ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইরানে বড় ধরনের সামরিক অভিযান ফের শুরুর ইঙ্গিত যুক্তরাষ্ট্রের, বলছেন বিশেষজ্ঞরা


ইরানে বড় ধরনের সামরিক অভিযান ফের শুরুর ইঙ্গিত যুক্তরাষ্ট্রের, বলছেন বিশেষজ্ঞরা

ঢাকা, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬ : যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে বড় আকারের সামরিক হামলা আবার শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছে— এমন ইঙ্গিত বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে পাওয়া যাচ্ছে। তবে তারা মনে করছেন, এই ভয়াবহ সংঘাতের সামরিক সমাধান কোনো পক্ষের জন্যই সম্ভব হবে না।

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের বাহিনী বাণিজ্যিক জাহাজে পাল্টাপাল্টি হামলার মধ্যে জড়িয়ে পড়েছে। ওয়াশিংটন ইরানের বন্দরগুলো অবরোধ কার্যকর রাখতে চাচ্ছে। অন্যদিকে, ইরান গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীর ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে।

খবরটি বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

আরও পড়ুন: বোম্বে হাইকোর্ট ইমরান খানের ভারত ছাড়ার নোটিশ স্থগিত করেছে

সেপ্টেম্বরের শুরু থেকে কোনো পক্ষই স্থলভাগের লক্ষ্যবস্তুতে বড় ধরনের হামলা চালায়নি। তবে শিগগিরই পরিস্থিতির পরিবর্তন হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ব্রুকিংস ইনস্টিটিউটের পররাষ্ট্রনীতি কর্মসূচির পরিচালক সুজান ম্যালোনি মন্তব্য করেন, ‘এখন আমার ধারণা, মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরপরই হামলা শুরুর সম্ভাবনা রয়েছে।’

মধ্যবর্তী নির্বাচন আগামী ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত হবে।

তিনি হামলার সম্ভাবনার পক্ষে কয়েকটি ইঙ্গিত তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে— মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত মার্কিন সামরিক সরঞ্জাম ও সেনা মোতায়েন, ওই অঞ্চলে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের জন্য সতর্কবার্তা জারি এবং ইসরাইলি বাহিনীকে উচ্চ সতর্কাবস্থায় রাখা।

আরও পড়ুন: সুদানে স্বর্ণের খোঁজে শ্রমিকেরা জীবন ঝুঁকিতে, খনিতে প্রাণ হারাচ্ছেন

ম্যালোনি আরও বলেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রকাশ্যে বলেছেন, মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে তিনি ইরানে হামলা চালাবেন না।

তার ভাষায়, ‘এখন হামলা চালালে নির্বাচনে তার লাভ হবে বলে মনে হয় না।’

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ইরানবিরোধী যুদ্ধ দেশটিতে ব্যাপকভাবে অজনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে এই যুদ্ধের কারণে জ্বালানির দাম ব্যাপকভাবে বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। ফলে আসন্ন গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনে ট্রাম্পের রিপাবলিকান দলের জন্য এটি নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

ম্যালোনি বলেন, ‘মৌলিকভাবে বর্তমান পরিস্থিতি এভাবে চলতে পারে না।’

আরও পড়ুন: জার্মান ভাইস মিনিস্টার ড. বারবেল কোফলারের আবুল খায়ের স্টীল মেল্টিং লিমিটেড পরিদর্শন

তার মতে, যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ ইরানের ওপর চাপ আরও বাড়াচ্ছে। একই সঙ্গে অবরোধ কার্যকর রাখতে যুক্তরাষ্ট্রকে বিপুলসংখ্যক নৌবাহিনীর জাহাজ ও অন্যান্য সামরিক সম্পদ ব্যস্ত রাখতে হচ্ছে।

শুক্রবার ট্রাম্প বলেছেন, তেহরান কোনো চুক্তিতে না এলে যুক্তরাষ্ট্র আবারও ‘একটু এপিক ফিউরি’ অভিযান চালাতে পারে। গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানের বিরুদ্ধে শুরু করা মার্কিন সামরিক অভিযানের নাম ছিল ‘এপিক ফিউরি’।

তবে নতুন করে হামলা চালানোর সম্ভাব্য সময় সম্পর্কে তিনি কোনো ইঙ্গিত দেননি।

মিডল ইস্ট ইনস্টিটিউটের জ্যেষ্ঠ গবেষক জেসন ক্যাম্পবেল বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে এমন কিছু লক্ষণ দেখা গেছে, যা থেকে ধারণা করা যায়, যুক্তরাষ্ট্র আবারও হামলা চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে এমনও হতে পারে, যুক্তরাষ্ট্র আশঙ্কা করছে যে ইরান কিংবা ইয়েমেনভিত্তিক তাদের মিত্র হুতিরা নতুন করে হামলা চালাতে পারে।

