ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

ঢামেকে কারাবন্দি মো. শামিমের মৃত্যু


ঢামেকে কারাবন্দি মো. শামিমের মৃত্যু

কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি মো. শামিম (৩২) নামের এক হাজতি মারা গেছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।

শনিবার (৭ নভেম্বর) সকালে শামিমকে ঢামেকের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হলে চিকিৎসকরা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান জানিয়েছেন, মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী: সবার আগে বাংলাদেশ, দিল্লি বা পিন্ডি নয়

মৃত শামিম কোন মামলায় বন্দি ছিলেন, তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। তার গ্রামের বাড়ি ধামরাই এবং বাবার নাম আব্দুল কাদের (মৃত)।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ম্যাকাওয়ের প্রথম জাতীয় নিরাপত্তা মামলায় সাবেক আইনপ্রণেতা আউ কাম সানকে ১২ বছরের কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৩৯ পি.এম


ম্যাকাওয়ের প্রথম জাতীয় নিরাপত্তা মামলায় সাবেক আইনপ্রণেতা আউ কাম সানকে ১২ বছরের কারাদণ্ড

ম্যাকাওয়ের সাবেক আইনপ্রণেতা আউ কাম সানকে আদালত সাড়ে ১২ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেছে। এটি ক্যাসিনো নগরী হিসেবে পরিচিত ম্যাকাওয়ে জাতীয় নিরাপত্তা আইনের আওতায় প্রথমবারের মতো ঘোষিত রায়। এই রায় রুদ্ধদ্বার আদালতে প্রকাশ করা হয়।

২০২৫ সালে আউ কাম সানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। ২০০৯ সালে ম্যাকাওয়ে জাতীয় নিরাপত্তা আইন কার্যকর হওয়ার পর এই আইনের আওতায় এটি ছিল প্রথম প্রকাশ্যে জানা গ্রেপ্তারের ঘটনা। তার বিরুদ্ধে মামলাটি হংকংয়ের গণতন্ত্রপন্থী আন্দোলন দমনে বেইজিংয়ের কঠোর পদক্ষেপের সঙ্গে সম্পর্কিত।

আউয়ের পরিবার অভিযোগ করেছে, গ্রেপ্তারের পর থেকে তাকে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ দেওয়া হয়নি। এমনকি তিনি নিজের পছন্দের আইনজীবী নিয়োগের সুযোগ থেকেও বঞ্চিত হয়েছেন। আউ কাম সানকে ‘রাষ্ট্রের রাজনৈতিক ক্ষমতার বিরুদ্ধে অন্তর্ঘাতমূলক কর্মকাণ্ড’ এবং জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করতে ম্যাকাওয়ের বাইরের বিভিন্ন সংগঠন, গোষ্ঠী ও ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ রাখার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।

আদালতের রায়ে উল্লেখ করা হয়, আউ দীর্ঘদিন ধরে বাইরের কয়েকটি সংগঠনকে সহায়তা করেছেন। রাষ্ট্রের রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে প্রচার চালানোর উদ্দেশ্যে তিনি বিভিন্ন ছবি ও তথ্য সংগ্রহ, তৈরি এবং জনসমক্ষে প্রকাশেও সহায়তা করেছেন।

আদালতের রায়ে আরও বলা হয়, আউ ম্যাকাওয়ের বাসিন্দাদের মধ্যে চীনের কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়ানোর চেষ্টা করেছিলেন। এর উদ্দেশ্য ছিল সংবিধানে নির্ধারিত রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা দুর্বল ও উৎখাত করা। গত সেপ্টেম্বরে রুদ্ধদ্বার আদালতে তার বিচার শুরু হয় এবং মাত্র তিন দিনের মধ্যে তা শেষ হয়।

‘জাস্টিস অ্যাব্রড’-এর পরিচালক মাইকেল পোলাক, যিনি আউয়ের পরিবারকে আইনি সহায়তা দিচ্ছেন, তার বিচারপ্রক্রিয়াকে ‘প্রহসন’ বলে অভিহিত করেছেন।

