সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:৩৭ পি.এম
কুমিল্লার হোমনা পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের শ্রীমদ্দি গ্রাম। সম্প্রতি এখানে মো. ওয়ালি উল্লাহর বাড়ির দক্ষিণ পাশে একটি নতুন গ্রামীণ সড়ক নির্মিত হয়েছে। এর পাশে একটি ছোট পুকুর রয়েছে, যেখানে মাছের উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যাচ্ছে এবং পাড়জুড়ে সবুজের সমারোহ বিরাজমান। শরতের শান্ত বিকেলে ঝিরিঝিরি বাতাস বইছে। এই সময় ওয়ালি উল্লাহ পুকুরে মাছের খাবার দেন এবং একই সঙ্গে পাড়ের সবজির চারাগুলোর পরিচর্যাও করেন।
১৬ শতকে মাছের সমারোহ
কথোপকথনে জানা যায়, শখের বশে ওয়ালি উল্লাহ বাড়ির দক্ষিণের ১৬ শতাংশ জমি কেটে পুকুর তৈরি করেছেন। সেখানে তিনি কার্প, সরপুঁটি, তেলাপিয়া ও বাটা প্রজাতির প্রায় চার হাজার পোনা ছেড়েছেন। নিয়মিতভাবে প্রতিদিন সম্পূরক খাবার প্রদান করেন। সযত্নে বেড়ে ওঠা মাছগুলো বর্তমানে প্রায় ৬ ইঞ্চি লম্বা হয়ে উঠেছে। মাছের সুষ্ঠু বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে এবং পুকুরের ঘনত্ব নিয়ন্ত্রণে রাখতে মাঝে মাঝে কিছু মাছ ধরে নেন তিনি।
পুকুরপাড়ে বিষমুক্ত সবজির বাগান
মাছ চাষের পাশাপাশি পুকুরপাড়ের খালি জায়গাকেও দারুণভাবে কাজে লাগিয়েছেন ওয়ালি উল্লাহ। পরিবারের দৈনন্দিন পুষ্টির চাহিদা মেটাতে পুরো পাড়জুড়ে বিষমুক্ত সবজির বাগান গড়ে তুলেছেন। পাড়সংলগ্ন প্রায় এক বিঘার মতো জমিতে তিনি লাউ, চিচিঙা, ঝিঙা সবজির বাগান তৈরি করেছেন। সেখানে বাঁশের মাচায় ডালপালা ছড়ানো লাউগাছ রয়েছে, ঝুলছে কচি কচি কয়েকটি লাউ। একটু দূরে লকলকিয়ে বেড়ে উঠছে শিমের চারা। পাড়ের চারপাশে বেগুন, পুঁইশাক ও মিষ্টি কুমড়াসহ নানা ধরনের শাকসবজি শোভা পাচ্ছে। মাঝে মাঝে তিনি পেঁপে, আম ও কলার চারাও রোপণ করেছেন।
পুষ্টির পূরণ ও অর্থনীতিতে স্বস্তি
ওয়ালি উল্লাহ জানান, গত কয়েক বছর ধরে তিনি এই সমন্বিত পদ্ধতিতে মাছ ও শাকসবজির চাষ করছেন এবং এতে সাফল্যও পাচ্ছেন। এর ফলে তার পরিবারের দৈনন্দিন আমিষ ও পুষ্টির চাহিদা সহজেই মিটছে, পাশাপাশি বাজারের খরচও অনেকাংশে কমেছে।
নতুন সড়ক দিয়ে যাতায়াতকারী পথচারীদের নজর আকর্ষণ করছে ওয়ালি উল্লাহর এই সমন্বিত খামার। তিনি প্রমাণ করেছেন, অল্প জমি কীভাবে সঠিক পরিকল্পনায় কাজে লাগানো যায়। তার এই উদ্যোগ স্থানীয়দের জন্য একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে।
অনুপ্রেরণা পাচ্ছেন স্থানীয়রা
শ্রীমদ্দি গ্রামের বাসিন্দা ও স্থানীয় সাংবাদিক মো. কামাল হোসেন মন্তব্য করেন, গ্রামীণ অর্থনীতিকে মজবুত করতে এবং পারিবারিক পুষ্টি নিশ্চিত করতে ওয়ালি উল্লাহর এই উদ্যোগ স্থানীয়দের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। ছোট পরিসরে সমন্বিত চাষের এই মডেল এখন অনেকের জন্য অনুকরণীয় হয়ে উঠেছে।
কর্মকর্তাদের আশ্বাস ও সহায়তা
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, ওয়ালি উল্লাহর সমন্বিত চাষের উদ্যোগটি নিরাপদ খাদ্য ও সবজি উৎপাদনে অন্যদের উৎসাহিত করবে। আমাদের পক্ষ থেকে তাকে সব ধরনের কারিগরি সহায়তা এবং হাইব্রিড জাতের সবজি চাষে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করা হবে। এছাড়া সরকারি কৃষক কার্ডের সুবিধা নিশ্চিত করে তার এই চাষাবাদকে আরও জোরদার করতে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সার্বক্ষণিক পাশে থাকবে।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা নাজমা আক্তার বলেন, ওয়ালি উল্লাহর ১৬ শতকের পুকুরে মাছ চাষের উদ্যোগটি প্রশংসনীয়। তবে সঠিক ফলন পেতে পুকুরের জায়গা মেপে মাছের অনুপাত ঠিক রাখা জরুরি। মৎস্য বিভাগের পক্ষ থেকে তাকে সঠিক অনুপাতে পোনা মজুদের পরামর্শ এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খাগড়াছড়ির লক্ষ্মীছড়িতে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে আয়োজিত ১৫ দিনব্যাপী প্রান্তিক কৃষি ব্যবস্থাপনা প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দুল্যাতলী আর্মি ক্যাম্পের উদ্যোগে দুর্গম পাহাড়ের প্রান্তিক কৃষকদের জন্য এই প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রান্তিক কৃষকদের হাতে সার্টিফিকেট ও কৃষি উপকরণ, যেমন বীজ, স্প্রেয়ার মেশিন এবং কম্পোস্ট সার তুলে দেন জোন অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল খান সজিবুল ইসলাম। তিনি বলেন, "বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশ, সমতলের ন্যায় দুর্গম পাহাড়েও কৃষি বিপ্লব ঘটাতে হলে উন্নত প্রশিক্ষণ ও আধুনিক সরঞ্জা ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষকদের আরো দক্ষ করে গড়ে তুলতে পারলে আমাদের স্বপ্নের কৃষি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়া সম্ভব হবে।"
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জোন উপ-অধিনায়ক মেজর রাজু হোসেন, প্রশিক্ষক লক্ষ্মীছড়ি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রতন বরমন এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরেণ্য ইতিহাসবিদ ও অধ্যাপক ড. মুনতাসীর মামুনের সহধর্মিণী ফাতেমা মামুনের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। তিনি দৈনিক প্রথম আলোর ফিচার বিভাগের সাংবাদিক রয়া মুনতাসীরের মা এবং অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংকার ছিলেন।
আজ সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বাদ জোহর চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী গুলবাহার প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে তাঁর নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজার পর স্থানীয় আত্মীয়-স্বজন ও সর্বস্তরের মানুষের অশ্রুসিক্ত ভালোবাসায় গুলবাহার গ্রামের পারিবারিক গোরস্থানে তাঁকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।
জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠানে অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন, তাঁর পুত্র-কন্যা, পরিবারের নিকটাত্মীয়সহ এলাকার বহু গণ্যমান্য ব্যক্তি ও শত শত সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। ফাতেমা মামুনের অকালপ্রয়াণে এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। উপস্থিত সবাই মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁদপুর সদর উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) একক প্রার্থী নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬) বিকেল ৪টায় চাঁদপুর জেলা বিএনপি কার্যালয়ে এই সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। সভার আয়োজন করা হয় চাঁদপুর -৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিকের নির্দেশনায়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন চাঁদপুর সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব মো. শাহজালাল মিশন এবং সাধারণ সম্পাদক হযরত আলী ঢালী সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন। নির্বাচনকেন্দ্রিক কৌশল নির্ধারণ এবং একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার বিষয়ে সভায় বিশদ আলোচনা হয়।
এ সভায় চাঁদপুর সদর উপজেলার ১৪টি ইউনিয়ন বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের ‘সুপার ফাইভ’ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তৃণমূলের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে কীভাবে প্রতিটি ইউনিয়নে যোগ্য ও একক প্রার্থী নিশ্চিত করা যায়, সে বিষয়ে নেতৃবৃন্দ নিজেদের মতামত তুলে ধরেন। দলের ঐক্য বজায় রেখে আগামী নির্বাচনে সাফল্য অর্জনে সবাই একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শুধু পরীক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জন করাই নয়, নৈতিকতা, ধর্মীয় মূল্যবোধ এবং মানবিক গুণাবলিতে শিক্ষার্থীদের গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক যুগ্ম-মহাসচিব লায়ন মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী এফসিএ। তিনি উল্লেখ করেছেন, "জ্ঞান ও নৈতিকতার সমন্বয়েই গড়ে উঠবে এমন একটি প্রজন্ম, যারা পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে।"
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে সীতাকুণ্ডের ফৌজদারহাট কে এম হাইস্কুল প্রাঙ্গণে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.), কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ও বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আসলাম চৌধুরী আরও বলেন, "বিদ্যালয় কেবল পাঠ্যবইয়ের জ্ঞান অর্জনের প্রতিষ্ঠান নয়, শিক্ষার্থীর চরিত্র, চিন্তা ও ভবিষ্যৎ জীবন গঠনেরও গুরুত্বপূর্ণ জায়গা।" তিনি জানান, তাই পড়াশোনার পাশাপাশি সততা, শৃঙ্খলা, দায়িত্ববোধ, সহমর্মিতা ও মানবিক মূল্যবোধের চর্চা বাড়াতে হবে। নৈতিক শিক্ষায় সমৃদ্ধ একজন শিক্ষার্থী শুধুমাত্র নিজের ভবিষ্যৎই গড়ে না, বরং সমাজের জন্যও সম্পদ হয়ে ওঠে।
কৃতি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ভালো ফলাফল অর্জন সাফল্যের একটি ধাপ মাত্র। এই সাফল্য ধরে রাখতে তাদের আরও অধ্যবসায়ী হতে হবে। তিনি যারা প্রত্যাশিত ফল করতে পারেননি, তাদের হতাশ হওয়ার কারণ নেই বলেও উল্লেখ করেন। "পরিশ্রম, নিয়মিত পড়াশোনা ও শিক্ষকদের পরামর্শ অনুসরণ করলে তারাও সামনে এগিয়ে যেতে পারবে।"
শিক্ষার্থীদের সাফল্যে পরিবার ও বিদ্যালয়ের সমন্বিত ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দিয়ে আসলাম চৌধুরী বলেন, "সন্তানদের শুধু পরীক্ষার ফলাফলের দিকে নজর দিলে হবে না। তাদের আচার-আচরণ, বন্ধুত্ব, দৈনন্দিন অভ্যাস ও প্রযুক্তি ব্যবহারের দিকেও অভিভাবকদের খেয়াল রাখতে হবে।" শিক্ষকদেরও পাঠদানের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ বিকাশে ভূমিকা রাখতে হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
ঈদে মিলাদুন্নবীর শিক্ষা ও মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) এর আদর্শের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, "মহানবীর জীবন থেকে সততা, সহনশীলতা, মানবিকতা ও ন্যায়বোধের শিক্ষা পাওয়া যায়।" এসব মূল্যবোধ শিক্ষার্থীদের জীবনে ধারণ করতে পারলে তারা বিপথগামী হওয়া থেকে নিজেদের দূরে রাখতে সক্ষম হবে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান বিশ্ব দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে জ্ঞান-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে। তবে প্রযুক্তির সুফল গ্রহণের পাশাপাশি এর অপব্যবহার ও নেতিবাচক প্রভাব সম্পর্কেও সতর্ক থাকতে হবে। আসলাম চৌধুরী জানান, আধুনিক জ্ঞানের সঙ্গে নৈতিকতার সমন্বয় ঘটানোই হওয়া উচিত শিক্ষার অন্যতম লক্ষ্য।
নিজের প্রাক্তন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রসঙ্গে আসলাম চৌধুরী বলেন, সাবেক শিক্ষার্থী হিসেবে ফৌজদারহাট কে এম হাইস্কুলের প্রতি তাঁর আলাদা দায়বদ্ধতা রয়েছে। বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে তাঁর সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও চট্টগ্রাম চেম্বারের সিনিয়র সহ-সভাপতি আমজাদ হোসেন চৌধুরী। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সহকারী প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সীতাকুণ্ড উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মোহাম্মদ মোরসালিন, যুগ্ম আহ্বায়ক সালামত উল্ল্যাহ, বিএনপি নেতা সাইফুল হুদা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, খম নাজিম উদ্দিন, আবুল হাশেম, জাহেদুল হাছান, আশরাফ আলী মেম্বার ও তারেক হোসেন।
পরে বিদ্যালয়ের কৃতি শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। শিক্ষার্থীদের মেধার স্বীকৃতির পাশাপাশি নৈতিকতা, মানবিকতা ও দায়িত্ববোধে সমৃদ্ধ হয়ে ভবিষ্যতে দেশ ও সমাজের কল্যাণে ভূমিকা রাখার আহ্বানের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