ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

বরিশালে বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বিএনপির সমাবেশ ও র‌্যালি


বরিশালে বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বিএনপির সমাবেশ ও র‌্যালি

বরিশাল, ৭ নভেম্বর, ২০২৬ : ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবসের স্মরণে বরিশালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) পৃথক সমাবেশ ও র‌্যালির আয়োজন করেছে।

আজ শনিবার দুপুরে বরিশাল মহানগর ও জেলা বিএনপির উদ্যোগে এসব কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

দিবসটি উপলক্ষে দুপুর ১২টায় নগরীর সদর রোডে অশ্বিনীকুমার হলের পাশে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে মহানগর বিএনপি একটি সমাবেশের আয়োজন করে। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও বরিশাল সদর-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাড. মো. মজিবর রহমান সরোয়ার।

আরও পড়ুন: বরিশালে জমি বিরোধে মামার হাতে ভাগ্নে খুন

মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান খান ফারুকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাড. বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন, কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বরিশাল জেলা পরিষদের প্রশাসক আকন কুদ্দুসুর রহমানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এসময় মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব জিয়াউদ্দিন সিকদারসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা সমাবেশে অংশ নেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাড. মজিবর রহমান সরোয়ার বলেন, "গত ১৭ বছর যেভাবে মাঠে থেকে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি, এখনো সেভাবেই মাঠে রয়েছি। প্রয়োজনে সাংগঠনিক টিম গঠন করে স্বৈরাচারী শক্তি প্রতিহত করা হবে।"

সমাবেশ শেষে মহানগর বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা নগরীর প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে পুনরায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ করেন।

আরও পড়ুন: বরিশালে ইসলামী আন্দোলনের সমর্থিত প্রার্থীদের নাম ঘোষণা

অন্যদিকে, দিবসটি উপলক্ষে বরিশাল জেলা বিএনপির উদ্যোগে নগরীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে একটি পৃথক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বক্তারা ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে ৭ নভেম্বরের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

সমাবেশ শেষে জেলা বিএনপির নেতাকর্মীরাও নগরীতে র‌্যালি বের করে শহরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
আল-জাজিরার বিশ্লেষণ

নতুন নির্বাচন নাকি সরকার গঠন? রাজনৈতিক জটিলতায় ইসরাইল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৫৪ পি.এম


নতুন নির্বাচন নাকি সরকার গঠন? রাজনৈতিক জটিলতায় ইসরাইল

ইসরাইলের সদ্য সমাপ্ত সাধারণ নির্বাচনে কোনো রাজনৈতিক দল বা জোট একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি, ফলে দেশটির প্রেসিডেন্ট আইজাক হারজোগ একটি জটিল পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছেন। রোববার (৮ নভেম্বর) সরকার গঠনের জন্য প্রথম সুযোগ কার হাতে যাবে, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা রয়েছে তার। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকোট—দুই নেতা সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে ব্যর্থ হয়েছেন।

প্রেসিডেন্টের দপ্তরে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে অনুষ্ঠিত সাম্প্রতিক পরামর্শ সভার পর দেখা গেছে, ১২০ আসনের নেসেটে গাদি আইজেনকোট ৬৭ জন আইনপ্রণেতার সমর্থন পেয়েছেন। অন্যদিকে, বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর পক্ষে ৪৬ জনের সমর্থন এসেছে। যদিও নেতানিয়াহুর ডানপন্থী ও ধর্মীয় জোটের হাতে ৫৩টি আসন থাকার কথা ছিল, তথাপি অতি-গোঁড়া ইহুদিদের সামরিক বাহিনীতে বাধ্যতামূলক নিয়োগ সংক্রান্ত মতবিরোধের কারণে তার দীর্ঘদিনের মিত্র ‘ইউনাইটেড তোরাহ জুডাইজম’ দল তাকে শেষ মুহূর্তে সমর্থন দিতে অস্বীকৃতি জানায়।

আইজেনকোট ৬৭ জনের সমর্থন পেলেও, তার এই জয়ের পেছনে রয়েছে ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত ইসরাইলি নাগরিকদের প্রতিনিধিত্বকারী আরব দলগুলোর ভোট, যারা গত অক্টোবরের নির্বাচনে রেকর্ড ১৯টি আসন জিতেছিল। তবে আইজেনকোট স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন যে, তিনি এই আরব দলগুলোকে নিজের সরকারে অংশীদার করবেন না। ইসরাইলে সরকার গঠন করতে হলে সর্বনিম্ন ৬১টি আসনের প্রয়োজন হয়। যদি আইজেনকোট ফিলিস্তিনি দলগুলোকে সরকারে না রাখেন, তাহলে তাকে অতি-গোঁড়া দলগুলোকে রাজি করিয়ে ৬১ আসনের কোটা পূরণ করতে হবে।

অন্যদিকে, নেতানিয়াহুকে ক্ষমতা ধরে রাখতে হলে বিরোধী শিবিরের কোনো দলকে নিজের পক্ষে টানতে হবে অথবা আইজেনকোটের সঙ্গে ক্ষমতা ভাগাভাগির ভিত্তিতে জাতীয় ঐক্য সরকার গঠন করতে হবে, যা বিরোধীরা ইতিমধ্যেই নাকচ করে দিয়েছেন।