তার মতে, এই ঘটনা ম্যাকাওয়ের জন্য লজ্জাজনক এবং বিশ্বে অঞ্চলটির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করবে। তিনি ‘দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট’কে বলেন, আউয়ের বিচার ও তার বিরুদ্ধে আনা ‘মনগড়া অভিযোগ’ ম্যাকাওকে বিশ্বের সবচেয়ে দমনমূলক অঞ্চলগুলোর কাতারে নিয়ে গেছে। এসব জায়গায় নির্বাহী কর্তৃপক্ষ নিজেদের বিরোধীদের যথাযথ ও সুষ্ঠু বিচারপ্রক্রিয়া ছাড়াই কারাগারে পাঠানোর ক্ষমতা রাখে।

৬৯ বছর বয়সী আউ পর্তুগালেরও নাগরিক। তিনি ম্যাকাওয়ের অন্যতম প্রধান বিরোধী নেতা। বেইজিংপন্থীদের নিয়ন্ত্রণে থাকা আইনসভায় তিনি প্রায় ২০ বছর আইনপ্রণেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। গত বছর তার গ্রেপ্তারের নিন্দা জানিয়েছিল ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। তবে তার মুক্তির দাবি জানায়নি সংস্থাটি।

মাইকেল পোলাক পর্তুগাল ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, তারা যেন আউকে ম্যাকাও ছাড়ার সুযোগ দেওয়ার দাবি জানায়। তার মতে, এতে আউকে ‘মনগড়া অভিযোগে’ এক দশকের বেশি সময় কারাগারে কাটাতে হবে না।

লন্ডনপ্রবাসী আউয়ের মেয়ে চেরি আউ ‘দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট’কে জানিয়েছেন, তার বাবা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। এ কারণে কারাগারে তার স্বাস্থ্য নিয়ে পরিবার উদ্বিগ্ন। চেরি বলেন, ‘সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হলো, যে সরকারের জন্য তিনি দীর্ঘদিন কাজ করেছেন, সেই সরকারই এখন তাকে অপরাধী হিসেবে তুলে ধরছে।

আমি আশা করি, মানুষ তার দীর্ঘদিনের কাজ ও অবদানের কথা মনে রাখবে। তার ওপর মানুষ আস্থা রেখেছিল এবং বারবার নির্বাচিত করেছিল।’ তিনি আরো বলেন, ‘আমার বাবা এখন চরম অবিচারের শিকার। যারা তার অবদান জানেন, পাশে দাড়ান।’

পেশায় শিক্ষক আউ ২০ বছর ম্যাকাওয়ের আইনপ্রণেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২১ সালে তিনি পদত্যাগ করেন। ১৯৮৯ সালে বেইজিংয়ের তিয়েনআনমেন স্কয়ারে বিক্ষোভ দমনের ঘটনার স্মরণে ম্যাকাওয়ে আয়োজিত কর্মসূচির অন্যতম সংগঠকও ছিলেন তিনি।

গত বছরের জুলাইয়ে নিজের বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযোগ, তিনি ম্যাকাওয়ের বাইরের বিভিন্ন ‘শত্রুভাবাপন্ন’ সংগঠনকে সহায়তা করেছেন। এ ছাড়া রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক বক্তব্য সংগ্রহ ও প্রচার এবং মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর অভিযোগও আনা হয়েছে তার বিরুদ্ধে।

চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ভিন্নমত দমনের কঠোর নীতি এবার ম্যাকাওয়েও ছড়িয়ে পড়েছে। সাবেক আইনপ্রণেতা আউ কাম সানের বিরুদ্ধে মামলা করে নতুন জাতীয় নিরাপত্তা আইনের প্রয়োগ আরও কঠোর করতে চাইছে কর্তৃপক্ষ।

ম্যাকাও ১৯৯৯ সালে পর্তুগালের কাছ থেকে চীনের শাসনে আসে। এরপর থেকে এটি হংকংয়ের মতো বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে। অঞ্চলটির নিজস্ব রাজনৈতিক ও আইনি ব্যবস্থা রয়েছে। ম্যাকাও চীনের একমাত্র শহর, যেখানে ক্যাসিনোতে জুয়া খেলা বৈধ।

এখানে এমজিএম, লাস ভেগাস স্যান্ডস ও উইন রিসোর্টসের মতো বড় মার্কিন প্রতিষ্ঠান হোটেল ও ক্যাসিনো পরিচালনা করে। মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচের মতে, আউয়ের বিরুদ্ধে এই মামলা ম্যাকাওয়ের অন্য সমালোচকদের মধ্যেও ভীতি তৈরি করবে। সংস্থাটির এশিয়া বিষয়ক উপপরিচালক মায়া ওয়াং বলেন, ম্যাকাওয়ে গণতন্ত্রপন্থীদের কণ্ঠরোধের ঘটনা চীনে ভিন্নমত ও মানুষের মৌলিক অধিকার দমনের বৃহত্তর নীতিরই অংশ।

আউ জানান, সমাজের নানা সমস্যা দেখে তিনি রাজনীতিতে আসার সিদ্ধান্ত নেন। তার মতে, এসব বিষয়ে মানুষের কথা বলা প্রয়োজন। ১৯৮৯ সালে বেইজিংয়ের তিয়েনআনমেন স্কয়ারে গণতন্ত্রপন্থী আন্দোলন তাকে ও তার সমমনা বন্ধুদের রাজনীতিতে যুক্ত হতে অনুপ্রাণিত করে। পরে ম্যাকাওয়ে গণতান্ত্রিক সমাজ গড়ার জন্য কাজ শুরু করেন।

গ্রেপ্তারের আগে আউ নিয়মিত ফেসবুক ও বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে সরকারের সিদ্ধান্ত ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির সমালোচনা করতেন। ম্যাকাওয়ে সরকারের সমালোচনা করা বিরল ব্যক্তিদের একজন ছিলেন তিনি। তবে তার সমালোচনার ভাষা বেশির ভাগ সময়ই ছিল সংযত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাভার থানা থেকে ৩৭ রাউন্ড গুলিসহ যুবক গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৪০ পি.এম


সাভার থানা থেকে ৩৭ রাউন্ড গুলিসহ যুবক গ্রেফতার

ঢাকা জেলা উত্তর ডিবি পুলিশ সাভারে বিশেষ অভিযান চালিয়ে কাউন্দিয়া এলাকা থেকে ৩৭ রাউন্ড গুলিসহ একজন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করেছে।

শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে ঢাকা জেলা উত্তর ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এটি ঘটেছে শুক্রবার রাতে, যখন বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাকে আটক করা হয়।

গ্রেফতারকৃত যুবকের নাম মুহিত সোবহান (২০), যিনি ঢাকা জেলার সাভার মডেল থানার সিংগাসার কাউন্দিয়া এলাকার মর্তুজ আলীর ছেলে।

ঢাকা জেলা উত্তর ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইদুল ইসলাম জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে সাভার মডেল থানার সিংগাসার কাউন্দিয়া এলাকায় গুলিসহ একজন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী অবস্থান করছে। এরপর বিশেষ অভিযান চালিয়ে কান্দিয়া এলাকা থেকে ৩৭ রাউন্ড গুলিসহ তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তিনি আরো জানান, আসামী প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে যে, সে জুলাই ২৪ এর গণঅভ্যুত্থানের সময় পুলিশী স্থাপনা থেকে গুলি লুট করে নিয়ে আসে এবং তা নিজ হেফাজতে রেখেছিল।

এ বিষয়ে সাইদুল ইসলাম বলেন, আসামীদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন করে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টেকনাফে মানবপাচারকারী আস্তানায় ৩ মরদেহের সন্ধান মেলেনি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৪০ পি.এম


টেকনাফে মানবপাচারকারী আস্তানায় ৩ মরদেহের সন্ধান মেলেনি

কক্সবাজারের টেকনাফের হ্নীলা ইউপির রঙ্গীখালীর গহিন পাহাড়ে টানা ৪ ঘন্টা ধরে যৌথ বাহিনী মানবপাচারকারীর আস্তানায় অভিযান চালালেও পড়ে থাকা ৩ মরদেহের সন্ধান মেলেনি।

শনিবার (৭ নভেম্বর) এই অভিযান পরিচালিত হয়। মানবপাচারকারীদের ব্যবহৃত আস্তানা থেকে ছয় রাউন্ড গুলি, গুলির খালি খোসা, জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ও ড্রাইভিং লাইসেন্স উদ্ধার করা হয়েছে। তবে অভিযানে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

