সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:১৫ পি.এম
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কৃত সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে বাদ দিয়েই ‘সরকারি প্রতিশ্রুতি সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি’ গঠন করা হয়েছে।
উক্ত কমিটিতে তার নাম প্রস্তাব করা হলে বিরোধীদলীয় নেতা তা নিয়ে তীব্র আপত্তি জানান।
পরবর্তীতে আপত্তির মুখেই তাঁকে বাদ দিয়ে কমিটি চূড়ান্ত করা হয়।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে আনুষ্ঠানিকভাবে এই সংসদীয় কমিটি গঠন করা হয়।
কমিটি গঠনকালে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, "নৈতিক স্খলনের কারণে জামায়াত থেকে বহিষ্কৃত গাজী নজরুল ইসলামকে কোনো সংসদীয় কমিটিতে না রাখা একটি গুরুত্বপূর্ণ ইতিবাচক সিদ্ধান্ত। নৈতিকতার দিক বিবেচনা করে তাকে এভাবে বাদ দেওয়া হলে তা ভবিষ্যৎ সংসদীয় অনুশীলনের জন্য একটি ভালো দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।"
এর আগে গত ২২ জুলাই নৈতিক স্খলনের গুরুতর অভিযোগে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে দলীয় পদ ও সদস্যপদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। দল থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার পর এবার সরকারি প্রতিশ্রুতি সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটিতেও তার অন্তর্ভুক্তির প্রস্তাব নাকচ হলো।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের অধ্যাপক ডা. মো. আসাদুর রহমানকে মারধর, ভয়ভীতি দেখানো, হুমকি ও চাঁদা দাবির অভিযোগে করা মামলায় আদালত আরো দুই আসামির তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।
রিমান্ডে নেওয়া দুই আসামি হলেন— সাব্বির হোসেন (১৮) ও ফাহিম ইসরাক লাবিব (২০)।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালত তাদের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক রোকনুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্টন মডেল থানার উপপরিদর্শক মো. আতিকুজ্জামান দুই আসামিকে আদালতে হাজির করে মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাদের ১০ দিন করে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেছিলেন। শুনানি শেষে আদালত প্রত্যেকের তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, আসামিরা রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় চাঁদা আদায়ের একটি চক্রের সক্রিয় সদস্য। মামলার ঘটনার সঙ্গে গ্রেপ্তার দুই আসামির প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত থাকার সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। মামলার তদন্ত চলমান থাকায় ঘটনার বিষয়ে আরো তথ্য উদঘাটন এবং জড়িত অন্যদের শনাক্ত করতে তাদের রিমান্ডে নেওয়া প্রয়োজন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ আগস্ট রাত ১০টার দিকে রাজধানীর পল্টন মডেল থানার শান্তিনগর এলাকার পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের চেম্বার থেকে বের হয়ে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠেন চিকিৎসক আসাদুর রহমান।
অটোরিকশাটি কিছুদূর যাওয়ার পর চার ব্যক্তি তার পথরোধ করেন। তারা অটোরিকশার দরজা খুলতে বলেন।
চিকিৎসক দরজা না খোলার জন্য চালককে বললেও একপর্যায়ে চালক দরজা খুলে দেন। এরপর ওই ব্যক্তিরা চিকিৎসক আসাদুর রহমানকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এতে তার মাথা, দুই চোখের ওপরে ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়।
চিকিৎসকের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে একজনকে আটক করা হয়। অন্যরা পালিয়ে যান। খবর পেয়ে পল্টন থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত চিকিৎসককে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় ১৮ আগস্ট চিকিৎসক আসাদুর রহমান বাদী হয়ে পল্টন থানায় মামলা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : দেশের সার্বিক চিকিৎসা ব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার তাগিদ দিয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন।
তিনি বলেন, “চিকিৎসকদের বিশ্বমানের আধুনিক উদ্ভাবন ও প্রযুক্তির সঙ্গে প্রতিনিয়ত পরিচিত হতে হবে।
সেই আধুনিক জ্ঞান ও প্রযুক্তির সঠিক প্রয়োগের মাধ্যমেই দেশের চক্ষু চিকিৎসাসেবাসহ সামগ্রিক চিকিৎসা খাতকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে হবে।”
আজ রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ একাডেমি অব অফথালমোলজি’-এর বার্ষিক সায়েন্টিফিক কনফারেন্স-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, “দেশের চক্ষু চিকিৎসাসেবা আধুনিক ও বিশেষায়িত করার মাধ্যমে চিকিৎসার জন্য মুমূর্ষু ও সাধারণ রোগীদের বিদেশ গমনের প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা সম্ভব।” আগামী ৫০ বছরের চাহিদা ও সেবার কথা মাথায় রেখে দীর্ঘমেয়াদি ও সময়োপযোগী কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের আহ্বান জানিয়ে তিনি আশ্বস্ত করেন যে, এ ধরনের যেকোনো টেকসই উদ্যোগে সরকারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহায়তা দেওয়া হবে। একই সঙ্গে জাতীয় নানা নীতি নির্ধারণে চিকিৎসকদের সুনির্দিষ্ট পেশাগত পরামর্শ প্রদানের অনুরোধ জানান তিনি।
মন্ত্রী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একটি কল্যাণমুখী, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে কাজ করছেন- যেখানে কোনো নাগরিক নাগরিক সুবিধা থেকে পিছিয়ে থাকবে না। চক্ষুজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীদের দ্রুত ও মানসম্মত চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে আনা গেলে অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ বিনির্মাণ আরও সহজ হবে।”
এ সময় তিনি জনকল্যাণে মরণোত্তর চক্ষু ও অঙ্গদানের মতো মহৎ ও মানবিক উদ্যোগে সাধারণ মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতে চিকিৎসকদের কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে সমবেত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা জানান, দেশের প্রায় ৫ শতাংশ শিশু জন্মগতভাবে বিভিন্ন ধরনের চক্ষু সমস্যায় ভোগে, যার একটি বড় অংশই সময়মতো সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে নিরাময় ও প্রতিরোধযোগ্য।
বক্তারা স্বাস্থ্য খাতে জাতীয় বাজেটের ১ দশমিক ০২ শতাংশ বরাদ্দ প্রদান করায় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতে এই বরাদ্দ আরও বৃদ্ধির আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
উল্লেখ্য, দিনব্যাপী আয়োজিত এ আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সম্মেলনে দেশ ও বিদেশের মোট ৩৬ জন বিশিষ্ট চক্ষু বিশেষজ্ঞ ও গবেষক তাদের গবেষণাপত্র উপস্থাপন করবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস (বিসিপিএস)-এর সভাপতি অধ্যাপক ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর, অফথালমোলজিক্যাল সোসাইটি অব বাংলাদেশের সভাপতি ডা. মোহাম্মদ তৌহিদুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মো. জিন্নু রাইন (নিউটন)।
বাংলাদেশ একাডেমি অব অফথালমোলজির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. আবিদ কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন অধ্যাপক ডা. মো. জানে আলম মৃধা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) দুই শিক্ষকের চাকরিচ্যুতির ঘটনা ঘটেছে দীর্ঘ অনুপস্থিতির কারণে। চাকরিচ্যুত শিক্ষকদের মধ্যে রয়েছেন, ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সজীব কুমার ঘোষ এবং ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আশরাফুন্নাহার হেনা। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই দুই শূন্য পদে নতুন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে।
ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। একই দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে একটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করা হয়েছে।
রেজিস্ট্রার দপ্তর ও শিক্ষক সেল সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ সময় ধরে অনুপস্থিতির কারণে এই দুই শিক্ষককে চাকরিচ্যুত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গত ২৯ জুন ২৭৪তম সিন্ডিকেটে শর্ত সাপেক্ষে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যদি তারা আগামী ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে কর্মস্থলে যোগদান না করেন, তবে তাদের চাকরিচ্যুত করা হবে এবং ইউজিসির নিয়ম অনুযায়ী একই বছরে তাদের স্থলে নতুন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। ১৫ কর্মদিবস পার হওয়ার পরও ৩০ দিন অপেক্ষা করা হয়েছে, কিন্তু তারা যোগদান না করায় নতুন শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে।
এদিকে, ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সজীব কুমার ঘোষ ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট থেকে ২০২২ সালের ২৮ আগস্ট পর্যন্ত সবেতনে শিক্ষাছুটিতে ছিলেন। এরপর ২০২২ সালের ২৫ আগস্ট থেকে তার বেতন বন্ধ হয়ে যায় এবং ২০২৪ সাল পর্যন্ত বিনা বেতনে ছুটি ভোগ করেন। এরপর থেকে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন পাননি এবং অনুমোদন ছাড়াই কানাডায় অবস্থান করছেন।
অন্যদিকে, সহযোগী অধ্যাপক ড. আশরাফুন্নাহার হেনার নির্দিষ্ট ছুটি শেষ হওয়ার পর অসুস্থতার কারণে ভিন্ন ক্যাটাগরিতে ছুটি চাওয়ার চেষ্টা করেন। তবে বিধি অনুযায়ী, ভিন্ন ক্যাটাগরিতে ছুটি নিতে হলে ক্যাম্পাসে এসে আবেদন করতে হয় এবং প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টসও জমা দিতে হয়। সূত্র জানায়, তিনি আমেরিকার পাসপোর্টের আবেদন করতে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ত্যাগ করেছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে অনুপস্থিত থাকায় সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত মোতাবেক চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। আপাতত বিস্তারিত ফোনে বলতে পারছি না।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) মো. ইসমাইল জবিউল্লাহর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। সাক্ষাৎকালে উপদেষ্টা গঙ্গার পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিতের আহ্বান জানান।
আজ সোমবার সচিবালয়ে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।
হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী সাক্ষাতের শুরুতে উপদেষ্টাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান এবং পারস্পরিক কুশল বিনিময় করেন। এ সময় তারা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।
উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ মন্তব্য করেন, বাংলাদেশ ও ভারত বন্ধু প্রতীম প্রতিবেশী রাষ্ট্র। দুই দেশের দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে। সীমান্তে হত্যা শূন্যে নামিয়ে আনা এবং জনগণের মধ্যে বোঝাপড়ার জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ। তিনি দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর পাশাপাশি গঙ্গার পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিতের আহ্বান জানান।
তিনি নির্দিষ্ট কোনো দলের সঙ্গে সম্পর্ক না রেখে জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক বৃদ্ধির ওপর জোর দেন। উপদেষ্টা আশা প্রকাশ করেন, বর্তমান ভারতীয় হাইকমিশনারের নেতৃত্বে বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে।
সাক্ষাৎকালে হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যমান অভিন্ন সংস্কৃতি এবং ঐতিহাসিক সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন। তিনি ভারতে বাংলাদেশি ইলিশের ব্যাপক চাহিদার কথাও উল্লেখ করেন এবং বাংলাদেশের কর্মকর্তাদের ভারতে প্রশিক্ষণে পাঠানোর জন্য অনুরোধ করেন।
ভারতীয় হাইকমিশনার আশা প্রকাশ করেন, দুই দেশের সহযোগিতা আরও সম্প্রসারিত হবে। তিনি দুই দেশের জনপ্রশাসনের মধ্যে প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন কার্যক্রম পুনরায় চালুর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, দুটি দেশের জনগণের স্বার্থে সম্পর্ককে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া প্রয়োজন।
সাক্ষাতে ভারতীয় হাইকমিশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