ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কিম জং উনের বিলাসী জীবন: প্রাসাদ, দ্বীপ ও শত শত গাড়ির চিত্র


কিম জং উনের বিলাসী জীবন: প্রাসাদ, দ্বীপ ও শত শত গাড়ির চিত্র

কার্ল মার্ক্স যে ‘শ্রমিকের স্বর্গের’ স্বপ্ন দেখেছিলেন, সেখানে ব্যক্তিগত দ্বীপ, একের পর এক প্রাসাদ কিংবা হাজারো নারীর ব্যক্তিগত হারেম—এসব নিশ্চয়ই কল্পনায় ছিল না। কিন্তু উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উনের জীবনযাপন নিয়ে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এমন এক বিলাসবহুল জগতের চিত্র।

অন্যদিকে, উত্তর কোরিয়ার সাধারণ মানুষের একটি বড় অংশ দীর্ঘ সময় ধরে খাদ্যসংকট, দারিদ্র্য ও কঠোর নিয়ন্ত্রণের মধ্যে জীবনযাপন করছে। এই বৈপরীত্যই কিমের জীবনযাপনকে ঘিরে বিশ্ববাসীর আগ্রহের অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

২০১১ সালে উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা হওয়ার পর থেকেই কিমের বিলাসী জীবনযাপন নিয়ে নানা তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। তার সম্পদের পরিমাণ নিয়ে বিভিন্ন অনুমান রয়েছে; কিছু প্রতিবেদনে তা কয়েক বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত বলা হয়েছে। বিলাসবহুল গাড়ি, প্রাসাদ, দামি ঘড়ি, বিদেশি খাবার, মদ, ব্যক্তিগত বিমান ও ইয়ট—এসব কিমের জীবনযাপনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে।

আরও পড়ুন: ‘বর্তমান নিয়ন্ত্রণরেখায় যুদ্ধ স্থগিতে সম্মত ইউক্রেন’

জনসমক্ষে না থাকলে কিমের হাতে রয়েছে একাধিক বিলাসবহুল আবাসন—এমন দাবি বহু বছর ধরে বিভিন্ন প্রতিবেদনে এসেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, উত্তর কোরিয়াজুড়ে কিমের প্রায় ১৭টি প্রাসাদ বা বিলাসবহুল আবাসন রয়েছে। এর মধ্যে ওয়নসানে একটি প্রাসাদের নিজস্ব প্রায় ৫০০ মিটার দীর্ঘ রানওয়ে রয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।

তার প্রধান আবাসনগুলোর একটি রাজধানী পিয়ংইয়ংয়ের ‘সেন্ট্রাল লাক্সারি ম্যানশন’। এটিকে অত্যন্ত কঠোর নিরাপত্তাবেষ্টিত বলে বর্ণনা করা হয়। সেখানে একাধিক সামরিক ইউনিট, বৈদ্যুতিক বেড়া ও মাইনফিল্ড থাকার দাবি রয়েছে। এমনকি প্রাসাদের নিচে একটি নিজস্ব রেলস্টেশন এবং অন্যান্য সম্পত্তির সঙ্গে সংযোগকারী টানেল থাকার কথাও বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

তবে বিশাল প্রাসাদই কিমের বিলাসিতার শেষ নয়। অবসর কাটানোর জন্য তার একটি ব্যক্তিগত দ্বীপ রয়েছে বলেও দাবি করা হয়।

আরও পড়ুন: নেতানিয়াহুর তুরস্কের বিরুদ্ধে সামরিক সংঘাতের সম্ভাবনার ইঙ্গিত

কিমের ‘নিজস্ব ইবিজা’

কিমের সঙ্গে ‘অদ্ভুত’ বন্ধুত্বের কারণে পরিচিত সাবেক এনবিএ তারকা ডেনিস রডম্যান ২০১৩ সালে ওই দ্বীপে সময় কাটানোর অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছিলেন।

রডম্যানের বর্ণনা অনুযায়ী, দ্বীপটি অনেকটা হাওয়াই বা ইবিজার মতো। সেখানে কিমের আশপাশে সবসময় ৫০ থেকে ৬০ জন মানুষ থাকেন, যারা সময় কাটান, পানীয় পান করেন এবং আনন্দ করেন।

রডম্যান দ্বীপটির পরিবেশকে অত্যন্ত বিলাসবহুল হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সেখানে পানীয় থেকে শুরু করে অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিস—সবকিছুই ছিল উন্নতমানের।

আরও পড়ুন: ট্রাম্প-রুবিওর নীরবতা ইসরাইলকে বেপরোয়া করছে: মার্কিন সিনেটর ক্রিস ভ্যান হোলেন

সাঁজোয়া বিমান, ট্রেন আর বিলাসবহুল গাড়ি

কিমের ভ্রমণব্যবস্থাও সাধারণ কোনো রাষ্ট্রপ্রধানের মতো নয়। তার রয়েছে বিলাসবহুল বিমান, সাঁজোয়া গাড়ি এবং বিশেষভাবে সুরক্ষিত ট্রেন।

রডম্যান কিমের ব্যক্তিগত ইয়টও দেখেছিলেন বলে দাবি করা হয়। প্রায় ৯৫ ফুট দীর্ঘ এই ইয়টকে তিনি ফেরি ও ডিজনি ক্রুজের মাঝামাঝি ধরনের বলে বর্ণনা করেছিলেন। এটি ব্রিটিশ নকশার প্রিন্সেস ৯৫ এমওয়াই ইয়ট বলে ধারণা করা হয়, যার দাম প্রায় ৭ মিলিয়ন ডলার বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে শোবার কক্ষ, প্রশস্ত ডেক এবং প্রায় ১০ জনের জন্য খাবারের ব্যবস্থা রয়েছে।

বিমানে ভ্রমণের সময় কিম ব্যবহার করেন এয়ার ফোর্স ইউএন নামে পরিচিত একটি বিলাসবহুল রুশ আইএল-৬২ বিমান। এটির মূল্য কয়েক মিলিয়ন ডলার বলে ধারণা করা হয়। এমনকি কিম নিজেই মাঝে মাঝে বিমানের নিয়ন্ত্রণ হাতে নেন—এমন কথাও বিভিন্ন প্রতিবেদনে এসেছে। তবে তার কোনো পাইলট লাইসেন্স রয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়।

আরও পড়ুন: রাজা চার্লস উইন্ডসর ক্যাসেলে মহানবী (সা.)-এর বাণী উদ্ধৃত করলেন

সুরক্ষিত ট্রেনেও বিলাসিতা

উত্তর কোরিয়ার নেতাদের মধ্যে সাঁজোয়া ট্রেনে ভ্রমণের প্রচলন ছিল। কিমের বাবা কিম জং ইলও বিলাসবহুল ট্রেনে ভ্রমণ করতেন এবং ২০১১ সালে ওই ট্রেনেই তার মৃত্যু হয় বলে সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছিল।

তার ট্রেনে প্রায় ৯০টি বগি ছিল বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে শোবার কক্ষ, বৈঠকের কক্ষ এবং বিদেশি বিলাসবহুল আসবাব ছিল।

কিম জং উনের ট্রেনেও একই ধরনের বিলাসবহুল ব্যবস্থা রয়েছে বলে জানা যায়। এমনকি তার প্রায় ১০ লাখ ডলার মূল্যের মার্সিডিজ-মেবাখ পুলম্যান গার্ড সাঁজোয়া গাড়িও ট্রেনে বহন করা হয় বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: কিং ফাহদ বিমানবন্দরে হামলা, নিহত ১, আহত ৮

এটি কিমের বিশাল গাড়িবহরের মাত্র একটি অংশ। তার সংগ্রহে মূলত ইউরোপীয় ব্র্যান্ডের শতাধিক বিলাসবহুল গাড়ি রয়েছে বলেও বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

‘প্লেজার স্কোয়াড’ নিয়ে বিতর্কিত দাবি

কিমের ট্রেনের কর্মীদের মধ্যে নারী কর্মী থাকার কথাও বিভিন্ন প্রতিবেদনে এসেছে। তাদের কেউ কেউ তথাকথিত ‘প্লেজার স্কোয়াড’ বা ‘গিপুমজো’-এর সদস্য—এমন দাবি করা হয়েছে।

কিছু প্রতিবেদনে এই গোষ্ঠীতে প্রায় ২ হাজার নারী থাকার কথা বলা হয় এবং তাদের যৌনসহ বিভিন্ন ধরনের বিনোদন দেওয়ার জন্য বাছাই করা হয় বলে দাবি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: মাদার অব অল বম্বসের জবাবে ফাদার অব অল বম্বস আনছে ইরান

তবে এই দাবিগুলোর অনেকটাই উত্তর কোরিয়ার বাইরে থাকা সূত্র ও সাবেক উত্তর কোরীয় নাগরিকদের বক্তব্যের ওপর নির্ভরশীল। ফলে এসব তথ্যের সবকিছু স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

দামি ঘড়ি, বিদেশি মদ আর বিলাসী খাবার

কিমের বিলাসিতার তালিকায় রয়েছে দামি ঘড়িও। তার ঘড়ির সংগ্রহের মূল্য ৮ মিলিয়ন ডলারের বেশি হতে পারে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে অনুমান করা হয়েছে।

২০১৯ সালে একটি পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার সময় কিমকে প্রায় ১০ হাজার পাউন্ড মূল্যের আইডব্লিউসি পোর্তোফিনো অটোমেটিক সুইস ঘড়ি পরা অবস্থায় দেখা যায় বলে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল।

খাবারের ক্ষেত্রেও কিমের পছন্দ বেশ বিলাসবহুল বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। ফোয়া গ্রা, লবস্টার ও ক্যাভিয়ার তার পছন্দের খাবারের তালিকায় রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।

বিদেশ সফরে গেলেও তার নিজস্ব শেফদের একটি দল সঙ্গে থাকে বলে এসব প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। তার খাবার পরিবেশনের আগে শেফরা দীর্ঘ সময় ধরে তা পরীক্ষা করেন, যাতে খাবারে বিষ মেশানো হয়েছে কি না তা নিশ্চিত হওয়া যায়।

পানীয়ের ক্ষেত্রেও কিমের পছন্দ বিলাসবহুল। প্রতি বছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে হাজার হাজার বোতল হুইস্কি আমদানি করা হয় বলে দাবি করা হয়েছে। এমনকি দামি পানীয়ের পেছনে বছরে প্রায় ২১ মিলিয়ন পাউন্ড পর্যন্ত ব্যয় হয় বলেও কিছু প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে হেনেসি-র মতো ব্র্যান্ডও রয়েছে, যার একটি বোতলের দাম প্রায় ১,৫০০ পাউন্ড পর্যন্ত হয়ে থাকে।

সিগারেটের ক্ষেত্রেও কিমের পছন্দ সাধারণ নয়। তিনি ইভ সাঁ লোরাঁ-এর মতো ফরাসি বিলাসবহুল ব্র্যান্ডের সিগারেট পান করেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। এক প্যাকেটের দাম প্রায় ৩১ পাউন্ড বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

অন্তর্বাসেও কোটি টাকার খরচ?

কিমের বিলাসী জীবনযাপন নিয়ে সবচেয়ে চমকপ্রদ দাবিগুলোর একটি হলো তার ব্যক্তিগত নারীসঙ্গীদের জন্য ব্যয়।

কিছু প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৬ সালেই প্রায় ২.৭ মিলিয়ন পাউন্ড ব্যয়ে চীন থেকে বিলাসবহুল অন্তর্বাস—যার মধ্যে করসেট ও সাসপেন্ডারও ছিল—আমদানি করা হয়েছিল।

আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার কারণে উত্তর কোরিয়ার বিলাসপণ্য আমদানি সীমিত থাকার কথা। তারপরও ২০১৭ সালে বাদ্যযন্ত্র, মদ ও এমনকি একটি সি-প্লেনসহ বিভিন্ন নিষিদ্ধ বা বিলাসবহুল পণ্য আমদানিতে কিমের সরকার প্রায় ৪৯৩ মিলিয়ন পাউন্ড ব্যয় করেছে বলে কিছু প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল।

বাস্কেটবল থেকে ঘোড়দৌড়

কিমের ব্যক্তিগত আগ্রহের তালিকায় বাস্কেটবলও রয়েছে। সুইজারল্যান্ডে স্কুলজীবনে থাকার সময় তার ঘরের দেয়ালে মাইকেল জর্ডান ও শিকাগো বুলস-এর পোস্টার ছিল বলে জানা যায়।

২০১৩ সালে বিখ্যাত হার্লেম গ্লোবট্রটার্স দলের তিন সদস্য উত্তর কোরিয়ায় গিয়ে একটি প্রদর্শনী ম্যাচ খেলেছিলেন। সেই সফরেই ডেনিস রডম্যানের সঙ্গে কিমের ঘনিষ্ঠতা আরও আলোচনায় আসে।

বাস্কেটবলের পাশাপাশি কিমের ঘোড়ার প্রতিও আগ্রহ রয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

রুশ কাস্টমসের তথ্য উদ্ধৃত করে কিছু প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১০ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে ১৩৮টি খাঁটি জাতের ঘোড়া কিনতে অন্তত ৫৮৪,৩০২ ডলার খরচ করা হয়েছিল।

উত্তর কোরিয়ার সরকারি প্রচারচিত্রেও কিমকে প্রায়ই তুষারে ঢাকা পাহাড়ে সাদা ঘোড়ায় চড়ে থাকতে দেখা যায়। এসব ছবি তার নেতৃত্বের শক্তি ও আত্মবিশ্বাসের প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হয় বলে বিশ্লেষণে উঠে এসেছে।

পাহাড়ে বিলাসবহুল স্কি রিসোর্ট

কিমের বিলাসী জীবনযাপন শুধু ব্যক্তিগত সম্পদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। উত্তর কোরিয়ার পাহাড়ি এলাকায় বিলাসবহুল স্কি রিসোর্ট গড়ে তোলার উদ্যোগও নিয়েছেন তিনি।

এর মধ্যে অন্যতম মাসিকরিয়ং স্কি রিসোর্ট। ২০১৩ সালে চালু হওয়া এই রিসোর্ট নির্মাণে প্রায় ২১ মিলিয়ন পাউন্ড ব্যয় হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এক বছরেরও কম সময়ে এর নির্মাণকাজ শেষ করা হয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছিল।

রিসোর্টটিতে অস্ট্রিয়া থেকে কেনা প্রায় ৩০ বছরের পুরোনো একটি স্কি লিফট ব্যবহার করা হয়, যা চীনের মাধ্যমে উত্তর কোরিয়ায় সরবরাহ করা হয়েছিল।

তবে এই রিসোর্টকে ঘিরেও বিতর্ক রয়েছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছিল, এটি নির্মাণ ও পরিচালনার কাজে ১১ বছর বয়সি শিশুসহ অপ্রাপ্তবয়স্কদের ব্যবহার করা হয়েছে।

একদিকে বিলাসিতা, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের সংকট

কিম জং উনের জীবনযাপন নিয়ে প্রকাশিত এসব তথ্যের সবচেয়ে বড় বৈপরীত্য দেখা যায় উত্তর কোরিয়ার সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার সঙ্গে।

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদন ও সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, দেশটির সাধারণ মানুষ দীর্ঘদিন ধরে খাদ্যসংকট, দারিদ্র্য এবং অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার প্রভাবের মুখোমুখি। একই সময়ে দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে যুক্ত বিলাসবহুল গাড়ি, প্রাসাদ, বিদেশি খাবার, দামি মদ, ঘড়ি ও বিনোদনকেন্দ্রের খবর আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে উঠে এসেছে।

তবে কিমের ব্যক্তিগত সম্পদ, প্রাসাদের সংখ্যা কিংবা ব্যক্তিগত জীবনের নানা চমকপ্রদ দাবির ক্ষেত্রে একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি—উত্তর কোরিয়া অত্যন্ত গোপনীয় রাষ্ট্র হওয়ায় এসব তথ্যের সবগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব নয়। ফলে কিমের জীবনযাপন নিয়ে প্রকাশিত তথ্যের কিছু অংশ প্রত্যক্ষ প্রমাণের বদলে গোয়েন্দা মূল্যায়ন, সাবেক উত্তর কোরীয় নাগরিকদের বক্তব্য, স্যাটেলাইট ছবি এবং আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনের ওপর নির্ভরশীল।

