বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:২১ পি.এম
ঢাকা, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টেস্টের প্রথম দিনে সফরকারী পাকিস্তান ইংল্যান্ড বোলারদের দাপটে ১৩৩ রানে অলআউট হয়ে যায়। ইংল্যান্ড দিন শেষে ৪ উইকেটে ১৫৬ রান করে, ফলে তারা ৬ উইকেট হাতে রেখে ২৩ রানে এগিয়ে রয়েছে।
বার্মিংহামে টস হেরে গতকাল প্রথমে ব্যাটিং শুরু করে ইংল্যান্ড। পাকিস্তান তাদের দুই পেসার ওলি রবিনসন ও জোফরা আর্চারের বোলিংয়ের মুখে ২৬ রানে ৪ উইকেট হারায়। সাইম আইয়ুব শূন্য, আজান আওয়াইস ৯, আব্দুল্লাহ শফিক ৩ এবং শান মাসুদ ৫ রানে আউট হন।
এরপর ইংল্যান্ডের আরেক পেসার জশ টাংয়ের দাপটে পাকিস্তান দ্রুত গুটিয়ে যাওয়ার পরিস্থিতিতে পড়ে। তাদের অষ্টম উইকেট পতন ঘটে ১০১ রানে। শেষ পর্যন্ত সৌদ শাকিলের ৪৩ রানের সুবাদে পাকিস্তান ১৩৩ রান করতে সক্ষম হয়। দলের হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২১ রান করেন মোহাম্মদ আব্বাস।
ইংল্যান্ডের টাং ৪টি উইকেট নেন, রবিনসন ও আর্চার ৩টি করে উইকেট দখল করেন।
ব্যাট হাতে নেমে ইংল্যান্ড ৩৯ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে। বেন ডাকেট ১১, জর্ডান কক্স ৪ এবং অধিনায়ক জো রুট ৮ রান করেন। তবে চতুর্থ উইকেটে ইমিলো গে ও হ্যারি ব্রুক ১০৪ রানের জুটি গড়ে শুরুর ধাক্কা কাটিয়ে ওঠেন। গে ৯টি চারে ৬০ রানে আউট হন।
দিন শেষে ব্রুক ৫২ রানে অপরাজিত থাকেন এবং তার সাথে ৫ রানে অপরাজিত ড্যান লরেন্সও রয়েছেন।
পাকিস্তানের অভিষিক্ত পেসার রাজাউল্লাহ ২ উইকেট নেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : অভিষেক ম্যাচে অংশগ্রহণকারী জর্ডান হারমানের রেকর্ড সেঞ্চুরির মাধ্যমে দক্ষিণ আফ্রিকা নামিবিয়ার বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের সূচনা করেছে।
গত রাতে অনুষ্ঠিত সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে দক্ষিণ আফ্রিকা বৃষ্টি আইনের অধীনে ৯৯ রানে নামিবিয়াকে পরাজিত করে। হারমান তার অভিষেক ওয়ানডেতে ১৫০ রানের একটি অসাধারণ ইনিংস উপহার দেন।
অভিষেক ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রানের ইনিংসে সতীর্থ ম্যাথু ব্রিটস্কির রেকর্ডে সমতা অর্জন করেন হারমান। ব্রিটস্কি গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে লাহোরে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে অভিষেকে ১৫০ রানের ইনিংস খেলেছিলেন। এখন ওয়ানডেতে অভিষেকে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রানের ইনিংসের রেকর্ডটি ব্রিটস্কি এবং হারমানের মধ্যে ভাগাভাগি হয়েছে।
উইন্ডহুকে টস হেরে প্রথমে ব্যাটিং করে দক্ষিণ আফ্রিকা ৫০ ওভারে ৬ উইকেটে ৩৪৮ রান সংগ্রহ করে। ওপেনার হিসেবে মাঠে নেমে ১৭টি চার এবং ৩টি ছক্কা মেরে ১২৬ বলে ১৫০ রান করেন হারমান।
এছাড়াও টনি ডি জর্জি ৭২, ডেওয়াল্ড ব্রেভিস ৩৩ এবং কর্বিন বশ ৩৯ রান করেন। দ্বিতীয় উইকেটে হারমান ও জর্জি ১৬৭ বলে ১৯০ রানের একটি জুটি গড়েন।
বোলিংয়ে নামিবিয়ার রুবেন ট্রাম্পেলম্যান ৬৮ রানে ৪ উইকেট নেন।
জবাবে নামিবিয়া ২১ দশমিক ৩ ওভারে ৩ উইকেটে ৭৬ রান সংগ্রহ করে। এরপর বৃষ্টির কারণে খেলা দীর্ঘ সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে গেলে ৩৮ ওভারে ৩০১ রানের টার্গেট পায় নামিবিয়া।
