মোঃ নাজির খান নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি,
০৭:০৬ পি.এম
১০ই অক্টোবর রোজ শনিবার দুপুর তিন ঘটিকার সময়, পশ্চিম তল্লা গ্রীন রোড মসজিদের পূর্ব পাশে, জিল্লু ব্যাকারি নামে একটি প্রতিষ্ঠান খুঁজে পাই, ভিতরে গিয়ে দেখতে পাই যে পরিবেশে রুটি ,বিস্কুট, কেক অন্যান্য খাদ্যদ্রব্য তৈরি করছেন যাহা নোংরা পরিবেশে ,খাওয়ার উপযোগী নয়, এই পরিবেশে বিএসটিআই অনুমতি কিভাবে পায়, তাহা আমার আশ্চর্য বলে মনে হলো, আমাকে তারা কোন কাগজপত্র দেখাতে পারেনি, এমন অবস্থায় মুঠোফোনে বেকারির মালিক নাঈম এর সাথে কথা বললে, তিনি জানান আপনারা বি এস টি আইতে গিয়ে খবর নেন, ম্যানেজারের নাম মোক্তার হোসেন, আরো কর্মচারী আছে প্রায় আট জন, সবাই নোংরা ভাবে এ ফ্যাক্টরিতে কাজ করে যাচ্ছে, তাদের বাহিরে কোন প্রতিষ্ঠানের নামে কোন সাইনবোর্ড বা বেষ্টন নাই, তাই কিভাবে তারা এই ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে, আমাদেরকে কি খাওয়াচ্ছে তারা, জেলা প্রশাসক মহোদয়ের দিকে আমাদের আবেদন, উক্ত বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে তাদেরকে আইনের ব্যবস্থা আনা হোক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেত্রকোনার বারহাট্টায় ‘খাকি ন্যাচারোপ্যাথিক কেয়ার’ প্রতিষ্ঠানের রশিদ আহমেদ খাকির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, তিনি নিবন্ধন ছাড়া ক্যানসার, কিডনি রোগ ও ডায়াবেটিসের মতো জটিল রোগের চিকিৎসা প্রদান করেছেন।
প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে এসব জটিল রোগের চিকিৎসার প্রচারণা চালানোর অভিযোগও রয়েছে।
এ ঘটনায় শুক্রবার (৯ অক্টোবর) তার চেম্বারে অভিযান চালিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন। একই সঙ্গে তার চেম্বার ও চিকিৎসা কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়।
বারহাট্টা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাজেদুল ইসলাম আসমা ব্রিজের পাশে অবস্থিত দুলাল মিয়ার বাসায় ওই চেম্বারে অভিযান পরিচালনা করেন।
এদিকে, ওই প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসা নিতে গিয়ে কয়েকজন রোগী আর্থিক ক্ষতি ও শারীরিক ভোগান্তির শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রশিদ আহমেদ খাকির সম্পৃক্ততা রয়েছে কেএন কেয়ার (খাকি ন্যাচারোপ্যাথিক কেয়ার) নামের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে। অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি নিজেকে চিকিৎসক ও পরামর্শক পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা ও ওষুধ ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ক্যানসার, কিডনি রোগ ও ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন জটিল রোগের চিকিৎসার প্রচারণা চালানোর অভিযোগও উঠেছে।
তবে এসব রোগের চিকিৎসা দেওয়ার জন্য তার প্রয়োজনীয় পেশাগত যোগ্যতা, নিবন্ধন ও আইনগত অনুমোদন ছিল কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, রশিদ আহমেদ খাকি তার প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয় ঢাকার মিরপুরে বলে পরিচয় দিতেন। তার বাড়ি হবিগঞ্জে এবং তিনি বেশির ভাগ সময় নেত্রকোনায় অবস্থান করতেন বলেও জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
বারহাট্টার আসমা গ্রামের জালাল মিয়া অভিযোগ করে বলেন, এক ব্যক্তি তার স্ত্রীকে বুঝিয়ে ওই চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান। পরে প্রায় দুই হাজার টাকার ওষুধ কিনতে হয়। কিন্তু সেই ওষুধ সেবনে তার স্ত্রী কোনো উপকার পাননি; বরং শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হয়েছে।
কৈলাটি গ্রামের মো. বাবুল মিয়া বলেন, আমি ব্যথার চিকিৎসা করাতে গেলে তিনি আমার পুরো শরীর পরীক্ষা করে ওষুধ দেন। ওষুধ খাওয়ার পর আমার অবস্থা খুব খারাপ হয়ে যায়। পরে টাকা ফেরত চাইলে ১ হাজার ৬০০ টাকার মধ্যে ১ হাজার টাকা ফেরত দিয়েছেন। এই চিকিৎসক তো মানুষ মেরে ফেলবেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে রশিদ আহমেদ খাকি বলেন, আমি ওই রোগীকে এক হাজার টাকা ফেরত দিয়েছি। এটা তার প্রতি আমরা এহসান করেছি। কিন্তু চ্যালেঞ্জ করলে তিনি আমার কিছুই করতে পারবেন না।
স্থানীয় কিছু ব্যক্তির মাধ্যমে রোগীদের ভুল বুঝিয়ে তার কাছে নিয়ে আসার অভিযোগ অস্বীকার করে রশিদ আহমেদ খাকি বলেন, আমরা কোনো দালাল ব্যবহার করি না, রোগীরা এমনিতেই আসে।
এ বিষয়ে বারহাট্টা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাজেদুল ইসলাম বলেন, আসমা ব্রিজের পাশে একটি চেম্বারে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নিবন্ধিত চিকিৎসক না হয়েও বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা ও ব্যবস্থাপত্র (প্রেসক্রিপশন) দেওয়ার অপরাধে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইন, ২০১০-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় ২৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। পাশাপাশি, চেম্বারটি বন্ধ করে এর কার্যক্রম পরিচালনা না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শনিবার শিক্ষার্থীদের নিয়ে আয়োজিত একটি কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের জন্য চেন্নাইয়ে পৌঁছেছেন ভারতের লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। তবে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সাক্ষাতের পূর্বে তার জন্য একটি আরও গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচি ছিল—তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী সি. জোসেফ বিজয়ের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন।
দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চেন্নাই বিমানবন্দরে পৌঁছান রাহুল। এরপর তিনি বিজয়ের নীলাঙ্কারাইয়ের বাসভবনে যান। দুপুর দেড়টায় দুই নেতার মধ্যাহ্নভোজে বসার কথা ছিল। বিকালে আইল্যান্ড গ্রাউন্ডসে ‘মানাভারগালিন কুরাল’ বা ‘শিক্ষার্থীদের কণ্ঠ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেবেন রাহুল। পরীক্ষার চাপ, শিক্ষার ব্যয়, বেকারত্বসহ তরুণদের নানা সমস্যা নিয়ে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
দিল্লিতে যখন বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে ধরপাকড় চলছে, তখন শনিবারের বড় একটি অংশ চেন্নাইয়ে কাটানোর সিদ্ধান্ত রাহুলের সফরকে বাড়তি রাজনৈতিক তাৎপর্য দিয়েছে। দীর্ঘদিন পর তামিলনাড়ুতে এটি তার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক উপস্থিতি। একসময় জাতীয় পর্যায়ে কংগ্রেসের বিরোধী রাজনীতির কৌশলে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে থাকা এই রাজ্যে সাম্প্রতিক সময়ে রাহুলের উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্যভাবে কম।
২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে তামিলনাড়ু ও পুদুচেরির মোট ৪০টি আসনে ডিএমকে নেতৃত্বাধীন জোট জয়ী হয়েছে। তামিলনাড়ুতে কংগ্রেসের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা নয়টি আসনে দলটি জয় পেয়েছিল। কিন্তু এই সাফল্যের পরও কংগ্রেস কর্মীদের ধন্যবাদ জানাতে রাজনৈতিক সফরে রাজ্যটিতে ফেরেননি রাহুল। তার সীমিত উপস্থিতি নিয়ে রাজ্য কংগ্রেসের অভ্যন্তরে বারবার অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে। এমনকি দীর্ঘদিনের অংশীদার ডিএমকের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার সময়ও প্রত্যাশিত রাজনৈতিক সমাপ্তি দেখা যায়নি।
এরপর তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর ডিএমকের জোট ছেড়ে বিজয়ের সরকারে যোগ দেয় কংগ্রেস। তামিলনাড়ু কংগ্রেসের সভাপতি কে. সেলভাপেরুন্থাগাইয়ের মেয়াদে দলটি ডিএমকের সঙ্গে থাকবে, নাকি বিকল্প পথ বেছে নেবে—এ নিয়ে অভ্যন্তরীণ বিরোধ চলছিল। পরে তাকে সরিয়ে সভাপতি করা হয় মাণিকম ঠাকুরকে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে রাহুলের ঘনিষ্ঠ এবং বিজয়ের নেতৃত্বাধীন বিকল্প রাজনৈতিক পথের সমর্থক।
তবে বিজয়ের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজের আয়োজনটি প্রথম থেকেই নিশ্চিত ছিল না। দিল্লিতে চলতি সপ্তাহে বিক্ষোভের সময় রাহুলকে একাধিকবার আটক করা হলেও বিজয় প্রকাশ্যে এর নিন্দা জানাননি। এতে কংগ্রেস নেতার ঘনিষ্ঠ মহলে প্রশ্ন ওঠে, যে মুখ্যমন্ত্রীর শিবির তাকে স্বাগত জানানো নিয়ে দ্বিধায় রয়েছে, তার সঙ্গে দেখা করতে রাহুলের চেন্নাই যাওয়া কতটা যুক্তিযুক্ত।
অন্যদিকে, বিজয়ের শিবিরেও এ বৈঠক নিয়ে সংশয় ছিল। একপর্যায়ে দুই পক্ষের অস্বস্তি প্রায় সমান হয়ে ওঠে। রাহুলের ঘনিষ্ঠরা ভাবছিলেন, বিজয় কেন তার সঙ্গে দেখা করতে অনীহা দেখাচ্ছেন। আর মুখ্যমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠদের প্রশ্ন ছিল, বৈঠকটিকে এমনভাবে দেখা হচ্ছে কেন, যেন রাহুলের সঙ্গে দেখা করা বিজয়ের বাধ্যবাধকতা। শেষ পর্যন্ত মধ্যাহ্নভোজের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ায় নতুন জোটের ভেতরে অবিশ্বাসের একটি ছোট কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণ পর্বের অবসান ঘটে।
মোদির সঙ্গে একই মঞ্চে
বৈঠকের সময়সূচিও রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ। রাহুলকে নিজ বাসভবনে আপ্যায়নের এক দিন পর, ১১ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে একটি অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে বিজয়ের। চেন্নাই মেট্রোর দ্বিতীয় পর্যায়ের প্রথম চালু হওয়া অংশের উদ্বোধন করবেন মোদি। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর এটিই হবে মোদি ও বিজয়ের প্রথম যৌথ জনসম্মুখ উপস্থিতি।
কর্মসূচিটি প্রশাসনিক। মোদি চেন্নাই মেট্রোর ১৪ দশমিক ৬৪ কিলোমিটার দীর্ঘ পুনামাল্লি-ভাদাপালানি অংশের উদ্বোধন করবেন। এরপর বিজয়কে সঙ্গে নিয়ে পুনামাল্লি থেকে পোরুরের দিকে মেট্রোতে যাত্রা করার কথা রয়েছে তার।
তবে এ কর্মসূচির রাজনৈতিক তাৎপর্য উপেক্ষা করা কঠিন। তামিলনাড়ুতে নিজেদের শক্তিশালী রাজনৈতিক ভিত্তি গড়ে তুলতে বিজেপি দীর্ঘদিন ধরে সংগ্রাম করছে। এমন পরিস্থিতিতে রাজ্যের অন্যতম জনপ্রিয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব বিজয়ের পাশে মেট্রোতে যাত্রা করা মোদির জন্য গুরুত্বপূর্ণ দৃশ্য তৈরি করবে।
বিজয়ের জন্যও সময়ের এই বিন্যাস তাৎপর্যপূর্ণ। শনিবার জাতীয় বিরোধী রাজনীতির প্রধান নেতা রাহুল গান্ধীর সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজ, আর রোববার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মেট্রোযাত্রা—সরকার পরিচালনার দায়িত্ব তাকে জাতীয় রাজনীতির দুই বিপরীত মেরুর নেতার পাশে নিয়ে আসছে।
তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে পরিবর্তনের গতি বোঝা যায় এই দুই কর্মসূচির মধ্য দিয়েই। বিজয়ের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন রাহুল। এরপর শনিবার বিজয়ের বাসভবনে তাদের মধ্যাহ্নভোজই হবে নতুন ‘ধর্মনিরপেক্ষ সামাজিক ন্যায়বিচার বিজয় জোট’ গঠনের পর দুই নেতার প্রথম বৈঠক। এর এক দিন আগে তামিলাগা ভেত্রি কাজাগাম বা টিভিকে মাদুরান্থাকাম ও ধরাপুরাম বিধানসভা উপনির্বাচন—দুটিতেই জয় পেয়েছে।
টিভিকের কয়েকটি অংশ থেকে বিজয়কে ২০২৯ সালের সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হিসেবে তুলে ধরার পর কংগ্রেস নেতারা প্রকাশ্যে সেই ধারণা প্রত্যাখ্যান করেন। মাণিকম ঠাকুরও আলাদাভাবে বলেছেন, কংগ্রেসের প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে রাহুল গান্ধীই দলের পছন্দ।
এ কারণে বিজয়ের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজ আরেকটি মঞ্চের বক্তৃতার চেয়ে বেশি কার্যকর হতে পারে। কংগ্রেস ও টিভিকেকে এমন একটি রাজনৈতিক সমঝোতা সামলাতে হচ্ছে, যেখানে তামিলনাড়ুতে জোটের অবিসংবাদিত নেতা বিজয়, অন্যদিকে ২০২৯ সালের জাতীয় রাজনীতিতে কংগ্রেসের সম্ভাব্য মুখ রাহুল গান্ধী।
কংগ্রেস নেতাদের দাবি, রাজ্য পর্যায়ে টিভিকে বিরোধীদের ‘ইন্ডিয়া’ জোটের অংশ হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচিতেও দলটির অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।
মধ্যাহ্নভোজের পর রাহুল যাবেন আইল্যান্ড গ্রাউন্ডসে। কংগ্রেসের দাবি, সরাসরি কিংবা পরোক্ষভাবে এ কর্মসূচিতে যুক্ত হতে এক লাখ থেকে দেড় লাখ শিক্ষার্থী নিবন্ধন করেছেন। নিবন্ধিত শিক্ষার্থীরা কিউআর কোডের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে প্রবেশ করতে পারবেন।
পরে তাজ করমন্ডেল হোটেলে কংগ্রেস নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে রাহুলের। এরপর রাত সাড়ে ৯টার দিকে তার দিল্লির উদ্দেশে চেন্নাই ছাড়ার কথা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শিক্ষাবিদ ও পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুক মন্তব্য করেছেন যে, ভারতে অঘোষিত জরুরি অবস্থা চলছে। তিনি দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে চলমান আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী নেতাকর্মীদের আটকের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে তাদের দ্রুত মুক্তি দাবি করেছেন।
শনিবার (১০ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, বর্তমানে দেশজুড়ে এক ধরনের ‘অঘোষিত জরুরি অবস্থা’ বিরাজ করছে।
এক্সে একটি বার্তায় তিনি উল্লেখ করেন যে, রোববার (১১ অক্টোবর) মধ্যে যদি তাদের মুক্তি না দেওয়া হয়, তাহলে তিনি অনশন বা পদযাত্রা কর্মসূচি পালন করবেন।
তিনি আরও বলেন, শনিবার (১০ অক্টোবর) বিক্ষোভে ঐক্য ও শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে আগের দিন পোস্ট দেওয়ার সময় তিনি কল্পনাও করেননি যে, বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র অঘোষিত জরুরি অবস্থার মধ্যে পড়বে।
আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য অনেক নেতা এগিয়ে এসেছেন দেখে তিনি খুশি হয়েছিলেন। তবে পরে জানতে পারেন যে, তাদের সবাইকে আটক করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের দ্রুত মুক্তি দেওয়ার আশা প্রকাশ করেন তিনি।
প্রসঙ্গত, সিজেপির বিক্ষোভ কর্মসূচির প্রেক্ষিতে ভারত সরকার দিল্লিকে যেন রণসাজে সাজিয়েছে। হাজার হাজার সশস্ত্র পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে এবং মেট্রো স্টেশন ও রেল যোগাযোগ বন্ধ করে বিক্ষোভ প্রতিরোধের চেষ্টা চলছে। সিজেপি এবং বাম ছাত্র সংগঠনগুলোর প্রায় সকল নেতাকে আটক করা হয়েছে।
আন্দোলনে সংহতি জানাতে আসা সাবেক ৪ মুখ্যমন্ত্রীকেও আটক করেছে দিল্লি পুলিশ। তারা হলেন- পশ্চিমবঙ্গের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, দিল্লির অরবিন্দ কেজরিওয়াল, কেরালার পিনরাই বিজয়ন এবং ত্রিপুরার মানিক সরকার।
INDIA IN A STATE OF UNDECLARED EMERGENCY...
Yesterday when I posted a message appealing for unity & peace in today's protest I had never imagined that the biggest democracy in the world would be under an undeclared EMERGENCY.
I was happy there were so many leaders to lead the movement, but I now learn that they have all been arrested. I hope those arrested will be released soon. I will be compelled to consider an Anshan Fast or Padyatra March if they are not released by tomorrow.
#JantarMantar #protest #CJP #CEC #sonamwangchuk
— Sonam Wangchuk (@Wangchuk66) October 10, 2026
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাজীপুরের শ্রীপুরে আলমাছ উদ্দিন (৩০) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, তিনি এক নারীকে বিয়ের প্রলোভনে একাধিকবার ধর্ষণ করেছেন, আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করে তা ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দিয়েছেন এবং হত্যার হুমকি দিয়েছেন।
এই ঘটনার প্রেক্ষিতে ভুক্তভোগী নারী শুক্রবার (৯ অক্টোবর) শ্রীপুর থানায় অভিযুক্ত যুবকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযুক্ত আলমাছ উদ্দিন শ্রীপুর উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের তালতলী গ্রামের বাসিন্দা।
ভুক্তভোগী তার লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন, প্রায় তিন বছর আগে মুঠোফোনের মাধ্যমে পরিচয়ের মাধ্যমে ওই নারীর সঙ্গে অভিযুক্ত যুবকের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরপর থেকে বিভিন্ন সময় তাদের মধ্যে কথোপকথন চলতে থাকে। এক পর্যায়ে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে অভিযুক্ত যুবক তাকে একাধিকবার বিভিন্ন স্থানে নিয়ে গিয়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন এবং সেই সময়ের ঘটনাগুলো তার মুঠোফোনে ভিডিও ধারণ করেন। সর্বশেষ গত ৩ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টার দিকে শ্রীপুরের তালতলী এলাকায় অভিযুক্তের বাড়ির পাশে একটি নির্জন বাগানে তাকে ধর্ষণ করেন। এই সময়ও ভিডিও ধারণ করা হয়। পরে বিয়ের কথা বললে অভিযুক্ত যুবক তাকে হত্যার ভয় দেখান এবং গোপনে ধারণ করা ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন। এসব বিষয়ে যুবকের পরিবারের সদস্যদের জানালে তাকে হত্যা করে মরদেহ গুম করার হুমকি দেওয়া হয়।
অভিযুক্ত আলমাছ উদ্দিনের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করার চেষ্টা করা হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়, ফলে এ বিষয়ে তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুর আলম বলেন, "বিয়ের আশ্বাসে এক নারীকে একাধিকবার ধর্ষণ, আপত্তিকর ভিডিও ধারণের ঘটনায় একটি অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পেলে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