বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৫৫ পি.এম
বাংলাদেশি পণ্য ও সেবা আমদানি বৃদ্ধির জন্য পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ইন্দোনেশিয়ার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্পর্ককে আরও গভীর ও বহুমুখী করার জন্য কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ অ্যাগ্রিমেন্ট (সিইপিএ) নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার আগ্রহ রয়েছে।
বুধবার, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে আসেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত লিস্টিওয়াতি। সাক্ষাৎকালে প্রতিমন্ত্রী বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন। এ সময় দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ, সক্ষমতা বৃদ্ধি, পর্যটন, সাংস্কৃতিক বিনিময়, জনগণের মধ্যে যোগাযোগ, কনস্যুলার বিষয় এবং উচ্চপর্যায়ের সফর বিনিময়ের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন ইস্যুতে সহযোগিতার বিষয়ও উঠে আসে।
দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য আরও বাড়ানোর লক্ষ্যে ইন্দোনেশিয়াকে বাংলাদেশি পণ্য ও সেবা আমদানি বৃদ্ধির আহ্বান জানান হুমায়ুন কবির।
তিনি বলেন, "বাণিজ্য সম্পর্ককে আরও গভীর ও বহুমুখী করতে বাংলাদেশ সিইপিএর দিকে এগিয়ে যেতে প্রস্তুত।"
বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ইন্দোনেশিয়ার ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার অনুরোধও জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। তিনি উল্লেখ করেন, এটি পর্যটন, সাংস্কৃতিক বিনিময় ও দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের রফতানি পণ্যের বৈচিত্র্য বাড়াতে তার দেশের সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। বিশেষ করে, বাংলাদেশের ওষুধসহ বিভিন্ন পণ্য ইন্দোনেশিয়ায় রফতানি বৃদ্ধির বিষয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি।
হুমায়ুন কবির প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকিতে থাকা বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা জোরদারের আগ্রহ প্রকাশ করেন।
রাষ্ট্রদূত লিস্টিওয়াতি এ বিষয়ে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়, উত্তম চর্চা ভাগাভাগি এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেন।
এছাড়া, আসিয়ানের সেক্টরাল ডায়ালগ পার্টনার হওয়ার বাংলাদেশের আকাঙ্ক্ষা এবং রিজিওনাল কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপে (আরসিইপি) যোগদানের উদ্যোগে ইন্দোনেশিয়ার সমর্থন চান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।
রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের এসব উদ্যোগে অব্যাহত সমর্থনের কথা জানান।
বৈঠকে দুই পক্ষ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে দ্বিপক্ষীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নকল ও ভেজাল পণ্য প্রতিরোধের জন্য পণ্য শনাক্তকরণ, উৎস অনুসরণ এবং বাজারে প্রবেশের পূর্বে প্রতিরোধের লক্ষ্যে সরকারি প্রতিষ্ঠান ও শিল্পখাতের মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি। মঙ্গলবার, রাজধানীর কাওরানবাজারে অনুষ্ঠিত ‘নকল ও ভেজাল পণ্য প্রতিরোধ’ শীর্ষক কর্মশালায় বক্তারা এই কথা তুলে ধরেন। কর্মশালাটি জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের (ডিএনসিআরপি) সহযোগিতায় প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. জহিরুল ইসলাম। অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) সেবাস্টিন রেমা’র সভাপতিত্বে, পরিচালক (কার্যক্রম ও গবেষণা) আতিয়া সুলতানাসহ অধিদপ্তরের বিভাগীয় ও ঢাকা অফিসের কর্মকর্তারা কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।
জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. জহিরুল ইসলাম কর্মশালায় বলেন, ভোক্তাদের অধিকার সুরক্ষা করা এবং ন্যায্যমূল্যে সঠিক, মানসম্মত ও নিরাপদ পণ্য নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, “নিরাপদ পণ্য নিশ্চিতকরণে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পাশাপাশি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান, ব্যবসায়ী, ভোক্তা এবং অন্যান্য অংশীজনদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। পারস্পরিক যোগাযোগ ও সমন্বয়ের মাধ্যমে নকল-ভেজাল পণ্যের বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তোলা সম্ভব।”
অনুষ্ঠানে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের পরিচালক (বিপণন) কামরুজ্জামান কামাল নকল পণ্য প্রতিরোধে একটি ‘জাতীয় সমন্বয় সেল’ গঠনের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, নকল ও ভেজাল পণ্য প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থা ও শিল্পখাতকে নিয়ে একটি স্থায়ী ন্যাশনাল অ্যান্টি-কাউন্টারফিট কো-অর্ডিনেশন সেল গঠন করা জরুরি।
জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) সেবাস্টিন রেমা বলেন, নকল ও ভেজাল পণ্য প্রতিরোধ এবং ভোক্তাদের নিরাপদ পণ্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রাতিষ্ঠানিক বিচক্ষণতা আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন। তিনি বাজারে নকল বা ভেজাল পণ্যের কোনো তথ্য পাওয়া গেলে তা দ্রুত সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে জানিয়ে সহযোগিতা করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইয়েমেনের মারিব, আল-জউফ, তাইজ এবং হুদায়দাহসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রদেশে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট একযোগে অন্তত ৩২টি বিমান হামলা পরিচালনা করেছে। চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে ভূ-পৃষ্ঠে নিজেদের সামরিক শক্তি ও সৈন্য সমাবেশ পুনর্গঠন করতেই রিয়াদ এই আকস্মিক হামলা ত্বরান্বিত করেছে।
২০২২ সালের দ্বিপাক্ষিক যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভঙ্গের পর থেকেই এই অঞ্চলে অস্থিরতা চূড়ান্ত রূপ ধারণ করে। আগস্টের গোড়ার দিকে ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনী আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করে যে, সানা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সৌদি আগ্রাসনের পর ঐতিহাসিক যুদ্ধবিরতি কার্যকারিতা হারিয়েছে। এর পর হুতি বিদ্রোহীরা বিমানবন্দর এবং অবরোধের বদলে পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে নতুন নীতি গ্রহণ করে। এর ফলস্বরূপ সৌদি রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকোর বেশ কয়েকটি শোধনাগার, আবহা বিমানবন্দর এবং মূল অর্থনৈতিক স্থাপনাগুলোতে হামলা চালানো হয়। তাছাড়া, সৌদিগামী ও সেখান থেকে প্রস্থানকারী সমস্ত সামুদ্রিক জাহাজের ওপর কঠোর নৌ-নিষেধাজ্ঞাও আরোপ করা হয়।
আল-জউফ প্রদেশের খব ও আশ-শা'আফ জেলার ঐতিহাসিক সুক আল-ইয়াতামা এলাকায় সৌদি সৈন্য ও সামরিক ইউনিটগুলোর বিরুদ্ধে হুতি পাল্টা অভিযান পরিচালনা করে। ওই তীব্র লড়াইয়ে সৌদির পক্ষের বহু সাঁজোয়া যান ও সামরিক যানবাহন সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে যায়। স্থানীয় মাঠপর্যায়ের সূত্র অনুযায়ী, সুক আল-ইয়াতামা বাজারসহ সংলগ্ন সমস্ত এলাকা থেকে প্রতিপক্ষকে হটিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং বর্তমানে আল-জউফের বহির্ভাগে অবশিষ্টাংশ বাহিনীকে তাড়া করা হচ্ছে। ইয়েমেনি বাহিনী মূলত অতর্কিত হামলা, চারপাশ থেকে ঘেরাও এবং বিশেষ কৌশল অবলম্বন করে নিজেদের শক্ত অবস্থান বজায় রাখছে।
রিয়াদ এই পরিস্থিতির প্রতিক্রিয়া জানিয়ে সানা সরকারের আওতাধীন বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা এবং বেশ কিছু সাধারণ বেসামরিক বাসভবনে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমান হামলা পরিচালনা করেছে। ইয়েমেনি সামরিক মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াহিয়া সারি জানিয়েছেন, সৌদি বাহিনীর খামিস মুশাইতের বাদশাহ খালিদ বিমান ঘাঁটি এবং তায়েফের বাদশাহ ফাহাদ বিমান ঘাঁটি থেকে তিন দিনের মধ্যে অন্তত ১২১টি পৃথক হামলা চালানো হয়েছে। এই আক্রমণের মধ্যে আল-জউফের আল-হাজম কেন্দ্রীয় কারাগারে একটি ক্ষেপণাস্ত্র সরাসরি আঘাত হানে, যেখানে বন্দীদের পাশাপাশি তাদের সাথে সাক্ষাৎ করতে আসা বহু নারী ও শিশু মর্মান্তিকভাবে প্রাণ হারান।
হুতি বিদ্রোহীরা এই আক্রমণের পাল্টা জবাব দিতে দেরি করেনি। তারা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং বিধ্বংসী ড্রোন বহর ব্যবহার করে সৌদি আরবের আবহা, নাজরান, জাজান এবং খামিস মুশাইতের সামরিক ও গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক কেন্দ্রগুলোতে নজিরবিহীন হামলা চালায়। নাসার স্যাটেলাইট চিত্রেও আরামকোর জাজান শোধনাগার, আসির কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং বাদশাহ খালিদ বিমান ঘাঁটিতে বিশাল অগ্নিকাণ্ডের তাপীয় সংকেত স্পষ্ট ধরা পড়েছে।
পরবর্তীতে সৌদি আরবের জ্বালানি মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করেছে যে, দেশের দক্ষিণাঞ্চলের বেশ কয়েকটি জ্বালানি স্থাপনায় হামলা ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, যার ফলে সাময়িকভাবে ওই সমস্ত কেন্দ্রে উৎপাদন ও পরিচালনা কার্যক্রম স্থগিত রাখতে হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হরমুজ প্রণালীতে নজরদারি করার সময় যুক্তরাষ্ট্রের একটি এমকিউ-১ গোয়েন্দা ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি ইরান করেছে।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) হরমুজ প্রণালীর প্রবেশপথে ড্রোনটি শনাক্ত করার পর ইরানি সামরিক বাহিনী সেটিকে লক্ষ্যবস্তু করে বলে জানা গেছে, যা দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজে প্রকাশিত হয়েছে।
সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ইরানের সমন্বিত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে দেশটির সেনাবাহিনী ও ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় আকাশ প্রতিরক্ষা ইউনিট যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করেছে।
ইরানের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, আকাশ প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্কের অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করে ‘অনুপ্রবেশকারী’ ও ‘শত্রুভাবাপন্ন’ ওই ড্রোনটি ধ্বংস করা হয়েছে। তবে ড্রোনটি ভূপাতিত হওয়ার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী দাবি করেছেন যে, সরকারের কঠোর পদক্ষেপের কারণে আন্তর্জাতিক সংকট সত্ত্বেও প্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি পায়নি এবং আগস্ট মাসে মূল্যস্ফীতি কমেছে।
তিনি বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর শেরেবাংলানগরের জিয়া উদ্যানে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা জানানো শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই মন্তব্য করেন।
জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের প্রতিষ্ঠাবর্ষিকী উপলক্ষে সংগঠনটির নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানে রিজভী বলেন, ‘আজকে অনেক সংকটের মধ্যেও আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তিনি যে কর্মসূচি ও রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব সুচারুভাবে পালন করছেন, তার মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে—একজন দেশপ্রেমিক ব্যক্তি ক্ষমতায় থাকলে জনগণের স্বার্থকেই সবচেয়ে বড় করে দেখেন।’
জ্বালানি পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি বলেন, দেশে গ্যাসের সংকট আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির ফলাফল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে পারস্য উপসাগরের হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল ও গ্যাস বহনকারী জাহাজ চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, এই বৈশ্বিক সংকট একক কোনো রাষ্ট্রের পক্ষে সম্পূর্ণরূপে কাটিয়ে ওঠা সম্ভব নয়।
তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী দিন-রাত পরিশ্রম করছেন এবং মিয়ানমার, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া থেকে বিকল্প উপায়ে গ্যাস আমদানির ব্যবস্থা নিচ্ছেন। সংকট মোকাবিলায় সরকার গ্যাসের জন্য অতিরিক্ত ৪০ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি বরাদ্দ দিয়েছে। এসব পদক্ষেপের সুফলেই আন্তর্জাতিক চাপ ও অভ্যন্তরীণ সংকট সত্ত্বেও বাজারে খাদ্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