ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

তীব্র গরম-লোডশেডিংয়ে নাকাল ঝিনাইদহের কালিগঞ্জ


তীব্র গরম-লোডশেডিংয়ে নাকাল ঝিনাইদহের কালিগঞ্জ

তীব্র ভ্যাপসা গরমের সঙ্গে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার জনজীবন চরম দুর্ভোগে পড়েছে।

দিন-রাত মিলিয়ে গড়ে ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে পড়েছেন।

স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, শহর এলাকায় প্রায় এক ঘণ্টা পরপর বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। একটি ফিডার বন্ধ রেখে অন্য ফিডারে বিদ্যুৎ সরবরাহ দেওয়া হচ্ছে। গ্রামাঞ্চলে পরিস্থিতি আরও খারাপ। সেখানে শহরের তুলনায় অনেক বেশি সময় বিদ্যুৎ থাকছে না।

আরও পড়ুন: ইনানীতে ৪২ ঘণ্টা ধরে জ্বলছে আগুন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি

লোডশেডিংয়ের কারণে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন কৃষক ও শিক্ষার্থীরা। কৃষক মনজার আলী আরটিভিকে বলেন, ঘন ঘন বিদ্যুৎ না থাকায় সেচকাজ ব্যাহত হচ্ছে। এতে ফসল নিয়ে দুশ্চিন্তা বাড়ছে।

আগামী দুই দিন পরই শুরু হচ্ছে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা। পরীক্ষার্থী রফিকের বাবা জানান, বিদ্যুৎ না থাকায় সন্তানদের পড়াশোনা ব্যাহত হচ্ছে। তীব্র গরমে পড়াশোনায় মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে।

এদিকে অতিরিক্ত গরমও দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে অসুস্থতা বাড়ছে বলেও জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চাহিদার তুলনায় কম বিদ্যুৎ সরবরাহ পাওয়ায় লোডশেডিং দিতে হচ্ছে। তবে পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।

আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ৯ ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা প্রত্যাহার, নতুন কর্মকর্তাদের নিয়োগ

কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানা নাহিদ আরটিভিকে বলেন, লোডশেডিংয়ের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভূমিকম্প-পরবর্তী ভেনেজুয়েলায় ৯০০ সেনা মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:০৯ এম


ভূমিকম্প-পরবর্তী ভেনেজুয়েলায় ৯০০ সেনা মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের

ভূমিকম্পের কারণে বিপর্যস্ত ভেনেজুয়েলায় ৯০০ সেনা পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

 

যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী ভেনেজুয়েলা এবং এর আশপাশে ত্রাণ কার্যক্রমে সহায়তার জন্য একটি শক্তিশালী উপস্থিতি গড়ে তুলেছে। বর্তমানে ওই দেশের ভেতরে ৯০০-রও বেশি মার্কিন সেনা রয়েছে।

এছাড়া ক্যারিবীয় অঞ্চলের পুয়ের্তো রিকো ও কুরাসাওয়ে প্রায় ৮০০ সেনা মোতায়েন করা হয়েছে।

লাতিন আমেরিকায় যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা জেনারেল ফ্রান্সিস ডোনোভান রয়টার্সকে জানান, মার্কিন বাহিনী অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযানে অংশ নিচ্ছে, বিমানবন্দর দ্রুত চালু করতেও সহায়তা করছে এবং ত্রাণ পৌঁছানোর জন্য বিমান ও নৌবাহিনীর বিভিন্ন সরঞ্জাম মোতায়েন করেছে। গত সপ্তাহের বিধ্বংসী ভূমিকম্পের পর এ ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

জেনারেল ফ্রান্সিস ডোনোভান বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী ভেনেজুয়েলার আকাশে অন্তত চার বা পাঁচটি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন মোতায়েন করেছে। মিয়ামিতে অবস্থিত একটি সমন্বয়কেন্দ্রের সহায়তায় এসব ড্রোন থেকে প্রাপ্ত তথ্য ভেনেজুয়েলার কর্তৃপক্ষকে পরিস্থিতি মূল্যায়নে সহায়তা করছে।

তিনি আরও বলেন, সাধারণত আঞ্চলিক নিরাপত্তা হুমকি পর্যবেক্ষণে ব্যবহৃত সামরিক প্রযুক্তি এখন ভূমিকম্প-পরবর্তী ত্রাণ কার্যক্রমে ব্যবহার করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে সড়ক চলাচলের উপযোগিতা এবং ভবনগুলো যেকোনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সে সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। ডোনোভানের মতে, মাটিতে অবস্থান করে যেসব তথ্য সব সময় স্পষ্টভাবে দেখা যায় না, সেগুলো ড্রোনের মাধ্যমে সহজেই শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে।

এটি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর জন্য একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন। কারণ চলতি বছরের ৩ জানুয়ারি, তারা ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করার উদ্দেশ্যে নিউইয়র্কে একটি অভিযান চালিয়েছিল; যেখানে তার বিরুদ্ধে মাদক পাচারের অভিযোগে বিচার হওয়ার কথা ছিল। তবে মাদুরো সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

গত মাসে মার্কিন সামরিক বাহিনী ভেনেজুয়েলার কারাগারভিত্তিক গ্যাং ‘ট্রেন দে আরাগুয়া’-এর নেতাকে লক্ষ্য করে একটি হামলা পরিচালনা করেন। এই অভিযান ভেনেজুয়েলার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করেই পরিচালিত হয়েছিল।

এ দিকে, গত বুধবার এক মিনিটেরও কম সময়ের ব্যবধানে ৭.২ ও ৭.৫ মাত্রার দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প ভেনেজুয়েলায় আঘাত হানে। এই ভূমিকম্পে বহু ভবন ধসে পড়ে এবং হাজার হাজার মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়ে।

উদ্ধার অভিযানের ষষ্ঠ দিনে দেশটির জাতীয় পরিষদের প্রধান হোর্হে রদ্রিগেজ জানান, এখন পর্যন্ত ধ্বংসস্তূপ থেকে মাত্র একজন জীবিতকে উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি একটি ৩ বছর বয়সী শিশু। তবে উদ্ধার অভিযান এখনো চলমান রয়েছে।

মার্কিন কর্মকর্তা ডোনোভান বলেন, ভূমিকম্পের পর মার্কিন মেরিন সেনারাই প্রথম মার্কিন কর্মী হিসেবে ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজে অংশ নেন। তারা ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকেপড়াদের খুঁজে বের করতে স্থানীয় উদ্ধারকারীদের সহায়তা করেন।

তিনি আরো জানান, যুক্তরাষ্ট্র উদ্ধারকর্মী ও বেসামরিক নাগরিকদের বিমানযোগে পরিবহনের ব্যবস্থা করেছে। ভার্জিনিয়ার ফেয়ারফ্যাক্স থেকে আসা একদল উদ্ধারকর্মী সপ্তাহান্তে একজন মা ও তার ৯ মাস বয়সী শিশুকে জীবিত উদ্ধারের একটি ভিডিও প্রকাশ করেছেন।

মার্কিন কর্মকর্তা ডোনোভান জানান, চলমান আন্তর্জাতিক সহায়তা কার্যক্রমের বড় অংশই এখন ত্রাণ ও সরঞ্জাম পরিবহনের ওপর নির্ভর করছে। তাঁর মতে, জীবনরক্ষাকারী সহায়তা যেন সীমান্ত বা প্রবেশপথে আটকে না থাকে, সেটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

ডোনোভান বলেন, ‘অনেক সময় বিপুল পরিমাণ ত্রাণসামগ্রী পৌঁছালেও সেগুলো ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় দ্রুত পাঠানোর জন্য প্রয়োজনীয় পরিবহন ও সরবরাহ ব্যবস্থা থাকে না। তখন পরিস্থিতি আরো জটিল হয়ে পড়ে।’

