বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:১৩ পি.এম
ফেনী জেলা ছাত্রদলের বহিষ্কৃত সহ-সভাপতি জামশেদুর রহমান ফটিককে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে অপহরণ ও চাঁদাবাজির একটি মামলায়।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ফেনী যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ মো. জাহিদ হোসাইনের আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
ফেনীর কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক এসএম আতিক উল্লাহ জানান, অভিযুক্ত জামশেদুর রহমান ফটিকের বিরুদ্ধে ফেনী মডেল থানায় একটি অপহরণ ও চাঁদাবাজি মামলা রয়েছে। তিনি ওই মামলার একমাত্র আসামি। জামিনের জন্য আদালতে হাজির হয়ে তিনি অনুপস্থিত থাকায় তার বিরুদ্ধে আদালত ওয়ারেন্ট ইস্যু করে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে ফেনীর যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতে হাজির হলে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
দাগনভূঞা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়জুল আজিম নোমান জানান, ফটিকের বিরুদ্ধে অপহরণ ও চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অভিযোগে মোট ১১টি মামলা চলমান রয়েছে।
দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে ২০২৫ সালের মার্চ মাসে কাজী জামশেদুর রহমান ফটিককে ফেনী জেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
৬০ লাখ আফগান শরণার্থী তিন বছরেরও কম সময়ের মধ্যে তাদের নিজ দেশে ফিরে গেছেন। জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর তাদের এক্সে প্রকাশিত পোস্টে এ তথ্য জানিয়েছে, সাম্প্রতিক দশকে অভিবাসনের এই উল্টোমুখী পরিবর্তন একটি নজিরবিহীন ঘটনা হিসাবে চিহ্নিত হয়েছে।
সংস্থাটি উল্লেখ করেছে, বিপুল সংখ্যক মানুষের ফিরে আসা বর্তমান ইতিহাসের প্রেক্ষাপটে একটি ব্যতিক্রমী ঘটনা। তারা জোর দিয়ে বলেছে, প্রত্যাবর্তন যেখানেই ঘটুক না কেন, তা অবশ্যই স্বেচ্ছায়, নিরাপদ এবং মর্যাদাপূর্ণ হতে হবে। ফিরে আসা ব্যক্তিদের মধ্যে অধিকাংশই প্রতিবেশী দেশ ইরান ও পাকিস্তান থেকে ফিরে এসেছেন। আফগান কর্তৃপক্ষ তাদের জন্য আশ্রয়কেন্দ্র, খাদ্যসামগ্রী সরবরাহ, খাদ্য বহির্ভূত ত্রাণ সহায়তা প্রদান এবং পুনর্বাসনের উদ্দেশ্যে ৭০ হাজারেরও বেশি জমির প্লট বরাদ্দ করার মতো পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
তবে, রেকর্ড সংখ্যক চাহিদার তুলনায় এই সহায়তা যথেষ্ট নয়। অনেক প্রত্যাবর্তনকারী কর্মসংস্থানের তীব্র সংকট, ক্রমবর্ধমান দারিদ্র্য এবং প্রতিদিনের অর্থনৈতিক কষ্টের কথা জানিয়েছেন। তারা সমাজে পুনরায় খাপ খাইয়ে নেওয়া সহজ করার জন্য এবং জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে আরও ব্যাপক আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান জানিয়েছেন।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ গত জুন মাসে জানিয়েছিলেন, ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে ইসলামাবাদ ধাপে ধাপে প্রত্যাবাসন কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু করার পর থেকে ২৪ লাখেরও বেশি আফগান নাগরিক নিজ দেশে ফিরে গেছেন। ইউএনএইচসিআর-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের শুরু থেকে ইরান থেকে প্রায় ২১ লাখ আফগান দেশে ফিরেছেন। ১৯৭৯ সালে আফগানিস্তানে সোভিয়েত আগ্রাসন এবং পরবর্তী দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত ও অস্থিতিশীলতার কারণে লাখ লাখ আফগান শরণার্থী পাকিস্তানে আশ্রয় নিয়েছিল।
জাতিসংঘের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, পাকিস্তানে এখনও নিবন্ধিত বা নথিবদ্ধ ৭ লাখ ৭৭ হাজারেরও বেশি আফগান শরণার্থী বসবাস করছেন। অন্যদিকে, সেখানে অনিবন্ধিত বা অবৈধ শরণার্থীর সংখ্যা ১০ লাখেরও বেশি বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা এলাকায় এক শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে মাদরাসার ‘বড় হুজুর’ মাওলানা আবুল কালামকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয়রা। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার চরপাড়া গ্রামের একটি মাদরাসায় এই ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই মাদরাসার এক শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ ওঠে মাওলানা আবুল কালামের বিরুদ্ধে। এই খবর ছড়িয়ে পড়ার পর শিক্ষার্থী ও তার অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়। পরে স্থানীয়রা মাদরাসায় জড়ো হতে শুরু করে।
একপর্যায়ে উত্তেজিত জনতা মাদরাসার ভেতর মাওলানা আবুল কালামকে অবরুদ্ধ করে রাখে এবং তাকে মারধর করা হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অভিযুক্তকে হেফাজতে নেয়।
এ ঘটনার ফলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের মতে, একজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির মতো গুরুতর অভিযোগ ওঠায় বিষয়টি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত হওয়া জরুরি। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
আলমডাঙ্গা থানার ওসি বানী ইসরাইল জানান, সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ওই মাদরাসা শিক্ষককে উদ্ধার করে হেফাজতে নিয়েছে। অভিযোগটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্তের পরই ঘটনার প্রকৃত সত্যতা জানা যাবে এবং এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা জানিয়েছেন, বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ১৮০ দিনের মধ্যে ৫০০টি ভেজালবিরোধী মোবাইল কোর্ট ও অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এসব অভিযানের ফলস্বরূপ ২ কোটি ৪০ লাখ ৪৫ হাজার ১০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য মো. রাশেদুল ইসলাম রাশেদের একটি প্রশ্নের জবাবে তিনি এই তথ্য প্রদান করেন।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার জন্য বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ঝুঁকিভিত্তিক পদ্ধতিতে বিভিন্ন খাদ্যস্থাপনাসমূহ, আড়ত এবং পাইকারি ও খুচরা খাদ্য ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়মিত মনিটরিং করছে। একই সাথে খাদ্য ব্যবসায়ীদের প্রশিক্ষণ, কাউন্সেলিং, সভা, সেমিনার ও কর্মশালার মাধ্যমে সচেতন করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে ১৭ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত ১৮০ দিনের মধ্যে মোট ৭ হাজার ৭৬৬টি খাদ্য স্থাপনা মনিটরিং করা হয়েছে এবং নিরাপদ খাদ্য আইনসহ অন্যান্য আইনের অধীনে ৫০০টি ভেজালবিরোধী মোবাইল কোর্ট ও অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এসব অভিযানে ২ কোটি ৪০ লাখ ৪৫ হাজার ১০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাতের সময় তখন ৭টা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একের পর এক পোস্ট আসতে থাকে—সন্দ্বীপ চ্যানেলের ডুবো চরে ফেরি ‘কপোতক্ষ’ আটকা পড়েছে। ফেরিতে তিন শতাধিক যাত্রী রয়েছেন। তাদের মধ্যে শিশু, নারী, বয়স্ক ব্যক্তি এবং একটি অ্যাম্বুলেন্সে থাকা মুমূর্ষু রোগীও অন্তর্ভুক্ত।
চারপাশে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা ছড়িয়ে পড়ে। জানা যায়, পরবর্তী জোয়ার রাত প্রায় ৩টার দিকে আসবে। এর আগে ফেরিটির ভাসার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। অর্থাৎ যাত্রীদের দীর্ঘ সময় আটকা পড়ে থাকতে হবে।
এদিকে সামনে আসে আরও উদ্বেগের খবর—ফেরির ক্যানটিনে খাবার ও পানির সংকট দেখা দিয়েছে। ফলে যাত্রীরা শুধু ফেরিতে আটকা পড়ার শঙ্কায় নয়, খাবার-পানি ছাড়া দীর্ঘ রাত কাটানোর আতঙ্কে ভুগতে থাকেন।
তবে খবরটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার পর পুরো পরিস্থিতি বদলে যায়।
বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা খাল ও কাদামাটি মাড়িয়ে খাবার ও পানি নিয়ে ছুটে আসেন। সরকারি দল, বিরোধী দলসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের এই মানবিক উদ্যোগ সম্প্রীতি ও মানবতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে ফুটে ওঠে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে সন্দ্বীপের গুপ্তছড়া ফেরিঘাট থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে ফেরি ‘কপোতক্ষ’ যাত্রা শুরু করে। যাত্রার মাত্র পাঁচ মিনিটের মাথায় নাব্যতা সংকটের কারণে ডুবো চরের মুখে ফেরিটি আটকা পড়ে।
সরেজমিনে দেখা যায়, ফেরিতে প্রায় তিন শতাধিক যাত্রী ছিলেন। তাদের মধ্যে শিশু, নারী ও বয়স্ক যাত্রীদের পাশাপাশি একটি অ্যাম্বুলেন্সে থাকা মুমূর্ষু রোগীও ছিলেন।
ফেরি আটকে পড়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে বিপদগ্রস্ত যাত্রীদের পাশে দাঁড়াতে এগিয়ে আসেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ।
স্থানীয় সংসদ সদস্য মোস্তফা কামাল পাশার উদ্যোগে ফেরিতে থাকা যাত্রী ও স্টাফদের জন্য রান্না করা রাতের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়।
এদিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সন্দ্বীপ উপজেলা শাখার পক্ষ থেকেও যাত্রীদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করা হয়। ফেরি আটকে পড়ার প্রায় দুই ঘণ্টার মাথায় দলটির নেতাকর্মীরা শুকনো খাবার ও পানি নিয়ে ফেরিতে পৌঁছে তা যাত্রীদের মধ্যে বিতরণ করেন।
অন্যদিকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতা অধ্যাপক আমজাদ হোসেন পরিচালিত এ.কে. ফাউন্ডেশনও বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ায়। সংগঠনটির পক্ষ থেকে ফেরিতে আটকে থাকা যাত্রীদের মধ্যে খাবার ও পানি বিতরণ করা হয়।
যাত্রীরা খাবারের সংকট নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিলেন, কিন্তু তারা হয়তো কল্পনাও করেননি, মুহূর্তের মধ্যেই দল-মত নির্বিশেষে এতগুলো সংগঠন ও মানুষ তাদের পাশে এসে দাঁড়াবে।
ফেরিতে আটকে পড়া যাত্রী সাকিব বলেন,
“ফেরি আটকে যাওয়ার পর সবচেয়ে বেশি শঙ্কায় ছিলাম খাবার নিয়ে। কারণ ফেরিতে অনেক বৃদ্ধ ও শিশু রয়েছে। খাবার না পেলে তাদের অনেক কষ্ট হতো। তবে আমরা কল্পনাও করিনি, এত দ্রুত এত মানুষ খাবার নিয়ে আমাদের পাশে এসে দাঁড়াবে।”
শুধু খাবারের সংকট নিরসন নয়, যাত্রীদের নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছে দিতেও নেওয়া হয় বিভিন্ন উদ্যোগ।
স্থানীয় সংসদ সদস্য মোস্তফা কামাল পাশা সন্দ্বীপ ও সীতাকুণ্ড—দুই প্রান্তের ঘাটে পুলিশ পেট্রোল টিম মোতায়েনের আশ্বাস দেন। পাশাপাশি ভোররাতে ফেরি থেকে যাত্রীরা নামার পর যাতে নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেন, সে জন্য চট্টগ্রাম প্রান্তে ব্যক্তিগত উদ্যোগে গাড়ির ব্যবস্থাও করেন তিনি।
এদিকে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মিজানুর রহমান ভূইয়া মিল্টনের পক্ষ থেকেও চট্টগ্রাম প্রান্তে নেমে যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছে দিতে দুটি বাসের ব্যবস্থা করা হয়।
ফেরি আটকে যাওয়ার বিষয়ে ফেরির মাস্টার সাইফুল দৈনিক কালবেলাকে বলেন, নাব্যতা সংকটের কারণে বারবার ফেরি আটকে গিয়ে যাত্রীদের দুর্ভোগ বাড়ছে।
তিনি বলেন, “বারবার নাব্যতা সংকটের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো স্থায়ী সমাধান হয়নি।”
সন্দ্বীপ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমজাদ হোসেন দৈনিক কালবেলাকে বলেন, নাব্যতা সংকট এখন চরম আকার ধারণ করেছে। আগে যেখানে প্রতিদিন চার থেকে পাঁচটি ট্রিপ দেওয়া সম্ভব হতো, এখন সেখানে মাত্র একটি ট্রিপ দেওয়া যাচ্ছে।
তিনি বলেন, “বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। এখন দেখি কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়।”
ফেরি আটকে পড়ার এই ঘটনায় একদিকে যেমন সন্দ্বীপ চ্যানেলের ভয়াবহ নাব্যতা সংকট ও দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনার বিষয়টি আবারও সামনে এসেছে, অন্যদিকে বিপদের মুহূর্তে দল-মত ও রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর বিরল দৃশ্যও দেখেছে সন্দ্বীপবাসী।
একটি ফেরি, তিন শতাধিক উদ্বিগ্ন মানুষ আর গভীর রাতের অনিশ্চয়তা—সবকিছুর মাঝেও মানবতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল বিভিন্ন শ্রেণি-পেশা ও রাজনৈতিক সংগঠনের মানুষ।
বিপদের সেই রাতে সন্দ্বীপ আবারও দেখলো মানবিকতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত।
মানবিক সন্দ্বীপ প্রমাণ করলো—বিপদে রাজনীতি নয়, সবার আগে মানুষ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