আরও পড়ুন: হলুদ বিন্দু দেখে খননে ২ কোটি টাকার স্বর্ণের খণ্ড উদ্ধার

ক্যাম্পবেল মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট মোতায়েনের পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করেন। এটি সেখানে পৌঁছালে সাময়িকভাবে মার্কিন বিমানবাহী রণতরির নেতৃত্বাধীন আক্রমণকারী বহরের সংখ্যা তিনটিতে উন্নীত হতে পারে। এ ছাড়া ওই অঞ্চলে আরও একটি মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিট পাঠানোর সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানগুলো ইরানের বিরুদ্ধে আগের হামলাগুলোর অনুরূপ কৌশলে শক্তি প্রদর্শন করেছে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ইসরায়েল সফরে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক করেছেন।

তবে নতুন করে হামলা কখন শুরু হতে পারে, সে বিষয়ে ক্যাম্পবেল বলেন, ‘এখানে সময় নির্ধারণ করা অসম্ভব।’

তিনি আরও বলেন, ইরানকে আলোচনার টেবিলে আনতে শুধু চাপ সৃষ্টি করাই যদি উদ্দেশ্য হয়, তাহলে এ ধরনের ব্যাপক সামরিক পদক্ষেপের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

আরও পড়ুন: ফ্লাভিও বলসোনারোর পাসপোর্ট বাতিল

ক্যাম্পবেলের মতে, যুদ্ধের আগের পর্যায়ের তুলনায় এখন ট্রাম্পের সামরিক বিকল্প সীমিত হয়ে এসেছে।

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সম্ভাব্য স্থল অভিযান পরিচালনা করা আরও কঠিন হয়ে পড়েছে।

ম্যালোনি বলেন, ইরানের অধিকাংশ প্রচলিত সামরিক স্থাপনা আগের হামলাগুলোতেই ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে নতুন সামরিক অভিযান চালানো হলে তা আরও বেশি করে বেসামরিক অবকাঠামো ও সাধারণ মানুষের ওপর প্রভাব ফেলে— এমন লক্ষ্যবস্তুতে হামলার দিকে গড়াতে পারে।

তবে তার মতে, এ ধরনের হামলা কিংবা অন্য কোনো সামরিক পদক্ষেপই সংঘাতের স্থায়ী সমাধান আনতে পারবে না।

আরও পড়ুন: ভারতের প্রতিরক্ষা কাউন্সিলের ২২২৭ কোটি ডলারের সামরিক সরঞ্জাম কেনার অনুমোদন

ম্যালোনি বলেন, ‘শুরু থেকেই এটি এমন একটি যুদ্ধ, যা কোনো পক্ষেরই আরও সংঘাত বাড়ানোর মাধ্যমে শেষ করা সম্ভব নয়।’

ক্যাম্পবেলও একই ধরনের মত প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘যুদ্ধের প্রথম ৫০ দিনের মতো আবারও ইরানে হামলা চালালে দেশটির শাসকগোষ্ঠীর কৌশলগত অবস্থানে কীভাবে পরিবর্তন আসবে, তা আমি দেখতে পাচ্ছি না।’

তিনি আরও বলেন, ইরান ইতোমধ্যেই ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সহ্য করার সক্ষমতা দেখিয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো কিংবা বেসামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালানো হলেও দেশটির অবস্থানে বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে— এমন সম্ভাবনা কম।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরিশালে যুবদলকর্মী কাওসার হাওলাদারকে সন্ত্রাসীদের হাতে হত্যা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:০৯ পি.এম


বরিশালে যুবদলকর্মী কাওসার হাওলাদারকে সন্ত্রাসীদের হাতে হত্যা

বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় সন্ত্রাসীরা কাওসার হাওলাদার (৩৭) নামের এক যুবদলকর্মীকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে। এই ঘটনা ঘটে শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে সীমান্তবর্তী পশ্চিম সাতলা এলাকায়।

নিহত কাওসার হাওলাদার সাতলার আলামদী গ্রামের মোনাসেফ হাওরাদারের পুত্র ছিলেন। তিনি পেশায় মটরবাইকচালক ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে কাওসার হাওলাদার, রাশেদ আমিনসহ কয়েকজন যুবদলকর্মী উজিরপুর-কোটালীপাড়া সীমান্তবর্তী পশ্চিম সাতলা এলাকার একটি ব্রিজের ওপর দাঁড়িয়ে কথা বলছিলেন। এ সময় মাইক্রোবাস নিয়ে একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী এসে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

জীবন রক্ষার্থে কাওসার ও রাশেদ আমিন ব্রিজের নিচে পানিতে লাফিয়ে পড়ে পাশের হাবিব হাওলাদারের বাড়িতে গিয়ে আশ্রয় নেন। সেখানে সন্ত্রাসীরা ঘরের দরজা ভেঙে প্রবেশ করে কাওসারকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ফেলে রেখে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ সময় অপর যুবদলকর্মী রাশেদ আমিনও গুরুতর আহত হন।

উজিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘ইরাকে আর কোনো মার্কিন সেনা নেই’ দাবি প্রধানমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:১০ পি.এম


‘ইরাকে আর কোনো মার্কিন সেনা নেই’ দাবি প্রধানমন্ত্রীর

বর্তমানে ইরাকে কোনো মার্কিন সেনা উপস্থিত নেই, এমনকি উপদেষ্টা হিসেবেও নয়—এমন দাবি করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী আলী ফালেহ আল-জাইদি। তিনি একই সঙ্গে ঘোষণা করেছেন যে আগামী বছরের ৩০ জুনের মধ্যে সব অস্ত্র রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে আনা হবে।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) ইরাকের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইএনএকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বিদেশি সেনা না থাকায় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর অস্ত্র নিজেদের কাছে রাখার পূর্বের যুক্তি আর কার্যকর নয়।

তিনি স্পষ্টভাবে জানান, অস্ত্রের নিয়ন্ত্রণ কেবল রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের হাতে রাখার বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত এবং এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার কোনো সুযোগ নেই।

আল-জাইদি বলেন, ‘২০২৭ সালের ৩০ জুনের মধ্যে রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণের বাইরে কোনো অস্ত্র থাকবে না।’

প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, তিনটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর হাতে থাকা অস্ত্রের বিষয়ে সরকার সমঝোতায় পৌঁছেছে। পাশাপাশি আরও চারটি গোষ্ঠীর সঙ্গে আলোচনা চলছে। এই আলোচনার লক্ষ্য হলো অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা।

তিনি বলেন, ‘ইরাক এমন একটি রাষ্ট্র, যেখানে সশস্ত্র গোষ্ঠী রয়েছে; সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর মালিকানাধীন কোনো রাষ্ট্র নয়।’

আল-জাইদি বলেন, একসময় ইরাক আন্তর্জাতিকভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার মাত্র কয়েক দিন দূরে ছিল। সেই সময় বিদেশি দূতাবাসগুলো দেশ ছেড়ে চলে যেতে পারত এবং ইরাকের ওপর বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা আরোপের আশঙ্কা ছিল।

পশ্চিমা দেশগুলোর ধারণা ছিল, কিছু সশস্ত্র গোষ্ঠী কার্যত ইরাকের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিয়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন যে তার সরকারের প্রচেষ্টায় সেই সংকট কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়েছে।

মার্কিন সেনা রাক থেকে প্রত্যাহার করা হলেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারত্ব আরও জোরদার করতে চায় বাগদাদ।

আল-জাইদি বলেন, প্রযুক্তি ও অর্থনৈতিক সক্ষমতার কারণে ইরাক যুক্তরাষ্ট্রকে কৌশলগত অংশীদার হিসেবে বেছে নিয়েছে।

তিনি জানান, মার্কিন কোম্পানিগুলো ইতিমধ্যে ইরাকে কার্যক্রম শুরু করেছে এবং দুই দেশের সহযোগিতার বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।

প্রধানমন্ত্রীর মতে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অংশীদারত্ব এবং দেশের জ্বালানি খাতের উন্নয়ন ইরাকের আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক প্রভাব আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াবে।

কীভাবে ইরাক থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার হলো?

২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে ইরাক ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ধাপে ধাপে মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটের সেনা প্রত্যাহারের বিষয়ে সমঝোতা হয়। পরিকল্পনা অনুযায়ী, চলতি বছরের সেপ্টেম্বরের মধ্যে দেশটিতে জোটের সামরিক মিশন শেষ হওয়ার কথা ছিল।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর ইরাক দেশটিতে মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটের সামরিক মিশন শেষ হওয়ার ঘোষণা দেয়। একই সময়ে পেন্টাগন ইরাকের এরবিল বিমানঘাঁটি থেকে জোটের সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে।

আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই প্রত্যাহারের মধ্য দিয়ে জঙ্গিগোষ্ঠী আইএসের (দায়েশ) বিরুদ্ধে জোটের সামরিক অভিযান থেকে নিরাপত্তা সহযোগিতার নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করেছে দুই পক্ষ। এখন প্রশিক্ষণ ও গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়ের মতো কার্যক্রমে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তথ্যসূত্র: আনাদোলু

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিরাজগঞ্জে যুবক হত্যার অভিযোগে ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:১১ পি.এম


