মোঃ শরীফ উদ্দিন : ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:৫২ পি.এম
মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরির একটি পোস্টে উঠে এসেছে সমাজের দ্বিচারিতা ও ন্যায়বিচার নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।
একজন শিক্ষক মাদ্রাসার ছাত্রীকে চুমু দেওয়ার অভিযোগের পর এক বডিবিল্ডারের থাপ্পড় মারার ঘটনাকে কেন্দ্র করে অনেকে বলতে শুরু করেছেন—দেশে আইন আছে, আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া উচিত নয়। নিঃসন্দেহে, অপরাধের বিচার আইন অনুযায়ী হওয়া উচিত; কাউকে নিজের হাতে শাস্তি দেওয়ার অধিকার কারও নেই।
কিন্তু প্রশ্ন হলো, মসজিদের ইমাম মাওলানা রঈস উদ্দিন যখন কথিত মব ভায়োলেন্সের শিকার হয়ে নির্মমভাবে নিহত হয়েছিলেন, তখন এই একই কণ্ঠগুলো কোথায় ছিল? তখন কি আইনের শাসন, মানবাধিকার ও ন্যায়বিচারের কথা সমানভাবে উচ্চারিত হয়েছিল?
আইনের শাসন কি সবার জন্য সমান নয়?
একটি ঘটনায় আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার প্রতিবাদ করা হবে, আরেকটি ঘটনায় নিরপরাধ বা অভিযুক্ত—যে-ই হোক, জনতার হাতে সহিংসতার শিকার হলে নীরব থাকা হবে—এমন দ্বিমুখী অবস্থান কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরির বক্তব্যের মূল প্রশ্নটি তাই গুরুত্বপূর্ণ: অন্যায়ের প্রতিবাদে আমাদের নীতি কি ব্যক্তি, পরিচয় ও পরিস্থিতি অনুযায়ী বদলে যায়?
মনে রাখতে হবে, অভিযোগের বিচার করবে আইন ও আদালত; উন্মত্ত জনতা নয়। মব ভায়োলেন্স কখনো ন্যায়বিচার নয়, আর নীরবতা কখনো অন্যায়ের সমাধান নয়।
“উন্মত্ত জনতার সুনির্দিষ্ট মস্তিষ্ক কিংবা বিবেক থাকে না”—এই কথাটির তাৎপর্য হলো, আবেগের বশে জনতার হাতে বিচার তুলে দিলে নিরপরাধ মানুষের জীবনও বিপন্ন হতে পারে।
আমরা চাই, প্রতিটি অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত হোক, অপরাধী প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী শাস্তি হোক এবং মব সহিংসতায় জড়িতদেরও জবাবদিহির আওতায় আনা হোক। ন্যায়বিচার নির্বাচিতভাবে নয়—সবার জন্য সমানভাবে নিশ্চিত করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জামায়াতের রুকনদের উদ্দেশ্যে আহ্বান জানিয়ে সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা এবং জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, "আমরা থামব না; থামার সুযোগ নেই।" তিনি উল্লেখ করেন, সিটি নির্বাচনে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা দিয়ে কাজ করতে হবে। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী প্রাচীর গড়ে তুলতে হবে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জামায়াতের ঢাকা মহানগর উত্তরের রুকন সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
ঢাকা মহানগরী উত্তর ও দক্ষিণের অতীত সাংগঠনিক পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, "এই অবস্থান ধরে রাখতে রুকনদের মান বাড়াতে হবে।"
জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, "জনগণ আমাদের ভোট দিয়েছে, কিন্তু তা ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গ্যাস পাইপলাইনের জরুরি মেরামতের কারণে আগামীকাল শনিবার রাজধানীর নতুন বাজার থেকে কুড়িল বিশ্বরোড পর্যন্ত বিস্তীর্ণ এলাকায় চার ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, পাইপলাইনের জরুরি লিকেজ মেরামতকাজের জন্য শনিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুর ২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত মোট ৪ ঘণ্টা নতুন বাজার থেকে কুড়িল বিশ্বরোড পর্যন্ত রাস্তার উভয় পাশে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
এর ফলে নর্দা, কালাচাঁদপুর, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, জোয়ার সাহারা, ভাটারা, বারিধারা ‘জে’ ব্লকসহ পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলোতে সব ধরনের গ্রাহকের (আবাসিক, বাণিজ্যিক ও শিল্প) গ্যাস সরবরাহ সম্পূর্ণরূপে বন্ধ থাকবে।
এছাড়া, ওই সময়ে আশপাশের এলাকায় গ্যাসের স্বল্পচাপ বিরাজ করতে পারে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। গ্রাহকদের সাময়িক এই অসুবিধার জন্য তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ দুঃখ প্রকাশ করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারের সৈকতপাড়ের হোটেল সি প্রিন্সেসে আগুনের ঘটনা ঘটেছে, যখন টুপটুপ রিসোর্টে আগুনের জের কাটতে না কাটতেই এই ঘটনা ঘটে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে হোটেলের বেজমেন্টে অবস্থিত জেনারেটর রুমে আগুনের সূত্রপাত ঘটে।
এই সময় পর্যটকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
হোটেল কর্তৃপক্ষের দাবি, তাদের নিজস্ব অগ্নিনির্বাপণ দলের দ্রুত পদক্ষেপের ফলে ৫ মিনিটের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।
পরে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি পরিদর্শন করে।
এ ঘটনায় হতাহতের কোনো খবর নেই। তবে আতঙ্কিত অনেক পর্যটক লাগেজ নিয়ে হোটেল ত্যাগ করেন।
হোটেল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, আগুন লাগার সময় সেখানে ৪৫০ জন অতিথি উপস্থিত ছিলেন।
বিদ্যুৎ সরবরাহে সাময়িক বিঘ্ন ঘটলে জেনারেটর চালু করার সময় এর ফিল্টার থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা জানান, জেনারেটর অতিরিক্ত গরম হয়ে যাওয়াকেও আগুন লাগার সম্ভাব্য কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
হোটেল সি প্রিন্সেসের সিকিউরিটি ইনচার্জ মো. মিজান বলেন, "প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক লাইনে অতিরিক্ত তাপ সৃষ্টির কারণে আগুন লাগতে পারে।"
আগুনের বিষয়টি নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গে হোটেলের নিজস্ব নিরাপত্তা ও অগ্নিনির্বাপণ দলের সদস্যরা দ্রুত কাজ শুরু করেন।
ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের কক্সবাজার কার্যালয়ের পরিদর্শক মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, "বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে পৌঁছে দেখা যায় হোটেল কর্তৃপক্ষ নিজস্ব অগ্নিনির্বাপণ সরঞ্জাম ব্যবহার করে আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খুলনা, ২৩ অক্টোবর ২০২৬ : ‘হবে সবুজ পৃথিবী, সুন্দর জীবন -যদি করি বৃক্ষরোপণ’ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে আজ শুরু হয়েছে সৌখিন বাগানীদের বৃক্ষমেলা ও প্রদর্শনী- ২০২৬।
পরিবেশবাদী সংগঠন ‘সবুজে হাসি-সবুজে বাঁচি’ এই বৃক্ষমেলা ও প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে, যা আগামী ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চলতে থাকবে।
আজ শুক্রবার নগরীর শহিদ হাদিস পার্কে প্রধান অতিথি হিসেবে এ বৃক্ষমেলা ও প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ‘সবুজে হাসি-সবুজে বাঁচি’ সংগঠনের সভাপতি অধ্যাপক ডা. আমিরুল খসরু। সম্মানীয় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আসাদুজ্জামান সরকার।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রানা আকন্দ স্বাগত বক্তব্য রাখেন। এ সময় সংগঠনের সদস্যবৃন্দ ও ছাদ বাগানীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে ছাদ বাগানীদের মধ্যে সনদপত্র বিতরণ করা হয়।
কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু অনুষ্ঠানে বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। এই কারণেই প্রধানমন্ত্রী পাঁচবছরে পঁচিশ কোটি বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। খুলনা সিটি কর্পোরেশনও নগরীতে পঁচিশ হাজার গাছের চারা রোপণ করেছে এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে। এছাড়া একলাখ বৃক্ষের বন তৈরীর জন্য বিকাশের সাথে চুক্তি করা হয়েছে।
বাড়ি নির্মাণের ক্ষেত্রে বৃক্ষরোপণের উদ্দেশ্যে জায়গা রাখা এবং ফ্যাট বাড়ির ছাদে বৃক্ষরোপণের জন্য তিনি সকলের প্রতি আহবান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