তারপরও যেসব তথ্য ও ছবি প্রকাশ্যে এসেছে, তাতে স্পষ্ট যে উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতৃত্বের জীবনযাত্রা দেশটির সাধারণ মানুষের বাস্তবতার তুলনায় সম্পূর্ণ ভিন্ন এক জগতের ছবি তুলে ধরে।

তথ্যসূত্র: দ্য সান 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অন্তঃসত্ত্বা বোনের খুনিকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, ভাইয়ের স্বীকারোক্তির ভিডিও ভাইরাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:৩১ পি.এম


অন্তঃসত্ত্বা বোনের খুনিকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, ভাইয়ের স্বীকারোক্তির ভিডিও ভাইরাল

ভারতের তেলেঙ্গানার নিজামাবাদে চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত এক ব্যক্তিকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় এই ঘটনা ঘটে। পুলিশ ধারণা করছে, বোন হত্যার প্রতিশোধ নিতে তার ভাই এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বিকাল ৫টার দিকে চিত্তারি হরিবাবু নামক ওই ব্যক্তি রাস্তার পাশের একটি খাবারের দোকানের কাছে অবস্থান করছিলেন। এ সময় তিন থেকে চারজন একটি গাড়িতে এসে সেখানে উপস্থিত হয়। তাদের মধ্যে একজন গাড়ি থেকে নেমে হরিবাবুকে অনুসরণ করে এবং নারকেল কাটার ছুরি দিয়ে তার মাথা ও ঘাড়ে আঘাত করে।

গুরুতর আহত অবস্থায় ঘটনাস্থলেই মারা যান ২৬ বছর বয়সী হরিবাবু। পরে তার মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নিজামাবাদের সরকারি জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।

হরিবাবুর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল যে, তিনি তার স্ত্রী এবং ইউটিউবার গান্ধাম বৈষ্ণবীকে হত্যা করেছেন। চলতি বছরের ১৭ মার্চ জাগতিয়াল জেলায় নিজ বাড়িতে বৈষ্ণবীকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। ওই সময় তিনি চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন।

বৈষ্ণবীর পরিবারের অভিযোগ ছিল যে, অতিরিক্ত যৌতুকের দাবিতে তাকে নির্যাতন করা হতো। এই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ হরিবাবুর বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করে। পরে তাকে গ্রেফতার করা হলেও চলতি বছরের জুলাই মাসে জামিনে মুক্তি পান তিনি।

পুলিশের ধারণা, বৈষ্ণবীর ভাই সন্তোষই হরিবাবুকে হত্যার পেছনে ছিলেন। সন্তোষের একটি সেলফি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে তিনি এই হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছেন। তবে ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করছে পুলিশ।

ভিডিওতে সন্তোষকে বলতে শোনা যায়, “যে ব্যক্তি আমার বোনকে হত্যা করেছে, আমি তাকে হত্যা করেছি।” তিনি আরও দাবি করেন, তিনি সরকারের কাছ থেকে ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় ছিলেন। কিন্তু তার মতে, এ ঘটনায় কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

সন্তোষের দাবি, অন্য একটি কাজে যাওয়ার সময় নিজামাবাদে হরিবাবুর সঙ্গে তার দেখা হয়। তাকে চিনতে পেরে তিনি হামলা চালান। নিজের নিরাপত্তার জন্য তিনি অস্ত্র বহন করতেন বলেও ভিডিওতে দাবি করেন।

ভিডিওতে সন্তোষ পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করার কথাও জানান। পাশাপাশি মৃত্যুদণ্ড এড়াতে তাকে সহযোগিতা করার জন্য সবার কাছে আবেদন করেন। তিনি বলেন, তার স্ত্রী ও সন্তান রয়েছে এবং তাকে নিরাপদে বেরিয়ে আসতে সহযোগিতা করা হোক।

তবে ভিডিওতে সন্তোষের করা এসব দাবি এখনো পুলিশি তদন্তে নিশ্চিত হয়নি।

বৈষ্ণবী হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এর আগে তেলেঙ্গানায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছিল। এবার সেই মামলার আসামি হরিবাবু প্রকাশ্যে হত্যার শিকার হওয়ায় ঘটনাটি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

