ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পোরশায় পটল পাতার বড়ায় জীবিকা নির্বাহ শফিকুলের


পোরশায় পটল পাতার বড়ায় জীবিকা নির্বাহ শফিকুলের

নওগাঁর পোরশা উপজেলা সদর নিতপুরে একটি ব্যতিক্রমী খাবার পটল পাতার তৈরী বড়া বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন শফিকুল ইসলাম। ফ্যানেসের (এম. রইচ উদ্দিন; পোরশা, নওগাঁ) অনুযায়ী, তিনি কোনো চটকদার বা নামী-দামী খাবার নয়, বরং দীর্ঘ আট বছর ধরে কেবল “পটল পাতার তৈরী বড়া” বিক্রির মাধ্যমে স্বাবলম্বী হয়েছেন। শফিকুল এই পটলপাতার বড়া বিক্রি করে তার স্ত্রীসহ পাঁচ সন্তানকে নিয়ে সংসার চালান। তিনি বলেন, “কাহারও কাছে হাত পাততে হয় না আমাকে।” আসলে, শফিকুল চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুরে জন্মগ্রহণ করলেও এখন পরিবার নিয়ে ইতোমধ্যে দীর্ঘ সময় ধরে পোরশা উপজেলার নিতপুর মাস্টার পাড়ায় বসবাস করছেন। তিনি জানান, আট বছর আগে সামান্য পুঁজির সাথে উপজেলার গেটের পাশে ছোট একটি দোকান ঘরে পটলপাতার বড়া বিক্রি শুরু করেছিলেন। শুরুতে অনেকেই এই খাবারটি ভালো মনে করতেন না। তবে চমৎকার স্বাদের কারণে অল্প সময়ের মধ্যে এই বড়া বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। প্রতিদিন বিকেল হতেই ভোজনপ্রেমী ক্রেতারা তার দোকানে ভিড় জমাতে শুরু করেন। তিনি আরও বলেন, শুরুর দিকে যাতে পটলপাতা সংগ্রহ করে বড়া ভেজে বিক্রি করা কাজটা মোটেই সহজ ছিল না, কিন্তু এরপরেও তিনি দমে যাননি। বড়া তৈরি করতে ব্যাপক পরিশ্রম করতে হয়। এর মধ্যে পটলপাতা সংগ্রহ করে মশলার সঠিক মিশ্রণ পর্যন্ত সবকিছু তাকে নিজেই করতে হয়। আট বছর ধরে এই বড়া বিক্রি করে তার সংসার চলছে এবং সন্তানদের পড়ালেখাও এর আয় থেকে হয়। প্রতিদিন তিনি ২,০০০ থেকে ২,৫০০ টাকার বড়া বিক্রি করেন। তবে তিনি মন্তব্য করেন, মানুষের ভালোবাসাই তার এই কাজের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা। নিয়মিত দোকানে আসা কয়েকজন বড়া ক্রেতা জানান, শফিকুলের হাতের তৈরি পটল পাতার বড়া অত্যন্ত মচমচে ও সুস্বাদু। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশে প্রস্তুত করা এই বড়া আজকের দিনে এলাকাটি জনপ্রিয় খাবারে পরিণত হয়েছে। দামের কারণে এটির প্রতি সব শ্রেণী পেশার মানুষ আকৃষ্ট হচ্ছেন। ক্রেতারা বলেছেন, “কোন কাজই যে ছোট নয়,” এবং শফিকুল ইসলাম আট বছর ধরে তা প্রমাণ করে চলেছেন। তবে সরকারি বা বেসরকারি সহযোগিতা পেলে, তার এই ক্ষুদ্র ব্যবসাকে আরও বড় পরিসরে নিয়ে যেতে পারতেন বলে তারা মনে করেন। শফিকুলের এই ব্যক্তিগত কর্মসংস্থানের প্রচেষ্টা সমাজের যুবকদের জন্য একটি দৃষ্টান্ত হতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘আমরা শাহবাগ থেকেই উঠে এসেছি’, ডেপুটি স্পিকারকে মাহমুদা মিতু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

১০:২৫ পি.এম


‘আমরা শাহবাগ থেকেই উঠে এসেছি’, ডেপুটি স্পিকারকে মাহমুদা মিতু

নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেত্রী ডা. মাহমুদা মিতু জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালকে জানিয়েছেন, আপনি একটি মন্তব্য করেছেন যে, এটি শাহবাগ নয়। তবে আমরা তো শাহবাগ থেকেই উঠে এসেছি। শাহবাগের সত্তা নিয়ে আমরা এখানে দাঁড়িয়ে আছি।

রোববার অনুষ্ঠিত সংসদ অধিবেশনে তিনি এই মন্তব্যটি করেছেন।

এর আগে, বক্তব্যের শুরুতে বাজেট সম্পর্কে বিরোধী দলের মন্তব্যের সমালোচনা করেছেন নিলোফার চৌধুরী মনি। তিনি বলেন, গত কয়েকদিন আগে বিরোধী দলের এক সংসদ সদস্য উল্লিখিত করেছেন যে, কওমি মাদরাসায় বরাদ্দ প্রদান করা হয়নি। আমি তাকে জানাতে চাই- কওমি মানে গোষ্ঠী। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) কোন গোষ্ঠীর জন্য, বা কোন ব্যক্তির জন্য কাজ করে না। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল, বাংলাদেশের নেতা তারেক রহমান সম্পূর্ণ বাংলাদেশের জন্য কাজ করেন। সংসদে তরুণদের ৮ জন প্রতিনিধি আছেন। কিন্তু তারা তরুণদের বিষয়ে কোন কথা বলেন না। তারা শুধুমাত্র গণভোটের বিষয় নিয়েই আলোচনা করছেন।

তিনি আরও বলেন, একজন সংসদ সদস্য তার পিতার জীবিত থাকার পরেও মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বলে উল্লেখ করেছেন। সংসদ সদস্য হতে হলে মুক্তিযোদ্ধা হতে হবে- এমন কোন নিয়ম নেই। জনগণের জন্য কাজ করলেই যথেষ্ট। তবুও তারা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান দাবি করে অসত্য বক্তব্য প্রদান করছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
বিশ্বকাপ ফুটবলের উৎসবে মেতেছে পুরো গ্রাম

মনোহরপুর এখন এক টুকরো ফুটবল ভিলেজ, দর্শনার্থীদের ঢল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

১০:২৭ পি.এম


মনোহরপুর এখন এক টুকরো ফুটবল ভিলেজ, দর্শনার্থীদের ঢল

চার বছর অপেক্ষার পর বিশ্বকাপ ফুটবলের মহাযজ্ঞ আবারও এসেছে। বিশ্বের কোটি কোটি মানুষের মতো বাংলাদেশেও ফুটবলপ্রেমীরা উন্মাদনায় মেতেছে। তবে যদি ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার মনোহরপুর গ্রামে যাওয়া হয়, তবে সেটি মনে হবে বিশ্বকাপ যেন টেলিভিশনের পর্দায় নয়, বরং নেমে এসেছে মানুষের ঘর এবং আঙিনায়। কবি গোলাম মোস্তফার বাড়ি কেন্দ্র করে পুরো গ্রাম এখন ফুটবলের রঙে সাজানো হয়ে গেছে। পতাকার দোল, রঙিন দেয়ালচিত্র, প্রিয় তারকাদের প্রতিকৃতি এবং উৎসবমুখর মানুষের পদচারণায় গ্রামটি এখন যেন এক টুকরো বিশ্বকাপ ফ্যান জোনে পরিণত হয়েছে। গ্রামে প্রবেশ করলেই চোখে পড়ে অন্যরকম এক দৃশ্য। চারপাশে শুধুই ফুটবল আর ফুটবল। রাস্তা দুপাশে উড়ছে বিভিন্ন দেশের পতাকা। আর্জেন্টিনার নীল-সাদা, ব্রাজিলের হলুদ-সবুজ সহ নানা দলের পতাকায় রঙিন হয়ে উঠেছে পুরো পরিবেশ।

কবি গোলাম মোস্তফার বাড়ির মূল ফটক থেকে শুরু করে আঙিনা, কাচারিঘর, বসতঘর এবং গাছপালা- সবখানেই ফুটে উঠেছে বিশ্বকাপের আবহ। দেয়াল, গাছ, বাঁশের খুঁটিতে টাঙানো হয়েছে লিওনেল মেসি, নেইমার জুনিয়র, কিলিয়ান এমবাপ্পে সহ বিশ্ব ফুটবলের জনপ্রিয় তারকাদের প্রতিকৃতি। কোথাও ফুটবল, কোথাও বিশ্বকাপ ট্রফির প্রতীক এবং আবার কোথাও ফুটবলপ্রেমীদের আবেগের নানা গল্প ফুটে উঠেছে। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত এখানে শত শত দর্শনার্থী ভিড় করছেন। কেউ পরিবার নিয়ে এখানে ঘুরতে আসছেন, কেউ বন্ধুদের নিয়ে ছবি তুলছেন। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইভ করছেন অথবা ভিডিও ধারণ করে মনোহরপুরের এই ব্যতিক্রমী আয়োজনের গল্প ছড়িয়ে দিচ্ছেন। শিশু-কিশোরদের উচ্ছ্বাস যেন সবচেয়ে বেশি। প্রিয় তারকাদের ছবি দেখে তারা আনন্দে আত্মহারা হয়ে পড়েছে। কারো গায়ে আর্জেন্টিনার জার্সি, কেউ আবার ব্রাজিলের পতাকা কাঁধে নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। ফুটবলপ্রেমের এই উৎসব যেন বয়সের সব সীমারেখা মুছে দিয়েছে।

স্থানীয়দের মতে, এই আয়োজন আর মাত্র একটি বাড়ির মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। এটি পুরো গ্রামের মানুষের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে। যদিও দলভেদে সমর্থন রয়েছে, তবুও সবাই একসঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করছেন। সন্ধ্যা নামলে চায়ের দোকান থেকে শুরু করে বাড়ির উঠোন- সবখানে জমে উঠছে বিশ্বকাপ নিয়ে আলোচনা।

গ্রামবাসীরা বলছেন, বিশ্বকাপ শেষ হয়ে যাবে, কিন্তু এই আয়োজনের স্মৃতি দীর্ঘকাল বেঁচে থাকবে মানুষের মনে। কারণ এটি শুধুমাত্র ফুটবল নয়, বরং মানুষের ভালোবাসা, ঐক্য এবং উৎসবপ্রিয়তার একটি উজ্জ্বল উদাহরণ।

স্থানীয় বাসিন্দা সিজার জিকরুল মন্তব্য করেন, 'বিশ্বকাপ এলেই আমাদের গ্রামে আলাদা আনন্দ শুরু হয়। তবে এবারের সাজসজ্জা আগের সব আয়োজনকে ছাড়িয়ে গেছে। প্রতিদিন নতুন নতুন মানুষ আসছে এবং গ্রামের পরিচিতিও বাড়ছে।' দর্শনার্থী ফরহাদ হোসেন বলেন, 'ফেসবুকে ছবি দেখে এসেছি। এখানে এসে মনে হচ্ছে আমি কোনো বিদেশি ফ্যান জোনে চলে এসেছি। গ্রামের মধ্যে এমন আয়োজন সত্যিই অসাধারণ।' স্থানীয় তরুণ শাওন শ্রাবন বলেন, 'আমরা চাই বিশ্বকাপের আনন্দ শুধুমাত্র টেলিভিশনের পর্দায় সীমাবদ্ধ না থেকে মানুষের মাঝে ছড়িয়ে পড়ুক। তাই আমরা সবাই মিলে এই আয়োজন করেছি। দর্শনার্থীদের ভালোবাসাই আমাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।' দর্শনার্থী শিহাব হোসেন বলেন, 'ফুটবল আমাদের আবেগের জায়গা। এই গ্রাম সকলের সঙ্গে বিশ্বকাপের আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার লক্ষ্য থেকে এই আয়োজন করেছে। নিজেদের উদ্যোগে কয়েক সপ্তাহ ধরে বাড়ি ও আশপাশের এলাকা সাজিয়েছি। উদ্দেশ্য ছিল গ্রামে একটি উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি করা এবং নতুন প্রজন্মকে খেলাধুলার প্রতি উৎসাহিত করা।' বিশ্বকাপের উত্তাপ যত বাড়ছে, ততই বাড়ছে মনোহরপুরে মানুষের আনাগোনা। ফুটবলের ভাষায় যেন পুরো গ্রাম আজ একটাই বার্তা দিচ্ছে- বিশ্বকাপ শুধু স্টেডিয়ামে নয়, মানুষের হৃদয়ের ভেতরেও খেলা করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তারেক রহমানের প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরে সঙ্গী হয়েছেন যারা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

১০:২৭ পি.এম


তারেক রহমানের প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরে সঙ্গী হয়েছেন যারা

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম বিদেশ সফরে গেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, যার পরবর্তীতে চীন সফর করার পরিকল্পনা রয়েছে। গত ফেব্রুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি তার প্রথম রাষ্ট্রীয় সফর।

রোববার, মালয়েশিয়া ও চীন সফরের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে ঢাকা ছেড়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে জানানো হয়েছে যে, রবিবার বেলা ২টা ৪৫ মিনিটে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে কুয়ালালামপুরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন তারেক রহমান।

এই বিদেশ সফরে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের সঙ্গে ২৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল সফর সঙ্গী হয়েছেন। তারেক রহমানের স্ত্রী জুবাইদা রহমানও সফরকারী দলের সদস্য হিসেবে যাচ্ছেন। সফরকারী দলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান, শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুর রহমান চৌধুরীও রয়েছেন।

