বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:৪০ পি.এম
ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) সাভার মডেল থানা এলাকায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের দুই নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক সাইদুল ইসলাম।
গ্রেপ্তার হওয়া দুই ব্যক্তির মধ্যে একজন হলেন ঢাকা জেলা (উত্তর) ছাত্রলীগের সহসভাপতি পুলক সরকার, যিনি ২৭ বছর বয়সী। অপরজন হলেন আমিনবাজার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আলম শেখ, যিনি ৪৯ বছর বয়সী।
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, পুলক সরকার সাভারের সোবাহানবাগ ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা অমৃত লাল সরকার ও পূনিমা রানীর ছেলে। অন্যদিকে, মোঃ আলম শেখ আমিনবাজার বড়দেশী পশ্চিমপাড়ার বাসিন্দা মৃত বাবর আলী শেখ এবং মোছাঃ জয়নবের ছেলে।
ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক সাইদুল ইসলাম জানিয়েছেন, বুধবার রাত ৭টা ৫০ মিনিট থেকে বৃহস্পতিবার রাত ২টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত সাভার মডেল থানা এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে এই দুই নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলার ৬নং আওরাবুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে তৃণমূলের সাধারণ মানুষ ও নেতাকর্মীদের মাঝে নতুন উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। আসন্ন এই নির্বাচনে ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণের দোয়া, সমর্থন ও ভালোবাসা নিয়ে চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মাঠে নেমেছেন ত্যাগী ও জনবান্ধব রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মোঃ সবুজ বেপারী।
মোঃ সবুজ বেপারী বর্তমানে কাঠালিয়া থানা যুবদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক এবং ৬নং আওরাবুনিয়া ইউনিয়ন বিএনপির কোষাধ্যক্ষ হিসেবে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন। রাজনৈতিক অঙ্গনে সততা, নিবেদিতপ্রাণ ভূমিকা ও আন্দোলন-সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকার জন্য তিনি তৃণমূলের নেতাকর্মীদের কাছে অত্যন্ত আস্থাভাজন ও শ্রদ্ধেয় একজন মুখ।
এলাকাবাসীর মতে, মোঃ সবুজ বেপারী কেবল একজন রাজনীতিবিদই নন, বরং একজন নিবেদিতপ্রাণ সমাজসেবক ও 'মানবতার ফেরিওয়ালা'। করোনাকালীন সময় থেকে শুরু করে যেকোনো দুর্যোগ, মহামারি কিংবা স্থানীয় দুস্থ ও অসহায় মানুষের বিপদে তিনি সবসময় সবার আগে পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে দলের দুর্মুখী ও কঠিন দিনে ক্ষতিগ্রস্ত নেতাকর্মীদের নিয়মিত খোঁজখবর রাখা এবং তাদের পাশে সামর্থ্য অনুযায়ী দাঁড়ানোকে তিনি নিজের নৈতিক দায়িত্ব মনে করেন।
নির্বাচনী ভাবনার বিষয়ে জানতে চাইলে স্থানীয়রা জানান, "৬নং আওরাবুনিয়া ইউনিয়নের সামগ্রিক উন্নয়ন, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং নিপীড়িত-সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে মোঃ সবুজ বেপারীর মতো ত্যাগী ও সৎ নেতৃত্বের বিকল্প নেই। তাই তৃণমূলের সর্বস্তরের জনগণ তার সমর্থনে আজ ঐক্যবদ্ধ।"
চেয়ারম্যান পদে প্রার্থিতার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে মোঃ সবুজ বেপারী বলেন, "আমি ক্ষমতার লোভ থেকে নয়, বরং আওরাবুনিয়া ইউনিয়নের অবহেলিত ও মেহনতি মানুষের সেবা করার মহান ব্রত নিয়ে রাজনীতি করি। এ ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণই আমার প্রকৃত শক্তি। আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আমি সকলের আন্তরিক দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন প্রত্যাশা করছি। সুযোগ পেলে আওরাবুনিয়াকে একটি আধুনিক, বৈষম্যহীন ও দুর্নীতিমুক্ত মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলব, ইনশাআল্লাহ।"
তৃণমূল পর্যায়ে শক্তিশালী গণসংযোগ এবং সার্বিক সামাজিক গ্রহণযোগ্যতার কারণে ৬নং আওরাবুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মোঃ সবুজ বেপারীকে ঘিরে ইতোমধ্যেই স্থানীয় সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক সাড়া ও প্রত্যাশার সৃষ্টি হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর বারিধারায় ফুটপাতে উঠে নির্মাণ শ্রমিক মেহেদী হাসান মিমকে চাপা দিয়ে নিহতের ঘটনায় সড়ক পরিবহন আইনে করা মামলায় গ্রেপ্তার আজান আলী শরীফকে (১৭) শিশু-কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) শুনানি শেষে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল- ৮ এর বিচারক মো. আব্দুল মোক্তাদির এই নির্দেশনা প্রদান করেন।