এদিকে, নয়াপাড়া নিবন্ধিত রোহিঙ্গা শিবিরসংলগ্ন পাহাড়ে সেনাবাহিনী, বিজিবি, এপিবিএন, এসআরবি ও পুলিশের সদস্যরা এই অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় ড্রোনের সাহায্যেও পাহাড়ে নজরদারি করা হয়।

টেকনাফ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম এ বিষয়ে বলেন, "অভিযানে কোনো মরদেহ পাওয়া যায়নি। আপাতত অভিযান শেষ হলেও প্রয়োজনে আবারও অভিযান চালানো হবে।"

প্রসঙ্গত, গত ৫ নভেম্বর বৃহস্পতিবার রঙ্গীখালীর পাহাড়ে মানবপাচারকারীদের আস্তানায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে সশস্ত্র ব্যক্তিদের গুলিতে সেনাসদস্য তিতাস শেখ নিহত হন। ওই ঘটনায় ৫৬ জন জিম্মিকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং মানবপাচারকারী চক্রের সন্দেহভাজন ছয় সদস্যকে আটক করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাহুলের ভোট বাঁচাও আন্দোলনকে অনুপ্রবেশকারী রক্ষার কৌশল বললেন শাহ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৪১ পি.এম


রাহুলের ভোট বাঁচাও আন্দোলনকে অনুপ্রবেশকারী রক্ষার কৌশল বললেন শাহ

ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর ‘ভোট বাঁচাও’ আন্দোলনকে অনুপ্রবেশকারীদের আড়াল করার প্রচেষ্টা হিসেবে চিহ্নিত করে তীব্র সমালোচনা করেছেন। বৃহস্পতিবার উত্তরাখণ্ডের দেরাদুনে অনুষ্ঠিত এক জনসভায় তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, রাহুল গান্ধীর এই অভিযান মূলত অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষা করার একটি কৌশল। একই সঙ্গে, তিনি উত্তরাখণ্ডসহ সারা ভারত থেকে সকল অনুপ্রবেশকারীকে তাড়ানোর পক্ষে জোরালো দাবি জানান।

জনসভায় অমিত শাহ প্রশ্ন করেন, যারা অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছে, তাদের এই পবিত্র ভূমি ও দেশ থেকে বের করে দেওয়া উচিত কি না। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, উত্তরাখণ্ডে মুসলিম জনমিতির পরিবর্তন এবং বহিরাগতদের বসতি স্থাপন নিয়ে বিজেপির প্রচারের প্রেক্ষাপটে অমিত শাহের এই বক্তব্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।

কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তোষণ রাজনীতির অভিযোগ তুলে শাহ বলেন, কংগ্রেস শুক্রবারের নামাজের জন্য ছুটির প্রস্তাব দিয়েছিল এবং রামমন্দির নির্মাণের বিরোধিতা করেছে। তিনি দাবি করেন, কংগ্রেস সরকারের আমলে এমন নীতি গ্রহণ করা হয়েছিল যা দেশে অবৈধ অনুপ্রবেশ ও জনবিন্যাসের পরিবর্তনকে উৎসাহিত করে, কিন্তু বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর এই ধারা বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে।

উত্তরাখণ্ডের হরিদ্বার, দেরাদুন এবং উধম সিং নগরে মুসলিম জনসংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ে বিজেপি কিছুদিন ধরে সরব রয়েছে। দলটির দাবি, অন্যান্য রাজ্য ও প্রতিবেশী দেশ থেকে মানুষের আগমন স্থানীয় জনবিন্যাস এবং ব্যবসাবাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

উত্তরপ্রদেশের বিধানসভা নির্বাচন সামনে রেখে, উত্তরাখণ্ডের জনসভা থেকে অনুপ্রবেশ, ধর্মীয় মেরুকরণ এবং তোষণনীতির বিষয়গুলো সামনে এনে বিজেপি তাদের পুরনো রাজনৈতিক কৌশলকে আরও তীব্র করেছে। উন্নয়নমূলক প্রচারের পাশাপাশি ধর্মীয় ও জাতীয়তাবাদী আবহ তৈরি করে হিন্দু ভোটারদের একত্রিত করার লক্ষ্য বিজেপি নেতৃত্বের প্রধান উদ্দেশ্য বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%