১২:০১ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্ব শেয়ার বাজারে আনুষ্ঠানিক লেনদেন শুরু হওয়ার আগে মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্কের মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স (SpaceX) গড়ল তাদের ব্র্যান্ড ভ্যালুর নতুন রেকর্ড। আগামী সপ্তাহে শেয়ার বাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার আগেই প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, তাদের বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ১.৭৫ ট্রিলিয়ন (পৌনে দুই লাখ কোটি) ডলারে দাঁড়িয়েছে।
মার্কিন সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (SEC)-এর কাছে প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিও (IPO)-এর পরিকল্পনার বিস্তারিত উল্লেখ করে একটি নথিতে স্পেসএক্স এ তথ্য জানিয়েছে।
স্পেসএক্স জানাচ্ছে, তাদের প্রতিটি শেয়ারের দাম হওয়া উচিত ১৩৫ ডলার (১০০ পাউন্ড)। এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি নিজেদের ব্র্যান্ড ভ্যালু প্রায় ১.৭৫ ট্রিলিয়ন ডলারে নিয়ে গেছে।
সাধারণত, কোন প্রতিষ্ঠান উন্মুক্ত বাজারে লেনদেন শুরু করার ঠিক আগের দিন তাদের শেয়ারের আনুমানিক বিক্রয়মূল্য প্রকাশ করে থাকে। কিন্তু স্পেসএক্স নিজেদের আইপিও অভিষেকের এক সপ্তাহেরও বেশি সময় আগে এই মূল্য ঘোষণা করেছে। এটাই শেয়ার বাজারের ইতিহাসে একটি অস্বাভাবিক ঘটনা।
চলতি বছরের শুরুতে স্পেসএক্সের বাজার ব্র্যান্ড ভ্যালু ছিল ১.২৫ ট্রিলিয়ন ডলার। সেই তুলনায়, মাত্র কয়েক মাসের ব্যবধানে প্রতিষ্ঠানটির মূল্যবৃদ্ধির এই প্রবণতাকে বাজার বিশ্লেষকরা একটি বিশাল লাফ বলে বর্ণনা করছেন। তবে উল্লেখ্য, এই প্রাথমিক দরই চূড়ান্ত নয়; চূড়ান্ত দাম নির্ভর করবে ক্রেতাদের চাহিদা ও উন্মুক্ত বাজারের ওঠানামার ওপর।
আগামী ১২ জুন (শুক্রবার) মার্কিন প্রযুক্তিভিত্তিক শেয়ার বাজার ‘নাসদাক’ (Nasdaq)-এ স্পেসএক্সের আনুষ্ঠানিক লেনদেন শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এই আইপিও’র মাধ্যমে বাজার থেকে রেকর্ড ৭৫ বিলিয়ন ডলার তহবিল সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে কোম্পানিটি, যা বিশ্ব আইপিও’র ইতিহাসে সর্বাধিক।
স্পেসএক্সের অধীনে রয়েছে রকেট ও মহাকাশ অবকাঠামো নির্মাণের পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রতিষ্ঠান ‘এক্সএআই’ (xAI) এবং স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেবা ‘স্টারলিংক’। আগামী সপ্তাহে যদি তাদের শেয়ার প্রত্যাশিত ১৩৫ ডলার বা তার বেশি মূল্যে বিক্রি শুরু হয়, তাহলে স্পেসএক্স সঙ্গে সঙ্গে বিশ্বের শীর্ষ প্রযুক্তি জায়ান্টদের মধ্যে অন্যতম মূল্যবান কোম্পানি হিসেবে উল্লেখযোগ্য স্থান লাভ করবে।
স্পেসএক্সে ৮০ শতাংশেরও বেশি শেয়ারের মালিকানা থাকা মাস্ক এই আইপিও’র মাধ্যমে বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নেয়ার হয়ে যেতে পারেন। তবে এমন বিষয়টিও নাও ঘটতে পারে।
পুঁজিবাজার নিয়ে গবেষণা করা প্রতিষ্ঠান ‘ডিলজিক’ (Dealogic)-এর তথ্যমতে, গত ৩০ বছরে পাবলিক মার্কেটে তালিকাভুক্ত হওয়া কোম্পানিগুলোর প্রায় অর্ধেকই তাদের অভিষেকের সময়ের পরবর্তীতে বাজার মূল্য হারিয়েছে।
সূত্র : বিবিসি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল পুলিশ অর্গানাইজেশনের (ইন্টারপোল) রেড নোটিশভুক্ত নজরুল ইসলাম মোল্লা, যিনি একজন বাংলাদেশি নাগরিক, গ্রেফতার হয়েছেন লিবিয়া দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে। গ্রেফতার হওয়া এই ব্যক্তি বর্তমানে লিবিয়ার কারাগারে বন্দী অবস্থায় আছেন। গ্রেফতারের ঘটনাটি ইতিমধ্যে বাংলাদেশের সরকারকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে। ইন্টারপোলের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, নজরুল ইসলাম মোল্লার বিরুদ্ধে মানব পাচার, মুক্তিপণ গ্রহণ এবং হত্যার মতো গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে।
২০২০ সালের মে মাসে লিবিয়ার মিজদাহতে মানব পাচারকারীদের গুলিতে ২৬ জন বাংলাদেশি নিহত হন। ওই ঘটনায় বাংলাদেশে দায়ের করা মামলার অন্যতম প্রধান আসামি নজরুল মুক্তিপণ আদায়ে জড়িত থাকার অভিযোগে দীর্ঘদিন বিদেশে পালিয়ে ছিলেন। এই গ্রেফতার হওয়ার পর এখন তাঁকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। গতকাল বুধবার পুলিশের একাধিক সূত্রের মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়।
একজন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ২০২১ সালের নভেম্বর মাসে, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ছয়জন প্রধান মানব পাচারকারীদের শনাক্ত করে এবং তাদের ধরিয়ে দিতে ইন্টারপোলের সহযোগিতা চেয়েছিল। তাদের মধ্যে নজরুল ইসলাম অন্যতম। অন্য পাঁচ জন হচ্ছেন মিন্টু মিয়া, স্বপন, তানজিরুল, জাফর ইকবাল এবং শাহাদত হোসেন। পাঁচ বছর পর, অবশেষে নজরুলকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারীরা।
সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (সিরিয়াস ক্রাইম) বদরুল আলম মোল্লা বলেছেন, 'লিবিয়ায় নজরুলের গ্রেফতারের খবর আমাদের জানানো হয়েছে। তাঁকে দেশে আনলে মানব পাচারের সাথে সম্পর্কিত অনেক তথ্য বেরিয়ে আসবে।'
গতকাল ইন্টারপোলের ওয়েবসাইটে নজরুলের তথ্য দেখে জানা যায়, তিনি বাংলাদেশের মাদারীপুরের বাসিন্দা। সেখানে নজরুলের একটি ছবি উল্লেখ রয়েছে। তিনি ১৯৭৭ সালের ৪ মে জন্মগ্রহণ করেন। অভিযোগের বিষয়ে ইন্টারপোল জানিয়েছে, তিনি অবৈধ লাভের উদ্দেশ্যে সংঘবদ্ধ মানব পাচারকারী। চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে এবং প্রতারণার মাধ্যমে অবৈধভাবে আটক রেখে জিম্মি করা এবং মুক্তিপণ চেয়েও হত্যার সাথে জড়িত ছিলেন।
গতকাল পর্যন্ত ইন্টারপোলের ওয়েবসাইটে রেড নোটিশভুক্ত বাংলাদেশির সংখ্যা ৫৯ জন। সেখানে নজরুল ইসলাম ছাড়া আরও তিনজন মানব পাচাকারীর তথ্য রয়েছে, যাদের মধ্যে কিশোরগঞ্জের মিন্টু মিয়া, তানজিরুল এবং স্বপন।
এছাড়া সিআইডির মানব পাচার প্রতিরোধ দলের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছিলেন, ২০১৯ সালে ইন্টারপোল রেড নোটিশভুক্ত দুই বাংলাদেশি মানব পাচারকারীও গ্রেফতার হয়েছিল। তাদের একজন কিশোরগঞ্জের জাফর ইকবাল, যিনি ইতালি থেকে আটক হয়েছিলেন, এবং অপরজন মাদারীপুরের শাহাদত হোসেন, যিনি ঢাকায় গ্রেফতার হন।
জানা যায়, ২৬ বাংলাদেশিকে হত্যার প্রেক্ষিতে মিজদাহতে, মুক্তিপণ আদায় ও নির্যাতন নিয়ে সিআইডি বাদী হয়ে পল্টন এবং বনানী থানায় তিনটি মামলা করেছে। এর বাইরেও দেশের বিভিন্ন স্থানে ২৩টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এসব案件ের আসামি সংখ্যা ২৯৯ জন।
সিআইডির তথ্যানুসারে, মানব পাচারের মামলা বাড়ছে। ২০২৫ সালে ১২২টি, ২০২৪ সালে ১০০, ২০২৩ সালে ৮৬ এবং ২০২২ সালে ১১৪টি মামলা হয়েছে। গত পাঁচ বছরে সিআইডির মানব পাচার প্রতিরোধ টিমের পক্ষ থেকে ৩৪৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা জানাচ্ছেন, অনেক বাংলাদেশি তরুণ নৌকায় করে ভূমধ্যসাগর পার করে ইতালি যেতে চাচ্ছেন, তবে তারা দালালদের ফাঁদে পড়ে যাচ্ছেন। তাঁদের অধিকাংশই নৌকায় যাওয়ার সময় মারা যাচ্ছেন। অনেক টাকা আদায় করার পর দালালরা তাদেরকে লিবিয়া থেকে ইতালির উদ্দেশ্যে একটি কাঠের নৌকায় তুলে দেয় এবং তারপরে দায় সারে। এই ধরনের কার্যক্রমকে 'গেমিং' বলা হয়।
লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলি থেকে ১৮০ কিলোমিটার দূরে মিজদাহে ৬ বছর আগে ২৬ বাংলাদেশিকে হত্যা করা হয়েছিল। এই ঘটনায় আহত হন আরও ১২ জন। সিআইডির অনুরোধে বাংলাদেশ পুলিশের ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো (এনসিবি) ইন্টারপোলকে রেড নোটিশ জারির সুপারিশ করেছিল। এখন পর্যন্ত তিনজন রেড নোটিশভুক্ত আসামীকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে। বাকিদের অবস্থান এবং গতিবিধির ওপর নজর রাখা হচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পুলিশ জানিয়েছে, মাদারীপুরের মানব পাচারকারী দলের অন্যতম প্রধান সদস্য হলো নজরুল ইসলাম মোল্লা, জাফর এবং শাহাদত। তাদের বিরুদ্ধে বিদেশে চাকরির নিশ্চয়তার নাম করে প্রতারণা, মুক্তিপণের দাবিতে জিম্মি করা এবং হত্যা সংক্রান্ত গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।
সর্বশেষ গত ১ জুন লিবিয়া থেকে ১৭৪ জন বাংলাদেশি নাগরিক দেশে ফেরত ফিরে আসেন। লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশি দূতাবাস, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে লিবিয়া সরকার এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহযোগিতায় তাদের দেশে ফিরিয়ে আনার কাজ সম্পন্ন হয়।
প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশিদের বেশিরভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপ গমনের উদ্দেশ্যে মানব পাচারকারীদের ছলনায় এবং সহযোগিতায় লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই লিবিয়ায় বিভিন্ন সময় অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।
লিবিয়ায় বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদে প্রত্যাবাসনের ব্যবস্থা করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা একসাথে কাজ করে যাচ্ছে।
সূত্র: সমকাল
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নওগাঁ ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার বাঙ্গাবাড়ি সীমান্তে ভারত থেকে ২৮ জন বাংলাদেশিকে পুশ-ইনের (জোরপূর্বক ঠেলে দেওয়ার) চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সতর্ক অবস্থানের কারণে তারা সফল হতে পারেনি। বর্তমানে ওই ব্যক্তিরা দুই দেশের শূন্য রেখায় (নো-ম্যানস ল্যান্ড) অবস্থান করছেন।
সীমান্ত সূত্র জানায়, আজ ০৪ জুন ২০২৬ তারিখ আনুমানিক ভোর ০৩:০০ ঘটিকায় বাঙ্গাবাড়ি বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্ত পিলার ২০৩/৬-আর দিয়ে ভারতের ১২ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের আশরাফপুর ক্যাম্পের জোয়ানরা ২৮ জন ব্যক্তিকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পুশ-ইন করার চেষ্টা করে। ভুক্তভোগীদের মধ্যে ১২ জন পুরুষ, ১০ জন নারী এবং ০৬ জন শিশু রয়েছে।
পুশ-ইনের সংবাদ পাওয়ার পরপরই বাঙ্গাবাড়ি বিওপির একটি চৌকস টহল দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। বিজিবি সদস্যরা ওই ব্যক্তিদের ভারতীয় সীমান্তের শূন্য লাইনের অভ্যন্তরে অবস্থানরত অবস্থায় শনাক্ত করে এবং তাদের বাংলাদেশে প্রবেশে বাধা দেয়।
সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, পরিস্থিতি থমথমে রয়েছে। ভারতীয় বিএসএফ সীমান্ত এলাকায় তাদের জনবল বৃদ্ধি করেছে এবং বিভিন্ন পোস্টে অবস্থান নিয়েছে। বিএসএফের পক্ষ থেকে যেকোনো সময় ওই ২৮ জন ব্যক্তিকে পুনরায় পুশব্যাক (জোরপূর্বক বাংলাদেশে পুশ) করার চেষ্টা করা হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ও যেকোনো ধরনের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিজিবির পক্ষ থেকে সীমান্ত এলাকায় টহল ও নজরদারি ব্যাপক হারে জোরদার করা হয়েছে। বিজিবি অত্যন্ত সতর্ক অবস্থানে থেকে সীমান্ত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আবদুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করে ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি অনুমোদন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি ঘোষণা করেছে। সভাপতি হচ্ছেন আবদুল মোনায়েম মুন্না। সিনিয়র সহ-সভাপতির ভূমিকা গ্রহণ করেছেন রেজাউল কবীর পল। সহ-সভাপতি হিসেবে রয়েছেন জিয়াউর রহমান জিয়া, কামাল আনোয়ার আহাম্মদ, মাহফুজুর রহমান মাহফুজ, জাহাঙ্গীর আলম দুলাল, শাহ আলম চৌধুরী, সাইদুর রহমান, সাব্বির আহমেদ দিপু, আবদুল জব্বার খান, খন্দকার এনামুল হক এনাম, শরীফ উদ্দীন জুয়েল, ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ, রফিক আহমেদ ডলার, সাইদ ইকবাল মাহমুদ টিটু, মোহাম্মদ ফিরোজ আবদুল্লাহ, মাহমুদুস সালেহীন, আতিকুর রহমান আতিক, জাকির হোসেন উজ্জল, এইচ এম তসলিম উদ্দিন, নাজমুল আলম নাজু, মোঃ আনোয়ারুল হক, আবু সাঈদ আহমেদ (যুক্তরাষ্ট্র), রহিম উদ্দিন (যুক্তরাজ্য), ফেরদৌস আহমেদ মুন্না, তরিকুল ইসলাম টিটু, ডা. লোহানী মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, মঞ্জুরুল আজিম সুমন, আজিজুর রহমান আকন্দ, নুরুল ইসলাম সোহেল (দপ্তরের দায়িত্বে)। সাধারণ সম্পাদক হলেন মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন। ১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বিল্লাল হোসেন তারেক। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্বে থাকবেন মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, মনিরুল ইসলাম সোহাগ, আবু আতিক আল হাসান মিন্টু, শাহ নাসির উদ্দিন রুমন, কফিল উদ্দিন ভূইয়া, মঈনুদ্দীন রুবেল, আজহারুল ইসলাম মিলন, এজমল হোসেন পাইলট, ইখতিয়ার রহমান কবির, রবিউল ইসলাম নয়ন, সাজ্জাদুল মিরাজ, মিঞা মোহাম্মদ রাসেল, আবদুল করিম সরকার, শফিকুল ইসলাম শফিক, গোলাম মোস্তফা, আবুল মনসুর খান দীপক, খন্দকার আল আশরাফ মামুন, আইয়ুব খান, শামসুজ্জোহা সুমন, তারেক উজ জামান তারেক, শোয়াইব খন্দকার, আশরাফুর রহমান বাবু, আসাদুজ্জামান আসাদ, মোঃ আবদুল ওয়াহাব, হারুন অর রশীদ হিরো (সৌদি আরব), এম তমাল আহমেদ, সাজেদুল ইসলাম, মিনহাজুল ইসলাম ভূইয়া (দপ্তরের দায়িত্বে) এবং আরও অনেকে। সংগঠনটির অধীনে সহ সাধারণ সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক, প্রচার সম্পাদক, আইন বিষয়ক সম্পাদক এবং অন্যান্য বিভাগের সম্পাদকত্বে দায়িত্বে রয়েছেন অনেকেই। ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট এই কমিটি যুবদলের বিভিন্ন কার্যক্রম এবং পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সহায়ক হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