আসামি পক্ষের আইনজীবী আলমগীর হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত ওই কিশোরকে শিশু সংশোধনাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে। মামলায় কিশোরের পক্ষে ভুক্তভোগী পরিবারের সঙ্গে ৯ লাখ টাকায় আপস হয়েছে। জামিন আবেদন করার পরিকল্পনা রয়েছে আমাদের। জামিন আবেদনের দিন আপসনামা দাখিল করা হবে।
এর আগে, গত ২২ সেপ্টেম্বর বিকেল ৫টার দিকে গুলশান থানাধীন বারিধারা ডিপ্লোম্যাটিক এলাকার ১ নম্বর সড়কে দুর্ঘটনাটি ঘটে। দ্রুতগতির একটি প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফুটপাতে উঠে গিয়ে সেখানে অবস্থানরত নির্মাণ শ্রমিক মেহেদী হাসান মিমকে চাপা দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
দুর্ঘটনার পর গাড়িটি সড়কবাতির একটি খুঁটিতে ধাক্কা দেয়। ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজে গাড়িটি দ্রুতগতিতে ফুটপাতে উঠে যাওয়ার দৃশ্য দেখা যায় বলে পুলিশ জানিয়েছে। ঘটনার পর গাড়ির চালকের আসন থেকে এক কিশোর বেরিয়ে এলে স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন। পরে অভিযোগ ওঠে যে, তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। নিহতের ভাই মোক্তাদীর বাদী হয়ে গুলশান থানায় মামলা করেন।
মামলায় গাড়ির চালক হিসেবে আকাশ মারককে আসামি করা হয়। পরে তদন্তে সিসিটিভি ফুটেজসহ অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে কিশোর আজান আলী শারীফের গাড়ি চালানোর বিষয়টি সামনে আসে বলে পুলিশ জানায়। এরপর বুধবার গুলশান-১২ নম্বর সড়কের একটি বাসা থেকে আজানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর বৃহস্পতিবার ওই শিশুকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার উপপরিদর্শক মো. আরিফীন ইসলাম।
ওই আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, এই মামলার ঘটনার সাথে জড়িত শিশু আজান আলী শরীফের জড়িত থাকার বিষয়ে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। মামলার তদন্ত অব্যাহত আছে। মামলাটি সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আইনের সংঘাতে জড়িত শিশুকে আটক রাখা একান্ত প্রয়োজন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানও ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আসবেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
মীর শাহে আলম বলেন, তারেক রহমানের সরকার জনগণের সরকার। সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। পর্যায়ক্রমে দেশের ৪ কোটি পরিবারকে এই কার্ডের আওতায় আনার কথা জানান তিনি। এ কার্ড পেতে কাউকে ঘুষ দেওয়ার প্রয়োজন নেই বলেও উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানও ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। এটি বিএনপি সরকারের সিদ্ধান্ত।
বন্যা প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আকস্মিক ভারী বর্ষণের কারণে বাঁশখালী, চন্দনাইশ ও সাতকানিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এমন পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্থানীয় মানুষেরও তেমন অভিজ্ঞতা ছিল না। জেলা প্রশাসন ও সরকার ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে। এ সময় সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ভুল হয়ে থাকলে তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের কাছে ক্ষমা চান।
অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম-১২ আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাহবুবের রহমান শামীমসহ বিএনপির স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুর সদর উপজেলায় বিষাক্ত দ্রব্য পান করে লাবনী আক্তার (৩৫) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার ধুরাইল ইউনিয়নের সরদার কান্দি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত লাবনী আক্তার সরদার কান্দি গ্রামের আব্বাস আলী মল্লিকের মেয়ে এবং একই এলাকার জিলু কাজীর স্ত্রী।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে নিজ বসতঘরে বিষাক্ত দ্রব্য পান করেন লাবনী। পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে মাদারীপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
স্বজনদের দাবি, পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে স্বামী জিলু কাজীর সঙ্গে লাবনীর দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এর মধ্যে স্বামীর সঙ্গে অন্য এক নারীর সম্পর্কের বিষয় নিয়েও তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়। এসব পারিবারিক বিরোধের জেরে লাবনী বিষাক্ত দ্রব্য পান করে থাকতে পারেন বলে ধারণা করছেন স্বজনরা।
মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মাদারীপুর জেলা হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