ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বৈশাখীর জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘হাবুর স্কলারশিপ’


বৈশাখীর জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘হাবুর স্কলারশিপ’

দর্শকদের আগ্রহ ও ভালোবাসার ফলে বৈশাখী টেলিভিশনে দীর্ঘ ধারাবাহিক নাটক ‘হাবুর স্কলারশিপ’ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। নাটকটি প্রতি মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার রাত ৮টা ৪০ মিনিটে সম্প্রচারিত হচ্ছে।

টিপু আলম মিলনের রচনায় এবং আহসান আলমগীরের চিত্রনাট্যে নাটকটি পরিচালনা করেছেন আল হাজেন। এটি প্রযোজনা করেছে ‘মিড এন্টারপ্রাইজ’। নাটকের মূল চরিত্রে অভিনয় করছেন রাশেদ সীমান্ত, তানজিকা আমিন, অলিউল হক রুমি, শফিক খান দিলু, হায়দার আলী, সাইকা আহমেদসহ আরও অনেকে। নতুনভাবে যুক্ত হয়েছেন অহনা রহমান, মৌসুমী হামিদ ও নীলা ইসলামসহ একঝাঁক তারকা।

নাটকের কাহিনীতে দেখা যায়, গ্রামের সহজ-সরল ছেলে হাবু বৃত্তি নিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় পড়তে যায়। সেখানে সে নিজের মেধার স্বাক্ষর রেখে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম স্থান অর্জন করে। পড়াশোনা শেষে অস্ট্রেলিয়ায় শিক্ষক হিসেবে কাজ করার সুযোগ পেলেও, দেশের জন্য নিজের মেধা কাজে লাগাতে হাবু দেশে ফিরে আসে।

আরও পড়ুন: সৌদীতে নিহত শাহেদের লাশ গ্রহণ করলেন শামা ওবায়েদ

বৈশাখী টেলিভিশনের বৃহস্পতিবারের আয়োজন গান, নাটক, সিনেমা, স্বাস্থ্যবিষয়ক অনুষ্ঠান ও সংবাদ নিয়ে সাজানো হয়েছে। সকালে কণ্ঠশিল্পী বাদশা বুলবুলের গান প্রচারিত হবে।

সকাল ১০টায় ‘হুমকির মুখে’ নাটকটি সম্প্রচারিত হবে, যেখানে অভিনয় করেছেন শাকিব খান, একা, ময়ূরী ও মিজু আহমেদ। দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে ‘আত্মত্যাগ’ নাটকটি দেখানো হবে, এতে অভিনয় করেছেন ইলিয়াস কাঞ্চন, মৌসুমী ও অমিত হাসান।

রাত ৯টা ২০ মিনিটে ‘ভিলেজ সোসাইটি’ নাটকটি সম্প্রচারিত হবে। প্রত্যয় হাসানের রচনায় এবং হোসাইন ইমরানের পরিচালনায় নাটকটিতে মধুপুর গ্রামের অদ্ভুত ও সরল কিছু মানুষের জীবন, সম্পর্ক, দ্বন্দ্ব এবং গ্রাম্য রাজনীতির নানা ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে। এতে অভিনয় করছেন আশরাফ সুপ্ত, সবুজ আহমেদ, জান্নাতুল মাওয়া, স্পর্শিয়া মিম, সাবা সুস্মিতা সহ আরও অনেকে।

এছাড়া, সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ‘জন্মভূমি’, ‘বৈশাখী হেলথ’, ‘গৃহযুদ্ধ’, ‘রসামিয়া’, ‘চাপাবাজ’, ‘মুসা’ ও ‘সাইরেন মানিক’সহ বিভিন্ন অনুষ্ঠান প্রচারিত হবে।

আরও পড়ুন: রাসেল ব্র্যান্ডের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা, বান্ধবীর বিস্ফোরক সাক্ষ্য

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজীপুরে শব্দদূষণ রোধে সাইলেন্ট র‌্যালি ও মতবিনিময়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৪ পি.এম


