বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৩:২১ পি.এম
জীবিকার সন্ধানে দক্ষিণ আফ্রিকায় পাড়ি দিয়েছিলেন মারুফ বেপারি। ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে তিনি সেখানে ব্যবসা করে আসছিলেন, কিন্তু চাঁদার টাকার বিরোধের কারণে সন্ত্রাসীদের গুলিতে প্রাণ হারাতে হলো এই প্রবাসী বাংলাদেশিকে। এখন তার মরদেহ বিদেশের মাটিতে পড়ে আছে। পরিবারের আকুতি, সরকার যেন দ্রুত মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করে।
বুধবার (২১ অক্টোবর) রাত ১০টার দিকে দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউনের বুষ্টার এলাকার কাছে জুলুটেম্বা নামের একটি স্থানে নিজের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন মারুফ বেপারি। স্থানীয় প্রবাসী বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, অতিরিক্ত চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোকে কেন্দ্র করে তাঁকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।
মারুফ বেপারির বাড়ি শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলার সিড্যা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম সিড্যা গ্রামে। তাঁর বাবা মৃত আব্দুস সোবহান বেপারি। তাঁর মৃত্যুর খবর বাড়িতে পৌঁছানোর পর পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের মাতম চলছে।
নিহত মারুফের পরিচিত প্রবাসী বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের মতে, তিনি দীর্ঘ ১০ বছরের বেশি সময় ধরে জুলুটেম্বা এলাকায় ব্যবসা পরিচালনা করছিলেন। অভিযোগ রয়েছে যে, ওই এলাকায় ব্যবসা করার জন্য স্থানীয় কিছু ব্যক্তি তাঁর কাছে প্রটেকশন মানি বা নিরাপত্তার নামে ৫০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ দক্ষিণ আফ্রিকান র্যান্ড দাবি করতেন।
সম্প্রতি চাঁদার অতিরিক্ত টাকা দাবি নিয়ে মারুফের সঙ্গে তাঁদের বাক্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হলে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু ঘটে বলে জানিয়েছেন ওই এলাকার প্রবাসী বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা।
তবে হত্যাকাণ্ডের কারণ সম্পর্কে দক্ষিণ আফ্রিকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় কাউকে আটক করা হয়েছে কি না, তা-ও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
নিহতের স্বজন কামরুজ্জামান বেপারি বলেন, "চাঁদার জন্য বিদেশের মাটিতে আমার কাকা মারুফ বেপারিকে জীবন দিতে হয়েছে। ওখানকার দূতাবাস কি এগুলো দেখে না?"
তিনি আরও বলেন, তাঁদের আশা, সরকার দ্রুত উদ্যোগ নিয়ে তাঁর কাকার মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করুক। প্রিয়জনকে হারানোর শোকের মধ্যে পরিবারের সদস্যদের সবচেয়ে বড় উদ্বেগ, কীভাবে দ্রুত মরদেহ দেশে এনে শেষবারের মতো তাঁকে দেখতে পাবেন।
পরিবারের সদস্যদের দাবি, বিদেশের মাটিতে একজন বাংলাদেশির এমন মৃত্যু শুধু একটি পরিবারের জন্য নয়, পুরো এলাকার মানুষের জন্যও বেদনাদায়ক। দীর্ঘদিন প্রবাসে থেকে পরিশ্রম করে পরিবারের জন্য উপার্জন করা মারুফের মৃত্যুতে তাঁর স্বজনেরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
নিহতের মরদেহ বর্তমানে দক্ষিণ আফ্রিকার স্থানীয় একটি হাসপাতালে রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে মরদেহ দেশে পাঠানোর আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া, সম্ভাব্য সময়সূচি কিংবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পদক্ষেপ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
স্বজনেরা বাংলাদেশ সরকার, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশ দূতাবাসের সহযোগিতা কামনা করেছেন। তাঁদের প্রত্যাশা, প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করে মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা হবে এবং হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিচারের আওতায় আনা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের অধীনে পুলিশ তিন নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে, যারা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সদস্য। বুধবার (২১ অক্টোবর) দিবাগত রাতে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন— উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক ত্রাণ ও সমাজকল্যাণবিষয়ক সম্পাদক আব্দুস সোবহান (৫৫), পৌর যুবলীগ নেতা মো. হোসেন (২৪) এবং পোপাদিয়া ইউনিয়নের এক নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইমন (১৯)।
পুলিশের সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) শাকপুরা এলাকায় আরকান সড়কে উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আরিফুল হাসানের নেতৃত্বে একটি মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এই মিছিলে আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল এবং দক্ষিণ জেলা যুবলীগের সভাপতি মো. দিদারুল ইসলাম চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলাম জহুরের ছবি সংবলিত ব্যানার ব্যবহার করা হয়। এ ঘটনার পর বোয়ালখালী থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়। ওই মামলায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, আব্দুস সোবহান পোপাদিয়া ইউনিয়নের ছয় নম্বর ওয়ার্ডের আলী দফাদারের বাড়ির মৃত মো. মোহাম্মদ আলী দফাদারের ছেলে। মো. হোসেন পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সিরাজুর ইসলাম মেম্বারের বাড়ির মৃত নুরুল আলমের ছেলে। আর ইমন পোপাদিয়া ইউনিয়নের এক নম্বর ওয়ার্ডের কোরবান আলীর বাড়ির মো. তৈয়বের ছেলে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হামলার ঘটনায় করা একটি মামলার আসামি আব্দুস সোবহান। ২০২৫ সালের ৭ মার্চ তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।
বোয়ালখালী থানার ওসি মোহাম্মদ মোজাফ্ফর হোসেন বলেন, ‘তিনদিন আগে হওয়া মিছিলের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। ওই মামলায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের তিন নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) আদাবর থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. নয়ন হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে উন্নয়নকাজে বাধা দেওয়া এবং ভবন মালিকদের কাছে চাঁদা দাবি করার।
গণমাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন আদাবর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহিদুল ইসলাম। তিনি জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে নয়ন হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
অভিযোগের মধ্যে রয়েছে, আদাবর এলাকায় সিটি করপোরেশনের পয়োনিষ্কাশন ও ড্রেনেজ উন্নয়নকাজে বাধা দেওয়া এবং ভবন মালিকদের কাছে চাঁদা দাবি করা। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে ডিবি ছাত্রদল নেতা নয়ন হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাতটি ইসলামী দল একত্রে কাজ করার বিষয়ে একমত হয়ে ‘সমমনা ইসলামী জোট’ গঠন করেছে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর খিলগাঁওয়ে মাখযানুল উলূম মাদরাসায় দলগুলোর প্রতিনিধিদের বৈঠক শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে জোটের ঘোষণা দেওয়া হয়।
এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ আমিন।
এই জোটের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে- ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ইসলামী ঐক্যজোট, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি।
হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব সাজিদুর রহমান জানান, সমমনা ইসলামী দল’ প্লাটফর্মে সাতটি ইসলামী দল একত্রে কাজ করার বিষয়ে একমত হয়েছে। এর মধ্যে যেসব দল অন্য জোটে রয়েছে, তারা সেই জোট ছেড়ে সমমনা ইসলামী দল রাজনৈতিক প্লাটফর্মে আসার বিষয়ে একমত হয়েছেন।
সাজিদুর রহমান আরও বলেন, হেফাজতে ইসলাম দেশ, জাতি ও ইসলামের স্বার্থে সমমনা ইসলামী দলগুলোকে ঐক্যবদ্ধ করার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখছে। তবে নিজেদের নির্দলীয় ভূমিকা অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের সাবেক তারকা ক্রিকেটার মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, যিনি ‘পঞ্চপাণ্ডব’ হিসেবে পরিচিত, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে নতুন আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। ক্যারিয়ারের দীর্ঘ সময় ধরে বিতর্ক এড়িয়ে চলা এই ক্রিকেটার সম্প্রতি সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক প্রতিষ্ঠান জমজম ব্রাদার্সের অফিসে একটি মিটিংয়ে অংশগ্রহণের কারণে সমালোচনার সম্মুখীন হন।