নির্বাচনে আরব দলগুলোর জোট ‘জয়েন্ট লিস্ট’ এবং ‘ইউনাইটেড আরব লিস্ট’ বা ‘রাম’ মূলত নেতানিয়াহুকে ক্ষমতাচ্যুত করার উদ্দেশ্যে আইজেনকোটকে সমর্থন দিয়েছে। রাম দল সরকারে যোগ দিতে ইচ্ছুক হলেও জয়েন্ট লিস্ট বাইরে থেকে সমর্থন দেওয়ার কথা বলেছে। তবে আইজেনকোটের শর্ত হলো—ফিলিস্তিনি দলগুলোকে সমর্থন দিতে হলে হামাসকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে। ফিলিস্তিনি দলগুলোর নেতারা জানিয়েছেন, নেতানিয়াহুর মতো উগ্র ডানপন্থী সরকারের পতন ঘটানো এবং দেশের ফিলিস্তিনি নাগরিকদের বাড়িঘর ধ্বংস বন্ধ ও অপরাধ দমনের মতো মৌলিক অধিকার রক্ষা করাই তাদের প্রধান লক্ষ্য।

সংবিধান অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট যাকে সরকার গঠনের দায়িত্ব দেবেন, তিনি প্রথমে ২৮ দিন সময় পাবেন এবং প্রয়োজন হলে তা ১৪ দিন বাড়ানো যাবে। যদি নির্ধারিত ধাপগুলোতে একের পর এক মনোনীত প্রার্থী ব্যর্থ হন, তাহলে পার্লামেন্ট ভেঙে দেওয়া হবে এবং ৯০ দিনের মধ্যে পুনরায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কোনো সরকার গঠিত না হওয়া এবং নতুন নির্বাচন দেওয়াটাই নেতানিয়াহুর সবচেয়ে পছন্দের কৌশল, কারণ এতে তার প্রতিদ্বন্দ্বীদের অবস্থান দুর্বল হতে পারে এবং তিনি অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে প্রেসিডেন্টের শ্রদ্ধা জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৫৫ পি.এম


জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে প্রেসিডেন্টের শ্রদ্ধা জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের উপলক্ষে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেছেন প্রেসিডেন্ট মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত জিয়া উদ্যানে তাদের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি।

এই সময় প্রেসিডেন্ট তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতে অংশগ্রহণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতে কিংবদন্তি ওস্তাদ বিসমিল্লাহ খানের বাড়ির একাংশ গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৫৫ পি.এম


ভারতে কিংবদন্তি ওস্তাদ বিসমিল্লাহ খানের বাড়ির একাংশ গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ

ভারতের কিংবদন্তি সানাইবাদক ও ভারতরত্নপ্রাপ্ত ওস্তাদ বিসমিল্লাহ খানের বাড়ির একটি অংশ গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনা উত্তর প্রদেশের বারানসিতে ঘটেছে। সমাজবাদী পার্টির (এসপি) প্রধান ও বিরোধী নেতা অখিলেশ যাদব বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তবে স্থানীয় পৌর কর্তৃপক্ষের দাবি, সরকারি উদ্যোগে নয়, বরং পরিবারের সদস্যরাই নিজেদের সিদ্ধান্তে বাড়িটির একাংশ ভেঙেছেন।

শনিবার সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্টে অখিলেশ যাদব বাড়ি ভাঙার ঘটনাকে ‘চরম নিন্দনীয়’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি লেখেন, ‘যাদের জন্য সানাই বাজেনি, তাদের কাছ থেকে আর কী-ই বা আশা করা যায়!’

অখিলেশ যাদব অভিযোগ করেছেন যে, বিজেপি এবং তাদের সংকীর্ণমনা সহযোগীরা সব সময় শিল্প ও শিল্পীদের বিরোধিতা করে। কারণ, সৃজনশীল মানুষেরাই সামাজিক পরিবর্তনের ভিত্তি তৈরি করেন। ইতিবাচক শিল্প মানুষের মধ্যে সহমর্মিতা ও সহনশীলতা বাড়ায়। তাই তারা শিল্পকে নিজেদের রাজনৈতিক এজেন্ডার বাধা মনে করে অথবা নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করতে চায়।

তিনি আরও বলেন, ভারতরত্নপ্রাপ্ত একজন ব্যক্তির অভিন্ন ঐতিহ্য ধ্বংস করা মানে শুধুমাত্র তার মর্যাদা ও সম্মান নষ্ট করা নয়, বরং ভারতের সম্মানও ক্ষুণ্ন করা। ঘৃণার রাজনীতিতে জড়িয়ে বিজেপি দেশের ক্ষতি করছে। ক্ষমতায় গেলে ওস্তাদ বিসমিল্লাহ খানের সংগীত ঐতিহ্য সংরক্ষণের জন্য একটি ‘শ্রবণ জাদুঘর’ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেন অখিলেশ।