এছাড়াও প্রতিনিধি দলে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, বেসামরিক বিমান প্রতিমন্ত্রী রাশিদুজ্জামান মিল্লাত, বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, প্রধানমন্ত্রীর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহাদী আমিন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, প্রধানমন্ত্রী বিশেষ সহকারী তানভীর গণি এবং বিডার চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুনও রয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২২ জুন রাতে মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুর থেকে চীনের দালিয়ান প্রদেশে যাবেন। গতকাল শনিবার প্রধানমন্ত্রী সফর উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী ২১-২২ জুন মালয়েশিয়া এবং ২৩-২৬ জুন চীন সফর করবেন।

মালয়েশিয়া সফরের সময়, ২২ জুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশটির প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে একান্ত বৈঠক করবেন। এরপর দুই দেশের সরকারপ্রধানের নেতৃত্বে উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে পারস্পরিক দ্বিপক্ষীয় বিষয়গুলো আলোচনা হবে। আলোচনার ইস্যুগুলো হবে বাণিজ্য, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, জ্বালানি সহযোগিতা, হালাল অর্থনীতি, সেমিকন্ডাক্টর শিল্প, কৃষি, শিক্ষা ও জনযোগাযোগ। এসব ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে অধিকতর সহযোগিতা স্থাপন নিয়ে আলোচনা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কালীগঞ্জে শিশু তাবাচ্ছুম ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় আজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

১০:২৮ পি.এম


কালীগঞ্জে শিশু তাবাচ্ছুম ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় আজ

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার বারবাজার এলাকায় চার বছর বয়সী শিশু তাবাচ্ছুমকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা মামলার বিচারিক কার্যক্রম শেষ হয়েছে। রোববার (২১ জুন) ঝিনাইদহের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে সোমবার (২২ জুন) বহুল আলোচিত এই মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেনে বিচারক।

সরকারের বিশেষ নির্দেশনায় অত্যন্ত দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই চাঞ্চল্যকর মামলার বিচার কাজ শেষ পর্যায়ে পৌঁছানোয় আদালত, পুলিশ ও ধর্ষিতার পরিবার সন্তোষ প্রকাশ করেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি সকালে উপজেলার বাদুড়গাছা গ্রামে চিপস ও জুস কিনে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অবুজ শিশু তাবাচ্ছুমকে নিজের ঘরে ডেকে নিয়ে যায় নরপিশাচ আবু তাহের। সেখানে শিশুটির ওপর পাশবিক নির্যাতন চালানো হয়। একপর্যায়ে শিশুটি যন্ত্রণায় চিৎকার করতে গেলে খুনি আবু তাহের নিজের লুঙ্গি দিয়ে তার মুখ ও নাক চেপে ধরে। কিছুক্ষণের মধ্যে দম আটকে নিথর হয়ে পড়ে ফুটফুটে তাবাচ্ছুম।

ঘটনা ধামাচাপা দিতে ওই রাতেই শিশুটির মরদেহ একটি বস্তায় ভরে পাশের আব্দুল জব্বার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে লুকিয়ে রাখা হয়। ঘটনার পর পরই খুনি পালিয়ে গেলেও পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে ওই দিন রাতেই কুষ্টিয়া শহরের একটি ভাড়া বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর আসামি আবু তাহের পুলিশের কাছে এবং পরবর্তীতে আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় নিজের অপরাধ স্বীকার করে জবানবন্দি দেয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জেল্লাল হোসেন গত ২৬ মে আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেন। এরপর দ্রুততম সময়ে মামলার ১৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ ও শুনানি শেষে রোববার যুক্তিতর্ক শেষ হয়।

মামলার একমাত্র আসামি আবু তাহের একটি সিগারেট কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ছিল এবং বাদেডিহি গ্রামে নিহত শিশু তাবাচ্ছুমদের বাড়ির পাশেই ভাড়া বাসায় থাকত। নিহত তাবাচ্ছুমের পিতা নজরুল ইসলাম পেশায় একটি দর্জির দোকানের কর্মচারী এবং মাতা হালিমা খাতুন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘ওয়েব ফাউন্ডেশন’-এ চাকরি করেন। একমাত্র কন্যা সন্তানকে হারিয়ে শোকে পাথর এই বাবা-মা জানিয়েছেন, “আমাদের একমাত্র কলিজার টুকরোকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমরা খুনি আবু তাহেরের সর্বোচ্চ শাস্তি অর্থাৎ ফাঁসি চাই, যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো মায়ের বুক এভাবে খালি না হয়।” রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পিপি অ্যাডভোকেট আকিদুল ইসলাম জানান, “আমরা আদালতে আসামির বিরুদ্ধে অপরাধের সব তথ্য-প্রমাণ ও ১৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য নিখুঁতভাবে উপস্থাপন করতে পেরেছি। আমরা আশাবাদী, সোমবার আদালতের রায়ে ভুক্তভোগী পরিবারটি সর্বোচ্চ ন্যায়বিচার পাবে।”

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%