এদিকে, ভূমিকম্পের পর দ্রুত ভারী যন্ত্রপাতি ও প্রশিক্ষিত অনুসন্ধান-উদ্ধার দল মোতায়েন না করায় ভেনেজুয়েলা সরকার সমালোচনার মুখে পড়েছে। দুর্যোগের পর প্রথম কয়েক দিনে অনেক বাসিন্দাকে নিজেদের হাত, কোদাল ও দড়ি ব্যবহার করে ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া স্বজনদের খুঁজতে দেখা যায়।

শনিবার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের সম্প্রচারে কিছু এলাকায় ভারী নির্মাণযন্ত্র দিয়ে ইট-পাথর ও কংক্রিটের ধ্বংসস্তূপ সরানোর দৃশ্য দেখানো হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বিদেশি উদ্ধারকারী দলগুলো তাদের ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে মরদেহ উদ্ধার করতে সহায়তা করেছে।

ভেনেজুয়েলায় সরকারের দুর্যোগ মোকাবেলার ধীরগতির প্রতিক্রিয়া নিয়ে জনঅসন্তোষের বিষয়ে জানতে চাইলে মার্কিন কর্মকর্তা ডোনোভান সতর্কভাবে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, দেশটি দীর্ঘদিনের দুর্বল নেতৃত্বের কারণে অবকাঠামোগত নানা সমস্যার মুখোমুখি, যা বর্তমান সংকট মোকাবেলাকে আরো কঠিন করে তুলেছে।

তিনি আরো জানান, ওষুধ ও হাসপাতালের কর্মীর ঘাটতির খবর মানুষের হতাশা বাড়িয়ে দিতে পারে। ভেনেজুয়েলায় মার্কিন সামরিক মিশন কতদিন চলবে সে বিষয়ে ডোনোভান কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা জানাননি।

তিনি বলেন, এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব মূলত মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের, যারা সামগ্রিক ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ত্রাণ সহায়তার জন্য পাঠানো মার্কিন সেনাদের দীর্ঘমেয়াদে ভেনেজুয়েলায় অবস্থানের কোনো পরিকল্পনা নেই।

ডোনোভানের ভাষায়, ‘এখানে থেকে যাওয়ার কোনো আলোচনা নেই। মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে আমরা যা করি, সেটিই করছি। কাজ শেষ হলে আমরা চলে যাব।’ তবে তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই ত্রাণ কার্যক্রমের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলার সামরিক বাহিনীর মধ্যে ভবিষ্যতে আরো ভালো সম্পর্ক গড়ে উঠতে পারে।

তিনি বলেন, ‘যদি এই উদ্যোগ দুই দেশের সামরিক সম্পর্ক উন্নয়নের সুযোগ তৈরি করে, তাহলে আমরা অবশ্যই এগিয়ে যেতে প্রস্তুত থাকব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার-কার্গো হ্যান্ডলিং ও জাহাজ চলাচলে রেকর্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:১০ এম


চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার-কার্গো হ্যান্ডলিং ও জাহাজ চলাচলে রেকর্ড

২০২৫-২৬ অর্থবছরে নতুন রেকর্ড গড়েছে চট্টগ্রাম বন্দর। কনটেইনার হ্যান্ডলিং, কার্গো পরিবহন, জাহাজ চলাচল ও রাজস্ব আদায় সব দিক থেকেই আগের বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে এটি।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মোট ৩৫ লাখ ১৮ হাজার ৮৪১ টিইইউ কনটেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছে। যা আগের অর্থবছরের ৩২ লাখ ৯৬ হাজার ৬৭ টিইইউ-এর তুলনায় ৬ দশমিক ৭৬ শতাংশ বেশি। এর পূর্বে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে কনটেইনার হ্যান্ডলিং হয় ৩১ লাখ ৬৮ হাজার ৬৯০ টিইইউ।

জাহাজ চলাচলেও নতুন রেকর্ড প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সদ্য শেষ হওয়া অর্থবছরে চট্টগ্রাম বন্দরে মোট ৪ হাজার ৩২৪টি জাহাজ ভিড়েছে। আগের অর্থবছরে এ সংখ্যা ছিল ৪ হাজার ৭৭টি। অর্থাৎ জাহাজের আগমন বেড়েছে ৬ দশমিক ৬ শতাংশ। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বন্দরে জাহাজ ভিড়েছিল ৩ হাজার ৯৭১টি।