বারানসি পৌর করপোরেশনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বাড়িটিতে জাদুঘর প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু পরিবার তাতে সম্মতি দেয়নি। বরং ভবনটির জরাজীর্ণ অবস্থার কথা জানিয়ে তারা নিজেরাই সেটি ভেঙে নতুন করে নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

পৌর করপোরেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা সন্দীপ শ্রীবাস্তব জানান, শহরের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের স্মৃতি ও অবদান সংরক্ষণে একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় তাদের বাড়িতে যাওয়ার সড়কগুলো সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জীবন ও অবদানের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সাজানো হবে এবং প্রতিটি বাড়ির একটি কক্ষ জাদুঘরে রূপান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে।

এ প্রকল্পের অংশ হিসেবে ভারতরত্ন ওস্তাদ বিসমিল্লাহ খানের বাড়িতে জাদুঘর প্রতিষ্ঠার বিষয়ে তার পরিবারের সঙ্গে আলোচনা হয়েছিল। কিন্তু পরিবার প্রস্তাবে সম্মতি দেয়নি। ভবনটি জরাজীর্ণ হওয়ায় তারা নিজেরাই সেটি ভেঙে পুনর্নির্মাণ করতে চেয়েছেন।

সূত্র: টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সবার আগে বাংলাদেশ, দিল্লি বা পিন্ডি নয়: প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৫৫ পি.এম


সবার আগে বাংলাদেশ, দিল্লি বা পিন্ডি নয়: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, ‘দিল্লি নয়, পিন্ডি নয়, নয় অন্য কোনো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’—এই দীপ্ত উচ্চারণের মাধ্যমে দেশপ্রেমিক গণতান্ত্রিক জনগণের প্রতি তিনি আহ্বান জানান।

তিনি আরও বলেন, ইতিহাস সচেতন বর্তমান প্রজন্ম যদি ৭ নভেম্বরের প্রেরণায় উজ্জীবিত ও ঐক্যবদ্ধ থাকে, তবে বাংলাদেশ কখনো পথ হারাবে না।

রাজধানীর বনানীর আর্মি স্টেডিয়ামে শনিবার (৭ নভেম্বর) সকালে ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে সিপাহী-জনতার ঐক্যের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের এই দিনে স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি ও ষড়যন্ত্রকারীরা তৎকালীন সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমানকে স্বপরিবারে গৃহবন্দি করেছিল। কিন্তু দেশপ্রেমিক সিপাহী ও জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে সেই ষড়যন্ত্র রুখে দিয়েছিল। ৭ নভেম্বরের মাধ্যমে জাতীয় ঐক্যের চেতনার জন্ম হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ষড়যন্ত্রকারীরা মহাজোটের নামে একজোট হয়ে দেশে পুনরায় একদলীয় ফ্যাসিবাদী শাসন কায়েম করেছিল। বিডিআর পিলখানায় সেনা হত্যাযজ্ঞ ঘটিয়ে সেনাবাহিনীর গৌরব ভূলুণ্ঠিত করেছিল।

কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে হাজারো শহীদের প্রাণের বিনিময়ে সেই পরাজিত অপশক্তির পতন ঘটেছে এবং দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হয়েছে। তিনি ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে নিহত ও আহতদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।

একটাই পরিচয় ‘আমরা বাংলাদেশি’

তারেক রহমান দেশের নাগরিকদের পরিচয়ের বিষয়ে স্পষ্ট বার্তা দিয়ে বলেন, দল, মত, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান কিংবা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী—সবার একটাই গর্বিত পরিচয়, ‘আমরা বাংলাদেশি’। এই পরিচয়ই আমাদের ঐক্যবদ্ধ জাতিতে পরিণত করেছে। যতদিন বাংলাদেশ থাকবে, ততদিন সিপাহী-জনতার ঐক্যবদ্ধ বিপ্লবের গুরুত্ব ও তাৎপর্য প্রাসঙ্গিক থাকবে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, একটি জাতির ইতিহাস কেবল অতীতের স্মৃতিচারণ নয়, এটি আত্মপরিচয় ও ভবিষ্যৎ নির্মাণের প্রেরণা। তিনি তরুণদের মেধা ও সম্ভাবনা বিকাশে বর্তমান সরকারের বদ্ধপরিকর হওয়ার কথা জানিয়ে বলেন, স্বাধীনতার মূল মন্ত্রকে ধারণ করে একটি নিরাপদ, সমৃদ্ধ ও মর্যাদাপূর্ণ বাংলাদেশ বিনির্মাণে তরুণ প্রজন্মকেই দায়িত্ব নিতে হবে।

তারেক রহমান উপস্থিত হাজারো কিশোর-কিশোরী ও তরুণ-তরুণীর উদ্দেশে স্লোগান ধরেন, ‘দিল্লি নয়, পিন্ডি নয়, নয় অন্য কোনো দেশ’। এ সময় পুরো স্টেডিয়াম জুড়ে উপস্থিত জনতা সমস্বরে বলে ওঠেন, ‘সবার আগে বাংলাদেশ’।

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ২০২৬ উদযাপন কমিটি, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর এবং বাংলাদেশ স্কাউটস-এর যৌথ উদ্যোগে এই জমকালো অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%