০৫:১৯ পি.এম
এই দিবসটি উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানের শুরুতে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এরপর অনুষ্ঠানটি চলাকালীন ‘জুলাই শহীদ দিবস ২০২৬’ উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী প্রদত্ত বাণী পাঠ করা হয়।
পরে দিবসটির তাৎপর্য নিয়ে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় অংশগ্রহণকারীরা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট এবং এই আন্দোলনকে সর্বজনীন রূপ দেওয়ার জন্য দেশের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও শ্রমিকসহ সব স্তরের জনগণের ভূমিকার কথা স্মরণ করেন।
রাষ্ট্রদূত রকিবুল হক তার বক্তব্যে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আত্মদানকারী শহীদ আবু সাঈদ, শহীদ ওয়াসিম আকরাম, শহীদ মুগ্ধ এবং সকল শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাদের রুহের মাগফিরাত ও আহত জুলাই যোদ্ধাদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।
আরও পড়ুন: জাতিসংঘে মানবাধিকারভিত্তিক অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের আহ্বান বাংলাদেশ
তিনি বক্তব্যের মধ্যে বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার শহীদ ও আহত জুলাই যোদ্ধাদের সম্মান ও স্বীকৃতি, তাদের পরিবারের কল্যাণ, আহতদের পুনর্বাসন এবং সংশ্লিষ্ট হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ।
জুলাইয়ের চেতনা ও আত্মত্যাগ থেকে শক্তি ও প্রেরণা নিয়ে একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে দল-মত-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে একতাবদ্ধ হয়ে কাজ করার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান রাষ্ট্রদূত।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সকল শহীদের রুহের মাগফিরাত, আহতদের পূর্ণ সুস্থতা এবং বাংলাদেশের অব্যাহত শান্তি, সমৃদ্ধি ও উন্নয়ন কামনা করে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে ইতালিতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যবৃন্দ, ইতালির নাগরিক, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সদস্যবৃন্দ এবং দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ অংশগ্রহণ করেন।
আরও পড়ুন: জামায়াত নেতাদের ভারতীয় গোয়েন্দাদের সঙ্গে বৈঠকের দাবি, রাশেদকে চ্যালেঞ্জ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন