ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

হাইকোর্টের রুলে ভোলার নদী থেকে বালু উত্তোলন বন্ধের নির্দেশ


হাইকোর্টের রুলে ভোলার নদী থেকে বালু উত্তোলন বন্ধের নির্দেশ

ভোলার মেঘনা নদীর ভাঙনকবলিত অংশ থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে হাইকোর্ট একটি রুল জারি করেছে। একই সঙ্গে, নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা থেকে সংশ্লিষ্টদের বিরত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গতকাল বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান এবং বিচারপতি ইফতেখার উদ্দিন মাহমুদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রিট আবেদনের শুনানি শেষে রুলসহ এ আদেশ প্রদান করেন।

আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন রিটকারী আইনজীবী ও ভোলার দৌলতখান উপজেলার বাসিন্দা অ্যাডভোকেট মহিবুল্লাহ খোকন।

আরও পড়ুন: পূর্বধলায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

শুনানি শেষে অ্যাডভোকেট মহিবুল্লাহ খোকন মন্তব্য করেন, "ভোলা একটি গ্যাসে পরিপূর্ণ জেলা। সেখানে প্রায় ২২ লাখ মানুষের বসবাস। এটি সম্পূর্ণ নদীবেষ্টিত এলাকা। বর্তমানে সেখানে হাজার হাজার ড্রেজার বসিয়ে ভোলার মেঘনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। আমি ওই জেলার একজন সচেতন বাসিন্দা ও আইনজীবী হয়ে চুপ করে বসে থাকতে পারি না।"

তিনি আরও বলেন, "অবাধে বালু উত্তোলনের কারণে তীব্র নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। তাই পরিবেশ ও জনস্বার্থে আমি এ বিষয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করি। সেই রিট আবেদনের শুনানি শেষে উচ্চ আদালতের যৌথ বেঞ্চ আজ রুলসহ এই নির্দেশনামূলক আদেশ দেন।"

রিট আবেদনকারী জানান, ভোলা সদর উপজেলার কাচিয়া মৌজায় মেঘনা নদীর তীরে প্রায় ৩৯ দশমিক ৪৯ একর জমিতে অবস্থিত 'মেঘনা বালুমহাল-৩ ও ৪' ইজারা দেওয়ার আদেশের বিরুদ্ধে এবং এর ভিত্তিতে ওয়ার্ক অর্ডার ইস্যু, চুক্তি সম্পাদনসহ গৃহীত সব কার্যক্রম বাতিল ও স্থগিতের দাবিতে এই রিট দায়ের করা হয়।

রিট আবেদনে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান, বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার, ভোলার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, জেলার মনপুরা উপজেলা বাদে সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, ভোলা সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি), ওয়াদুদ এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী জামিল হোসেন ওয়াদুদ এবং মহিষা এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ শহীদসহ মোট ১৫ জনকে বিবাদী (রেসপনডেন্ট) হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: শিবচরে সংবাদ সংগ্রহে সাংবাদিকদের উপর হামলা ও প্রাণনাশের হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

উচ্চ আদালতের আদেশে ভোলা সদর উপজেলার মেঘনা নদীর তীরে অবস্থিত আলোচিত মেঘনা বালুমহাল দুটি থেকে অবিলম্বে সব ধরনের বালু উত্তোলন বন্ধের কঠোর নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

এছাড়া ৩ ও ৪ নম্বর বিবাদীকে (বিআইডব্লিউটিএ এবং বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার) একটি বিশেষ কমিটি গঠন করে মেঘনা নদীর সঠিক হাইড্রোগ্রাফিক জরিপ পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জরিপের মাধ্যমে বালুমহাল গেজেট থেকে অস্তিত্বহীন 'মেঘনা বালুমহাল-৩ ও ৪' স্থায়ীভাবে বাদ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং আগামী ৯০ দিনের মধ্যে এ সংক্রান্ত স্ট্যাটাস রিপোর্ট আদালতে জমা দিতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে, তীব্র নদীভাঙন থেকে ভোলা জেলাকে রক্ষা করতে নদী থেকে সব ধরনের ড্রেজার ও যন্ত্রপাতি অবিলম্বে অপসারণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নিয়োজিত করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজের উদ্যোগে সচেতনতামূলক র‍্যালি ডেঙ্গু প্রতিরোধে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:১৮ পি.এম


পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজের উদ্যোগে সচেতনতামূলক র‍্যালি ডেঙ্গু প্রতিরোধে

ডেঙ্গু প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধি এবং জনসচেতনতা সৃষ্টির জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজের উদ্যোগে একটি সচেতনতামূলক র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকালে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজের প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে র‍্যালিটি শুরু হয়। র‍্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে আবার একই স্থানে এসে শেষ হয়।

র‍্যালিতে অংশগ্রহণ করেন পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. মো. জিয়াউল করিম, অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ এবং সাধারণ শিক্ষার্থীরা। এ সময় ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়।

সমাবেশে চিকিৎসকরা উল্লেখ করেন, "ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।" তারা বলেন, যদি জনসাধারণ নিজ নিজ বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখে, কোথাও জমে থাকা পানি জমতে না দেয় এবং ঘুমানোর সময় মশারির ব্যবহার নিশ্চিত করে, তবে এই মশাবাহিত রোগ থেকে সুরক্ষিত থাকা সম্ভব।

আয়োজকরা জানান, এ কর্মসূচির আওতায় পরবর্তী দুই দিন পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে বিশেষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি পালিত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাউজানে চাঁদের গাড়ির বেপরোয়া দাপটে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:১৯ পি.এম


রাউজানে চাঁদের গাড়ির বেপরোয়া দাপটে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক

চট্টগ্রামের রাউজানে সাধারণ যাত্রীরা চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন, কারণ বেপরোয়া চাঁদের গাড়ির (জিপ) চলাচল বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রতিদিন এই চাঁদের গাড়িগুলো বেপরোয়া গতিতে চলাচল করে, যার ফলে স্কুল, কলেজ এবং মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা আতঙ্কিত হয়ে থাকেন। স্থানীয়দের মুখে এখন একটি প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে- চাঁদের গাড়ির এই দাপট বন্ধ করবে কে?

সরেজমিনে পরিদর্শন করে দেখা গেছে, রাউজানের ব্যস্ততম হাফেজ বজলুর রহমান সড়ক, শহীদ জাফর সড়ক, নোয়াপাড়া সেকশন-১ ও ২ সড়ক, মাওলানা দোস্ত মো. সড়ক, অদুদিয়া সড়ক, হযরত এয়াছিনশাহ সড়ক, বাগোয়ানের বিভিন্ন উপ-সড়ক, নোয়াপাড়া, উরকিরচর, চিকদাইর, নোয়াজিষপুর, কদলপুর, পাহাড়তলী, ডাবুয়া, হলদিয়া, বিনাজুরি, বাগোয়ান, পূর্ব গুজরা, পশ্চিম গুজরা, পৌর এলাকা, কাপ্তাই সড়ক, রাঙ্গামাটি সড়ক এবং হলদিয়া ভিলেজ সড়কসহ গ্রামীণ সড়কগুলোতে চাঁদের গাড়ির দাপট দিন দিন বাড়ছে।

প্রতিটি সড়কে অদক্ষ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক চালকদের বেপরোয়া গতির কারণে পথচারীরা আতঙ্কিত হয়ে থাকেন। বিশেষ করে নম্বরহীন চাঁদের গাড়িগুলো বালি, ইটসহ বিভিন্ন নির্মাণসামগ্রী পরিবহন করছে। ভোর ৫টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত সড়কজুড়ে এসব চাঁদের গাড়ির মধ্যে প্রতিযোগিতা চলে। সকালে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের সময় চাঁদের গাড়ির বেপরোয়া গতির কারণে তারা সবচেয়ে বেশি আতঙ্কিত হন।

