ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রের মজুত ফুরিয়ে আসছে, বড় বিপদের শঙ্কা


যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রের মজুত ফুরিয়ে আসছে, বড় বিপদের শঙ্কা

ইরান যুদ্ধের ফলস্বরূপ মার্কিন সামরিক বাহিনীর প্রধান সমরাস্ত্রগুলোর মজুত আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুক্রবার (১০ জুলাই) দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধবিরতির ‘শেষ’ ঘোষণা দেওয়ার পর এই ঘাটতি সংকট আরও ঘনীভূত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দেশটির শীর্ষ প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-কে জানিয়েছেন, এই তীব্র অস্ত্র সংকট ভবিষ্যতে চীন কিংবা উত্তর কোরিয়ার মতো দেশগুলোর বিরুদ্ধে সম্ভাব্য যুদ্ধে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সক্ষমতাকে বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে।

সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ (সিএসআইএস)-এর প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও অবসরপ্রাপ্ত মেরিন কর্নেল মার্ক কানসিয়ান জানান, গত পাঁচ দিন ধরে যুদ্ধ চলতে থাকলে অস্ত্রের মজুত এতটাই কমে যাবে যে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে নতুন করে বড় ধরনের সামরিক ঝুঁকি সৃষ্টি হবে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরান যুদ্ধের প্রথম ধাপে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’-র আওতায় মার্কিন সামরিক বাহিনী ইতিমধ্যে কয়েক হাজার দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে।

সিএসআইএস-এর বিশ্লেষণ অনুযায়ী, গত এপ্রিল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র তাদের অন্তত অর্ধেক ‘থাড’ ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ইন্টারসেপ্টর, প্রায় অর্ধেক ‘প্যাট্রিয়ট’ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং ৩০ শতাংশ ‘টমাহক’ ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ফেলেছে। ব্রুকিংস ইনস্টিটিউশনের পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক গবেষক মাইকেল ও’হ্যানলন বলছেন, অস্ত্রের মজুত আমাদের প্রত্যাশার চেয়েও অনেক কমে গেছে—এতে কোনো সন্দেহ নেই।

আরও পড়ুন: ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ১২৪ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ মামলা

অস্ত্রের এই বিশাল ঘাটতি পূরণ করা পেন্টাগনের জন্য সময়সাপেক্ষ হবে। মার্ক কানসিয়ান জানান, বর্তমানে পেন্টাগন প্রতি মাসে গড়ে মাত্র ১৫টি টমাহক এবং ২০টি নতুন প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র পাচ্ছে। ২০২৬ সালে নতুন কোনো থাড ক্ষেপণাস্ত্র পাওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। সিএসআইএস-এর মতে, সমরাস্ত্রের মজুত যুদ্ধের আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নিতে অন্তত তিন বছর বা তারও বেশি সময় লাগবে। সাবেক পেন্টাগন কর্মকর্তা এলেন ম্যাককাসকার জানিয়েছেন, ‘সমরাস্ত্রের মজুত আগের মতো করতে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে দুই থেকে পাঁচ বছর সময় লেগে যাবে।’

অন্যদিকে, প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ক্রয় বিশেষজ্ঞ জন ফেরারি জানিয়েছেন, ‘যুদ্ধ শুরুর পর থেকে একটি ক্ষেপণাস্ত্র বদলানোর জন্যও কংগ্রেস থেকে কোন অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। ফলে সাধারণ সময়ের ধীরগতির উৎপাদন প্রক্রিয়াই বর্তমানে বহাল রয়েছে।’ সম্প্রতি হোয়াইট হাউস ইরান যুদ্ধের ব্যয় মেটাতে অতিরিক্ত তহবিলের জন্য কংগ্রেসের কাছে আবেদন করেছে। তবে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই প্রস্তাব পাস হওয়া কঠিন। এর পাশাপাশি, পেন্টাগনের একজন কর্মকর্তা জানান, সমরাস্ত্র শিল্প সম্প্রসারণে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। গত জুনে ট্রাম্প ‘ডিফেন্স প্রোডাকশন অ্যাক্ট’ প্রস্তাব করেন যাতে আমলাতন্ত্রের জটিলতা কমিয়ে দ্রুত ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন করা যায়। পেন্টাগনের ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘আমেরিকার উদ্ভাবনী শক্তিকে কাজে লাগিয়ে উৎপাদন বাড়ানোর জন্য বিভাগটি কাজ করছে যাতে সরবরাহ ব্যবস্থায় গতি আসে।’ তবে মার্ক কানসিয়ান মনে করেন, সরকারের এই পদক্ষেপ কার্যকর হলেও এর প্রভাব খুবই সীমিত হবে।

