ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সলিমপুরে এডিস নিধনে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুললেন আসলাম চৌধুরী


সলিমপুরে এডিস নিধনে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুললেন আসলাম চৌধুরী

সীতাকুণ্ডে ডেঙ্গুর সংক্রমণ ও মৃত্যুর উদ্বেগজনক পরিস্থিতির মধ্যে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার উদ্যোগ শুরু হয়েছে সলিমপুরে, যা শুধুমাত্র ফগিংয়ের মাধ্যমে নয়। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে সলিমপুর ইউনিয়নের লতিফপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও আশপাশের এলাকায় সচেতনতামূলক প্রচার, মশক নিধনে ফগিং এবং সম্ভাব্য প্রজননস্থল চিহ্নিত করে ধ্বংসের কর্মসূচি পরিচালিত হয়। ‘সচেতন হই, পরিচ্ছন্ন রাখি, ডেঙ্গু প্রতিরোধ করি’ স্লোগানে আয়োজিত এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক যুগ্ম মহাসচিব লায়ন আসলাম চৌধুরী এফসিএ।

শনিবার সকালে লতিফপুর উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে কর্মসূচির কার্যক্রম শুরু হয়। এ সময় এলাকার বিভিন্ন সড়ক, বাড়িঘর ও আশপাশে মশক নিধনে ফগিং করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের বাড়ির ছাদ, ফুলের টব, ড্রাম, বালতি, পরিত্যক্ত টায়ার ও বিভিন্ন পাত্রে জমে থাকা পানি অপসারণের জন্য আহ্বান জানানো হয়। নির্মাণাধীন ভবনসহ যেসব স্থানে পানি জমে এডিসের লার্ভা জন্মাতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

কর্মসূচি পরিদর্শনকালে আসলাম চৌধুরী ফগিং কার্যক্রম দেখেন এবং স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রশাসনের ওপর নির্ভর না করে প্রত্যেক পরিবার ও প্রতিষ্ঠানকে নিজ নিজ এলাকার পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। তার বক্তব্যে সামাজিক অংশগ্রহণের মাধ্যমে এডিসের প্রজননস্থল ধ্বংসের বিষয়টি গুরুত্ব পায়।

আরও পড়ুন: সুনামগঞ্জে টাঙ্গুয়ার হাওরে বৃক্ষরোপণ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান অনুষ্ঠিত

সংশ্লিষ্টদের মতে, ফগিং মূলত উড়ন্ত মশা নিয়ন্ত্রণে সাময়িক ভূমিকা রাখে। তবে বিভিন্ন পাত্রে জমে থাকা পানিতে থাকা লার্ভা ধ্বংস না হলে কয়েক দিনের মধ্যেই নতুন মশার বিস্তার ঘটতে পারে। এ কারণে বাড়ি ও প্রতিষ্ঠানভিত্তিক নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা এবং উৎসস্থল ধ্বংসকে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এদিকে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৬ আগস্ট থেকে ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এক মাসে সীতাকুণ্ডে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন ৫১৭ জন। এর মধ্যে ১১ সেপ্টেম্বর থেকে ২৬ সেপ্টেম্বর-মাত্র ১৫ দিনে মারা গেছেন সাতজন। মৃতদের মধ্যে তিনজন শিশু। সংক্রমণের পরিস্থিতি বিবেচনায় পুরো সীতাকুণ্ড উপজেলাকে ডেঙ্গুর হটস্পট ঘোষণা করা হয়েছে। ভাটিয়ারী, সোনাইছড়ি, জেলেপাড়া, বাড়বকুণ্ড, ফুলতলা, বার আউলিয়া ও কলেজ রোডকে রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) থেকে ২ অক্টোবর পর্যন্ত উপজেলা প্রশাসন ও পৌরসভার উদ্যোগে সাত দিনের সরকারি ক্র্যাশ প্রোগ্রামও শুরু হয়েছে। এই কর্মসূচিতে ১৬টি ফগার মেশিন ও কারিগরি দল মাঠে কাজ করছে। বিভিন্ন এলাকায় ফগিংয়ের পাশাপাশি এডিসের সম্ভাব্য প্রজননস্থল চিহ্নিত করে ধ্বংসের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

তবে স্থানীয়দের আশঙ্কা, কয়েক দিনের অভিযান বা ফগিংয়ে স্থায়ীভাবে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। একটি এলাকায় অভিযান চালানোর পর অন্য এলাকায় যদি পানি জমে থাকে, পরিত্যক্ত পাত্র পড়ে থাকে কিংবা নালা-নর্দমা অপরিষ্কার থাকে, তাহলে সেখান থেকেই এডিসের বংশবিস্তার ফের শুরু হতে পারে। তাই সরকারি অভিযানের পাশাপাশি প্রতিটি পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও নির্মাণাধীন স্থাপনায় নিয়মিত নজরদারি প্রয়োজন।

আরও পড়ুন: ফেনীতে যুবদলের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে চিকিৎসা নিলেন ১০০-এরও বেশি নারী-পুরুষ

স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্টদের পরামর্শ, জ্বর হলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। একই সঙ্গে পরিবারের কোনো সদস্য ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হলে তার আশপাশের পরিবেশেও এডিসের প্রজননস্থল রয়েছে কি না, তা খুঁজে দেখা জরুরি।

সীতাকুণ্ডে এখন সরকারি ক্র্যাশ প্রোগ্রামের পাশাপাশি সলিমপুর থেকে শুরু হয়েছে স্থানীয় পর্যায়ের সামাজিক উদ্যোগ। তবে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে বড় চ্যালেঞ্জ ফগারের ধোঁয়া নয়, এডিসের জন্মস্থল কতটা নিয়মিতভাবে ধ্বংস করা যাচ্ছে, সেটিই এখন মূল প্রশ্ন। এক দিনের অভিযান শেষ হয়ে গেলে যদি জমে থাকা পানি ও পরিত্যক্ত পাত্র পড়ে থাকে, তাহলে মশার বংশবিস্তারও থামবে না। তাই সাময়িক মশক নিধনের পাশাপাশি ধারাবাহিক উৎসস্থল ধ্বংস ও জনসম্পৃক্ততাই সীতাকুণ্ডের ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাঁদপুরে ১ম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৪২ পি.এম


চাঁদপুরে ১ম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ অনুষ্ঠিত

চাঁদপুর জেলা পুলিশের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ‘১ম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬’ জমকালো আয়োজন ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ফাইনাল ম্যাচের মাধ্যমে শেষ হলো। প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত লড়াইয়ে পুরুষ বিভাগে চাঁদপুর সদর থানার কাছে শাহরাস্তি থানা বিশাল ব্যবধানে পরাজিত হয়, এবং নারী বিভাগে ফরিদগঞ্জ থানা হাইমচর থানাকে টানটান উত্তেজনার ম্যাচে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে চাঁদপুর জেলা পুলিশ লাইন্স মাঠে উৎসবমুখর পরিবেশে ফাইনাল খেলা ও জমকালো পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়। টুর্নামেন্টে পুরুষ বিভাগে ৮টি এবং নারী বিভাগে ৪টি থানার দল অংশগ্রহণ করে।

ফাইনালের মহারণে পুরুষ বিভাগে চাঁদপুর সদর থানার দল ৭০-২৪ পয়েন্টের বিশাল ব্যবধানে শাহরাস্তি থানাকে পরাজিত করে। অন্যদিকে, নারী বিভাগে ফরিদগঞ্জ থানার দল হাইমচর থানাকে ২৪-২১ পয়েন্টের তীব্র প্রতিদ্বন্দিতাপূর্ণ লড়াইয়ে হারিয়ে শিরোপা অর্জন করে। খেলা শেষে বিজয়ী ও বিজিতদের মাঝে মেডেল ও ট্রফি তুলে দেন প্রধান অতিথি হিসেবে চাঁদপুর জেলা পুলিশের পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান। তিনি উভয় ফাইনাল ম্যাচ উপভোগ করেন এবং খেলোয়ারদের উৎসাহিত করেন। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান বলেন, “বাংলাদেশ পুলিশ প্রধানের (আইজিপি) নির্দেশনায় ক্রীড়াচর্চার মাধ্যমে যুবসমাজকে মাদক, কিশোর গ্যাং এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখার লক্ষ্যে এই আয়োজন। খেলাধুলা পুলিশ ও সাধারণ জনগণের মধ্যকার দূরত্ব কমিয়ে পারস্পরিক আস্থা বাড়াতে ভূমিকা রাখবে।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই টুর্নামেন্ট থেকে প্রতিভাবান নারী ও পুরুষ কাবাডি খেলোয়াড়দের বাছাই করে বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে, যাতে বিভাগীয় পর্যায়ে চাঁদপুরের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য একটি শক্তিশালী ও দক্ষ দল গঠন করা যায়। অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) নাদিরা নূর, সহকারী পুলিশ সুপার (শিক্ষানবিশ) মিয়াজী আলিফ ইমরান, ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ এরশাদ উল্লাহ, হাইমচর থানার অফিসার ইনচার্জ শাহ আলমসহ বিভিন্ন থানার পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া, হাইমচর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম শফিক, চাঁদপুর সদর থানার সেকেন্ড অফিসার ফেরদৌস আলম, এসআই গাজী কালাম, ফরিদগঞ্জ থানার এসআই ফারুক, ফরিদগঞ্জ উপজেলা বিএনপি নেতা টুটুল পাটওয়ারী, ইকবাল পাটওয়ারী, দীপু ও স্থানীয় গণমান্য ব্যক্তিবর্গও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নোয়াখালীর সেনবাগে একরাতে দুটি বাড়িতে চুরির ঘটনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৪৩ পি.এম


নোয়াখালীর সেনবাগে একরাতে দুটি বাড়িতে চুরির ঘটনা

নোয়াখালীর সেনবাগে এক রাতের মধ্যে পৃথক দুটি বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটেছে। সংঘবদ্ধ চোরের একটি দল একটি বাড়ির টিনের চালা কেটে এবং অন্য বাড়ির গেট ও দরজার তালা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে মূল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। শুক্রবার দিবাগত রাতে উপজেলার ৯ নম্বর নবীপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের দেবিসিংহপুর গ্রামের মফিজের নতুন বাড়িতে এই চুরির ঘটনা ঘটে। পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে না থাকার সুযোগে চোরেরা সিঁড়িঘরের টিনের চালা কেটে ঘরে প্রবেশ করে। এ সময় তারা প্রায় ৫ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ ২০ হাজার টাকা ও অন্যান্য মূল্যবান মালামাল নিয়ে যায়।

অন্যদিকে, একই রাতে উপজেলার ২ নম্বর কেশারপাড় ইউনিয়নের বায়তুল্লাহ নুরুল ইসলাম মাস্টার বাড়ির প্রবাসী সুজনের বসতঘরে চুরির ঘটনা ঘটে। পরিবারের সদস্যরা চট্টগ্রামে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে দাওয়াতে যাওয়ার সুযোগে চোরেরা বাড়ির গেট ও দরজার তালা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে। পরে তারা স্বর্ণালংকার, নগদ ৪৫ হাজার টাকা, একটি ল্যাপটপ এবং অন্যান্য মূল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।

দুটি ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের মধ্যে আতঙ্ক ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হযরত আলী মিলন চুরির ঘটনা দুটির সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বাড়ি দুটিতে ওই সময় কেউ না থাকায় চোরের দল সুযোগ নিয়ে চুরি করেছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদক ও অপরাধ দমনে আপসহীন: কাঁঠালিয়াবাসীর আস্থার প্রতীক ওসি আবু নাছের রায়হান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ রব্বানী (স্টাফ রিপোর্টার)

রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৫১ পি.এম


মাদক ও অপরাধ দমনে আপসহীন: কাঁঠালিয়াবাসীর আস্থার প্রতীক ওসি আবু নাছের রায়হান

ঝালকাঠির ঐতিহাসিক কাঁঠালিয়া থানা ১৯৩৭ সালে (মতান্তরে ১৯৩৬ সালে) একটি পুলিশ স্টেশন বা জলথানা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিভিন্ন সময়ে অনেক পুলিশ কর্মকর্তা এখানে দায়িত্ব পালন করলেও বর্তমান অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আবু নাছের রায়হান তাঁর অনন্য কর্মদক্ষতা, সততা ও মানবিক পুলিশিংয়ের মাধ্যমে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তাঁর যোগ্য ও দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণে পুরো উপজেলায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড আজ বহুলাংশে কমে এসেছে।

তালাশ বিডির অনুসন্ধানে জানা যায়, কাঁঠালিয়া থানায় যোগদানের পর থেকেই ওসির প্রথম ও প্রধান লক্ষ্য ছিল এলাকাকে সম্পূর্ণ মাদকমুক্ত করা। তিনি মাদকের বিরুদ্ধে 'জিরো টলারেন্স' নীতি ঘোষণা করে স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, মাদক বিক্রেতা বা সেবনকারী যত বড়ই প্রভাবশালী কিংবা রাজনৈতিক নেতা হোন না কেন, কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। তাঁর এই বজ্রকঠিন ও নিরবচ্ছিন্ন সাঁড়াশি অভিযানের মুখে উপজেলার শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিনের শক্তিশালী সিন্ডিকেট ও নেটওয়ার্ক সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে।