নথি সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ২৪ ডিসেম্বর বেপরোয়া গতির চাঁদের গাড়ির ধাক্কায় এয়াছিনশাহ সড়কের ফকিরটিলা এয়াছিন্নগর আদর্শ স্কুলের সামনে প্রাণ হারান এয়াছিনশাহ কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র মো. জাবেদ। এর দুবছর আগে একই সড়কে স্বাস্থ্যসেবা ফাউন্ডেশনের সামনে চাঁদের গাড়ির ধাক্কায় প্রাণ হারান এক ফার্নিচার মিস্ত্রি। প্রতিদিন এসব বেপরোয়া গতির গাড়ির ধাক্কায় বহু মানুষ আহত হচ্ছেন। অনেকেই আমৃত্যু পঙ্গুত্ববরণসহ নানাবিধ শারীরিক জটিলতায় শয্যাশায়ী হয়ে পরিবারের বোঝা হয়ে পড়ছেন এবং তুচ্ছতাচ্ছিল্যের শিকার হচ্ছেন। অনেকের উপার্জনের পথ হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়তে হচ্ছে, চিকিৎসায় সহায় সম্বল হারিয়ে পরিবারের ভরণপোষণের জন্য সমাজের দ্বারে দ্বারে ধর্না দিতে হচ্ছে। এমনকি চাঁদের গাড়ির ধাক্কা থেকে রক্ষা পাচ্ছে না গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগিসহ বিভিন্ন গৃহপালিত প্রাণীও।

এদিকে গত ৮ সেপ্টেম্বর সকালে নিজ বাড়ি থেকে ভিলেজ সড়ক হয়ে মোটরবাইক নিয়ে কর্মস্থলে যাচ্ছিলেন গর্জনিয়া রহমানিয়া ফাজিল মাদ্রাসার এবতেদায়ী শাখার প্রধান মাওলানা মুহাম্মদ দিদারুল আলম। বিপরীত দিক থেকে বেপরোয়া গতিতে আসা একটি চাঁদের গাড়ির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ থেকে অলৌকিকভাবে প্রাণে রক্ষা পান তিনি। তিনি বলেন, "ট্রাক ও জিপ গাড়ির অদক্ষ চালকদের গাড়ি চালানোর সময় এক হাতে মোবাইল ফোনে কথা বলতে দেখা যায়। এতেই ঘটে যায় মারাত্মক দুর্ঘটনা।"

আজ ১০ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) দুপুরে নম্বরবিহীন এসব চাঁদের গাড়ির বিষয়ে জানতে চাইলে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, লেখক ও গবেষক এবং রাউজান এয়াছিনশাহ কলেজের সহকারী অধ্যাপক ড. বিকিরণ বড়ুয়া বলেন, "একটি দুর্ঘটনা পরিবার, সমাজ, দেশ ও সমগ্র জাতির জন্য এক বিশাল ক্ষতি।" তিনি আরও জানান, "এগুলো অবৈধ গাড়ির লাইসেন্স, চালকের লাইসেন্স ও রোড পারমিটের বিষয়গুলো দেখভাল করার দায়িত্ব সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের। কিন্তু আমাদের দেশে আইন বা আইনের ধারাগুলো গেজেটেই সীমাবদ্ধ, প্রয়োগ নেই বললেই চলে।"

অধ্যাপক ড. বিকিরণ বড়ুয়া বলেন, "অর্থ উপার্জনের জন্য অবৈধ গাড়িগুলো সড়কে চলাচল করলেও তা রোধে সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে কঠোরভাবে এগিয়ে আসতে হবে। অন্যথায় দুর্ঘটনা ঘটতেই থাকবে এবং তরতাজা প্রাণ ঝরতে থাকবে।" তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "আমাদের প্রতিটি বিভাগে তদারকির অভাব রয়েছে। এটি পূরণ করতে হলে শতভাগ সততার পাশাপাশি দেশপ্রেম লাগবে। একটি তাজা প্রাণ ঝরে যাওয়া মানে দেশের সম্পদ ঝরে যাওয়া, যা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।"

তিনি উল্লেখ করেন, "মেয়াদউত্তীর্ণ এসব চাঁদের গাড়ি ৭০ বা ৮০-র দশকের। এখন এগুলোর সড়কে চলার বৈধ রোড পারমিট আছে বলে আমি মনে করি না। তাই এগুলো সড়ক থেকে উচ্ছেদ করা দরকার এবং দুর্ঘটনা রোধে এসব যান বন্ধ করা এখন সময়ের দাবি।"

নম্বরবিহীন ও ফিটনেসবিহীন এসব চাঁদের গাড়ির বিরুদ্ধে অবিলম্বে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবি জানিয়েছেন এলাকার ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাগুরায় মোটরসাইকেল আরোহীকে চাপা দিল সড়ক ও জনপথের ট্রাক, নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:১৯ পি.এম


মাগুরায় মোটরসাইকেল আরোহীকে চাপা দিল সড়ক ও জনপথের ট্রাক, নিহত

মাগুরায় একটি ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে নিহত হয়েছেন বাসারুল মোল্লা (৪৫) নামে এক মোটরসাইকেল আরোহী। নিহত বাসারুল মোল্লা ছিলেন পারনান্দুয়ালী মোল্লাপাড়া এলাকার মৃত সাত্তার মোল্লার পুত্র।

স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সকাল সাড়ে ৮টার সময় বাসারুল মোল্লা নিজ বাড়ি থেকে মোটরসাইকেল নিয়ে ধানের মিলে ধান ভাঙানোর জন্য বের হন। তিনি যখন মাগুরা সড়ক ও জনপথ (সওজ) অফিসের সামনে পৌঁছান, তখন বিপরীত দিক থেকে আসা সওজ বিভাগের একটি দ্রুত গতির পানি বহনকারী ট্রাক তাঁকে চাপা দেয়। এই দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু ঘটে।

দুর্ঘটনার পর ট্রাকের চালক পালিয়ে যাওয়ার পর স্থানীয় জনতা বিক্ষুব্ধ হয়ে পানি বহনকারী ট্রাকটি ভাঙচুর করতে শুরু করে। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং মরদেহ উদ্ধার করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভ্যান দে জান্টসখুল্পকে হারিয়ে সেমিফাইনালে পৌঁছালেন জভেরেভ ইউএস ওপেনে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:২০ পি.এম


ভ্যান দে জান্টসখুল্পকে হারিয়ে সেমিফাইনালে পৌঁছালেন জভেরেভ ইউএস ওপেনে

অষ্টম বাছাই আলেকজান্ডার জভেরেভ ইউএস ওপেনের সেমিফাইনালে পৌঁছেছেন বোটিক ভ্যান দে জান্টসখুল্পকে ৬-২, ৭-৫, ৬-১ গেমে পরাজিত করে।

আর্থার অ্যাশ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে জার্মান তারকা জভেরেভ সরাসরি তিন সেটে জয়লাভ করেন। ম্যাচটি চলাকালীন তিনি ২ ঘণ্টা ১৬ মিনিট সময় কাটান এবং একবারও নিজের সার্ভিস হারাননি।

জভেরেভ পুরো ম্যাচে ৯৪ পয়েন্ট অর্জন করেন, যেখানে ভ্যান দে জান্টসখুল্পের পয়েন্ট ছিল ৭১। জার্মান খেলোয়াড় ১৩টি সার্ভিস গেমের সবগুলোই জিতেছেন। অন্যদিকে, ভ্যান দে জান্টসখুল্প জভেরেভের সার্ভ ভাঙার জন্য ৯টি সুযোগ পেয়েও কোনোটি কাজে লাগাতে পারেননি। জভেরেভ নিজে ছয়টি ব্রেক পয়েন্টের সুযোগ পেয়েছিলেন এবং সেগুলোও কাজে লাগিয়েছেন।

প্রথম সেটের শুরু থেকেই জভেরেভ ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেন। তিনি ৬২ শতাংশ প্রথম সার্ভ মাঠে রাখেন এবং প্রথম সার্ভ থেকে ৮১ শতাংশ পয়েন্ট অর্জন করেন। ভ্যান দে জান্টসখুল্পের প্রথম সার্ভ ঢোকার হার ছিল মাত্র ৫০ শতাংশ। জভেরেভ দুইবার প্রতিপক্ষের সার্ভ ভেঙে ৩৭ মিনিটের মধ্যে ৬-২ গেমে সেটটি জিতে নেন।