বিষয়টি নিয়ে আলোচনা ও সমালোচনা বৃদ্ধি পাওয়ার পর, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। তিনি জমজম ব্রাদার্সের অফিসে যাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করেছেন এবং বিতর্কের জন্ম দেওয়া পোস্টটিও ইতোমধ্যে মুছে ফেলেছেন বলে জানিয়েছেন।
এই সমালোচনার শুরু হয়েছিল সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়েরের একটি ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে। ওই পোস্টের পর মাহমুদউল্লাহর জমজম ব্রাদার্সের অফিসে যাওয়া এবং সেখানে অনুষ্ঠিত বৈঠক নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা শুরু হয়।
ঘটনাটি নিয়ে নানা প্রশ্ন ও সমালোচনা তৈরি হলেও, এই অভিজ্ঞ ক্রিকেটার নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। বাংলাদেশ ক্রিকেটের অন্যতম পরিচিত মুখ মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ দীর্ঘদিন জাতীয় দলের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেছেন। মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবনেও সাধারণত বিতর্কের বাইরে থাকা এই ক্রিকেটারের ওপর সাম্প্রতিক ঘটনাটি ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে বাড়তি আগ্রহ সৃষ্টি করেছে।
সায়েরের পোস্টে দাবি করা হয়, বাংলাদেশের জাতীয় দলের এক সাবেক ক্রিকেটার ভানুয়াতুর নাগরিকত্বে বিনিয়োগের বিষয়টি প্রচার করছেন। পোস্টে এ ধরনের বিনিয়োগের অর্থ বিদেশে পাঠানোর বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়। একইসঙ্গে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের মতো পরিচিত একজন ক্রিকেটারের এমন প্রচারে যুক্ত থাকা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।
যখন সায়েরের পোস্ট ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোড়ন তুঙ্গে ওঠার উপক্রম, তখনই বিষয়টি স্পষ্ট করেন রিয়াদ। তিনি বুঝতে পারেন যে, বিনা স্বার্থে তিনি যে ভিডিওতে অংশ নিয়েছেন সেখানে দেশের স্বার্থের প্রশ্ন জড়িত। তাই জমজম ব্রাদার্সকে বলে পোস্টগুলো মুছে ফেলেন। এরপর নিজেই ভেরিফাইড ফেসবুকে বিষয়টির ব্যাখ্যা দিয়ে মাহমুদউল্লাহ লেখেন, ‘সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমার একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে যে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে, সে বিষয়ে আমি আমার অবস্থান পরিষ্কার করতে চাই।’
তিনি লেখেন, ‘কিছুদিন আগে শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে জমজম ব্রাদার্সের সঙ্গে আমার প্রথম পরিচয় হয়। তাদের আমন্ত্রণে একদিন তাদের অফিসে গেলে, তারা তাদের একটি নতুন ব্যবসায়িক প্রকল্পের বিষয়ে ভিডিও করার অনুরোধ জানান। তবে প্রকল্পটি সম্পর্কে আমার আগে থেকে কোনো ধারণা ছিল না এবং এর সঙ্গে আমার কোনো ধরনের ব্যাবসায়িক এবং অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততাও নেই।’
রিয়াদ আরও লেখেন, ‘আমার অনুরোধে তারা কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাদের সব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে ভিডিওটি সরিয়ে নেন।’
তিনি পোস্টে উল্লেখ করেন, ‘আমার পুরো ক্যারিয়ারে ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে সব সময় বিতর্ক এড়িয়ে চলার চেষ্টা করেছি। অনিচ্ছাকৃত এই ঘটনায় কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে কিংবা কোনো ধরনের বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়ে থাকলে, আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত ও ক্ষমাপ্রার্থী।’ পোস্টের শেষে সাবেক এই তারকা ক্রিকেটার জানান, ভবিষ্যতে এ ধরনের বিষয়ে আরও সতর্ক থাকবেন এবং সবার প্রতি ভালোবাসা, সমর্থন ও বোঝাপড়ার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