সিরাজগঞ্জে যুবক হত্যার অভিযোগে ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় আকরাম নামের এক যুবককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে পুলিশ মারুফ বিন হাবিব তালুকদার নামে এক ছাত্রলীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে। শনিবার সকালে তাকে সিরাজগঞ্জ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দুপুরে উল্লাপাড়া উপজেলার গয়হাট্টা গ্রাম থেকে মারুফকে গ্রেপ্তার করা হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আকরামকে তার নিজ বাড়িতে ডেকে নিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। হত্যাকাণ্ডের পর আকরামের লাশ বাড়ির আঙিনায় পড়ে ছিল। এ সময় অভিযুক্ত মারুফ নিজ শয়নকক্ষে অবস্থান করছিলেন বলে জানা গেছে। ঘটনাস্থলে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃত মারুফ বিন হাবিব উল্লাপাড়া উপজেলার পূর্ণিমাগাঁতী ইউনিয়নের গয়হাট্টা (খোশালপুর) গ্রামের নুর মোহাম্মদ তালুকদারের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ নেতা। উল্লাপাড়া মডেল থানার ওসি মেহেদী হাসান গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আকরামকে হত্যার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটনে পুলিশ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেছারাবাদে বিএনপি নেতা মিঠুর গণসংযোগ, ইউপি নির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাশা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নেছারাবাদ (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:১৪ পি.এম


নেছারাবাদে বিএনপি নেতা মিঠুর গণসংযোগ, ইউপি নির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাশা

 

 
পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার গুয়ারেখা ইউনিয়নে শতাধিক মোটরসাইকেল নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ করেছেন বিএনপি নেতা জাহিদুর রহমান মিঠু। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার ভরতকাঠি থেকে শুরু হওয়া এ গণসংযোগ রাজবাড়ী বাজারে গিয়ে শেষ হয়। এ সময় তাঁর সঙ্গে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থক অংশ নেন।
 
গণসংযোগ চলাকালে বিভিন্ন বাজারে মোটরসাইকেল থামিয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ী, পথচারীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় ও মতবিনিময় করেন মিঠু। এ সময় উপস্থিত সমর্থকদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে তাঁর এ গণসংযোগ স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার সৃষ্টি করেছে।
 
গণসংযোগকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জাহিদুর রহমান মিঠু বলেন, “মাননীয় প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর সুমন ভাইয়ের গুয়ারেখা ইউনিয়নের প্রতি বিশেষ সুদৃষ্টি রয়েছে। আমার পরিবার বিএনপির প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই দলটির সঙ্গে সম্পৃক্ত। দলের প্রতি আমার ও আমার পরিবারের দীর্ঘদিনের অবদান এবং জনগণের সমর্থন বিবেচনায় নিলে আমি আশা করি, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে গুয়ারেখা থেকে দলীয় মনোনয়ন পাব।”
 
তিনি আরও বলেন, জনগণের পাশে থেকে এলাকার উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চান তিনি। দলীয় মনোনয়ন পেলে ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন এই বিএনপি নেতা।
 
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গুয়ারেখা ইউনিয়নে মিঠুর পারিবারিক রাজনৈতিক পরিচিতি রয়েছে। তাঁর বাবা মরহুম মাস্টার হাবিবুর রহমান ছিলেন গুয়ারেখা ইউনিয়ন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য। পারিবারিকভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততার কারণে স্থানীয় রাজনীতিতে তাঁদের পরিবারের পরিচিতি রয়েছে বলে জানান স্থানীয়রা।
 
মিঠুর বোন শামসুন্নাহার কাকলী পিরোজপুর জেলা মহিলা দলের সহসভাপতি। তাঁর স্ত্রী তাইয়্যেবা সুলতানা খুশি পিরোজপুর জেলা মহিলা দলের সহ-শিল্পবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পরিবারের সদস্যদের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততাও তাঁর রাজনৈতিক পরিচিতির অন্যতম দিক।
 
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, জাহিদুর রহমান মিঠু ২০২৬ সালের গুয়ারেখা ইউনিয়ন ধানের শীষ প্রতীকের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এ ছাড়া তিনি গুয়ারেখা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও নেছারাবাদ উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য ছিলেন।
 
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তৎপরতা বাড়ছে। এ অবস্থায় মিঠুর গণসংযোগকে তাঁকে ঘিরে নির্বাচনী প্রস্তুতির অংশ হিসেবে দেখছেন অনেকে।
 
গুয়ারেখা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী জাহিদুর রহমান মিঠু এখন জনসমর্থন ও দলীয় সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন। শেষ পর্যন্ত বিএনপি কাকে মনোনয়ন দেয়, তা নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল তৈরি হয়েছে। তবে তার সমর্থকদের দাবি, সার্বিক দিক বিবেচনায় সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জাহিদুর রহমান মিঠু আলোচনার শীর্ষে অবস্থান করছে। গুয়ারেখা ইউনিয়নবাসী আগামী নির্বাচনে জাহিদুর রহমান মিঠুকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%