দ্বিতীয় সেটে কিছুটা প্রতিযোগিতা দেখা যায়। ভ্যান দে জান্টসখুল্প সার্ভ ও রিটার্নে উন্নতি করলেও গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে জভেরেভ এগিয়ে ছিলেন। তিনি ৮৩ শতাংশ প্রথম সার্ভ মাঠে রাখেন এবং দুটি ব্রেক পয়েন্টও বাঁচিয়ে দেন। একবার প্রতিপক্ষের সার্ভ ভেঙে ৬৪ মিনিটের সেটটি ৭-৫ গেমে জিতে নেন জভেরেভ।

তৃতীয় সেটে জভেরেভ আর কোনো সুযোগ দেননি। তিনি প্রথম সার্ভ থেকে ৯০ শতাংশ পয়েন্ট জিতেছেন এবং দ্বিতীয় সার্ভ থেকেও ৫০ শতাংশ পয়েন্ট নিজের করে নেন। ভ্যান দে জান্টসখুল্পের দ্বিতীয় সার্ভে ৮১ শতাংশ রিটার্ন পয়েন্ট জিতে চাপ বাড়াতে থাকেন তিনি। তিনবার সার্ভ ভেঙে ৬-১ গেমে সেট জয়লাভ করে ম্যাচটি নিজের করে নেন জভেরেভ।

জভেরেভ সার্ভিসে পুরো ম্যাচজুড়ে শক্তিশালী ছিলেন। তাঁর প্রথম সার্ভ ঢোকার হার ছিল ৭০ শতাংশ, যেখানে ভ্যান দে জান্টসখুল্পের ৫৩ শতাংশ। প্রথম সার্ভ থেকে জভেরেভ ৭৭ শতাংশ এবং দ্বিতীয় সার্ভ থেকে ৪৬ শতাংশ পয়েন্ট জিতেছেন। যদিও ডাবল ফল্টে তিনি এগিয়ে ছিলেন—জভেরেভের ৭টির বিপরীতে ডাচ খেলোয়াড়টির ৩টি। তবে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তাঁর প্রথম সার্ভের কার্যকারিতা ম্যাচের নিয়ন্ত্রণে রেখেছে।

রিটার্নে জভেরেভ বড় পার্থক্য গড়ে দেন। তিনি মোট ৩৬টি রিটার্ন পয়েন্ট জিতেছেন, ভ্যান দে জান্টসখুল্পের ২৮টি। বিশেষ করে দ্বিতীয় সার্ভে ৬২ শতাংশ রিটার্ন পয়েন্ট জিতে প্রতিপক্ষের ওপর নিয়মিত চাপ তৈরি করেছেন জার্মান তারকা। ভ্যান দে জান্টসখুল্প জভেরেভের নয়টি ব্রেক পয়েন্টের সুযোগ তৈরি করেও একটিও কাজে লাগাতে পারেননি।

শটের হিসাবে ভ্যান দে জান্টসখুল্প কিছুটা এগিয়ে ছিলেন। তাঁর উইনার ২৪টি, জভেরেভের ১৮টি। কিন্তু ভুলের জায়গায় বড় ব্যবধান তৈরি হয়। জভেরেভের মোট ভুল ছিল ১৬টি, যেখানে ডাচ খেলোয়াড়ের ৩৭টি। আনফোর্সড এররেও জভেরেভ এগিয়ে ছিলেন ২৮-৩৫ ব্যবধানে। ফলে বেশি উইনার মেরেও ভ্যান দে জান্টসখুল্প ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে পারেননি।

ম্যাচে টানা সর্বোচ্চ সাত পয়েন্ট এবং টানা ছয় গেম জেতার রেকর্ডও ছিল জভেরেভের। দ্বিতীয় সেটের শেষ ভাগ থেকে তৃতীয় সেটে তাঁর এই দাপটই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়। শেষ পর্যন্ত কোনো টাইব্রেকারের প্রয়োজন হয়নি। ১৯-৮ গেমের ব্যবধানে ম্যাচ জিতে ইউএস ওপেনের সেমিফাইনালে উঠে গেলেন জভেরেভ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%