজারে সড়কের ওপর ইট, বালু ও সুরকি রেখে জনসাধারণের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করায় পাঁচজনকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (বিসিএস) নবীন কর্মকর্তাদের তাত্ত্বিক জ্ঞানের পাশাপাশি মাঠ প্রশাসনের বাস্তব চ্যালেঞ্জ ও কর্মপদ্ধতি সম্পর্কে ধারণা দিতে নেত্রকোনায় অনুষ্ঠিত হয়েছে মাঠ সমীক্ষা।
রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুরে সাভারের বাংলাদেশ লোক-প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (বিপিএটিসি) ৮১তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের অংশ হিসেবে বিভিন্ন ক্যাডারের ১৫ জন প্রশিক্ষণার্থী কর্মকর্তা নেত্রকোনা জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয় পরিদর্শন করেন।
দুপুর ১২টার দিকে কর্মকর্তারা জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে পৌঁছালে তাদের ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করে নেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) রেজওয়ান আহমেদ (পিপিএম)। এ সময় জেলা পুলিশ কার্যালয়ে আন্তরিক ও উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
পরিদর্শনকালে প্রশিক্ষণার্থী কর্মকর্তাদের সামনে নেত্রকোনার ইতিহাস, ঐতিহ্য ও দর্শনীয় স্থান সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত ধারণা তুলে ধরা হয়। পরে জেলা পুলিশের সার্বিক কার্যক্রম নিয়ে একটি মাল্টিমিডিয়া প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করা হয়।
প্রেজেন্টেশনে জেলা পুলিশের সাংগঠনিক কাঠামো, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ দমন, জনসেবা এবং মাঠ পর্যায়ে পুলিশের বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর পুলিশিং, সাইবার অপরাধ দমন, মাদকবিরোধী অভিযান ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের বিভিন্ন উদ্যোগ ও অর্জনের বিষয়েও প্রশিক্ষণার্থীদের অবহিত করা হয়।
পরে অনুষ্ঠিত হয় প্রশ্নোত্তর পর্ব। এতে প্রশিক্ষণার্থী কর্মকর্তারা মাঠ পর্যায়ের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, পুলিশের কর্মপদ্ধতি এবং বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ নিয়ে প্রশ্ন করেন। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজওয়ান আহমেদ এসব প্রশ্নের উত্তর দেন এবং জনবান্ধব, পেশাদার ও প্রযুক্তিনির্ভর পুলিশিংয়ের মাধ্যমে জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশের কার্যক্রম তুলে ধরেন।
সংশ্লিষ্টরা জানান, এ ধরনের মাঠ সমীক্ষার মাধ্যমে নবীন ক্যাডার কর্মকর্তারা মাঠ প্রশাসনের বাস্তব চিত্র, সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের ভূমিকা সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পাচ্ছেন। ভবিষ্যতে জনবান্ধব ও কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণে এ অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এ সময় জেলা পুলিশের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মাহফুজা খাতুন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) হাফিজুল ইসলাম এবং সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার স্বজল কুমার সরকার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আজ সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩, ২৩ রবিউস সানি ১৪৪৮।
ঢাকা এবং এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের নামাজের সময়সূচি নিম্নরূপ প্রকাশ করা হলো—
জোহরের নামাজ শুরু হবে দুপুর ১১টা ৫০ মিনিটে।
আসরের নামাজ শুরু হবে ৪টা ৩ মিনিটে।