পরে ১৫ বল খেলার পর আবারও বৃষ্টি খেলা বন্ধ করে দিলে ৩১ ওভারে ২৬২ রানের নতুন টার্গেট পায় নামিবিয়া। শেষ পর্যন্ত ৩১ ওভারে ৮ উইকেটে ১৬২ রান তুলে ম্যাচে পরাজিত হয় নামিবিয়া।
দলের হয়ে মালান ক্রুগার ৩৪ এবং জেজ স্মিথ ৩১ রান করেন। দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেনেলান সুব্রায়েন ৪টি উইকেট দখল করেন। ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন হারমান।
আগামীকাল সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে দুই দল মুখোমুখি হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ইনভেস্ট বাংলাদেশ রুগ্ন, অকার্যকর ও বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান এবং এসব প্রতিষ্ঠানের অব্যবহৃত জমি ও স্থাপনাকে উৎপাদনশীল অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে প্রণীত খসড়া নীতিমালার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামত আহ্বান করেছে।
এ উদ্যোগের উদ্দেশ্য হল রাষ্ট্রীয় সম্পদ, শেয়ার ও স্বত্ব হস্তান্তর অথবা কৌশলগত বিক্রয়ের ক্ষেত্রে স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে শিল্প উৎপাদন বৃদ্ধি, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা। আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
খসড়া নীতিমালার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামত পাঠানোর শেষ সময় আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে। ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন, ২০২৬-এর (২০২৬ সনের ১০৪ নং আইন) ধারা ৪৮-এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে কর্তৃপক্ষ এ খসড়া নীতিমালা প্রণয়ন করেছে।
প্রস্তাবিত নীতিমালার মূল লক্ষ্য হচ্ছে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন রুগ্ন, অকার্যকর বা বন্ধ শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান এবং সংশ্লিষ্ট অব্যবহৃত সম্পদকে উৎপাদনশীল কাজে ব্যবহারের মাধ্যমে শিল্প উৎপাদন বৃদ্ধি, নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা।
খসড়া নীতিমালায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও সম্পদের যথাযথ যাচাই ও মূল্যায়ন, উপযুক্ত লেনদেন কাঠামো নির্ধারণ, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারী আকর্ষণ এবং স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলক প্রক্রিয়ায় বিনিয়োগকারী নির্বাচনের প্রস্তাব করা হয়েছে।
এতে সরকারি স্বার্থ ও রাষ্ট্রীয় সম্পদের ন্যায্য অর্থনৈতিক মূল্য সংরক্ষণ এবং লেনদেন-পরবর্তী বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষণের জন্য একটি সমন্বিত কাঠামো রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।
ইনভেস্ট বাংলাদেশ জানিয়েছে, খসড়া নীতিমালা প্রণয়নের অংশ হিসেবে গত ১২ জুলাই সরকারি ও বেসরকারি খাতের সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের অংশগ্রহণে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে গত ১৮ আগস্ট শিল্প মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের কাছ থেকে এ বিষয়ে মতামত আহ্বান করে।
প্রাপ্ত মতামত পর্যালোচনা করে প্রযোজ্য ও যৌক্তিক মতামতগুলোকে যথাসম্ভব খসড়া নীতিমালায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