গাজীপুরে শব্দদূষণ রোধে সাইলেন্ট র‌্যালি ও মতবিনিময়

গাজীপুর, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : গাজীপুর জেলাকে শব্দদূষণ মুক্ত রাখার লক্ষ্যে মোটরসাইকেল চালক, বাইকার, কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আজ বুধবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ভাওয়াল সম্মেলন কক্ষে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। 

গাজীপুরের জেলা প্রশাসক মো. নূরুল করিম ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় স্থানীয় প্রাশাসনিক কর্মকর্তা ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় উপস্থিত বক্তারা মোটরসাইকেলে অপ্রয়োজনীয় হর্ন ব্যবহার বন্ধ করা, উচ্চ শব্দের সাইলেন্সার পরিহার এবং সড়কে দায়িত্বশীলতার সাথে যানবাহন চালানোর ওপর জোর দেন। একই সাথে শব্দদূষণের ক্ষতিকর প্রভাব তুলে ধরে তা নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ বাইকার ও চালকদের স্বতঃস্ফূর্ত সহযোগিতার আহ্বান জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন, গাজীপুরের নবনিযুক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন (পিপিএম), এবিসি জেনারেল শাহরিয়ার নজির, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. আশফাকুজ্জামান ও জেলা গোয়েন্দা শাখার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আমিনুল ইসলাম।

সভায় বক্তারা বলেন, শব্দদূষণ কেবল মানসিক বিরক্তির কারণ নয়, এটি মানবদেহে দীর্ঘমেয়াদি শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে। তাই সড়কে অপ্রয়োজনীয় হর্ন ব্যবহার বন্ধে আইন মানার পাশাপাশি সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা জরুরি। জেলাকে শব্দদূষণ মুক্ত রাখতে প্রশাসন, পুলিশ ও সাধারণ জনগণকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার পরামর্শ দেন তারা।

মতবিনিময় সভা শেষে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে একটি সচেতনতামূলক ‘সাইলেন্ট র‌্যালি’ বের হয়ে নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। 

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিক, কনটেন্ট ক্রিয়েটর এবং বাইকার সংগঠনের প্রতিনিধিবৃন্দ অংশ নেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডিজিটাল বিবাহ-তালাক নিবন্ধনে বাল্যবিবাহ, বহুবিবাহ ও জা-লি-য়া-তি রোধ সহজ হবে: আইনমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৫ পি.এম


ডিজিটাল বিবাহ-তালাক নিবন্ধনে বাল্যবিবাহ, বহুবিবাহ ও জা-লি-য়া-তি রোধ সহজ হবে: আইনমন্ত্রী

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান মন্তব্য করেছেন যে, ডিজিটাল পদ্ধতিতে বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন কার্যকর হলে বাল্যবিবাহ, বহুবিবাহ, জাল বিবাহ সনদ এবং বিবাহ সংক্রান্ত বিভিন্ন ধরনের জালিয়াতি প্রতিরোধ করা সহজ হবে। জনগণ দ্রুত বিবাহ ও তালাকের তথ্য যাচাই করতে পারবেন এবং ডিজিটাল সনদ পাওয়ার সুযোগও থাকবে।

বুধবার সচিবালয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আইন ও বিচার বিভাগের আওতায় বাস্তবায়নাধীন ‘সিভিল রেজিস্ট্রেশন অ্যান্ড ভাইটাল স্ট্যাটিস্টিক্স: বিবাহ ও তালাক নিবন্ধনের আইসিটি অবকাঠামো উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্প এবং ব্র্যাকের মধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়ন সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা এগিয়ে যেতে চাই। আমাদের সামনে যদি কোনো ইনোভেটিভ আইডিয়া আসে, সেটাকে আমরা গ্রহণ করে জনকল্যাণের দিকে এগিয়ে যেতে চাই। এটাই আমাদের লক্ষ্য।’

