সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:৩১ পি.এম
হজ এজেন্টদের জন্য আর্থিক লেনদেনকে আরও সহজ, নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করার উদ্দেশ্যে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি মাস্টারকার্ডের সহযোগিতায় ‘হজ এজেন্ট কাফেলা কার্ড’ চালু করেছে। এই কার্ড ব্যবহার করে সৌদি আরবে মাস্টারকার্ড লোগোযুক্ত এটিএম থেকে সৌদি রিয়াল উত্তোলন করা যাবে, পিওএস টার্মিনালে পেমেন্ট করা যাবে এবং বছরে সর্বোচ্চ চারবার বিমানবন্দরের বলাকা এক্সিকিউটিভ লাউঞ্জ বিনামূল্যে ব্যবহার করার সুযোগ থাকবে।
সম্প্রতি ঢাকায় ইসলামী ব্যাংক ও হজ এজেন্সীজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)-এর সদস্যদের মধ্যে এক মতবিনিময় সভায় কার্ডটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ।
অনুষ্ঠানে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-এর চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জহির হোসেনের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন ব্যাংকের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ আলতাফ হুসাইন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাস্টারকার্ড বাংলাদেশের ডাইরেক্টর সোহেল আলিম। অনুষ্ঠানে ব্যাংকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ড. এম কামাল উদ্দীন জসীমসহ হাব ও ইসলামী ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন নির্বাহী ও কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার গৈলা মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে মাদক, বাল্যবিবাহ, ইভটিজিং ও মোবাইল ফোন ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ বিষয়ে সচেতনতামূলক আলোচনা সভা। সভায় ওসি মো. মাসুদ খান অভিভাবকদের সচেতনতাকে শিশুদের অপরাধ থেকে রক্ষা করার গুরুত্বপূর্ণ উপায় হিসেবে উল্লেখ করেন।
সভাটি সোমবার সকালে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জহিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব বিষয় তুলে ধরেন।
অভিভাবকদের সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার ওপর তিনি সন্তানের চলাফেরা, বন্ধু নির্বাচন এবং মোবাইল ফোন ব্যবহারের ক্ষেত্রে গুরুত্বারোপ করেন।
সভায় মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব, বাল্যবিবাহের নেতিবাচক দিক, ইভটিজিং প্রতিরোধ এবং মোবাইল ফোন ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করা হয়। শিশু-কিশোরদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখতে পরিবার ও বিদ্যালয়ের ভূমিকা নিয়েও আলোচনা করা হয়।
অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. জহিরুল হক, মো. গোলাম ছরোয়ার, লিওনি শিখা শিকদার, তাসলিমা খানম, পূর্ণেন্দু চক্রবর্তী ও শিরিন আক্তার প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রশিক্ষণ ছিল দক্ষতা অর্জনের, আর সেলাইমেশিন হলো সেই দক্ষতাকে কাজে লাগানোর সুযোগ। তিন মাসের সেলাই প্রশিক্ষণ শেষে খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় ২০ নারী পেলেন সনদ ও কর্মসংস্থানের সহায়ক সরঞ্জাম। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর দীঘিনালা জোনের উদ্যোগে তাদের প্রত্যেকের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে একটি করে সেলাইমেশিন।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বেলা আড়াইটায় দীঘিনালা জোনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণ সম্পন্নকারী পাহাড়ি ও বাঙালি নারীদের হাতে এসব সেলাইমেশিন ও সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়। জোন কমান্ডারের নির্দেশনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে দীঘিনালা জোনের আরএমও ক্যাপ্টেন মু. শায়খউদ্দীন সাকলাইন, অ্যাডজুটেন্ট ক্যাপ্টেন মো. জাহিদ হাসান জয় ও মাস্টার ওয়ারেন্ট অফিসার জয়নুল আবেদীন উপস্থিত ছিলেন।
জানা গেছে, তিন মাসের প্রশিক্ষণে নারীদের পোশাক তৈরি, সেলাই এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যবহারিক বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। প্রশিক্ষণ শেষে শুধু সনদ দিয়ে থেমে না থেকে তাদের হাতে সেলাইমেশিন তুলে দেওয়া হয়েছে, যাতে অর্জিত দক্ষতা কাজে লাগিয়ে ঘরে বসেই কাজের সুযোগ তৈরি করতে পারেন তারা।
প্রশিক্ষণার্থীদের কয়েকজন জানান, সেলাই শেখার আগ্রহ থাকলেও মেশিন কেনার সামর্থ্য না থাকায় অনেকেই শেখা কাজ নিয়মিতভাবে কাজে লাগাতে পারতেন না। প্রশিক্ষণের পাশাপাশি মেশিন পাওয়ায় এখন নিজেদের দক্ষতা দিয়ে আয় করার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
এক প্রশিক্ষণার্থী বলেন, সেলাইয়ের কাজ শেখার পর নিজের একটি মেশিন পাওয়াটা আমাদের জন্য বড় সুযোগ। এখন বাড়িতে বসেই কাজ করতে পারব। নিজের আয় করার পাশাপাশি পরিবারের খরচেও সহযোগিতা করতে চাই।