এদিকে প্রকাশ্যে হরিবাবুকে হত্যার ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। হামলায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান চালানো হচ্ছে।

সূত্র: এনডিটিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মার্কিন শুল্কের কারণে কানাডায় ৯০ হাজার চাকরি হারানোর শঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:৩২ পি.এম


মার্কিন শুল্কের কারণে কানাডায় ৯০ হাজার চাকরি হারানোর শঙ্কা

কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান বাণিজ্য উত্তেজনার প্রভাব শ্রমবাজারে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। অর্থনীতিবিদদের সতর্কবার্তা অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ৫০ শতাংশ শুল্কের কারণে কানাডায় প্রায় ৯০ হাজার চাকরি ঝুঁকির সম্মুখীন হতে পারে।

ক্যালগেরি বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতিবিদ ট্রেভর গ্লোবাল নিউজকে জানিয়েছেন, এই শুল্কের কার্যকারিতা কতদিন থাকবে, তার ওপর চাকরি ক্ষতির পরিমাণ অনেকাংশেই নির্ভর করছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, সম্ভাব্য চাকরি হারানোর প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ প্রভাব পড়বে সরাসরি শুল্কের আওতায় থাকা পণ্য রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোতে। বাকি এক-তৃতীয়াংশ ক্ষতি হবে এসব প্রতিষ্ঠানের সরবরাহকারী ও সংশ্লিষ্ট খাতগুলোতে।

এদিকে, শ্রমিক সংগঠন ইউনাইটেড স্টিলওয়ার্কার্স (ইউএসডব্লিউ) দুই দেশের মধ্যে দ্রুত বাণিজ্য আলোচনা পুনরায় শুরু করার আহ্বান জানিয়েছে। সংগঠনটির নেতারা মন্তব্য করেছেন, চলমান বাণিজ্য বিরোধ কর্মসংস্থান, শিল্পপ্রতিষ্ঠান এবং স্থানীয় কমিউনিগুলোর জন্য বাড়তি অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করছে।

গত ২২ আগস্ট, কানাডার ২৭ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার মূল্যের পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। এর পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে, কানাডা ৮ সেপ্টেম্বর থেকে নির্দিষ্ট কিছু মার্কিন পণ্যের ওপর ১৫, ২৫ ও ৫০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক কার্যকর করেছে।

শ্রমিক সংগঠনগুলোর মতে, কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি দীর্ঘদিন ধরে ঘনিষ্ঠভাবে পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। ফলে, বাণিজ্য সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে এর নেতিবাচক প্রভাব শ্রমিক, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও সাধারণ পরিবারগুলোর ওপর আরও বাড়তে পারে। তাই, পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে দ্রুত আলোচনার মাধ্যমে বাণিজ্যিক অনিশ্চয়তা দূর করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে ইউএসডব্লিউ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কমলনগরে ইসলামী আন্দোলনের নতুন কমিটি গঠন, সভাপতি মোসলেহ উদ্দিন, সেক্রেটারি মেরাজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

