বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:১৮ পি.এম
ডেঙ্গু প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধি এবং জনসচেতনতা সৃষ্টির জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজের উদ্যোগে একটি সচেতনতামূলক র্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকালে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজের প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে র্যালিটি শুরু হয়। র্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে আবার একই স্থানে এসে শেষ হয়।
র্যালিতে অংশগ্রহণ করেন পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. মো. জিয়াউল করিম, অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ এবং সাধারণ শিক্ষার্থীরা। এ সময় ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়।
সমাবেশে চিকিৎসকরা উল্লেখ করেন, "ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।" তারা বলেন, যদি জনসাধারণ নিজ নিজ বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখে, কোথাও জমে থাকা পানি জমতে না দেয় এবং ঘুমানোর সময় মশারির ব্যবহার নিশ্চিত করে, তবে এই মশাবাহিত রোগ থেকে সুরক্ষিত থাকা সম্ভব।
আয়োজকরা জানান, এ কর্মসূচির আওতায় পরবর্তী দুই দিন পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে বিশেষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি পালিত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের রাউজানে সাধারণ যাত্রীরা চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন, কারণ বেপরোয়া চাঁদের গাড়ির (জিপ) চলাচল বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রতিদিন এই চাঁদের গাড়িগুলো বেপরোয়া গতিতে চলাচল করে, যার ফলে স্কুল, কলেজ এবং মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা আতঙ্কিত হয়ে থাকেন। স্থানীয়দের মুখে এখন একটি প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে- চাঁদের গাড়ির এই দাপট বন্ধ করবে কে?
সরেজমিনে পরিদর্শন করে দেখা গেছে, রাউজানের ব্যস্ততম হাফেজ বজলুর রহমান সড়ক, শহীদ জাফর সড়ক, নোয়াপাড়া সেকশন-১ ও ২ সড়ক, মাওলানা দোস্ত মো. সড়ক, অদুদিয়া সড়ক, হযরত এয়াছিনশাহ সড়ক, বাগোয়ানের বিভিন্ন উপ-সড়ক, নোয়াপাড়া, উরকিরচর, চিকদাইর, নোয়াজিষপুর, কদলপুর, পাহাড়তলী, ডাবুয়া, হলদিয়া, বিনাজুরি, বাগোয়ান, পূর্ব গুজরা, পশ্চিম গুজরা, পৌর এলাকা, কাপ্তাই সড়ক, রাঙ্গামাটি সড়ক এবং হলদিয়া ভিলেজ সড়কসহ গ্রামীণ সড়কগুলোতে চাঁদের গাড়ির দাপট দিন দিন বাড়ছে।
প্রতিটি সড়কে অদক্ষ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক চালকদের বেপরোয়া গতির কারণে পথচারীরা আতঙ্কিত হয়ে থাকেন। বিশেষ করে নম্বরহীন চাঁদের গাড়িগুলো বালি, ইটসহ বিভিন্ন নির্মাণসামগ্রী পরিবহন করছে। ভোর ৫টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত সড়কজুড়ে এসব চাঁদের গাড়ির মধ্যে প্রতিযোগিতা চলে। সকালে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের সময় চাঁদের গাড়ির বেপরোয়া গতির কারণে তারা সবচেয়ে বেশি আতঙ্কিত হন।
নথি সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ২৪ ডিসেম্বর বেপরোয়া গতির চাঁদের গাড়ির ধাক্কায় এয়াছিনশাহ সড়কের ফকিরটিলা এয়াছিন্নগর আদর্শ স্কুলের সামনে প্রাণ হারান এয়াছিনশাহ কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র মো. জাবেদ। এর দুবছর আগে একই সড়কে স্বাস্থ্যসেবা ফাউন্ডেশনের সামনে চাঁদের গাড়ির ধাক্কায় প্রাণ হারান এক ফার্নিচার মিস্ত্রি। প্রতিদিন এসব বেপরোয়া গতির গাড়ির ধাক্কায় বহু মানুষ আহত হচ্ছেন। অনেকেই আমৃত্যু পঙ্গুত্ববরণসহ নানাবিধ শারীরিক জটিলতায় শয্যাশায়ী হয়ে পরিবারের বোঝা হয়ে পড়ছেন এবং তুচ্ছতাচ্ছিল্যের শিকার হচ্ছেন। অনেকের উপার্জনের পথ হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়তে হচ্ছে, চিকিৎসায় সহায় সম্বল হারিয়ে পরিবারের ভরণপোষণের জন্য সমাজের দ্বারে দ্বারে ধর্না দিতে হচ্ছে। এমনকি চাঁদের গাড়ির ধাক্কা থেকে রক্ষা পাচ্ছে না গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগিসহ বিভিন্ন গৃহপালিত প্রাণীও।
এদিকে গত ৮ সেপ্টেম্বর সকালে নিজ বাড়ি থেকে ভিলেজ সড়ক হয়ে মোটরবাইক নিয়ে কর্মস্থলে যাচ্ছিলেন গর্জনিয়া রহমানিয়া ফাজিল মাদ্রাসার এবতেদায়ী শাখার প্রধান মাওলানা মুহাম্মদ দিদারুল আলম। বিপরীত দিক থেকে বেপরোয়া গতিতে আসা একটি চাঁদের গাড়ির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ থেকে অলৌকিকভাবে প্রাণে রক্ষা পান তিনি। তিনি বলেন, "ট্রাক ও জিপ গাড়ির অদক্ষ চালকদের গাড়ি চালানোর সময় এক হাতে মোবাইল ফোনে কথা বলতে দেখা যায়। এতেই ঘটে যায় মারাত্মক দুর্ঘটনা।"
আজ ১০ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) দুপুরে নম্বরবিহীন এসব চাঁদের গাড়ির বিষয়ে জানতে চাইলে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, লেখক ও গবেষক এবং রাউজান এয়াছিনশাহ কলেজের সহকারী অধ্যাপক ড. বিকিরণ বড়ুয়া বলেন, "একটি দুর্ঘটনা পরিবার, সমাজ, দেশ ও সমগ্র জাতির জন্য এক বিশাল ক্ষতি।" তিনি আরও জানান, "এগুলো অবৈধ গাড়ির লাইসেন্স, চালকের লাইসেন্স ও রোড পারমিটের বিষয়গুলো দেখভাল করার দায়িত্ব সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের। কিন্তু আমাদের দেশে আইন বা আইনের ধারাগুলো গেজেটেই সীমাবদ্ধ, প্রয়োগ নেই বললেই চলে।"
অধ্যাপক ড. বিকিরণ বড়ুয়া বলেন, "অর্থ উপার্জনের জন্য অবৈধ গাড়িগুলো সড়কে চলাচল করলেও তা রোধে সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে কঠোরভাবে এগিয়ে আসতে হবে। অন্যথায় দুর্ঘটনা ঘটতেই থাকবে এবং তরতাজা প্রাণ ঝরতে থাকবে।" তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "আমাদের প্রতিটি বিভাগে তদারকির অভাব রয়েছে। এটি পূরণ করতে হলে শতভাগ সততার পাশাপাশি দেশপ্রেম লাগবে। একটি তাজা প্রাণ ঝরে যাওয়া মানে দেশের সম্পদ ঝরে যাওয়া, যা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।"
তিনি উল্লেখ করেন, "মেয়াদউত্তীর্ণ এসব চাঁদের গাড়ি ৭০ বা ৮০-র দশকের। এখন এগুলোর সড়কে চলার বৈধ রোড পারমিট আছে বলে আমি মনে করি না। তাই এগুলো সড়ক থেকে উচ্ছেদ করা দরকার এবং দুর্ঘটনা রোধে এসব যান বন্ধ করা এখন সময়ের দাবি।"
নম্বরবিহীন ও ফিটনেসবিহীন এসব চাঁদের গাড়ির বিরুদ্ধে অবিলম্বে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবি জানিয়েছেন এলাকার ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাগুরায় একটি ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে নিহত হয়েছেন বাসারুল মোল্লা (৪৫) নামে এক মোটরসাইকেল আরোহী। নিহত বাসারুল মোল্লা ছিলেন পারনান্দুয়ালী মোল্লাপাড়া এলাকার মৃত সাত্তার মোল্লার পুত্র।
স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সকাল সাড়ে ৮টার সময় বাসারুল মোল্লা নিজ বাড়ি থেকে মোটরসাইকেল নিয়ে ধানের মিলে ধান ভাঙানোর জন্য বের হন। তিনি যখন মাগুরা সড়ক ও জনপথ (সওজ) অফিসের সামনে পৌঁছান, তখন বিপরীত দিক থেকে আসা সওজ বিভাগের একটি দ্রুত গতির পানি বহনকারী ট্রাক তাঁকে চাপা দেয়। এই দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু ঘটে।
দুর্ঘটনার পর ট্রাকের চালক পালিয়ে যাওয়ার পর স্থানীয় জনতা বিক্ষুব্ধ হয়ে পানি বহনকারী ট্রাকটি ভাঙচুর করতে শুরু করে। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং মরদেহ উদ্ধার করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অষ্টম বাছাই আলেকজান্ডার জভেরেভ ইউএস ওপেনের সেমিফাইনালে পৌঁছেছেন বোটিক ভ্যান দে জান্টসখুল্পকে ৬-২, ৭-৫, ৬-১ গেমে পরাজিত করে।
আর্থার অ্যাশ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে জার্মান তারকা জভেরেভ সরাসরি তিন সেটে জয়লাভ করেন। ম্যাচটি চলাকালীন তিনি ২ ঘণ্টা ১৬ মিনিট সময় কাটান এবং একবারও নিজের সার্ভিস হারাননি।
জভেরেভ পুরো ম্যাচে ৯৪ পয়েন্ট অর্জন করেন, যেখানে ভ্যান দে জান্টসখুল্পের পয়েন্ট ছিল ৭১। জার্মান খেলোয়াড় ১৩টি সার্ভিস গেমের সবগুলোই জিতেছেন। অন্যদিকে, ভ্যান দে জান্টসখুল্প জভেরেভের সার্ভ ভাঙার জন্য ৯টি সুযোগ পেয়েও কোনোটি কাজে লাগাতে পারেননি। জভেরেভ নিজে ছয়টি ব্রেক পয়েন্টের সুযোগ পেয়েছিলেন এবং সেগুলোও কাজে লাগিয়েছেন।
প্রথম সেটের শুরু থেকেই জভেরেভ ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেন। তিনি ৬২ শতাংশ প্রথম সার্ভ মাঠে রাখেন এবং প্রথম সার্ভ থেকে ৮১ শতাংশ পয়েন্ট অর্জন করেন। ভ্যান দে জান্টসখুল্পের প্রথম সার্ভ ঢোকার হার ছিল মাত্র ৫০ শতাংশ। জভেরেভ দুইবার প্রতিপক্ষের সার্ভ ভেঙে ৩৭ মিনিটের মধ্যে ৬-২ গেমে সেটটি জিতে নেন।
দ্বিতীয় সেটে কিছুটা প্রতিযোগিতা দেখা যায়। ভ্যান দে জান্টসখুল্প সার্ভ ও রিটার্নে উন্নতি করলেও গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে জভেরেভ এগিয়ে ছিলেন। তিনি ৮৩ শতাংশ প্রথম সার্ভ মাঠে রাখেন এবং দুটি ব্রেক পয়েন্টও বাঁচিয়ে দেন। একবার প্রতিপক্ষের সার্ভ ভেঙে ৬৪ মিনিটের সেটটি ৭-৫ গেমে জিতে নেন জভেরেভ।
তৃতীয় সেটে জভেরেভ আর কোনো সুযোগ দেননি। তিনি প্রথম সার্ভ থেকে ৯০ শতাংশ পয়েন্ট জিতেছেন এবং দ্বিতীয় সার্ভ থেকেও ৫০ শতাংশ পয়েন্ট নিজের করে নেন। ভ্যান দে জান্টসখুল্পের দ্বিতীয় সার্ভে ৮১ শতাংশ রিটার্ন পয়েন্ট জিতে চাপ বাড়াতে থাকেন তিনি। তিনবার সার্ভ ভেঙে ৬-১ গেমে সেট জয়লাভ করে ম্যাচটি নিজের করে নেন জভেরেভ।
জভেরেভ সার্ভিসে পুরো ম্যাচজুড়ে শক্তিশালী ছিলেন। তাঁর প্রথম সার্ভ ঢোকার হার ছিল ৭০ শতাংশ, যেখানে ভ্যান দে জান্টসখুল্পের ৫৩ শতাংশ। প্রথম সার্ভ থেকে জভেরেভ ৭৭ শতাংশ এবং দ্বিতীয় সার্ভ থেকে ৪৬ শতাংশ পয়েন্ট জিতেছেন। যদিও ডাবল ফল্টে তিনি এগিয়ে ছিলেন—জভেরেভের ৭টির বিপরীতে ডাচ খেলোয়াড়টির ৩টি। তবে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তাঁর প্রথম সার্ভের কার্যকারিতা ম্যাচের নিয়ন্ত্রণে রেখেছে।
রিটার্নে জভেরেভ বড় পার্থক্য গড়ে দেন। তিনি মোট ৩৬টি রিটার্ন পয়েন্ট জিতেছেন, ভ্যান দে জান্টসখুল্পের ২৮টি। বিশেষ করে দ্বিতীয় সার্ভে ৬২ শতাংশ রিটার্ন পয়েন্ট জিতে প্রতিপক্ষের ওপর নিয়মিত চাপ তৈরি করেছেন জার্মান তারকা। ভ্যান দে জান্টসখুল্প জভেরেভের নয়টি ব্রেক পয়েন্টের সুযোগ তৈরি করেও একটিও কাজে লাগাতে পারেননি।
শটের হিসাবে ভ্যান দে জান্টসখুল্প কিছুটা এগিয়ে ছিলেন। তাঁর উইনার ২৪টি, জভেরেভের ১৮টি। কিন্তু ভুলের জায়গায় বড় ব্যবধান তৈরি হয়। জভেরেভের মোট ভুল ছিল ১৬টি, যেখানে ডাচ খেলোয়াড়ের ৩৭টি। আনফোর্সড এররেও জভেরেভ এগিয়ে ছিলেন ২৮-৩৫ ব্যবধানে। ফলে বেশি উইনার মেরেও ভ্যান দে জান্টসখুল্প ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে পারেননি।
ম্যাচে টানা সর্বোচ্চ সাত পয়েন্ট এবং টানা ছয় গেম জেতার রেকর্ডও ছিল জভেরেভের। দ্বিতীয় সেটের শেষ ভাগ থেকে তৃতীয় সেটে তাঁর এই দাপটই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়। শেষ পর্যন্ত কোনো টাইব্রেকারের প্রয়োজন হয়নি। ১৯-৮ গেমের ব্যবধানে ম্যাচ জিতে ইউএস ওপেনের সেমিফাইনালে উঠে গেলেন জভেরেভ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বুধবার জানিয়েছেন, যদি আগামী নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানরা কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে সক্ষম হয়, তাহলে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিককে পাঁচ হাজার ডলার করে দেবেন। এই অর্থকে তিনি ‘ট্রাম্প ডিভিডেন্ড’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
ভোটারদের রিপাবলিকানদের ভোট দিতে উৎসাহিত করার উদ্দেশ্যে তিনি এই ঘোষণা দিয়েছেন। রিপাবলিকানদের মধ্যবর্তী নির্বাচনী সম্মেলনে ট্রাম্প এই বক্তব্য রাখেন। তবে এই টাকা কিভাবে বিতরণ করা হবে এবং এটি আইনগতভাবে সম্ভব কি না, সে সম্পর্কে এখনও পরিষ্কার কোনো তথ্য নেই। যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ২৭ কোটি প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিক রয়েছেন।
সুতরাং, যদি প্রত্যেককে পাঁচ হাজার ডলার করে দেওয়া হয়, তাহলে মোট খরচ হবে প্রায় ১.৩৫ ট্রিলিয়ন ডলার। প্রায় ১ ঘণ্টা ৪৫ মিনিটের বক্তৃতায় ট্রাম্প বলেন, প্রেসিডেন্ট হিসেবে তার গত দুই বছর ছিল ইতিহাসের সেরা দুই বছর। যদিও তার জনপ্রিয়তা কিছুটা কমে গেছে, তবে তিনি নির্বাচনী প্রচারে নিজেকে সামনে রেখেছেন। তবে তার এই বক্তব্য দোদুল্যমান ভোটারদের উপর কতটা প্রভাব ফেলবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
জরিপে দেখা গেছে, দ্রব্যমূল্য ও জীবনযাত্রার খরচ বৃদ্ধি এবং ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের আশঙ্কার কারণে অনেক ভোটার ট্রাম্পের দল থেকে দূরে সরে গেছেন। ট্রাম্প বলেন, ডেমোক্র্যাটরা ক্ষমতায় এলে আমেরিকার জন্য বড় সমস্যা তৈরি হবে। তাই তিনি সকলকে রিপাবলিকানদের ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। ডালাসে দুই দিন ধরে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বৃহস্পতিবার ট্রাম্প সম্মেলনের শেষ বক্তব্য দেবেন।
এর আগে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বক্তব্য দেবেন। এই সম্মেলনে ট্রাম্পকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। রিপাবলিকান ন্যাশনাল কমিটির চেয়ারম্যান জো গ্রুটার্স সম্মেলনটির নাম দিয়েছেন ‘ট্রাম্পাপালুজা’, যা জনপ্রিয় সঙ্গীত উৎসব ‘লোলাপালুজা’-এর নাম থেকে নেওয়া হয়েছে।
ট্রাম্প আশা করছেন, দুই বছর আগে যারা তাকে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করেছিলেন, তারা আবার তাকে এবং তার দলকে ভোট দেবেন। নির্বাচনের জন্য এখনো আট সপ্তাহ বাকি রয়েছে। এই সময়ে ট্রাম্প গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যগুলোতে কয়েকবার যাওয়ার পরিকল্পনা করেছেন।
ট্রাম্প বলেন, ‘এমনভাবে ভাবুন, যেন আমিই নির্বাচনে প্রার্থী।’ ট্রাম্পকে এত বেশি সামনে রাখায় কিছু রিপাবলিকান প্রার্থী সমস্যায় পড়েছেন। কঠিন নির্বাচনে জিততে হলে তাদের ট্রাম্পের কাছ থেকে কিছুটা দূরে থাকতে হতে পারে। তবে তারা ট্রাম্পের সমর্থকদেরও হারাতে চান না।
এই কারণে কিছু রিপাবলিকান নেতা সম্মেলনে উপস্থিত হননি। তাদের মধ্যে মিশিগানের টম ব্যারেট, আলাস্কার ড্যান সুলিভান এবং মেইনের সুসান কলিন্স রয়েছেন। তারা সবাই কঠিন নির্বাচনী লড়াইয়ের মুখোমুখি।
তবে কিছু রিপাবলিকান নেতা সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন। অন্তত ১৬ জন প্রার্থীর সেখানে বক্তব্য দেওয়ার কথা ছিল। বুধবার টেক্সাসের অ্যাটর্নি জেনারেল কেন প্যাক্সটন এবং ওহাইওর সিনেটর জন হাস্টেড বক্তব্য দেন। দুজনই গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী লড়াইয়ে রয়েছেন। ট্রাম্প দাবি করেন, ২১ হাজার আসনের পুরো অ্যারেনা মানুষে ভরা ছিল। কিন্তু তার বক্তব্যের সময় দেখা যায়, ওপরের গ্যালারির অনেক আসন খালি ছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