নীতিমালাটিকে আরও কার্যকর, বাস্তবসম্মত, স্বচ্ছ ও বিনিয়োগবান্ধব করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগ, সরকারি দপ্তর ও সংস্থা, রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান, ব্যবসায়ী ও শিল্প সংগঠন, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারী, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, পেশাজীবী ও বিশেষজ্ঞসহ অন্যান্য অংশীজনের মতামত চাওয়া হয়েছে।
খসড়া নীতিমালা পর্যালোচনা করে মতামত, পর্যবেক্ষণ বা সুপারিশ থাকলে নির্ধারিত ছক অনুযায়ী বাংলা ভাষায় নিকোশ ফন্টে প্রস্তুত করে স্বাক্ষরিত মতামতের স্ক্যানকৃত কপি ও সম্পাদনযোগ্য ফাইল আগামী ১৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে পাঠাতে হবে।
মতামত ই-মেইলে [email protected] ঠিকানায় পাঠাতে বলা হয়েছে। ই-মেইলের বিষয় হিসেবে Comments on Strategic Divestiture উল্লেখ করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গ্রুপ পর্বে শক্তিশালী পারফরম্যান্স প্রদর্শন করলেও, বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ নারী হকি দল জাপানের বিরুদ্ধে সফলতা অর্জন করতে পারেনি। ফলে, আগামী বছরের জুনিয়র বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্ন শেষ হয়ে গেল।
চীনের মোকি ট্রেনিং গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত জুনিয়র এশিয়া কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে, বুধবার বাংলাদেশ ২-০ গোলে জাপানের কাছে পরাজিত হয়েছে। দলের পক্ষ থেকে দ্বিতীয় ও চতুর্থ কোয়ার্টারে দুটি গোল হজম করা হয়েছে।
বাংলাদেশের জন্য বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো খেলার সুযোগ পেতে অন্তত সেমিফাইনালে পৌঁছানো আবশ্যক ছিল।
গ্রুপসেরা হওয়ার লক্ষ্যে বাংলাদেশ চারটি ম্যাচের সবকটিতে জয়লাভ করেছিল। চাইনিজ তাইপেকে ৭-০ গোলে পরাজিত করার মাধ্যমে চ্যালেঞ্জার পুলের খেলা শুরু করে বাংলাদেশ। এরপর দ্বিতীয় ম্যাচে পাকিস্তানকে ৫-১ গোলে পরাজিত করে। কাজাখস্তানকে ৪-০ ব্যবধানে এবং হংকং চায়নাকে ৬-০ গোলে পরাজিত করে বাংলাদেশ চ্যালেঞ্জার পুলে সেরা অবস্থানে ছিল।
জাপানের বিরুদ্ধে পরাজিত হওয়ার পর, বাংলাদেশ এখন স্থান নির্ধারণী ম্যাচে অংশগ্রহণ করবে। চতুর্থ কোয়ার্টারে মালয়েশিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে হেরে যাওয়া দল হবে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আগামী বছর থেকে দেশের সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং (মিড ডে মিল) কর্মসূচি শুরু হবে, এমনটি জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
তিনি উল্লেখ করেন, এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য শুধু শিশুদের পুষ্টি সহায়তা নয়, বরং সুশাসন, স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। প্রতিটি শিশুর জন্য খাবার যথাযথ মান ও পরিমাণে পৌঁছানো এবং কর্মসূচির প্রতিটি ধাপে অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রতিরোধে কঠোর নজরদারি করা হবে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ঢাকার পিটিআইয়ে ঢাকা বিভাগীয় উপপরিচালকের কার্যালয়, প্রাথমিক শিক্ষা আয়োজিত ‘জবাবদিহিতা, কার্যকর বিদ্যালয় নেতৃত্ব, দলগত সমন্বয় ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সক্রিয় অংশগ্রহণ’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ববি হাজ্জাজ আরও বলেন, স্কুল ফিডিং কর্মসূচির মাধ্যমে শিশুদের পুষ্টি ও বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বৃদ্ধি করা হবে, পাশাপাশি একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও জনবান্ধব ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা হবে। প্রতিটি শিশুর কাছে খাবার পৌঁছানোর পুরো প্রক্রিয়ায় নজরদারি করা হবে, যাতে কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতির সুযোগ না থাকে।