দীঘিনালা জোনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দুর্গম ও সুবিধাবঞ্চিত এলাকার মানুষের দক্ষতা বাড়িয়ে তাদের আত্মনির্ভরশীল করার লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মমুখী কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। নারীদের ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহের মাধ্যমে তাদের অর্জিত দক্ষতাকে বাস্তব কর্মসংস্থানে রূপ দেওয়ার সুযোগ তৈরি করাই এ উদ্যোগের অন্যতম উদ্দেশ্য।
আয়োজকদের মতে, প্রশিক্ষণ ও প্রয়োজনীয় কর্ম-সরঞ্জাম একসঙ্গে পাওয়ায় এসব নারী নিজেদের দক্ষতা কাজে লাগিয়ে স্থানীয়ভাবে সেলাই ও পোশাক তৈরির কাজ করতে পারবেন। এতে ব্যক্তিগত আয়ের পাশাপাশি পরিবারের আর্থিক সহযোগিতায় তাদের ভূমিকা রাখার সুযোগ সৃষ্টি হবে।
সেলাইমেশিন হাতে পাওয়া নারীদের প্রত্যাশা, প্রশিক্ষণে অর্জিত দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে ধীরে ধীরে নিজেদের কাজের পরিধি বাড়াবেন তারা। একই সঙ্গে পরিবার ও সমাজে নিজেদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা আরও বাড়াতে পারবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেত্রকোনার কেন্দুয়া-নেত্রকোনা সড়কের রামপুর এলাকায় বিদ্যুতের খাম্বাবাহী একটি লরির সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে মামুন মিয়া (২৮) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। তিনি একটি ওষুধ কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। দুর্ঘটনার পর লরিটি পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পরে ময়মনসিংহের নান্দাইল চৌরাস্তা এলাকা থেকে চালকসহ সেটিকে আটক করে পুলিশ।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টার দিকে রামপুর বাজারসংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত মামুন মিয়া নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার নারান্দিয়া ইউনিয়নের পাইলাটি গ্রামের বজলু মিয়ার ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পেশাগত দায়িত্ব শেষে মোটরসাইকেলে করে কেন্দুয়া থেকে পূর্বধলার দিকে যাচ্ছিলেন মামুন মিয়া। একই সময়ে নেত্রকোনা থেকে বিদ্যুতের খাম্বা বোঝাই একটি লরি চট্টগ্রামের দিকে যাচ্ছিল। রাত ১১টার দিকে রামপুর এলাকায় লরিটির সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা মামুনের মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
সংঘর্ষে মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে সড়কের পাশে পড়ে গুরুতর আহত হন মামুন। স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে রামপুর বাজারের দিকে নিয়ে যাওয়ার সময় তাঁর মৃত্যু হয় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।
দুর্ঘটনার পর লরিটি ঘটনাস্থল থেকে চলে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরে স্থানীয় লোকজন লরিটির অবস্থান শনাক্ত করে পুলিশকে খবর দেন। তাঁদের সহায়তায় ময়মনসিংহের নান্দাইল চৌরাস্তা এলাকা থেকে চালকসহ লরিটি আটক করা হয়।
আটক চালকের নাম জসিম উদ্দিন (৩৮)। তিনি কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার জাফরগঞ্জ ইউনিয়নের খয়রাবাদ গ্রামের মৃত আব্দুল মমিনের ছেলে।
কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ রাতেই ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। সোমবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নেত্রকোনা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ওসি আরও জানান, লরিটি জব্দ করা হয়েছে এবং চালক জসিম উদ্দিনকে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করার প্রক্রিয়া চলছে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং দায় নির্ধারণে তদন্ত চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ : আজ ‘নজরুল বর্ষ’ উপলক্ষে জেলা সদরে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সদর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সোমবার উপজেলা কমপ্লেক্সে দিনব্যাপী এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদা জাহান।
এতে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহানা বেগম, অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা সালমা সুলতানা, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জিল্লুর রহমান, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা নুরুল মাহমুদ ভূঁইয়া, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাফিয়া বেগম, উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার পাপিয়া আক্তার, জেলা জাসাসের আহ্বায়ক এনামুল হক জুয়েল, পৌর মহিলা দলের সভানেত্রী রিমিন ফারহানা দিশা প্রমুখ।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দুই শতাধিক শিক্ষার্থী এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। হামদ-নাত, নজরুল সংগীত, নৃত্য, চিত্রাঙ্কন ও আবৃত্তিসহ মোট আটটি ইভেন্টে শিক্ষার্থীরা প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