সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:২৬ পি.এম
রাজধানীর উত্তরায় বরগুনা-২ আসনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য শওকত হাসানুর রহমান রিমনের বাসা থেকে পুলিশ নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ১৫ নেতাকর্মীকে আটক করেছে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উত্তরার ৭ নম্বর সেক্টরের ওই বাসায় অভিযান পরিচালনা করে উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশ। পরে আটককৃতদের থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
উত্তরা বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) রেজাউল করিম জানিয়েছেন, ‘সাবেক সংসদ সদস্য শওকত হাসানুর রহমান রিমনের উত্তরার বাসায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা জড়ো হয়েছেন, এমন তথ্যের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ১৫ জনকে আটক করা হয়।’
পুলিশের সূত্রে জানা গেছে, পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে ওই বাসায় কেক কাটার আয়োজন করা হয়েছিল। এ কারণে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা সেখানে জড়ো হয়েছিলেন। খবর পেয়ে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে।
ডিসি রেজাউল করিম আরও জানান, আটকদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁদপুর জেলার বিভিন্ন স্থানে কিশোর গ্যাং, অপরাধ প্রবণতা এবং জনশৃঙ্খলা বিঘ্নিতকারী কার্যক্রম প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থা (ডিবি), যার ফলে ৩৭০ জনকে আটক করা হয়েছে।
রোববার চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজির নির্দেশনায় এবং চাঁদপুর জেলা পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমানের তত্ত্বাবধানে, চাঁদপুর সদর মডেল থানাসহ জেলার বিভিন্ন স্থানে এই সমন্বিত অভিযানটি পরিচালিত হয়। জেলা পুলিশ মিডিয়া সেল থেকে জানানো হয়েছে, উঠতি বয়সী কিশোরদের বিভিন্ন অপকর্ম ও কিশোর গ্যাংয়ের বিস্তার রোধ করার জন্য জেলার গুরুত্বপূর্ণ এবং অপরাধ প্রবণ এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়েছে। অভিযানে সকল থানার এবং ডিবি পুলিশের একাধিক দল একত্রে অংশগ্রহণ করেছে। আটককৃতদের সম্পর্কে পুলিশ জানায়, তাদের অপরাধের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা নিবিড়ভাবে যাচাই করা হচ্ছে। যাদের বিরুদ্ধে মাদক বা অন্যান্য সুনির্দিষ্ট অপরাধের প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, আটককৃতদের মধ্যে যারা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নয়, তাদের অভিভাবকদের ডেকে সতর্ক করা হয়েছে। অভিভাবকদের কাছে সন্তানকে সুপথে রাখা, নিয়মিত পড়াশোনায় মনোযোগী করা এবং অপরাধমূলক কাজ থেকে দূরে রাখার বিষয়ে বুঝিয়ে তাদের কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে।
কিশোর অপরাধ নিয়ন্ত্রণে অভিভাবকদের আরও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়ে পুলিশ প্রশাসন জানায়, জেলার জননিরাপত্তা রক্ষা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁদপুরের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আল-আমিন একাডেমি স্কুল অ্যান্ড কলেজে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক গঠিত এডহক কমিটি সম্পূর্ণ বাতিল করার পাশাপাশি আল-আমিন সোসাইটির পরিচালনা পর্ষদ বহাল রাখার দাবিতে অভিভাবকরা মানববন্ধন করেছেন।
মানববন্ধনটি অনুষ্ঠিত হয় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা থেকে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত চাঁদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক সড়কে।
অভিভাবকরা মানববন্ধনে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আল-আমিন সোসাইটির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালিত হয়ে আসছে। সোসাইটির সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার ফলস্বরূপ প্রতিষ্ঠানটি চাঁদপুরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। তাই তারা সোসাইটির গঠিত পরিচালনা পর্ষদ বহাল রেখে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার দাবি জানান।