প্রাথমিক শিক্ষার লক্ষ্য শুধুমাত্র বিদ্যালয়ে শিশুদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা নয়, প্রতিমন্ত্রী এ বিষয়ে বলেন, "আমরা শুধু স্কুলে শিশুদের উপস্থিতি চাই না, আমরা চাই প্রতিটি শিশু স্কুলে এসে শিখুক। একটি শিশুও যদি বিদ্যালয়ে গিয়ে না শেখে, তাহলে আমাদের সাফল্যের গল্প অসম্পূর্ণ থেকে যাবে।"
তিনি আরও জানান, এখন থেকে প্রাথমিক শিক্ষার মূল্যায়ন হবে কতটি ভবন তৈরি হয়েছে তা দিয়ে নয়, বরং কতটি শিশুর শেখা নিশ্চিত হয়েছে তা দিয়ে। কারণ, ভবন একটি প্রজন্ম তৈরি করে না। একজন দক্ষ শিক্ষক, একটি কার্যকর শ্রেণিকক্ষ এবং একটি জবাবদিহিমূলক শিক্ষা ব্যবস্থাই পারে একটি প্রজন্মের ভবিষ্যৎ বদলে দিতে।
প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে জবাবদিহিতার বাইরে রাখা হবে না বলে উল্লেখ করেন ববি হাজ্জাজ। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক সরকারব্যবস্থায় প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার প্রতিটি স্তরে সর্বোচ্চ পর্যায় পর্যন্ত জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। প্রাথমিক শিক্ষার ভিত্তি শক্তিশালী হলে দেশের সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থার অধিকাংশ সমস্যার সমাধান সম্ভব।
প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের পাঠ্যক্রমকে আরও আনন্দময়, বৈচিত্র্যময় ও বাস্তবভিত্তিক করতে ২০২৭ সাল থেকে চতুর্থ শ্রেণির পাঠ্যক্রমে ‘বাংলাদেশের সংস্কৃতি’ ও ‘খেলাধুলা’ নামে দুটি নতুন বই যুক্ত করা হবে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, এসব বইয়ের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও ক্রীড়াঙ্গন সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা লাভ করবে। পাশাপাশি খেলাধুলার প্রতি তাদের আগ্রহ তৈরি হবে। এতে শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের পাশাপাশি দেশীয় সংস্কৃতি ও মূল্যবোধের সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততা আরও বাড়বে।
প্রাথমিক শিক্ষক এবং মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য যথাক্রমে সমন্বিত শিক্ষক নীতিমালা ও প্রশাসনিক নীতিমালা প্রণয়ন করা হচ্ছে জানিয়ে ববি হাজ্জাজ বলেন, এসব নীতিমালায় সংশ্লিষ্টদের পদোন্নতি, বদলি, বেতন-স্কেলসহ চাকরিসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকবে। এর মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, শৃঙ্খলা ও জবাবদিহিতা আরও সুসংহত হবে।
ঢাকা বিভাগের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) মো. আজমুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী, পরিচালক (পলিসি ও অপারেশনস) মীর আব্দুল আউয়াল আল মেহেদী, পরিচালক (প্রশিক্ষণ) মাহবুবা আইরিন এবং ঢাকা বিভাগের উপপরিচালক (প্রাথমিক শিক্ষা) মো. আবদুল আজিজ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