‎শোরাফ উদ্দিন, লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধি

শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:৩৯ পি.এম


কমলনগরে ইসলামী আন্দোলনের নতুন কমিটি গঠন, সভাপতি মোসলেহ উদ্দিন, সেক্রেটারি মেরাজ

‎লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ২০২৭-২৮ ইং সেশনের কমিটি গঠন করা হয়েছে।আজ শুক্রবার সকালে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কমলনগর উপজেলা শাখার শুরার অধিবেশন শেষে এই কমিটি গঠন করা হয়।এতে সভাপতি পদে মাষ্টার মোসলেহ উদ্দিন ,সিনিয়র সহ সভাপতি মাওলানা আব্দুর রহমান, সেক্রেটারি মাওলানা সিরাজুল ইসলাম মেরাজ এর নাম ঘোষণা করা হয়।বাকী পদ গুলো দলটির পরবর্তী বৈঠকে বন্টন করা হবে বলে দলীয় সুত্র নিশ্চিত করেন।শুরার অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ লক্ষ্মীপুর জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন ।প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন,ইসলামী
‎আন্দোলন বাংলাদেশ এদেশের বিশাল জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্বকারী সর্ববৃহৎ একটি ইসলামীক রাজনৈতিক দল।এদেশের মাটি-মানুষ ও মানবতার পক্ষের একটি রাজনৈতিক সংগঠন।
‎দেশের স্বাধীনতা-স্বার্বভৌমত্ত রক্ষায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর হযরত পীর সাহেব চরমোনাইর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছে দলটি। এদেশের মাটি ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ইসলামী আন্দোলনের এই নতুন নেতৃত্বকে আরো সাহসীকতার সাথে আগামী দিনের সকল আন্দোলন সংগ্রামে প্রথম কাতার থেকে নেতৃত্ব দিয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সহযোগী সংগঠন গুলো ঢেলে সাজাতে কাজ করতে হবে।শুরার অধিবেশনে দলটির উপজেলা ইউনিয়ন ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইউক্রেন যুদ্ধ শেষের আগেই রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তির পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:৪২ পি.এম


ইউক্রেন যুদ্ধ শেষের আগেই রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তির পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ হওয়ার পূর্বেই রাশিয়ার সঙ্গে ব্যবসায়িক ও অর্থনৈতিক চুক্তিতে যাওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে চিন্তা করছে। দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মস্কোর সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনের আলোচনার অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হতে পারে।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত প্রতিবেদনে আলোচনা সংশ্লিষ্ট দুটি সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, ইউক্রেন যুদ্ধের পূর্ণাঙ্গ সমাপ্তির আগে রাশিয়ার সঙ্গে কিছু চুক্তিতে পৌঁছানোর সম্ভাবনা বর্তমানে ওয়াশিংটনের বিবেচনায় রয়েছে। মার্কিন প্রশাসনের এক কর্মকর্তা মনে করেন, এ ধরনের চুক্তি রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনে যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহকে মস্কোর কাছে স্পষ্ট করে তুলতে পারে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই উদ্যোগ ট্রাম্পের পূর্ববর্তী অবস্থানের থেকে কিছুটা ভিন্ন। পূর্বে তিনি যুদ্ধের সমাধান না হওয়া পর্যন্ত রাশিয়ার সঙ্গে অর্থনৈতিক চুক্তি না করার কথা বলেছিলেন। নতুন অবস্থানে যুদ্ধ চলাকালীন সীমিত অর্থনৈতিক সহযোগিতার সম্ভাবনা বিবেচনা করা হচ্ছে।

নিউইয়র্ক টাইমসের সূত্রগুলো জানাচ্ছে, ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং প্রেসিডেন্টের জামাতা জ্যারেড কুশনার রাশিয়াকে যুদ্ধ বন্ধে আগ্রহী করে তুলতে নতুন উপায় খুঁজছেন। সম্ভাব্য অর্থনৈতিক চুক্তিকে সেই আলোচনার একটি প্রণোদনা হিসেবে দেখা হতে পারে।

তবে, কী ধরনের চুক্তি হতে পারে সে বিষয়ে এখনো নির্দিষ্ট তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। বিভিন্ন প্রতিবেদনে জ্বালানি, বিনিয়োগ ও অন্যান্য অর্থনৈতিক খাতে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করা হলেও, এসব বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সমঝোতা হয়েছে বলে জানা যায়নি।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা এর আগে বিভিন্ন পর্যায়ে হয়েছে। চলতি মাসের শুরুতে উইটকফ ও কুশনার মস্কো সফর করে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করেন। রুশ পক্ষ ওই আলোচনা গঠনমূলক ও গুরুত্বপূর্ণ বলে বর্ণনা করলেও যুদ্ধ বন্ধে কোনো চূড়ান্ত সমঝোতার ঘোষণা আসেনি।

এদিকে, রাশিয়ার ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানোর বিষয়টিও যুক্তরাষ্ট্রে আলোচনায় রয়েছে। ফলে মস্কোর সঙ্গে সম্ভাব্য অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং নিষেধাজ্ঞার চাপ—দুই ধরনের পদক্ষেপ একই সময়ে বিবেচনা করা হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। তথ্যসূত্র: তাস, দ্য নিউইয়র্ক টাইমস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%