মানববন্ধনের পর অভিভাবক মহলের পক্ষ থেকে কর্মসূচির সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. শাহজাহান খান, সোসাইটির সদস্য অ্যাডভোকেট মাসুদুর রহমান বুলবুল, আব্দুস শুক্কুর মস্তান সহ অন্যান্যরা জেলা প্রশাসকের কাছে প্রধানমন্ত্রীর বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, আল-আমিন সোসাইটির সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ও কল্যাণমুখী কর্মসূচির কারণে চাঁদপুরবাসী একটি আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পেয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির পরিসর দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং জাতীয় পরীক্ষাগুলোতে শিক্ষার্থীরা কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জন করছে।
অভিভাবকরা দাবি করেন, আল-আমিন সোসাইটির গঠিত গভর্নিং বডি অনুমোদন দিতে হবে। একই সঙ্গে আল-আমিন একাডেমি স্কুল অ্যান্ড কলেজ পরিচালনায় ‘অযাচিত সরকারি-বেসরকারি হস্তক্ষেপ’ বন্ধ করার দাবি জানান তারা।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন অভিভাবকদের পক্ষে সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. শাহজাহান খান, সোসাইটির পক্ষে অ্যাডভোকেট মাসুদুর রহমান বুলবুল, আব্দুস শুক্কুর মস্তান, মাওলানা আফসার উদ্দিন মিয়াজী এবং অভিভাবক ফরিদা ও ফারুল বেগম।
সভাপতির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট মো. শাহজাহান খান বলেন, ১৯৭৭ সালে আল-আমিন একাডেমি প্রতিষ্ঠার পর থেকে আল-আমিন সোসাইটির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালিত হয়ে আসছে। প্রায় ৫০ বছর ধরে সুনামের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালিত হলেও বিভিন্ন সময়ে এর ব্যবস্থাপনায় হস্তক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি বলেন, ২০১৯ সালে তৎকালীন সরকারের হস্তক্ষেপে সোসাইটির কর্তৃক গঠিত পরিচালনা কমিটি বাতিল করা হয়। পরবর্তী সময়ে সোসাইটি আবারও পরিচালনায় আসে। গত দুই বছরে প্রতিষ্ঠানটি ভালো ফলাফল করেছে দাবি করে তিনি বলেন, সর্বশেষ এসএসসি পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠানটির ২২৭ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে।
শাহজাহান খান আরও বলেন, ‘অবৈধ দখল’ থেকে প্রতিষ্ঠানটি উদ্ধারের পর আবারও একই ইস্যুতে সোসাইটি কর্তৃক পরিচালনা পর্ষদ বাতিল করে এডহক কমিটি গঠনের চিঠি দেওয়া হয়েছে। অথচ সোসাইটি কর্তৃক গঠিত কমিটির মেয়াদ আগামী নভেম্বর পর্যন্ত রয়েছে।
তিনি বলেন, চাঁদপুর তথা দেশের ঐতিহ্যবাহী এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত হস্তক্ষেপ তারা চান না। সরকার, স্থানীয় সংসদ সদস্য ও প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সব মহলের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, একটি প্রতিষ্ঠিত ও ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দখল বা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা না করে যারা এমন উদ্যোগ নিচ্ছেন, তারা চাইলে নিজেদের উদ্যোগে নতুন প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারেন। একই সঙ্গে আল-আমিন একাডেমির শিক্ষা কার্যক্রমে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ না করার আহ্বান জানান তারা।
বক্তারা আরও বলেন, অতীতে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন আসার পর এর ফলাফল ও সার্বিক কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছিল বলে তারা মনে করেন। এর প্রভাব শিক্ষার্থীদের ওপরও পড়েছে। তাই শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে আল-আমিন একাডেমি নিয়ে সব ধরনের ‘ষড়যন্ত্র’ বন্ধের দাবি জানান তারা।
অভিভাবকরা হুঁশিয়ারি দেন, দাবি বাস্তবায়ন না হলে তারা আরও কঠোর কর্মসূচি নিয়ে রাজপথে নামতে বাধ্য হবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লার হোমনা পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের শ্রীমদ্দি গ্রাম। সম্প্রতি এখানে মো. ওয়ালি উল্লাহর বাড়ির দক্ষিণ পাশে একটি নতুন গ্রামীণ সড়ক নির্মিত হয়েছে। এর পাশে একটি ছোট পুকুর রয়েছে, যেখানে মাছের উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যাচ্ছে এবং পাড়জুড়ে সবুজের সমারোহ বিরাজমান। শরতের শান্ত বিকেলে ঝিরিঝিরি বাতাস বইছে। এই সময় ওয়ালি উল্লাহ পুকুরে মাছের খাবার দেন এবং একই সঙ্গে পাড়ের সবজির চারাগুলোর পরিচর্যাও করেন।
১৬ শতকে মাছের সমারোহ
