০৯:০৯ এম
দক্ষিণ কোরিয়া, ইউক্রেনের কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানিয়েছে, কারণ উত্তর কোরিয়ার দুই যুদ্ধবন্দীকে দক্ষিণ কোরিয়ায় পাঠানোর বিষয়টি প্রকাশিত হয়েছে। শুক্রবার (২ অক্টোবর) দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং এই দাবি করেন। তিনি উল্লেখ করেন, ইউক্রেন যদি ক্ষমা না চায়, তাহলে দক্ষিণ কোরিয়া আরো পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
সিএনএ-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, লি অভিযোগ করেছেন যে, দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে আলোচনা না করেই ইউক্রেন যুদ্ধবন্দীদের দক্ষিণ কোরিয়ায় পাঠানোর বিষয়টি প্রকাশ করেছে। তার মতে, এই বিষয়টি গোপন রাখা অত্যন্ত জরুরি ছিল। গত সপ্তাহে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন, উত্তর কোরিয়ার দুই সেনাকে দক্ষিণ কোরিয়ায় পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, ওই দুই সেনাকে জীবিত আটক করা সহজ ছিল না। জাতিসংঘে জেলেনস্কির বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টা পর, লি বিষয়টি নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেন। দক্ষিণ কোরিয়ার দাবি, যুদ্ধবন্দীদের স্বজনদের সম্ভাব্য ঝুঁকি থেকে রক্ষা করার জন্য তাদের পরিচয় ও স্থানান্তরের বিষয়টি গোপন রাখা প্রয়োজন ছিল। এরপর সিউল আনুষ্ঠানিকভাবে ইউক্রেনের কাছে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানায়।
শুক্রবার, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লি একটি পোস্টে উল্লেখ করেন, যদি ইউক্রেন বিষয়টির সত্যতা স্বীকার করে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে অস্বীকৃতি জানায়, তাহলে দক্ষিণ কোরিয়া আরো পদক্ষেপ নেবে। লি আরো অভিযোগ করেন, ইউক্রেন তাকে ‘মিথ্যাবাদী’ হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, বিষয়টি দক্ষিণ কোরিয়া এবং দেশটির জনগণের মর্যাদার সঙ্গে জড়িত, তাই এটি উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। এদিকে, বৃহস্পতিবার ইউক্রেনের সংবাদমাধ্যম আরবিসি-ইউক্রেনসহ কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রি সিবিহার একটি সাক্ষাৎকারের কথাও উল্লেখ করেন লি।
আরও পড়ুন: ট্রাম্পের কিউবা পরিকল্পনা, ইরান থেকে ফেরার পথে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর ইঙ্গিত
সাক্ষাৎকারে সিবিহা বলেন, তিনি বিষয়টিকে কোনো ‘ঘটনা’ হিসেবে দেখতে চান না। তার ভাষায়, এটি একটি ‘কূটনৈতিক ভুল বোঝাবুঝি’। সিবিহা আরো বলেন, দক্ষিণ কোরিয়া ইউক্রেনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ। দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা আরো বাড়বে এবং চলমান সহযোগিতা থেকে আরো বাস্তব ফল পাওয়া যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন