ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পল্টন এলাকা থেকে যুবক নিখোঁজের ঘটনায় জিডি


পল্টন এলাকা থেকে যুবক নিখোঁজের ঘটনায় জিডি

রাজধানীর পল্টন এলাকা থেকে মো. স্বপন মিয়া (৩০) নামে এক যুবক নিখোঁজ হয়ে গেছেন। এ ঘটনার পর তার পরিবার উদ্বিগ্ন হয়ে পল্টন থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে।

নিখোঁজ ওই যুবক কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি উপজেলার দক্ষিণ নসরুদ্দি গ্রামের বাসিন্দা। তার পিতা মোস্তাক মিয়া এবং মাতা শাহানারা বেগম।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুর আনুমানিক ১টার সময় পল্টন থানাধীন সাব্বির টাওয়ারের সামনে থেকে স্বপন মিয়া নিখোঁজ হন। নিখোঁজ হওয়ার পর থেকেই তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়, কিন্তু তাকে পাওয়া যায়নি। সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও এখন পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান মেলেনি।

আরও পড়ুন: শামীম হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফজলুল হক আমিনী গ্রেপ্তার

এ ঘটনার পর পরিবারের সদস্যরা পল্টন থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। তারা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতা চাওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের কাছেও স্বপন মিয়ার সন্ধান পেলে দ্রুত জানানোর জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।

কেউ যদি মো. স্বপন মিয়ার সন্ধান পেয়ে থাকেন বা তার অবস্থান সম্পর্কে কোনো তথ্য জেনে থাকেন, তাহলে তার ভাই রিপন হোসেনের মোবাইল নম্বর ০১৭৫৮-২৭১২৪৮-এ যোগাযোগ করার জন্য পরিবার পক্ষ থেকে বিনীত অনুরোধ জানানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাতিয়াতে জোয়ারে ভেসে আসা মরদেহ পড়ে রইল কেওড়া বাগানে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নোয়াখালী প্রতিনিধি

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:১৬ এম


হাতিয়াতে জোয়ারে ভেসে আসা মরদেহ পড়ে রইল কেওড়া বাগানে

নোয়ালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার নিঝুমদ্বীপে কেওড়া বাগানে জোয়ারের পানিতে ভেসে আসা এক অজ্ঞাত ব্যক্তির অর্ধগলিত মরদেহ পড়ে থাকার খবর পাওয়া গেছে। তবে মরদেহটি উদ্ধারে পুলিশ ও নৌ পুলিশের মধ্যে সমন্বয়হীনতার অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়নের হাসি মার্কেট সংলগ্ন ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কেওড়া বাগানে মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখা যায়।

স্থানীয়রা জানান, বেলা ১১টার দিকে জোয়ারের পানির সঙ্গে মরদেহটি ভেসে এসে কেওড়া বাগানে আটকে থাকে। দীর্ঘদিন পানিতে থাকার কারণে মরদেহটি অর্ধগলিত হয়ে গেছে। তবে এখনো তার পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। মরদেহটি দেখে পুলিশকে জানানো হয়েছে। কিন্তু রাত হয়ে গেলেও মরদেহটি উদ্ধার করা হয়নি। এদিকে, স্থানীয়দের অভিযোগ মরদেহ উদ্ধারে দুই বাহিনীর মধ্যে সমন্বয়হীনতার কারণে দীর্ঘ সময় ধরে মরদেহটি পড়ে আছে।

নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়ন নৌ পুলিশ কেন্দ্রের ইনচার্জ আশিকুর রহমান বলেন, তারা বিষয়টি মাত্র জানতে পেরেছেন। খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবির হোসেন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশকে ঘটনাস্থলে গিয়েছে। তবে ঘটনাস্থলটি নদীর কাছাকাছি হওয়ায় এটি নৌ পুলিশের আওতাধীন। খবর পেয়ে নৌ পুলিশও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করতে যায়। তবে বাগানটি সড়ক থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে এবং বাগানে জোয়ারের পানি থানায় মরদেহ উদ্ধার সম্ভব হয়নি। তবে শুক্রবার সকালে মরদেহটি উদ্ধার করা হবে।  

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৪ মাদ্রাসাছাত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারে সরকারি সহায়তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:২৩ এম


