ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দুর্গোৎসবের বিসর্জন নির্বিঘ্ন করতে কাচারি ঘাট পরিদর্শন করলেন মসিক প্রশাসক রুকুনোজ্জামান রোকন


দুর্গোৎসবের বিসর্জন নির্বিঘ্ন করতে কাচারি ঘাট পরিদর্শন করলেন মসিক প্রশাসক রুকুনোজ্জামান রোকন

ময়মনসিংহ নগরীর কাচারি ঘাটের চলাচল ব্যবস্থা ও সার্বিক ব্যবস্থাপনা পরিদর্শন করেছেন ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোঃ রুকুনোজ্জামান রোকন। শারদীয় দুর্গোৎসব-২০২৬ উপলক্ষে বিসর্জন কার্যক্রম নির্বিঘ্ন ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে এই পরিদর্শন অনুষ্ঠিত হয়।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকালে প্রশাসক কাচারি ঘাটের সার্বিক পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। এই সময় তিনি বিসর্জনকে কেন্দ্র করে ঘাট এলাকায় মানুষের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করা, সার্বিক পরিবেশ পর্যবেক্ষণ এবং বিসর্জন কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন।

দুর্গোৎসবের শেষ পর্বে বিসর্জন উপলক্ষে বিভিন্ন এলাকা থেকে ভক্ত, দর্শনার্থী ও পূজারিরা ঘাটে সমবেত হন। জনসমাগমের চাপ সামলানো, চলাচল স্বাভাবিক রাখা এবং ঘাটের সার্বিক ব্যবস্থাপনা সুশৃঙ্খল রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। এই বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে কাচারি ঘাটের প্রস্তুতি ও ব্যবস্থাপনা পর্যবেক্ষণ করেন সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক।

আরও পড়ুন: ঢাকার বাতাসে দূষণের মাত্রা কমে ১৪৪ স্কোর

পরিদর্শনকালে মূর্তি বিসর্জন ঘিরে যাতে কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয় এবং নগরবাসী নির্বিঘ্নে ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে পারেন, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

শারদীয় দুর্গোৎসবের আনন্দঘন পরিবেশ বজায় রাখা এবং মূর্তি বিসর্জন কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশ গঠনের লক্ষ্যে বিএনপি: প্রতিমন্ত্রী টুকু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৪০ পি.এম


ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশ গঠনের লক্ষ্যে বিএনপি: প্রতিমন্ত্রী টুকু

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু মন্তব্য করেছেন, দেশের স্বার্থে আমরা কোথাও কোনো ছাড় দেব না। তিনি উল্লেখ করেন, "দেশকে বুকে ধারণ করে আমরা পথ চলতে চাই। দেশের স্বার্থ ও ভবিষ্যতের জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।"

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ একটি সম্প্রীতির দেশ। এখানে সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগুরু বলে কিছু নেই। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার পরিচয় একটাই- "আমরা সবাই বাংলাদেশি।" বিএনপির আদর্শও হচ্ছে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে দেশ গঠন করা।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে টাঙ্গাইল শহরের সাবালিয়া পাঞ্জাপাড়া পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু আরও বলেন, "আপনারা আনন্দ-উচ্ছ্বাসের মধ্য দিয়ে দুর্গাপূজা উদযাপন করছেন, আমরা আপনাদের পাশে আছি।" তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী আজ দেশের তিনটি বিভাগে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে গেছেন। তিনি বলেন, "আমরাও এবার দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে উদযাপনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি।" তিনি উল্লেখ করেন, "গতবারের তুলনায় এবার বরাদ্দও বাড়ানো হয়েছে।"

তিনি আরও বলেন, "যারা ফ্যাসিবাদী শক্তি হিসেবে জনগণের দ্বারা দেশ থেকে বিতাড়িত হয়েছে, তারা আবারও ষড়যন্ত্রের চেষ্টা করছে। কিন্তু কোনো লাভ হয়নি।" প্রতিমন্ত্রী বলেন, "আমরা যদি সজাগ ও ঐক্যবদ্ধ থাকি, তাহলে কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না। ষড়যন্ত্রকারীরা ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হবে।" তিনি দেশের স্বার্থ ও ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে সকলকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।

মাদক নির্মূলের বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, "আমরা মাদকমুক্ত টাঙ্গাইল গড়ে তুলব।" তিনি জানান, "এই টাঙ্গাইল থেকেই মাদক নির্মূলের কাজ শুরু করতে চাই, যাতে সারা বাংলাদেশ থেকে মাদক নির্মূল করা সম্ভব হয়।" তিনি বলেন, "এ ব্যাপারে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। আমার দলের কেউ যদি মাদকের সঙ্গে জড়িত থাকে, তাকেও কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।" তিনি উল্লেখ করেন, "আমাদের নেতারাও এ বিষয়ে সোচ্চার রয়েছেন।"

মতবিনিময় সভা শেষে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার মনিরুজ্জামান মিঞা, ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি মোস্তাফিজুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা টাঙ্গাইল শহরের ছোট কালীবাড়ি, বড় কালীবাড়িসহ বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পর্যায়ক্রমে পরিদর্শন করেন।

এ সময় তারা পূজার সার্বিক পরিস্থিতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার খোঁজ-খবর নেন এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

এ সময় টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ, পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ এবং বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সন্ত্রাসী কাদায়, অহিদুল ইসলাম ও তার ছেলে কে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা করেন তার আব্দুল হালিম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ নাজির খান নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি,

মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৫৬ পি.এম


সন্ত্রাসী কাদায়, অহিদুল ইসলাম ও তার ছেলে কে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা করেন তার আব্দুল হালিম

১২ই অক্টোবর ২০২৬, সকাল অনুমানিক সাতটা পাচল্লিশ মিনিটে, দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে, অহিদুল ইসলামের আপন ভাই, আব্দুল হালিম, আবু সিদ্দিক, হাবিবা উভয় পিতা, আব্দুল হালিম, মোরশেদা আক্তার শামি আব্দুল হালিম সাং টিডিপাড়া ইউনিয়ন নোয়াগাঁও থানা সোনারগাঁ জেলা নারায়ণগঞ্জ, আতঙ্কিতভাবে ঘরে এসে এলো প্রতিভাবে চুরি আঘাত অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে আঘাত করে, তারই আপন ভাই অহিদুল ইসলাম, এর ছেলেকে,
এই মর্মে, গত বারই অক্টোবর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দে সোনারগাঁ থানায় একটি অভিযোগ দাখিল করেন অহিদুল ইসলাম,
আব্দুল হালিমগণ, তারেই পিতা মোঃ জাবেদ আলি কে মারধর করার কারণে বাবা হালিম জ্ঞানের বিরুদ্ধে শোনা যা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন, বাবা অভিযোগ দেওয়ার কারণে ভাই হালিম গন, আমার ও আমার ছেলের উপর দেশি অস্ত্র দিয়ে এলাপতি ভাবে আঘাত করতে থাকেন, আমাদের চিৎকার শুনে আশেপাশের লোকজন আসলে, আব্দুল হালিম গন পালিয়ে যেতে বাধ্য হন,
উক্ত আব্দুল হালিম ব্যাপারে জানা যায় প্রায় ১৫-১৬ বছর পূর্বে, তারে আপন ভাই কে মাথায় আঘাত করে মেরে ফেলেছেন,
বর্তমানে অহিদুল এর পরিবারসহ সবাই ভয়ে আতঙ্কে বসবাস করছেন,
অতি দ্রুত আব্দুল হালিম গন এর বিরুদ্ধে অভিযোগ এর ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করা হোক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুয়াকাটা পর্যটন কার্নিভাল ঘিরে আবাসন সংকট, ২৩–২৪ অক্টোবর হোটেল-মোটেল-রিসোর্টে কক্ষ খালি নেই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্টাফ রিপোর্টার, বরিশাল

মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৫৮ পি.এম


কুয়াকাটা পর্যটন কার্নিভাল ঘিরে আবাসন সংকট, ২৩–২৪ অক্টোবর হোটেল-মোটেল-রিসোর্টে কক্ষ খালি নেই

৯ বছর পর কুয়াকাটায় পর্যটন কার্নিভাল, ৫–৬ লাখ মানুষের সমাগমের প্রত্যাশা


আগামী ২৩ ও ২৪ অক্টোবর ২০২৬ কুয়াকাটা ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন? তাহলে আবাসন নিয়ে আগেই সতর্ক হোন। তালাশ বিডির অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, পর্যটন কার্নিভালকে কেন্দ্র করে ওই দুই দিনের জন্য কুয়াকাটার হোটেল, মোটেল ও রিসোর্টের কক্ষ সম্পূর্ণ বুকিং হয়ে গেছে। সংশ্লিষ্ট আবাসন প্রতিষ্ঠানগুলোতে খোঁজখবর নিয়ে এ তথ্য পাওয়া গেছে। ফলে নির্ধারিত দুই দিনে নতুন করে কক্ষ পাওয়ার সুযোগ নেই বলে জানা গেছে। আবাসন নিশ্চিত না করে কুয়াকাটার উদ্দেশে যাত্রা করলে পর্যটকদের ভোগান্তিতে পড়তে হতে পারে।

দীর্ঘ ৯ বছর পর পর্যটন নগরী কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দুই দিনব্যাপী ‘কুয়াকাটা পর্যটন কার্নিভাল-২০২৬’। আগামী ২৩ ও ২৪ অক্টোবর বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের উদ্যোগে আয়োজিত এ মেগা উৎসবকে ঘিরে পর্যটন নগরীজুড়ে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ। কুয়াকাটার পর্যটন সম্ভাবনাকে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের সামনে তুলে ধরা এবং দেশের পর্যটনশিল্পকে আরও গতিশীল করাই এ আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য।

কার্নিভালকে কেন্দ্র করে কুয়াকাটায় ৫ থেকে ৬ লাখ মানুষের সমাগম হতে পারে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। বিপুলসংখ্যক মানুষের সম্ভাব্য উপস্থিতিকে ঘিরে আবাসন, যাতায়াত, খাবার, নিরাপত্তা ও জরুরি সেবা ব্যবস্থাপনা বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। এরই মধ্যে হোটেল-মোটেল ও রিসোর্টের কক্ষের আগাম বুকিং সম্পন্ন হওয়ার তথ্য পাওয়ায় পর্যটকদের আবাসন নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

কার্নিভালকে সামনে রেখে তালাশ বিডির পক্ষ থেকে কুয়াকাটার কয়েকটি হোটেল, মোটেল ও রিসোর্টে খোঁজখবর নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, আগামী ২৩ ও ২৪ অক্টোবরের জন্য কক্ষের আগাম বুকিং সম্পন্ন হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে ওই দুই দিনে নতুন করে আবাসন পাওয়া পর্যটকদের জন্য কঠিন হয়ে উঠেছে।

বিশেষ করে পরিবার-পরিজন নিয়ে ভ্রমণ, শিশুদের সঙ্গে অবস্থান কিংবা বয়স্ক ব্যক্তিদের নিয়ে কুয়াকাটায় যাওয়ার পরিকল্পনা করা পর্যটকদের আগাম প্রস্তুতি নেওয়া জরুরি। আবাসন নিশ্চিত না করে গন্তব্যে পৌঁছালে কক্ষ খুঁজতে গিয়ে সময় নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি অনাকাঙ্ক্ষিত ভোগান্তির আশঙ্কা রয়েছে।

দীর্ঘ বিরতির পর আয়োজিত এ কার্নিভালে থাকছে বিচ ম্যারাথন, বিচ ফুটবল, বিচ ভলিবল এবং শিশুদের জন্য বিচ ক্রিকেট। পাশাপাশি ঘুড়ি উৎসব, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।

এসব আয়োজনের মাধ্যমে পর্যটকদের বিনোদনের পাশাপাশি কুয়াকাটার স্থানীয় সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও পর্যটন আকর্ষণ তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হবে। পরিবার নিয়ে বেড়াতে আসা পর্যটকদের জন্য শিশুদের কার্যক্রম ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বাড়তি আকর্ষণ হয়ে উঠতে পারে।


কার্নিভালে থাকছে সামুদ্রিক খাবার বা সি-ফুড এবং আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী খাবারের বিশেষ উৎসব। এর মাধ্যমে স্থানীয় খাদ্যসংস্কৃতি ও ঐতিহ্য তুলে ধরার পাশাপাশি পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।


কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো একই সৈকত থেকে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেখার সুযোগ। কার্নিভালে অংশ নিতে আসা দর্শনার্থীরা উৎসবের নানা আয়োজন উপভোগের পাশাপাশি সমুদ্রের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যও উপভোগ করতে পারবেন।


পর্যটন কার্নিভালকে ঘিরে বিপুলসংখ্যক মানুষের সম্ভাব্য আগমন স্থানীয় হোটেল-মোটেল, রিসোর্ট, রেস্তোরাঁ, পরিবহন ব্যবসা ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য ইতিবাচক সম্ভাবনা তৈরি করছে। তবে এত বড় জনসমাগম সামলাতে আবাসন, যাতায়াত, নিরাপত্তা, পরিচ্ছন্নতা, বিশুদ্ধ পানি ও জরুরি চিকিৎসাসেবার প্রস্তুতি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

পর্যটকদের নির্বিঘ্ন ভ্রমণ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, আবাসন ব্যবসায়ী ও পর্যটনসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। একই সঙ্গে আবাসন প্রতিষ্ঠানের বুকিং ও ভাড়াসংক্রান্ত তথ্য স্বচ্ছভাবে জানানো হলে পর্যটকেরা আগাম পরিকল্পনা করতে পারবেন।

পর্যটকদের প্রতি বিশেষ অনুরোধ: ২৩ ও ২৪ অক্টোবর কুয়াকাটা ভ্রমণের আগে আবাসনের বিষয়টি নিশ্চিত করুন। তালাশ বিডির অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ওই দুই দিনের জন্য সংশ্লিষ্ট কয়েকটি হোটেল, মোটেল ও রিসোর্টের কক্ষ সম্পূর্ণ বুকিং হয়েছে। তাই যাত্রার আগে আবাসন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে সর্বশেষ অবস্থা জেনে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৌদি ও পাকিস্তানের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুমোদনের প্রস্তাব তুর্কি সংসদে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:০৮ পি.এম


সৌদি ও পাকিস্তানের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুমোদনের প্রস্তাব তুর্কি সংসদে

সৌদি আরবে হুথির হামলা প্রতিরোধ এবং প্রতিরক্ষাব্যবস্থা শক্তিশালী করার উদ্দেশ্যে পাকিস্তান ও সৌদি আরবের সঙ্গে একটি যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুমোদনের জন্য তুরস্কের পার্লামেন্টে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। ন্যাটো জোটের দ্বিতীয় বৃহত্তম সামরিক শক্তির দেশ হিসেবে তুরস্কের এই পদক্ষেপ রিয়াদ এবং ইসলামাবাদের সঙ্গে আঙ্কারার কৌশলগত সামরিক সম্পর্ককে আনুষ্ঠানিকভাবে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে গেল।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের তিনটি সূত্রের বরাতে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

গত আগস্টে তুরস্ক, পাকিস্তান এবং সৌদি আরব ঐতিহাসিক 'মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি' স্বাক্ষর করে। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, জোটের যে কোনো একটি সদস্য দেশের ওপর সশস্ত্র হামলা হলে তা বাকি সব দেশের ওপর হামলা হিসেবে গণ্য হবে। তবে চুক্তি স্বাক্ষরের সময় তিন দেশের সম্মিলিত প্রতিশ্রুতির বিস্তারিত তথ্য তৎকালীন যৌথ বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়নি।

চলতি মাসের শুরুতে রিয়াদে এই জোটের একটি জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সৌদি আরবে দ্রুত সামরিক বাহিনী এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামরিক সক্ষমতা মোতায়েন নিশ্চিত করার বিষয়ে দেশগুলো একমত হয়।

তুরস্কের শক্তিশালী প্রতিরক্ষা শিল্প রয়েছে। দেশটি সৌদি আরবে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এবং রিয়াদের প্রয়োজনীয় সামরিক প্রযুক্তির চাহিদা পূরণে সহায়তা করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তুরস্ক লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচল ও নৌনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটে যোগ দেওয়ার জন্যও সম্মত হয়েছে।

রয়টার্সের দুটি সূত্র জানায়, তুরস্কের পার্লামেন্ট স্পিকার নুমান কুরতুলমুশ বর্তমানে কিরগিজস্তান সফরে রয়েছেন। তিনি দেশে ফিরলে চুক্তিটি পার্লামেন্টের পররাষ্ট্রবিষয়ক কমিটিতে পাঠানো হবে। কমিটিতে জমা দেওয়ার পর চুক্তির পূর্ণাঙ্গ বিষয়বস্তু ও বিস্তারিত তথ্য জনসমক্ষে প্রকাশিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

অন্য একটি সূত্রের মতে, চলতি সপ্তাহের শুক্রবারের মধ্যেই পার্লামেন্টের পররাষ্ট্রবিষয়ক কমিটি এই চুক্তি নিয়ে আলোচনা শুরু করতে পারে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তুরস্কের এক কর্মকর্তা সংবাদ সংস্থাটিকে জানিয়েছেন, এই চুক্তির আওতায় তুরস্কের অবদান মূলত সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ, গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান এবং অস্ত্রব্যবস্থা সহায়তার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে। তিনি নিশ্চিত করেন যে, এই জোটের অধীনে এখন পর্যন্ত অন্য কোনো ধরনের সামরিক মোতায়েন করা হয়নি।

ইয়েমেনের হুথি হামলা মোকাবিলায় তুরস্ক সৌদি আরবকে কীভাবে রক্ষা করতে সহায়তা করতে পারে, এমন প্রশ্নের জবাবে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান জানান, মক্কা চুক্তি কোনো 'আক্রমণাত্মক চুক্তি' নয়। তিনি স্পষ্ট করেন যে, তুরস্ক অন্য কোনো দেশে হামলা চালানোর জন্য সেনা পাঠাবে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%