ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আর্জেন্টিনার জার্সি পরা রোগীকে অর্ধেক ফিতে চিকিৎসা দেওয়ার ঘোষণা


আর্জেন্টিনার জার্সি পরা রোগীকে অর্ধেক ফিতে চিকিৎসা দেওয়ার ঘোষণা

বিশ্বজুড়ে শুরু হয়ে গেছে ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনা। পুরো বিশ্বের মতো এ উন্মাদনার আঁচ লেগেছে বাংলাদেশেও। কেউ পড়ছেন নিজ পছন্দের দলের জার্সি, আবার কেউ টানাচ্ছেন পছন্দের দলের জাতীয় পতাকা।

এরই মাঝে একটি ব্যতিক্রমী ঘোষণা দিয়ে আলোচনায় এসেছেন পটুয়াখালীর চিকিৎসক ডা. মো. হাবিবুর রহমান। আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দলের প্রতি নিজের ভালোবাসার প্রকাশ হিসেবে তিনি ঘোষণা করেছেন, বিশ্বকাপ চলাকালীন যখন রোগীরা তার চেম্বারে আর্জেন্টিনার জার্সি পরে আসবেন, তখন তাদের জন্য অর্ধেক ফিতে চিকিৎসা সেবা প্রদান করবেন।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেলে, তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টের মাধ্যমে এই ঘোষণা দেন।

আরও পড়ুন: নওগাঁয়ে ঘরে মাটির নিচে ২৪৫ কেজির কষ্টিপাথরের শিবলিঙ্গ উদ্ধার, আটক ১

পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, বিশ্বকাপজুড়ে পটুয়াখালী শহরের কাজীপাড়ায় অবস্থিত গ্রিনভিউ হাসপাতালে তার চেম্বারে আর্জেন্টিনার জার্সি পরে আসা রোগীদের জন্য বিশেষ ছাড় রাখা হবে।

ডা. মো. হাবিবুর রহমান বর্তমানে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এনেস্থেশিয়া বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। পাশাপাশি তিনি ব্যথা ব্যবস্থাপনা বিষয়েও চিকিৎসাসেবা প্রদান করে আসছেন।

ঘোষণা অনুযায়ী, তার নিয়মিত ভিজিট ফি ৬০০ টাকা হলেও আর্জেন্টিনার জার্সি পরে আসা রোগীদের কাছ থেকে নেওয়া হবে ৩০০ টাকা।

এই বিষয়ে ডা. মো. হাবিবুর রহমান বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে আর্জেন্টিনা দলের ভক্ত। বিশ্বকাপ এলেই খেলা দেখার আনন্দটা অন্যরকম হয়ে ওঠে। সেই আনন্দকে আরও একটু ভিন্নভাবে উদযাপন করার উদ্দেশ্যেই এই উদ্যোগ নিয়েছেন। এটি সম্পূর্ণরূপে খেলাধুলার প্রতি ভালোবাসা ও আনন্দ ভাগাভাগির একটি প্রচেষ্টা।

আরও পড়ুন: দিনাজপুর বোর্ডের ১ কোটি ২৬ লাখ টাকার দুর্নীতির তদন্তের নির্দেশ

তিনি আরও বলেন, ‘এটি আর্জেন্টিনা সমর্থকদের জন্য আমার পক্ষ থেকে একটি শুভেচ্ছা। এতে চিকিৎসাসেবার কোনো ব্যত্যয় ঘটবে না। বরং ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে আনন্দ ও উৎসবের আবহ আরও ছড়িয়ে পড়বে বলে আশা করছি।’

ফেসবুকে ঘোষণাটি প্রকাশিত হওয়ার পর পরই ব্যাপক সাড়া পড়েছে। অনেকেই বিষয়টিকে বিশ্বকাপ উন্মাদনার মজার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখছেন। আবার কেউ কেউ চিকিৎসাসেবার সঙ্গে ফুটবলপ্রেমকে যুক্ত করায় এই উদ্যোগকে ব্যতিক্রমী ও অভিনব বলে মন্তব্য করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভ্যাট রিটার্নে আসছে বড় পরিবর্তন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:০০ পি.এম


ভ্যাট রিটার্নে আসছে বড় পরিবর্তন

এবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) দেশের মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) ব্যবস্থায় বড় ধরনের সংস্কারের পথে হাঁটছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের আসন্ন বাজেটে ভ্যাট নিবন্ধিত (বিআইএনধারী) প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য মাসিক ভিত্তিতে ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা শিথিল করে ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে, অর্থাৎ প্রতি তিন মাস পরপর রিটার্ন জমা দেওয়ার সুযোগ রাখা হচ্ছে। ভ্যাট প্রশাসনকে আরও সহজ, স্বচ্ছ এবং ব্যবসাবান্ধব করতে রিটার্ন দাখিল এবং অডিট কার্যক্রমকে সম্পূর্ণ ডিজিটাল ও স্বয়ংক্রিয় (অটোমেটেড) করারও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, এ ধরনের সংস্কার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর প্রশাসনিক ব্যয় ও সময় কমানোর পাশাপাশি কর ব্যবস্থাপনার দক্ষতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, নতুন ব্যবস্থার আওতায় বছরে ১২ বার রিটার্ন দাখিলের পরিবর্তে মাত্র ৪ বার, অর্থাৎ প্রতি তিন মাসে একবার রিটার্ন জমা দিতে হবে। এতে বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের প্রশাসনিক ব্যয় ও সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। একইসঙ্গে, ভ্যাট ব্যবস্থার আওতা সম্প্রসারণ করে আরও বেশি প্রতিষ্ঠানকে কর নেটওয়ার্কের অন্তর্ভুক্ত করাও সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। এর মাধ্যমে রাজস্ব আদায় প্রক্রিয়া আরও বিস্তৃত ও কার্যকর করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এনবিআরের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, বর্তমান মাসিক রিটার্ন ব্যবস্থা অনেক ছোট এবং মাঝারি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি বড় চাপ। নিয়মিত হিসাব সংরক্ষণ, রিটার্ন প্রস্তুত এবং নির্ধারিত সময়ে জমা দেওয়ার কারণে অনেক উদ্যোক্তা ভ্যাট ব্যবস্থাকে জটিল মনে করেন। তিনি জানান, আমরা এমন একটি ব্যবস্থা চালু করতে চাই, যাতে ব্যবসায়ীরা সহজে ভ্যাট কাঠামোর মধ্যে থাকতে পারেন এবং স্বেচ্ছায় নিবন্ধিত হতে আগ্রহী হন। তিনি জানান, বর্তমানে প্রতি মাসের কার্যক্রমের হিসাব পরবর্তী মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে জমা দিতে হয়। নতুন প্রস্তাব কার্যকর হলে, তিন মাসের তথ্য একসঙ্গে করে ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে রিটার্ন দাখিল করা যাবে। ফলে ব্যবসা পরিচালনায় সময় ও খরচ দুটোই কমবে। এনবিআর মনে করছে, রিটার্ন দাখিলের প্রক্রিয়া যদি সহজ করা যায় তাহলে করদাতার সংখ্যা বাড়বে এবং স্বেচ্ছা প্রতিপালন (ভলান্টারি কমপ্লায়েন্স) আরও উন্নত হবে। একইসঙ্গে বর্তমানে ভ্যাট ব্যবস্থার বাইরে থাকা অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানও নিবন্ধনের আওতায় আসতে উৎসাহিত হবে। নতুন ব্যবস্থার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো ভ্যাট প্রশাসনের পূর্ণাঙ্গ ডিজিটালাইজেশন। এনবিআর সূত্র জানায়, ভবিষ্যতে ভ্যাট রিটার্ন দাখিল সম্পূর্ণ অনলাইন এবং স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে সম্পন্ন হবে। এতে ব্যবসায়ীদের আলাদা করে কাগজপত্র জমা দেওয়ার প্রয়োজন পড়বে না। বিশেষ করে যেসব প্রতিষ্ঠান ইআরপি (এন্টারপ্রাইজ রিসোর্স প্ল্যানিং) সফটওয়্যারের মাধ্যমে তাদের ক্রয়-বিক্রয়, স্টক এবং হিসাব সংরক্ষণ করবে, তারা অডিটের ক্ষেত্রেও বিশেষ সুবিধা পাবে। ভ্যাট কর্মকর্তারা সরাসরি ডিজিটাল তথ্য বিশ্লেষণ করে অডিট সম্পন্ন করতে পারবেন। ফলে আগের মতো বিপুল পরিমাণ নথিপত্র জমা দেওয়া এবং দীর্ঘ ম্যানুয়াল অডিট প্রক্রিয়ার প্রয়োজন কমে যাবে। রাজস্ব প্রশাসনের কর্মকর্তারা বলছেন, প্রযুক্তিনির্ভর এই ব্যবস্থা একদিকে যেমন ব্যবসার খরচ কমাবে, অন্যদিকে কর ফাঁকি শনাক্ত এবং রাজস্ব আদায়ের সক্ষমতাও বাড়াবে। এদিকে, এনবিআরের সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে প্রায় ৭ লাখ ৭৫ হাজার ভ্যাট নিবন্ধিত (বিআইএনধারী) প্রতিষ্ঠান রয়েছে। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে পরিচালিত বিশেষ ভ্যাট নিবন্ধন অভিযানে ১ লাখ ৩১ হাজার নতুন প্রতিষ্ঠান নিবন্ধিত হওয়ায় এই সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর আগে নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল প্রায় ৬ লাখ ৪৪ হাজার। রাজস্ব বোর্ড আগামী অর্থবছরগুলোতে ভ্যাট নিবন্ধনের সংখ্যা ২০ লাখে উন্নীত করার উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। এজন্য করদাতা-বান্ধব এবং সহজতর ভ্যাট ব্যবস্থাপনা চালুর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। কর বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রস্তাবিত ত্রৈমাসিক রিটার্ন ব্যবস্থা বাস্তবায়িত হলে ব্যবসা সহজীকরণে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হবে। একই সঙ্গে ডিজিটাল অডিট এবং স্বয়ংক্রিয় রিটার্ন ব্যবস্থার মাধ্যমে ভ্যাট প্রশাসনে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং রাজস্ব আহরণ—তিন ক্ষেত্রেই ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঈদ শেষে বাজারে অস্বস্তি ছড়াচ্ছে সবজির দাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:০১ পি.এম