তিনি উল্লেখ করেন যে, ব্র্যাক দীর্ঘ সময় ধরে দেশের তৃণমূল পর্যায়ে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ ও নারীর অধিকার নিয়ে কাজ করে আসছে। তাদের অভিজ্ঞতা ও বিশেষজ্ঞ জ্ঞান কাজে লাগাতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে দেশের ১০টি জেলার ১০টি উপজেলার ১০২টি ইউনিয়নে অনলাইনে বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হবে। পাইলট উপজেলাগুলো হলো—কালীগঞ্জ (গাজীপুর), টুঙ্গিপাড়া (গোপালগঞ্জ), ঝিনাইগাতী (শেরপুর), সদর (কুড়িগ্রাম), সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা), সদর (নড়াইল), কসবা (ব্রাহ্মণবাড়িয়া), সদর (সিলেট), চকরিয়া (কক্সবাজার) ও সদর (কিশোরগঞ্জ)।

প্রকল্পের আওতায় জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) এবং জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন ডাটাবেজের সঙ্গে আন্তঃসংযোগের মাধ্যমে বয়স ও পরিচয় যাচাই করা হবে। এর ফলে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধের পাশাপাশি গোপন বিবাহ, বহুবিবাহ এবং জালিয়াতি শনাক্ত ও প্রতিরোধ করা সহজ হবে। বিবাহ ও তালাকের তথ্য রিয়েল-টাইমে সংরক্ষণ এবং দ্রুত ডিজিটাল সনদ প্রদানের ব্যবস্থাও থাকবে।

প্রকল্পের আওতায় অনলাইন বিবাহ নিবন্ধন সফটওয়্যার উন্নয়নের কাজ প্রায় ৯৫ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। ন্যাশনাল ডাটা সেন্টার থেকে ক্লাউড সার্ভার বরাদ্দ নেওয়া হয়েছে এবং জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন ও এনআইডি ডাটাবেজের সঙ্গে এপিআই সংযোগ স্থাপন করা হয়েছে। সোনালী ব্যাংকের পেমেন্ট গেটওয়ে ও বায়োমেট্রিক ডিভাইসও পরীক্ষামূলকভাবে সংযুক্ত করা হয়েছে।

আইনমন্ত্রী জানান, পাইলট প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রায় ১১ কোটি টাকা ব্যয় হবে। চুক্তির মেয়াদ ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশি পণ্যের আমদানি বাড়াতে ইন্দোনেশিয়ার প্রতি আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৫ পি.এম


বাংলাদেশি পণ্যের আমদানি বাড়াতে ইন্দোনেশিয়ার প্রতি আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

বাংলাদেশি পণ্য ও সেবা আমদানি বৃদ্ধির জন্য পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ইন্দোনেশিয়ার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্পর্ককে আরও গভীর ও বহুমুখী করার জন্য কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ অ্যাগ্রিমেন্ট (সিইপিএ) নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার আগ্রহ রয়েছে।

বুধবার, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে আসেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত লিস্টিওয়াতি। সাক্ষাৎকালে প্রতিমন্ত্রী বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন। এ সময় দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ, সক্ষমতা বৃদ্ধি, পর্যটন, সাংস্কৃতিক বিনিময়, জনগণের মধ্যে যোগাযোগ, কনস্যুলার বিষয় এবং উচ্চপর্যায়ের সফর বিনিময়ের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন ইস্যুতে সহযোগিতার বিষয়ও উঠে আসে।

দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য আরও বাড়ানোর লক্ষ্যে ইন্দোনেশিয়াকে বাংলাদেশি পণ্য ও সেবা আমদানি বৃদ্ধির আহ্বান জানান হুমায়ুন কবির।

তিনি বলেন, "বাণিজ্য সম্পর্ককে আরও গভীর ও বহুমুখী করতে বাংলাদেশ সিইপিএর দিকে এগিয়ে যেতে প্রস্তুত।"

বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ইন্দোনেশিয়ার ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার অনুরোধও জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। তিনি উল্লেখ করেন, এটি পর্যটন, সাংস্কৃতিক বিনিময় ও দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের রফতানি পণ্যের বৈচিত্র্য বাড়াতে তার দেশের সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। বিশেষ করে, বাংলাদেশের ওষুধসহ বিভিন্ন পণ্য ইন্দোনেশিয়ায় রফতানি বৃদ্ধির বিষয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি।

হুমায়ুন কবির প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকিতে থাকা বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা জোরদারের আগ্রহ প্রকাশ করেন।

রাষ্ট্রদূত লিস্টিওয়াতি এ বিষয়ে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়, উত্তম চর্চা ভাগাভাগি এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেন।

এছাড়া, আসিয়ানের সেক্টরাল ডায়ালগ পার্টনার হওয়ার বাংলাদেশের আকাঙ্ক্ষা এবং রিজিওনাল কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপে (আরসিইপি) যোগদানের উদ্যোগে ইন্দোনেশিয়ার সমর্থন চান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের এসব উদ্যোগে অব্যাহত সমর্থনের কথা জানান।

বৈঠকে দুই পক্ষ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে দ্বিপক্ষীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নকল-ভেজাল পণ্য প্রতিরোধে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৬ পি.এম


নকল-ভেজাল পণ্য প্রতিরোধে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ

নকল ও ভেজাল পণ্য প্রতিরোধের জন্য পণ্য শনাক্তকরণ, উৎস অনুসরণ এবং বাজারে প্রবেশের পূর্বে প্রতিরোধের লক্ষ্যে সরকারি প্রতিষ্ঠান ও শিল্পখাতের মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি। মঙ্গলবার, রাজধানীর কাওরানবাজারে অনুষ্ঠিত ‘নকল ও ভেজাল পণ্য প্রতিরোধ’ শীর্ষক কর্মশালায় বক্তারা এই কথা তুলে ধরেন। কর্মশালাটি জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের (ডিএনসিআরপি) সহযোগিতায় প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. জহিরুল ইসলাম। অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) সেবাস্টিন রেমা’র সভাপতিত্বে, পরিচালক (কার্যক্রম ও গবেষণা) আতিয়া সুলতানাসহ অধিদপ্তরের বিভাগীয় ও ঢাকা অফিসের কর্মকর্তারা কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।

জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. জহিরুল ইসলাম কর্মশালায় বলেন, ভোক্তাদের অধিকার সুরক্ষা করা এবং ন্যায্যমূল্যে সঠিক, মানসম্মত ও নিরাপদ পণ্য নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, “নিরাপদ পণ্য নিশ্চিতকরণে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পাশাপাশি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান, ব্যবসায়ী, ভোক্তা এবং অন্যান্য অংশীজনদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। পারস্পরিক যোগাযোগ ও সমন্বয়ের মাধ্যমে নকল-ভেজাল পণ্যের বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তোলা সম্ভব।”

অনুষ্ঠানে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের পরিচালক (বিপণন) কামরুজ্জামান কামাল নকল পণ্য প্রতিরোধে একটি ‘জাতীয় সমন্বয় সেল’ গঠনের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, নকল ও ভেজাল পণ্য প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থা ও শিল্পখাতকে নিয়ে একটি স্থায়ী ন্যাশনাল অ্যান্টি-কাউন্টারফিট কো-অর্ডিনেশন সেল গঠন করা জরুরি।

জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) সেবাস্টিন রেমা বলেন, নকল ও ভেজাল পণ্য প্রতিরোধ এবং ভোক্তাদের নিরাপদ পণ্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রাতিষ্ঠানিক বিচক্ষণতা আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন। তিনি বাজারে নকল বা ভেজাল পণ্যের কোনো তথ্য পাওয়া গেলে তা দ্রুত সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে জানিয়ে সহযোগিতা করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%