সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:২৯ পি.এম
হাম উপসর্গে সারা দেশে (রোববার সকাল ৮টা থেকে সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) গত ২৪ ঘণ্টায় ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ২২১ জন এবং নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৮৪ জন।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম বিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ৯৬২ জন এবং নিশ্চিত হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ১০১ জন।
গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৮১ হাজার ৩৫ জন এবং নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ২০ হাজার ৬৪৬ জন।
গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম নিয়ে ১ লাখ ৫৮ হাজার ৫৮৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হন এবং চিকিৎসা শেষে ১ লাখ ৫২ হাজার ২২৫ জন রোগী ছাড়পত্র পেয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।
গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি সন্দেহজনক মোট হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৫৯ হাজার ৮০৪ জন। আর হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পাওয়া মোট রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৫৩ হাজার ৪৪৮ জন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী কারিনা কাপুর খানের জন্মদিন আজ। এই অভিনেত্রী, যিনি ভক্তদের কাছে ‘বেবো’ নামে পরিচিত, ২১ সেপ্টেম্বর ৪৫ বছরে পা দিয়েছেন। ১৯৮০ সালের এই দিনে তিনি ভারতের মুম্বাইয়ে জন্মগ্রহণ করেন।
অভিনেতা রণধীর কাপুর এবং অভিনেত্রী ববিতা কাপুরের ছোট মেয়ে হিসেবে পরিচিত কারিনা। তাঁর বড় বোন কারিশমা কাপুরও বলিউডের একটি পরিচিত মুখ। দাদা রাজ কাপুর ছিলেন ভারতীয় চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেতা এবং নির্মাতা। এমন একটি চলচ্চিত্র পরিবারে বেড়ে ওঠার পরও কারিনা নিজের অভিনয় প্রতিভা দিয়ে আলাদা পরিচিতি অর্জন করেছেন।
২০০০ সালে অভিষেক বচ্চনের বিপরীতে ‘রিফিউজি’ সিনেমার মাধ্যমে তিনি বড় পর্দায় অভিষেক করেন। পরের বছর ‘কাভি খুশি কাভি গাম’-এ ‘পু’ চরিত্রে অভিনয় করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেন। এরপর ‘জাব উই মেট’-এর প্রাণবন্ত ‘গীত’ চরিত্রটি তাঁর ক্যারিয়ারে নতুন মাত্রা যোগ করে।
কারিনা শুধুমাত্র বাণিজ্যিক সিনেমায় নয়, ভিন্নধর্মী চরিত্রেও তাঁর অভিনয় দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। ‘চামেলি’, ‘ওমকারা’ এবং ‘তালাশ’-এর মতো সিনেমায় অভিনয় করে তিনি দর্শকের পাশাপাশি সমালোচকদেরও প্রশংসা অর্জন করেছেন।
ব্যক্তিজীবনে তিনি আলোচনায় থেকেছেন। ২০১২ সালের ১৬ অক্টোবর অভিনেতা সাইফ আলী খানকে বিয়ে করেন কারিনা। এই দম্পতির দুই সন্তান তৈমুর আলী খান এবং জাহাঙ্গীর আলী খান। বিয়ে এবং মাতৃত্বের পরও কারিনা অভিনয় চালিয়ে গেছেন। দীর্ঘ অভিনয়জীবনে নানা ধরনের চরিত্রে কাজ করে তিনি বলিউডে নিজের স্বতন্ত্র অবস্থান ধরে রেখেছেন।
জন্মদিনে ভক্তদের শুভেচ্ছা ও ভালোবাসায় তিনি আবারও আলোচনায় এসেছেন বলিউডের প্রিয় ‘বেবো’ কারিনা কাপুর।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হরি নদীর কূলঘেঁষা একটি ছোট মেঠোপথ রয়েছে। আধা কিলোমিটার অগ্রসর হলেই দেখা যায় সারি সারি গাছ, যেখানে রয়েছে বিভিন্ন প্রজাতির ফুল। কিছু জায়গায় লাল, হলুদ, সাদা এবং গোলাপি ফুল ফুটে আছে।
বিভিন্ন রঙ ও গন্ধে সজ্জিত এই জায়গাটি ফুলের রাজ্যে পরিণত হয়েছে। মনে হচ্ছে, বাড়ির আঙিনা ঘিরে গড়ে ওঠা এই বাগানটি যেন শিল্পীর রংতুলিতে আঁকা।
নড়াইল সদর উপজেলা কলোড়া ইউনিয়নের রামনগরচর গ্রামে সুচিত্র বিশ্বাসের বাড়ির আঙিনায় এমন একটি ফুল বাগান গড়ে উঠেছে।
এই বাগানে প্রায় ২০০ প্রজাতির ফুলের গাছ রয়েছে। বছরের বিভিন্ন সময় ভিন্ন ভিন্ন ফুলে বদলে যায় আঙিনার চেহারা। তখন এর সৌন্দর্য উপভোগ করতে মানুষের ভিড় জমে। এই বাগানটি সুচিত্রের আয়ের উৎস হিসেবেও কাজ করছে। শখের বশে শুরু করা ফুলের চাষ ধীরে ধীরে কর্মসংস্থানও সৃষ্টি করেছে।
রবিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, টিনের তৈরি বাড়ির আঙিনায় এক একর জমিতে সুচিত্রের নার্সারি রয়েছে। সেখানে বিভিন্ন প্রজাতির ফুলের চারা প্রস্তুত, পরিচর্যা ও বিক্রির কাজ চলছে। সাজানো নার্সারিটি দেখতে দর্শনার্থীদের ভিড় জমেছে। কেউ ছবি তুলছেন, কেউ ঘুরে ঘুরে দেখছেন, আবার কেউ পছন্দের চারা কিনে নিয়ে যাচ্ছেন।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, চাকরি ছেড়ে দিয়ে ২০২৪ সালে নিজ বাড়ির আঙিনায় এক একর জমিতে নার্সারি গড়ে তোলেন সুচিত্র।
সুচিত্র বলেন, ‘ছয় বছর ধরে আমি একটি কম্পানিতে চাকরি করেছি। একপর্যায়ে চাকরিজীবন ভালো না লাগায় সেটি ছেড়ে দিই। এরপর নার্সারি করার সিদ্ধান্ত নিলাম। নিজের বাড়ির আঙিনায় এক একর জায়গায় নার্সারি শুরু করি। সেখানে এখন বাগান বিলাস, জবা, গাঁদা, গোলাপ, চন্দ্র মল্লিকা, কৃষ্ণচূড়াসহ ২০০ প্রজাতির ফুলের চারা রয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে সাড়াও পাচ্ছি ভালো।’
তিনি আরো বলেন, ‘বর্তমানে নার্সারিতে সঠিক জাতের গাছ পাওয়া কঠিন। আমি সঠিক জাতের গাছগুলো বিক্রি করছি। ফলে এখানকার চারার চাহিদাও বেশি। প্রথম বছরই এক লাখ টাকা চারা বিক্রি করেছি।’
সুচিত্র জানান, ‘শুধু গাছ বিক্রি করার জন্য নয়, গাছের প্রতি মানুষকে আকৃষ্ট করতে আমার এ উদ্যোগ। এখানে প্রতিদিনই দর্শনার্থীরা আসে। তারা ঘুরে ঘুরে চারা দেখেন, ছবি তোলেন। এটা একটা অন্যরকম অনুভূতি।’ নার্সারি আরো বড় করার ইচ্ছা রয়েছে বলে জানান সুচিত্র।
তরুণ এই উদ্যোক্তা জানান, তার নার্সারি শুধু ফুলের সৌন্দর্য নয়, এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে মানুষের কর্মসংস্থানও। গাছের পরিচর্যা, চারা তৈরি, টব প্রস্তুত, পানি দেওয়া, বিক্রির কাজে সময় দিতে হয়। ফলে বাড়ির নারীদের পাশাপাশি স্থানীয়দের কর্মসংস্থানেরও সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
ফুলের বাগানে কাজ করা আকাশ বিশ্বাস বলেন, নার্সারি দেখাশোনা, ফুল গাছে পানি দেওয়া, জায়গা পরিষ্কার রাখার জন্য আমরা তিনজন এখানে কাজ করি। নদীর কূলে ছায়াঘেরা জায়গায় কাজে কোনো কষ্ট হয় না।
বাগানটি দেখতে এসেছেন চিত্রশিল্পী ডি ডি মল্লিক (ধর্ম দাস মল্লিক)। তিনি খানিকটা সময় নিয়ে বাগান ঘুরে দেখেন এবং একপর্যায়ে এ প্রতিবেদককে বলেন, ‘এর আগেও বাগানটি দেখতে এসেছিলাম। আমি এই বাগানে ছেলে-মেয়েদের নিয়ে আসব। তারা এখানে বসে ছবি আঁকবে, আনন্দ করবে।’
ডি ডি মল্লিক আরো বলেন, ‘সুচিত্র তার এই নার্সারি এমন সুন্দর করে সাজিয়েছে, যা গ্রামীণ জনপদে তেমন দেখা যায় না। তার নার্সারিতে শুধু জেলার মানুষ নয়, দেশ বিদেশ থেকে এক সময় পর্যটকরা আসবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মিয়ানমারের সীমান্তে পাচারের সময় বিপুল পরিমাণ ওষুধসহ তিনজনকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যরা। আটককৃত ওষুধের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৩০ লাখ টাকা। রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে নাইক্ষ্যংছড়ির তুমব্রু সীমান্ত এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করা হয়। কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লে. কর্নেল এস এম খায়রুল আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেন এবং জানান, ব্যাটালিয়ন সদস্যরা এসব ওষুধ জব্দ করেন।
আরো পড়ুন
ইংল্যান্ডের দল থেকে সরে দাঁড়ালেন পালমার।
আটককৃতদের মধ্যে রয়েছেন কক্সবাজারের টেকনাফের পুরাতন পল্লান পাড়া গ্রামের মোজাম্মেল হকের ছেলে হারুন মিয়া (২৬), বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির উত্তর ঘুমধুম বড়ুয়াপাড়া গ্রামের বিপন বড়ুয়ার ছেলে জিদান বড়ুয়া (১৮) এবং কক্সবাজারের উখিয়ার টিএনটি এলাকার মো. জয়নালের ছেলে মো. আকছার (২৬)।