মাগরিবের নামাজ অনুষ্ঠিত হবে ৬টা ৪৫ মিনিটে।
এশার নামাজ শুরু হবে ৬টা ৫৮ মিনিটে।
আগামীকাল ফজর শুরু ৪টা ৪১ মিনিটে
আজ ঢাকায় সূর্যাস্তের সময় ৫টা ৪৩ মিনিট এবং আগামীকাল সূর্যোদয়ের সময় ৫টা ৫১ মিনিটে হবে।
সূত্র : ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বসুন্ধরা, ঢাকা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের প্রতিরক্ষা প্রস্তুতিতে মারাত্মক ঝুঁকির সৃষ্টি হয়েছে বলে সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ভারতীয় বিমান বাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল অমর প্রীত সিং। যুদ্ধবিমান অন্তর্ভুক্তিতে দীর্ঘসূত্রতা বিশেষ করে বহু পুরোনো মিগ-২১ বহর অবসরে পাঠানোর পর স্কোয়াড্রন সংখ্যা উদ্বেগজনকভাবে হ্রাস পাওয়ায় চরম শূন্যতা তৈরি করেছে। অনুমোদিত ৪২.৫টি স্কোয়াড্রনের বিপরীতে বর্তমানে তা নেমে এসেছে আশঙ্কাজনক মাত্র ২৯-এ। এ সংকট কাটিয়ে উঠতে ভারতকে প্রতি বছর অন্তত ৩৬ থেকে ৪০টি আধুনিক যুদ্ধবিমান বাহিনীতে যুক্ত করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
৯৪তম বিমান বাহিনী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এয়ার চিফ মার্শাল এপি সিং বলেন, “প্রযুক্তির আগমনে বিলম্ব মানেই সক্ষমতা থেকে বঞ্চিত হওয়া (টেকনোলোজি ডিলেইড ইজ টেকনোলোজি ডিনাইড)। পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ হলেও এবারের বিলম্ব সীমা ছাড়িয়ে গেছে, যা সরাসরি আমাদের আঘাত করছে।” তিনি আরও জানান, যদিও বহর সংকুচিত, ভারতীয় বিমান বাহিনী দুর্বল নয়। ঘাটতি মেটাতে এলসিএ তেজস মার্ক-১এ, প্রস্তাবিত মার্ক-২, মাল্টিরোল ফাইটার এয়ারক্রাফট (এমআরএফএ) এবং দেশীয় পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান ‘আমকা’ (এএমসিএ) কর্মসূচির ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। ফ্রান্সের সাথে ১১৪টি রাফাল বিমান কেনার চুক্তি চলতি অর্থবছর নাগাদ সই হতে পারে এবং রাশিয়া তাদের সুখোই-৫৭ স্টেলথ বিমানের প্রস্তাব দিলেও এ বিষয়ে নয়াদিল্লি এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি।
এদিকে, পাকিস্তানের বিমান বাহিনীর আধুনিকায়ন ও চীনা সামরিক আগ্রাসন নিয়ে গভীর শঙ্কা প্রকাশ করেছেন ভারতীয় বিমান প্রধান। পাকিস্তান চীন থেকে পঞ্চম প্রজন্মের জে-৩৫এ স্টেলথ ফাইটার জেট সংগ্রহ করতে যাচ্ছে এবং তাদের বৈমানিকরা চীনে এ বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিচ্ছে- এমন তথ্যকে তিনি ‘উদ্বেগের বড় কারণ’ বলে আখ্যা দেন।
বিশ্লেষকদের মতে, চীনের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এ সর্বাধুনিক স্টেলথ বিমান বিদেশে রফতানির ঘটনা দক্ষিণ এশিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা সমীকরণে ভারতের জন্য মারাত্মক চাপ সৃষ্টি করছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বহুল প্রচারিত ‘আত্মনির্ভর ভারত’ বা ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ সেøাগানের সীমাবদ্ধতা নিয়েও বাস্তবসম্মত মন্তব্য করেছেন এয়ার চিফ। তিনি স্পষ্টভাবে জানান, আত্মনির্ভরতা প্রয়োজনীয় হলেও জাতীয় প্রতিরক্ষাকে ঝুঁকির মুখে ফেলে বা কোনো সমঝোতা করে তা রাতারাতি অর্জন করা সম্ভব নয়। ড্রোন ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির ওপর জোর দিলেও আধুনিক সমরাস্ত্র ও সমন্বিত আকাশ প্রতিরক্ষাই যে চূড়ান্ত সামরিক শক্তির মূল চাবিকাঠি, বিদায়লগ্নে তা স্পষ্টভাষায় স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন ভারতীয় বিমান বাহিনীর এ শীর্ষ কর্মকর্তা। সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