স্থানীয় ভুক্তভোগী ও সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে জানা গেছে, আগে অপরাধীদের ভয়ে সাধারণ মানুষ শঙ্কিত থাকলেও এখন পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। ওসি আবু নাছের রায়হানের দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম ও কঠোর আইনগত পদক্ষেপের কল্যাণে কাঁঠালিয়ার মানুষ এখন গভীর শান্তিতে ও নিরাপদে দিনাতিপাত করছেন। মাদকসেবী, সন্ত্রাসী, চোর, ডাকাত, ক্যাডার ও গডফাদারদের বিরুদ্ধে তাঁর অনমনীয় অবস্থান প্রমাণ করেছে যে, সমাজের এই অপরাধীদের সঠিক জায়গা কেবলই জেলখানা।

ভুক্তভোগীরা আরও জানান, কাঁঠালিয়া থানায় বর্তমানে সর্বসাধারণের জন্য ওসির দরজা সব সময় উন্মুক্ত থাকে। সাধারণ মানুষের সমস্যাগুলো তিনি অত্যন্ত আন্তরিকতা ও ধৈর্যের সাথে শোনেন এবং আইনি সমাধান নিশ্চিত করেন। তিনি তাঁর কাজের মাধ্যমে সাধারণ জনগণের কাছে প্রমাণ করেছেন যে, পুলিশই জনগণের প্রকৃত বন্ধু। অপরাধীদের কাছে তিনি যেমন এক আতঙ্কের নাম, তেমনি সাধারণ, নিরীহ ও সু-নাগরিকদের কাছে তিনি আজ গভীর ভরসা ও উপমার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাবনায় ১১ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে বৃদ্ধ সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৫২ পি.এম


পাবনায় ১১ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে বৃদ্ধ সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে

পাবনা সদর উপজেলায় শিশু কলি ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা এখনও মানুষের মনে দাগ কাটছে। এর মধ্যেই এবার ১১ বছর বয়সী তৃতীয় শ্রেণির আরেক শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে সাইফুল ইসলাম (৫০) নামের এক বৃদ্ধের বিরুদ্ধে। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে চারটার দিকে পাবনা সদর উপজেলার আতাইকুলা থানার সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের সাদুল্লাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে একটি চায়ের দোকানে এই ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত সাইফুল ইসলাম সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের কারিগরপাড়া গ্রামের মৃত আলম হোসেনের ছেলে। তিনি ওই বিদ্যালয়ের সামনে চা বিক্রি করতেন। শিশুটি সাদুল্লাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিকেল বেলায় শিশুটিকে চায়ের দোকানের ভেতরে জোরপূর্বক নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করা হচ্ছিল। এ সময় স্থানীয়রা ঘটনাটি দেখতে পান। স্থানীয়দের উপস্থিতি টের পেয়ে সাইফুল ইসলাম সেখান থেকে পালিয়ে যান। ঘটনার পর স্থানীয়রা অভিযুক্তের চায়ের দোকানে আগুন ধরিয়ে দেন। এছাড়া তার বাড়িঘরেও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

এ বিষয়ে আতাইকুলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবর রহমান বলেন, ১১ বছর বয়সী এক শিশুকে চায়ের দোকানের ভেতরে ধর্ষণের চেষ্টা করা হচ্ছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। অভিযুক্ত পালিয়ে গেছে।

ওসি আরো বলেন, ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন ওই চায়ের দোকানে আগুন দিয়েছে এবং অভিযুক্তের বাড়িঘর ভাঙচুর করেছে। শিশুটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হবে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য: গত ৯ সেপ্টেম্বর সদর উপজেলার দোগাছি ইউনিয়নের কুলোনিয়া গ্রামের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী কামরুন্নাহার কলিকে মোস্তফা প্রামানিক নামের এক মুদি দোকানি ধর্ষণের পর হত্যা করে। এরপর ১৬ সেপ্টেম্বর বাড়ির পাশের ডোবা থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মোস্তফা প্রমানিক ও তার ভাড়াটিয়া ইয়সিনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর থেকে পাবনাবাসী ফুঁসে উঠে। অভিযুক্তের বহুতল ভবন ভাঙচুর করে বিক্ষুব্ধ জনতা। পুলিশের কাছে ধর্ষণ ও হত্যার দায় স্বীকার করেছেন মোস্তফা। তবে ভাড়াটিয়া কোনটিই স্বীকার করেনি। সে হত্যার পর মোস্তফাকে সহযোগীতা করেছে বলে জানিয়েছে। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই নতুন করে আরেক শিশু ধর্ষণচেষ্টার ঘটনা আতঙ্ক ছড়িয়েছে অভিভাবকদের মনে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%