ঈদ শেষে বাজারে অস্বস্তি ছড়াচ্ছে সবজির দাম

ঈদুল আজহার ছুটির পর রাজধানীর বাজারগুলোতে ক্রেতা ও বিক্রেতার উপস্থিতি বেশ কমে গেছে, তবে সবজির দামের ওপর এর কোনো ইতিবাচক প্রভাব পড়েনি। ঈদ শেষ হওয়ার পরেও বাজারে সবজির দাম অত্যন্ত চড়া থাকার ফলে সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে একধরনের অস্বস্তির সৃষ্টি হয়েছে। মূলত সরবরাহের অভাবের কারণেই বেশির ভাগ সবজি গত সপ্তাহের মতোই উচ্চ মূল্যে বিক্রি হচ্ছে।

আজ শুক্রবার (৫ জুন) রাজধানীর শেওড়াপাড়া, তালতলা ও আগারগাঁওয়ের বিভিন্ন বাজার পরিদর্শন করে দেখা গেছে যে, ঈদের যেকারণে অনেক পাইকারি আড়ত ও খুচরা দোকান এখনও পুরোপুরি খোলা হয়নি। এর ফলে বাজারে সবজির সরবরাহ স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক কম। তবে সাধারণ ক্রেতাদের অভিযোগ, আড়ত বন্ধ থাকা বা সরবরাহ সংকটের অজুহাত তুলে কিছু মুনাফালোভী ব্যবসায়ী সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অতিরিক্ত দাম নিচ্ছেন।

বর্তমান বাজারের চিত্র অনুযায়ী, প্রতি কেজি করলা বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকায়, ঢেঁড়স ৪০ থেকে ৫০ টাকায়, পটল ৬০ থেকে ৮০ টাকায়, কচুরমুখী ৮০ থেকে ১০০ টাকায়, বরবটি ৬০ থেকে ৮০ টাকায় এবং চিচিঙ্গা ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বেগুনের দাম মানভেদে ৬০ থেকে ১২০ টাকা এবং কচুর লতির দাম ৮০ থেকে ১০০ টাকা প্রতি কেজি। এছাড়া, টমেটো ৮০ থেকে ১০০ টাকা, মূলা ৭০ টাকা, ফুলকপি প্রতি পিস ৬০ থেকে ৭০ টাকায়, বাঁধাকপি ৫০ টাকা এবং লাউ ৫০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

কিন্তু কাঁচামরিচের বাজারে কিছুটা স্বস্তি এসেছে। কেজিতে প্রায় ৪০ টাকার কমে বর্তমানে প্রতি কেজি কাঁচামরিচ ৬০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পেঁপে ৬০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৪০ টাকা, দেশি শসা ১০০ টাকা এবং হাইব্রিড শসা ৬০ টাকা প্রতি কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে। লেবুর দামও কিছুটা কমেছে। বর্তমানে বাজারে এক হালি লেবু বিক্রি হচ্ছে ৮ থেকে ২০ টাকায়। দেশি ধনেপাতা ২৫০ টাকা, হাইব্রিড ধনেপাতা ১৮০ টাকা প্রতি কেজি এবং কাঁচা কলা প্রতি হালি ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কেপসিকামের দাম প্রতি কেজিতে ৩২০ টাকা। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মধ্যে আলু বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে ৩০ টাকা এবং দেশি পেঁয়াজ ৪৫ থেকে ৫০ টাকা প্রতি কেজি দরে।

শাকের বাজারে লাল শাকের আঁটি ১৫ টাকা, লাউ শাক ৪০ টাকা, কলমি শাক দুটি আঁটি ২০ টাকায়, পুঁই শাক ৩০ টাকা এবং ডাটা শাক দুটি আঁটি ২০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

ঈদের পর মুরগির বাজারে দাম কিছুটা কমেছে। বাজারে আজ সোনালি কক মুরগির দাম প্রতি কেজি ৩২০ টাকা, সোনালি হাইব্রিড ২৮০ টাকা এবং ব্রয়লার মুরগির দাম ১৫৫ টাকা। এছাড়া, লাল লেয়ার মুরগির দাম ৩৭০ টাকা এবং দেশি মুরগির দাম ৭৭০ টাকা প্রতি কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ডিমের বাজারে প্রতি ডজন লাল ডিম ১৩০ টাকা, হাঁসের ডিম ২০০ টাকা, দেশি মুরগির ডিমের হালি ১০০ টাকা এবং সোনালি মুরগির ডিমের হালি ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া, ঈদ-পরবর্তী ছুটির কারণে রাজধানীর বেশিরভাগ বাজারে গরু ও খাসির মাংসের দোকান বন্ধ দেখা যাচ্ছে।

মাছের বাজারে গিয়ে দেখা যায়, ইলিশের দাম এখনও বেশ চড়া রয়েছে। ৩০০ গ্রাম ওজনের ১ কেজি ইলিশ ১ হাজার ৫০০ থেকে ১ হাজার ৬০০ টাকা এবং ৫০০ থেকে ৭০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ২ হাজার থেকে ২ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া রুই মাছ ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকা, পাঙ্গাস ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০ টাকা, কৈ মাছ ২০০ থেকে ২২০ টাকায় এবং চিংড়ি ৮০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকা প্রতি কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। দেশি মাগুরের দাম ৯০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা এবং দেশি শিং মাছ ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকা প্রতি কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকার দক্ষিণে ৬০ শতাংশ বাড়িতে মিলেছে ডেঙ্গু মশার লার্ভা: ডিএসসিসি প্রশাসক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:০২ পি.এম


ঢাকার দক্ষিণে ৬০ শতাংশ বাড়িতে মিলেছে ডেঙ্গু মশার লার্ভা: ডিএসসিসি প্রশাসক

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) আওতাধীন ৬০ শতাংশ বাড়িতে ডেঙ্গু মশার লার্ভা পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন প্রশাসক আব্দুস সালাম।

শুক্রবার (৫ জুন) সকালে রাজধানী ওয়ারীতে পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে তিনি এই তথ্য জানান।

ডিএসসিসি প্রশাসক আরও বলেন, ‘৬০ শতাংশ বাড়িতে ডেঙ্গুর লার্ভা পাওয়া গেছে। সুতরাং বাড়ির উঠান, ছাদ, ফুলের টপে যাতে পানি না জমে সেদিকে সবাইকে সচেতন হতে হবে। তা না হলে ডেঙ্গু থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব নয়।’

তিনি বাড়ি এবং আশেপাশের আঙ্গিনা সব জায়গাতেই পরিষ্কার রাখার অনুরোধ জানান। প্রশাসক বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এইসব বিষয়ে অনেক সচেতন। শুধু তাই নয়, খেলার মাঠ থেকে শুরু করে সার্বিক বিষয়ে দেখভাল করছেন তিনি।’

এলাকার পরিবেশ সুন্দর রাখতে হলে অবশ্যই সবাইকে আগে সচেতন হতে হবে উল্লেখ করে প্রশাসক বলেন, ‘জনগণ সমর্থনে যদি মেয়র নির্বাচিত হই তাহলে নগরের শিক্ষাঙ্গনে আমূল পরিবর্তন আনা হবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কক্সবাজার সীমান্তে ৫ লাখ ৭২ হাজার পিস ইয়াবাসহ আটক ১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:০৩ পি.এম


কক্সবাজার সীমান্তে ৫ লাখ ৭২ হাজার পিস ইয়াবাসহ আটক ১

কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফ সীমান্তে পৃথক তিনটি অভিযানে মোট ৫ লাখ ৭২ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় চোরাকারবারিরা যাতে পালাতে না পারে, সে জন্য বিজিবি সদস্যরা ফাঁকা গুলি ছোড়েন। এতে অন্যরা মিয়ানমারের দিকে পালিয়ে গেলেও বিজিবি এক যুবককে আটক করতে সক্ষম হয়েছে।

শুক্রবার (৫ জুন) সকালে উখিয়াস্থ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম এক বার্তার মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার দিনগত রাত ১২টা ২০ মিনিটের দিকে ইছাকের ঘের এলাকায় সন্দেহভাজন তিন চোরাকারবারিকে থার্মাল ডিভাইসের মাধ্যমে শনাক্ত করে বিজিবি। উপস্থিতি টের পেয়ে তারা মিয়ানমারের দিকে পালানোর চেষ্টা করলে বিজিবি নন-লেথাল অস্ত্র থেকে ২ রাউন্ড গুলি ছোড়ে। এ সময় তারা তিনটি পলিথিনের পোটলা ফেলে পালিয়ে যায়। তল্লাশি করে সেখান থেকে ৬ কোটি ৩ হাজার ৬০০ টাকা মূল্যের ২ লাখ ১২ হাজার ইয়াবা জব্দ করা হয়।

বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে গুইজারখাল এলাকায় মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে প্রবেশের সময় দুই সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে চ্যালেঞ্জ করে বিজিবি। তারা পালানোর চেষ্টা করলে বিজিবি সদস্যরা একটি রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়েন। তখন তারা দুটি ব্যাগ ফেলে পালিয়ে যায়, এবং ব্যাগ থেকে আনুমানিক ৯ কোটি টাকা মূল্যের ৩ লাখ ইয়াবা জব্দ করা হয়।

বৃহস্পতিবার রাতে বালুখালী বিওপির বিশেষ টহল দল মাস্টারের ঘের এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. আমিন (২০) নামে এক যুবককে আটক করে। তল্লাশির সময় তার কাছে থাকা কাপড়ের পোটলা থেকে ৬০ হাজার ইয়াবা জব্দ করা হয়। আটক আমিন উখিয়ার বালুখালী এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক আমিন স্বীকার করেছেন যে, তিনি মিয়ানমার সীমান্ত থেকে ইয়াবাগুলো সংগ্রহ করে অধিক দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে বহন করছিলেন।

বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, 'পালিয়ে যাওয়া মাদক চোরাকারবারিদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্কতা ও কঠোরতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে।'

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%