বন্দরের কার্যক্রমেও এসেছে গতি। আগে একটি কনটেইনারবাহী জাহাজ বন্দরে গড়ে ২ দশমিক ৫৮ দিন অবস্থান করলেও, এখন তা কমে ২ দশমিক ৩৮ দিনে নেমে এসেছে।

দেশের মোট আমদানি-রপ্তানির প্রায় ৯২ শতাংশ এবং কনটেইনার পরিবহনের প্রায় ৯৮ শতাংশ চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে। এখানে কনটেইনার ও কার্গো জাহাজের পাশাপাশি নিয়মিত জ্বালানি তেল, তরল প্রাকৃতিক গ্যাস ও তরল গ্যাসবাহী জাহাজও ভিড়ে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (মেরিন ও হারবার) কমোডর আহমেদ আমিন আবদুল্লাহ আরটিভিকে বলেন, বৈশ্বিক ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা ও মূল্যস্ফীতির চাপের মধ্যে দক্ষ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পরিচালন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব হয়েছে।

তিনি আরও জানান, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বন্দরের পরিচালন ব্যয় কমে ১ হাজার ৯৫১ কোটি টাকায় নেমে এসেছে। আগের অর্থবছরে এ ব্যয় ছিল ২ হাজার ৩৮৮ কোটি টাকা। ফলে প্রায় ৪৩৭ কোটি টাকা সাশ্রয় হয়েছে।

তার ভাষ্যে, সরকার ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের দিকনির্দেশনা, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, অটোমেশন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী ও বন্দর ব্যবহারকারীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলেই চট্টগ্রাম বন্দরের এই সাফল্য এসেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানকে পরমাণু অস্ত্র বানাতে দেবে না ইসরায়েল, হুঁশিয়ারি নেতানিয়াহুর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:১৩ এম


ইরানকে পরমাণু অস্ত্র বানাতে দেবে না ইসরায়েল, হুঁশিয়ারি নেতানিয়াহুর

ইরানকে কখনোই পরমাণু অস্ত্রের অধিকারী হতে দেয়া হবে না, এমন হুমকির সুরে আগেই জানিয়েছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।  তিনি বলছিলেন, প্রয়োজনে আবারও ইরানে হামলা চালাতে হতে পারে। তাঁর এই মন্তব্য এসেছে যখন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে সংঘাত বন্ধে কিছুদিন আগে সমঝোতা স্মারক কার্যকর হয়েছে।

বার্তাসংস্থা আনাদোলুর খবরে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার ইসরায়েলের চ্যানেল ১৪-কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু এসব তথ্য তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, ‘ইরানকে পরমাণু অস্ত্র বানাতে দেয়া হবে না ইসরায়েল। ইতিমধ্যেই ইরানে আমরা নিজেদেরকে পরমাণু বোমা থেকে রক্ষা করেছি।’

নেতানিয়াহু আরও বলেন, ইরান এবং তাদের মিত্র গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে ‘পূর্ণ বিজয়’ অর্জনের অভিযান এখনও শেষ হয়নি। তাঁর ভাষায়, মধ্যপ্রাচ্যের বাস্তবতায় নিরাপদ থাকতে হলে ইসরায়েলকে সব সময় শক্তিশালী থাকতে হবে এবং সেই লক্ষ্যে অভিযান চলতেই থাকবে।

ওই সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, গত তিন বছরে ইসরায়েল হামাস, হিজবুল্লাহ এবং ইরানের শীর্ষ পর্যায়ের বহু নেতাকে হত্যা করেছে। এ প্রসঙ্গে তিনি গাজা, লেবানন ও সিরিয়ায় নিরাপত্তা বাফার জোন গড়ে তোলার কথাও উল্লেখ করেন।

তবে নেতানিয়াহু পরোক্ষভাবে স্বীকার করেছেন যে, ইরানের সঙ্গে সাম্প্রতিক সংঘাতে শুরুতে ঘোষিত সকল লক্ষ্য পুরোপুরি অর্জিত হয়নি। বিশেষ করে, ইরানের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ধ্বংস করার এবং দেশটিতে শাসন পরিবর্তনের পরিবেশ তৈরির উচ্চাভিলাষী লক্ষ্যমাত্রা প্রাপ্তি সম্পূর্ণ সম্ভব হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নবম পে স্কেল কার্যকর, গেজেট প্রকাশের পর মিলবে বর্ধিত বেতন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:১৫ এম


নবম পে স্কেল কার্যকর, গেজেট প্রকাশের পর মিলবে বর্ধিত বেতন

দীর্ঘ প্রায় ১১ বছর পর সরকারী চাকরিজীবীদের জন্য কার্যকর হয়েছে নবম জাতীয় পে স্কেল। কিন্তু নতুন বেতন কাঠামো চালু হলেও বাড়তি বেতন কবে থেকে ব্যাংক হিসাবে জমা হবে, সেই বিষয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে রয়েছে নানা প্রশ্ন। প্রশাসনিক প্রক্রিয়া, গেজেট প্রকাশ এবং হিসাব সমন্বয়ের ওপরেই নির্ভর করছে বর্ধিত বেতন পাওয়ার সময়। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, পে স্কেল কার্যকরের দিন শুরু হলেও প্রশাসনিক আদেশ, গেজেট প্রকাশ, সফটওয়্যারভিত্তিক হিসাব সমন্বয় এবং বেতন বিল প্রস্তুতের কারণে বর্ধিত অর্থ হাতে পেতে সময় লাগতে পারে। অর্থ বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আশা করছেন, গেজেট জারির পর বকেয়াসহ নতুন হারে বেতন দেওয়া সম্ভব হবে। এর আগে বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ১ জুলাই থেকে সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের ঘোষণা দেন। সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রায় এক দশকের বেশি সময় ধরে একই বেতন কাঠামোর অধীনে থাকা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জীবনযাত্রার ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এই বাস্তবতায় নতুন বেতন কাঠামো কার্যকরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নবম পে কমিশনের সুপারিশে সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকায় উন্নীত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। কমিশন ২০টি গ্রেড বহাল রেখে বিভিন্ন স্তরে মূল বেতন বাড়ানোর সুপারিশ করেছে। তবে চূড়ান্ত বাস্তবায়নে সব সুপারিশ হুবহু থাকবে কিনা, তা সরকারের অনুমোদিত গেজেট ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনার ওপর নির্ভর করছে। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের জন্য মূল বেতন ও ভাতার বিষয়টি আলাদা ধাপে কার্যকর করার চিন্তাভাবনা ছিল। তবে সমন্বিত বাজেট ও হিসাবরক্ষণ ব্যবস্থায় কারিগরি জটিলতা এড়াতে মূল বেতন এক ধাপে সমন্বয়ের বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে। বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা ও অন্যান্য ভাতার সংশোধন পরবর্তী ধাপে কার্যকর হতে পারে। সরকার নতুন বেতন কাঠামোর আংশিক বাস্তবায়নের জন্য প্রায় ৪৪ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রেখেছে, যা সরকারি কর্মচারী, পেনশনভোগী এবং এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন সমন্বয়ে ব্যবহার হতে পারে। বর্তমানে দেশে প্রায় ১৪ লাখ সরকারি কর্মচারী এবং ৯ লাখ পেনশনভোগী অবস্থান করছেন। তাদের বেতন ও পেনশন খাতে সরকারের বার্ষিক ব্যয় প্রায় ১ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা। নতুন পে স্কেল সরকারি চাকরিজীবীদের স্বস্তি দিলেও অর্থনীতিবিদদের নজর এখন আর্থিক প্রভাবের দিকে। তাদের মতে, বেতন বৃদ্ধি মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বাড়াবে, তবে বাজার তদারকি ও সরবরাহ ব্যবস্থা শক্তিশালী না হলে বাড়তি চাহিদার কারণে নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধির আশঙ্কা থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%