বিজিবি জানায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি)-এর তুমব্রু বিওপির একটি আভিযানিক দল সেখানে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় সন্দেহজনক গতিবিধির একটি ট্রাক থামিয়ে তল্লাশি করা হয়। তল্লাশিতে ট্রাকের ভেতর থেকে বিপুল পরিমাণ বিভিন্ন ধরনের ওষুধ উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে এসব ওষুধ পরিবহনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে আটক করা হয়।
বিজিবির প্রাথমিক ধারণা, উদ্ধার করা ওষুধগুলো সীমান্তপথে মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে ট্রাকে করে পরিবহন করা হচ্ছিল। তবে উদ্ধার হওয়া ওষুধের ধরন, পরিমাণ এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।
বিজিবি জানিয়েছে, জব্দ করা ওষুধ ও অন্যান্য মালামালের তালিকা প্রস্তুত ও যাচাই শেষে আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তুমব্রু-ঘুমধুম সীমান্ত শুধুমাত্র ওষুধ পাচারের রুট নয়, দীর্ঘদিন ধরে এ অঞ্চলে দুই দিকের অবৈধ পণ্য চলাচলের অভিযোগ রয়েছে। বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমারে বিভিন্ন পণ্য পাচারের পাশাপাশি মিয়ানমার থেকে ইয়াবাসহ বিভিন্ন অবৈধ পণ্য বাংলাদেশে প্রবেশের ঝুঁকিও রয়েছে।
সীমান্তের দুর্গম পাহাড়ি পথ, নদী-খাল ও জনবসতিহীন এলাকা ব্যবহার করে চোরাকারবারিরা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দেওয়ার চেষ্টা করে। কখনো ছোট নৌযান, কখনো মোটরসাইকেল বা ট্রাক, আবার কখনো পাহাড়ি চোরাই পথ ব্যবহার করে পায়ে হেঁটে এসব পণ্য পরিবহনের অভিযোগ পাওয়া যায়।
স্থানীয়দের মতে, দ্রুত অর্থ আয়ের আশায় অনেকেই ঝুঁকিপূর্ণ এসব কাজে জড়িয়ে পড়েন। আবার চোরাচালানের পেছনে থাকা মূল হোতারা আড়ালে থেকে শ্রমিক বা বাহক হিসেবে স্থানীয়দের ব্যবহার করে থাকে—এমন অভিযোগও রয়েছে। ফলে অভিযানে অনেক সময় বাহক আটক হলেও নেপথ্যের কারবারিরা থেকে যায় ধরাছোঁয়ার বাইরে।
তুমব্রু ও ঘুমধুম সীমান্তে দুর্গম পথ ব্যবহার করে বিভিন্ন পণ্য পাচারের প্রবণতা ঠেকাতে বিজিবির নজরদারি বাড়ানোর মধ্যেই ট্রাকভর্তি ওষুধ আটকের ঘটনা ঘটল।
কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম খায়রুল আলম বলেন, সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদক ও চোরাচালানসহ সব ধরনের সীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে বিজিবি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারি ও বিশেষ অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে। এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হজ এজেন্টদের জন্য আর্থিক লেনদেনকে আরও সহজ, নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করার উদ্দেশ্যে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি মাস্টারকার্ডের সহযোগিতায় ‘হজ এজেন্ট কাফেলা কার্ড’ চালু করেছে। এই কার্ড ব্যবহার করে সৌদি আরবে মাস্টারকার্ড লোগোযুক্ত এটিএম থেকে সৌদি রিয়াল উত্তোলন করা যাবে, পিওএস টার্মিনালে পেমেন্ট করা যাবে এবং বছরে সর্বোচ্চ চারবার বিমানবন্দরের বলাকা এক্সিকিউটিভ লাউঞ্জ বিনামূল্যে ব্যবহার করার সুযোগ থাকবে।
সম্প্রতি ঢাকায় ইসলামী ব্যাংক ও হজ এজেন্সীজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)-এর সদস্যদের মধ্যে এক মতবিনিময় সভায় কার্ডটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ।
অনুষ্ঠানে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-এর চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জহির হোসেনের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন ব্যাংকের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ আলতাফ হুসাইন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাস্টারকার্ড বাংলাদেশের ডাইরেক্টর সোহেল আলিম। অনুষ্ঠানে ব্যাংকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ড. এম কামাল উদ্দীন জসীমসহ হাব ও ইসলামী ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন নির্বাহী ও কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