৪ মাদ্রাসাছাত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারে সরকারি সহায়তা

নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলায় খালে গোসল করতে গিয়ে পানিতে ডুবে চার মাদ্রাসাছাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটেছে। এ ঘটনার পর এলাকা জুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, দুপুরে উপজেলার চাঁন্দেরকান্দি ইউনিয়নের বড়কান্দা এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে।

নিহত চারটি শিশুর নাম হলো- বড়কান্দা গ্রামের শামীম মিয়ার মেয়ে তাবিয়া (১৩), রুবেল মিয়ার মেয়ে আয়েশা (৯), রুবেল মিয়ার অন্য একটি মেয়ে জান্নাত (৮) এবং বিল্লাল মিয়ার মেয়ে সুমাইয়া (১০)। তারা সবাই বড়কান্দা গাউসিয়া নূরে মদিনা মহিলা মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ছিল।

স্থানীয় সূত্র এবং হাসপাতালে পাওয়া তথ্যে জানা যায়, মাদ্রাসার টিফিন বিরতির সময় ছয় শিক্ষার্থী মাদ্রাসার পাশে একটি খালে গোসল করতে নামে। সাঁতার না জানা এবং খালের গভীরতা সম্পর্কে কোনো ধারণা না থাকায় মুহূর্তের মধ্যে চারজন সেখানে পানিতে তলিয়ে যায়। এ সময় অপর দুই শিক্ষার্থী পাড়ে উঠে চিৎকার করলে স্থানীয় লোকজন এসে উদ্ধার কাজ শুরু করে। পরবর্তীতে চারজনকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত চার শিশুর মধ্যে তিনজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। অপর একজন শিশুর ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়।

ঘটনার পর রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের আওতায় নিহতদের প্রত্যেক পরিবারের হাতে সরকারি তহবিল থেকে ২০ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাসুদ রানা।

একমাত্র মেয়ে তাবিয়াকে হারিয়ে শোকাপন্ন বাবা শামীম মিয়া জানান, সকালে মেয়ে তাবিয়াকে রেখে কাজের উদ্দেশ্যে তিতাস ট্রেন ধরতে রায়পুরা বাজারে এসেছিলেন। বাজারে পৌঁছানোর পর বাড়ি থেকে ফোনে জানতে পারেন, তার মেয়ে পানিতে ডুবে মারা গেছে। এরপর তিনি আর ট্রেনে উঠতে পারেননি, দ্রুত হাসপাতালে চলে আসেন।

রায়পুরা থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) নাজমুল হাসান জানান, খবর পেয়ে থানার অফিসার ইনচার্জসহ পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে তিন শিশুর মরদেহ প্রত্যক্ষ করেন। অন্য শিশুর মরদেহ বাড়িতে রাখা হয়েছে। সুরতহাল প্রতিবেদন সম্পন্ন করার পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পরিবারের পক্ষ থেকে মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়া হস্তান্তরের আবেদন করা হয়েছে।

রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক আশরাফুর রহমান জানান, দুপুর ১টার দিকে তিন শিশুকে হাসপাতালে আনা হয়। হাসপাতাল পৌঁছানোর আগেই তাদের মৃত্যু হয়েছে। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা গেছে, তাদের মধ্যে কারও শ্বাস-প্রশ্বাস কিংবা হৃদস্পন্দন পাওয়া যায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধর্মীয় বিভাজনের রাজনীতিতে বিএনপির বিশ্বাস নেই: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:২৭ এম


ধর্মীয় বিভাজনের রাজনীতিতে বিএনপির বিশ্বাস নেই: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু মন্তব্য করেছেন যে, বিএনপি ধর্মীয় বিভাজনের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। তিনি এ বিষয়ে বলেন, ‘দেশের সব নাগরিকই সমান মর্যাদার অধিকারী।

আমরা একটি সুন্দর দেশ গড়তে চাই এবং আমরা সবাইকে সঙ্গে নিয়ে চলতে চাই। যদি আমাদের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের জন্য অপচেষ্টা হয়, তাহলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এই বক্তব্যটি বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ফরিদপুরের নগরকান্দা সদরে শ্রী শ্রী জগন্নাথ দেবের রথযাত্রার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, ‘সরকার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ যে, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল নাগরিকের নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করতে কাজ করবে। বাংলাদেশ হলো বহু ধর্ম, বর্ণ ও সংস্কৃতির মানুষের মিলনস্থল। যুগের পর যুগ ধরে এ দেশের মানুষ পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহমর্মিতা দিয়ে বসবাস করে আসছে। আমরা নিশ্চিত করব ভবিষ্যৎ প্রজন্মও এই ঐতিহ্যকে ধারণ করবে।’

জুলাই মাসের শহীদ ও আহতদের স্মরণ করে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘জুলাইয়ে যারা আত্মত্যাগের মাধ্যমে দেশের ইতিহাসের নতুন অধ্যায় রচনা করেছেন, তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। শহীদ পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করছি। আহত জুলাই যোদ্ধাদের সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে প্রয়োজন হলে, বিদেশে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।’

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রথযাত্রা উদযাপন কমিটির সভাপতি ডা. রনদা প্রসাদ সরকার। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর পুলিশ সুপার শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী, নগরকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানা আফরিন, সহকারী পুলিশ সুপার মুহম্মদ আল ফাহাদ, নগরকান্দা থানার ওসি রাসুল সামদানী আজাদ, উপজেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাবিবুর রহমান বাবুল, সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান মুকুল, সাংগঠনিক সম্পাদক শওকত আলী শরীফ, চারন কবি সহাদেব সরকার, বাবু অজয় কর প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শহিদ ওয়াসিমের ‘চলে আসুন ষোল শহরে’ আহ্বানেই জেগে উঠেছিল চট্টগ্রাম: নাছির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৩২ এম


শহিদ ওয়াসিমের ‘চলে আসুন ষোল শহরে’ আহ্বানেই জেগে উঠেছিল চট্টগ্রাম: নাছির

চট্টগ্রামের শহীদ ওয়াসিম আকরামের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির বলেছেন, ওয়াসিম আকরামের ফেসবুকে দেওয়া ‘চলে আসুন ১৬ শহরে’ আহ্বান ছিল ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত লড়াইয়ের ডাক। তিনি বলেন, এই আহ্বানে সাড়া দিয়েই চট্টগ্রামবাসী রাজপথে নেমে আসে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) চট্টগ্রামের ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে জুলাই শহিদ দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় নাছির এসব বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানটি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত ছিল।

নাছির বলেন, ‘শহীদ ওয়াসিম আকরাম ১৬ জুলাইয়ের আগে তার ফেসবুকে লিখেছিলেন, ‘চলে আসুন ১৬ শহরে’। এটি ছিল শুধু একটি স্ট্যাটাস নয়, দীর্ঘ ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের বিরুদ্ধে শেষ আহ্বান। তার এই বার্তা পুরো জাতিকে, বিশেষ করে চট্টগ্রামের মানুষকে রাজপথে নেমে আসতে উদ্বুদ্ধ করেছিল।’

তিনি দাবি করেন, ২০২৪ সালের আন্দোলনের প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার মধ্য দিয়ে। তার ভাষ্য, তৎকালীন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের পর ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের, বিশেষ করে নারী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায়।

নাছির বলেন, ‘ওবায়দুল কাদের বলেছিলেন, আন্দোলন দমাতে ছাত্রলীগই যথেষ্ট। ওই বক্তব্যের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা হয়। সেই হামলার প্রতিবাদে ছাত্রদল ১৬ জুলাই সারা দেশে বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দেয়। একই দিনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনও কর্মসূচি ঘোষণা করে।’

তিনি বলেন, ‘সেই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আবু সাঈদ শহীদ হন। এরপর আমাদের সহযোদ্ধা শহীদ ওয়াসিম আকরামও জীবন উৎসর্গ করেন। তাদের আত্মত্যাগ দেশের গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।’

জুলাই আন্দোলনের শহিদদের স্মরণ করে নাছির বলেন, ‘তাদের আত্মত্যাগ কখনও বৃথা যাবে না। নতুন প্রজন্মের কাছে জুলাইয়ের শহিদরা অন্যায়, দমন-পীড়ন ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের প্রতীক হয়ে থাকবেন।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%