কথোপকথনে জানা যায়, শখের বশে ওয়ালি উল্লাহ বাড়ির দক্ষিণের ১৬ শতাংশ জমি কেটে পুকুর তৈরি করেছেন। সেখানে তিনি কার্প, সরপুঁটি, তেলাপিয়া ও বাটা প্রজাতির প্রায় চার হাজার পোনা ছেড়েছেন। নিয়মিতভাবে প্রতিদিন সম্পূরক খাবার প্রদান করেন। সযত্নে বেড়ে ওঠা মাছগুলো বর্তমানে প্রায় ৬ ইঞ্চি লম্বা হয়ে উঠেছে। মাছের সুষ্ঠু বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে এবং পুকুরের ঘনত্ব নিয়ন্ত্রণে রাখতে মাঝে মাঝে কিছু মাছ ধরে নেন তিনি।
পুকুরপাড়ে বিষমুক্ত সবজির বাগান
মাছ চাষের পাশাপাশি পুকুরপাড়ের খালি জায়গাকেও দারুণভাবে কাজে লাগিয়েছেন ওয়ালি উল্লাহ। পরিবারের দৈনন্দিন পুষ্টির চাহিদা মেটাতে পুরো পাড়জুড়ে বিষমুক্ত সবজির বাগান গড়ে তুলেছেন। পাড়সংলগ্ন প্রায় এক বিঘার মতো জমিতে তিনি লাউ, চিচিঙা, ঝিঙা সবজির বাগান তৈরি করেছেন। সেখানে বাঁশের মাচায় ডালপালা ছড়ানো লাউগাছ রয়েছে, ঝুলছে কচি কচি কয়েকটি লাউ। একটু দূরে লকলকিয়ে বেড়ে উঠছে শিমের চারা। পাড়ের চারপাশে বেগুন, পুঁইশাক ও মিষ্টি কুমড়াসহ নানা ধরনের শাকসবজি শোভা পাচ্ছে। মাঝে মাঝে তিনি পেঁপে, আম ও কলার চারাও রোপণ করেছেন।
পুষ্টির পূরণ ও অর্থনীতিতে স্বস্তি
ওয়ালি উল্লাহ জানান, গত কয়েক বছর ধরে তিনি এই সমন্বিত পদ্ধতিতে মাছ ও শাকসবজির চাষ করছেন এবং এতে সাফল্যও পাচ্ছেন। এর ফলে তার পরিবারের দৈনন্দিন আমিষ ও পুষ্টির চাহিদা সহজেই মিটছে, পাশাপাশি বাজারের খরচও অনেকাংশে কমেছে।
নতুন সড়ক দিয়ে যাতায়াতকারী পথচারীদের নজর আকর্ষণ করছে ওয়ালি উল্লাহর এই সমন্বিত খামার। তিনি প্রমাণ করেছেন, অল্প জমি কীভাবে সঠিক পরিকল্পনায় কাজে লাগানো যায়। তার এই উদ্যোগ স্থানীয়দের জন্য একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে।
অনুপ্রেরণা পাচ্ছেন স্থানীয়রা
শ্রীমদ্দি গ্রামের বাসিন্দা ও স্থানীয় সাংবাদিক মো. কামাল হোসেন মন্তব্য করেন, গ্রামীণ অর্থনীতিকে মজবুত করতে এবং পারিবারিক পুষ্টি নিশ্চিত করতে ওয়ালি উল্লাহর এই উদ্যোগ স্থানীয়দের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। ছোট পরিসরে সমন্বিত চাষের এই মডেল এখন অনেকের জন্য অনুকরণীয় হয়ে উঠেছে।
কর্মকর্তাদের আশ্বাস ও সহায়তা
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, ওয়ালি উল্লাহর সমন্বিত চাষের উদ্যোগটি নিরাপদ খাদ্য ও সবজি উৎপাদনে অন্যদের উৎসাহিত করবে। আমাদের পক্ষ থেকে তাকে সব ধরনের কারিগরি সহায়তা এবং হাইব্রিড জাতের সবজি চাষে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করা হবে। এছাড়া সরকারি কৃষক কার্ডের সুবিধা নিশ্চিত করে তার এই চাষাবাদকে আরও জোরদার করতে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সার্বক্ষণিক পাশে থাকবে।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা নাজমা আক্তার বলেন, ওয়ালি উল্লাহর ১৬ শতকের পুকুরে মাছ চাষের উদ্যোগটি প্রশংসনীয়। তবে সঠিক ফলন পেতে পুকুরের জায়গা মেপে মাছের অনুপাত ঠিক রাখা জরুরি। মৎস্য বিভাগের পক্ষ থেকে তাকে সঠিক অনুপাতে পোনা মজুদের পরামর্শ এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খাগড়াছড়ির লক্ষ্মীছড়িতে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে আয়োজিত ১৫ দিনব্যাপী প্রান্তিক কৃষি ব্যবস্থাপনা প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দুল্যাতলী আর্মি ক্যাম্পের উদ্যোগে দুর্গম পাহাড়ের প্রান্তিক কৃষকদের জন্য এই প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রান্তিক কৃষকদের হাতে সার্টিফিকেট ও কৃষি উপকরণ, যেমন বীজ, স্প্রেয়ার মেশিন এবং কম্পোস্ট সার তুলে দেন জোন অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল খান সজিবুল ইসলাম। তিনি বলেন, "বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশ, সমতলের ন্যায় দুর্গম পাহাড়েও কৃষি বিপ্লব ঘটাতে হলে উন্নত প্রশিক্ষণ ও আধুনিক সরঞ্জা ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষকদের আরো দক্ষ করে গড়ে তুলতে পারলে আমাদের স্বপ্নের কৃষি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়া সম্ভব হবে।"
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জোন উপ-অধিনায়ক মেজর রাজু হোসেন, প্রশিক্ষক লক্ষ্মীছড়ি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রতন বরমন এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