বিশ্বজুড়ে অস্ত্রের চাহিদা বাড়ায় অন্যান্য দেশকে নিজস্বভাবে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির লাইসেন্স দেওয়ার ফলে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর চাপ কিছুটা কমতে পারে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) তুরস্কে ন্যাটো সম্মেলনের ফাঁকে ট্রাম্প ইউক্রেনকে লাইসেন্স দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন। তবে এই প্রক্রিয়া অত্যন্ত ধীর। জাপানের একটি প্যাট্রিয়ট কারখানা তৈরি করতে যেখানে তিন বছর সময় লেগেছিল, সেখানে জার্মানি ২০২২ সালে কাজ শুরু করলেও এখনো কোনো ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করতে পারেনি।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, চীন বা উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে কোনো দ্বন্দ্বে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্রের এই সংকট বড় বিপদ ডেকে আনতে পারে। উত্তর কোরিয়ার সম্ভাব্য হামলা প্রতিহত করতে এবং তাদের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে প্রচুর পরিমাণ মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্রের প্রয়োজন হবে।

আরও পড়ুন: সরকারকে সেলিম উদ্দিনের আহ্বান, গণরায়ের বিরুদ্ধে না গিয়ে জনগণের পক্ষে দাঁড়ান

অবশ্য পেন্টাগনের প্রধান মুখপাত্র শন পার্নেল এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘আমেরিকার সামরিক বাহিনী বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী। প্রেসিডেন্টের পছন্দ অনুযায়ী যেকোনো সময় এবং স্থানে অভিযান পরিচালনার প্রয়োজনীয় সবকিছুই আমাদের রয়েছে। আমাদের জনগণ ও স্বার্থ রক্ষায় মার্কিন সামরিক বাহিনীর কাছে বিশাল অস্ত্রভাণ্ডার ও সক্ষমতা রয়েছে।’ মাইকেল ও’হ্যানলন মনে করেন, চীন বা উত্তর কোরিয়াকে প্রতিহত করার সক্ষমতা এখনো যুক্তরাষ্ট্রের কাছে রয়েছে। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘একটি নির্দিষ্ট পর্যায়ে এই সক্ষমতা কমে যেতে পারে। সেই পর্যায়টি ঠিক কোথায়, তা হয়তো আমরা আগে থেকে জানতে পারব না, কারণ এটি মূলত শত্রুর মনস্তত্ত্বের ওপর নির্ভর করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দিনাজপুর রেড ক্রিসেন্ট রক্তকেন্দ্রে সাড়ে ৪ কোটি টাকার আধুনিক যন্ত্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৪৪ পি.এম


দিনাজপুর রেড ক্রিসেন্ট রক্তকেন্দ্রে সাড়ে ৪ কোটি টাকার আধুনিক যন্ত্র

 

বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির জাতীয় সদর দপ্তরের রক্তদান কর্মসূচির উদ্যোগে আধুনিক চিকিৎসা যন্ত্রপাতি হস্তান্তর করা হয়েছে দিনাজপুরের তৈয়বা মজুমদার রেড ক্রিসেন্ট রক্তকেন্দ্রে। এই যন্ত্রপাতিগুলোর আনুমানিক মূল্য প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকা।

সোমবার সকাল ১১টায় তৈয়বা মজুমদার রেড ক্রিসেন্ট রক্তকেন্দ্র মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানটি ছিল বিশেষ গুরুত্বের। এখানে যন্ত্রপাতিগুলো বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির রক্তদান কর্মসূচির পরিচালক ডা. শাহানা জাফরের হাত থেকে কেন্দ্রের কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

অনুষ্ঠানে তিনি যন্ত্রপাতির সঠিক ব্যবহার ও রক্ষণাবেক্ষণ সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

হস্তান্তর করা যন্ত্রপাতির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে একটি রেফ্রিজারেটর সেন্ট্রিফিউজ (সেল সেপারেটর), চার ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার একটি রেফ্রিজারেটর, মাইনাস ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার একটি ব্লাড ডিপ ফ্রিজ এবং প্রয়োজনীয় আনুষঙ্গিক যন্ত্রাংশ।

এছাড়া অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি দিনাজপুর ইউনিটের চেয়ারম্যান ও জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট মোফাজ্জল হোসেন দুলাল।

তিনি এই সময় জানান, তৈয়বা মজুমদার রেড ক্রিসেন্ট রক্তকেন্দ্রে থ্যালাসেমিয়া রোগীদের জন্য শিগগিরই ১০ শয্যার একটি আধুনিক হাসপাতাল নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ প্রকল্প বাস্তবায়নে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা দেওয়ার ব্যাপারে তিনি ঘোষণা করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি দিনাজপুর ইউনিটের অ্যাডহক কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান এ কে এম আজাদ, সদস্য খালেকুজ্জামান বাবু, মো. মোকাররম হোসেন, মো. শাহিদুর ইসলাম শাহিন খান ও অ্যাডভোকেট মোল্লা সাখাওয়াত হোসেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খাল পুনরুদ্ধার না হলে নগরের জলাবদ্ধতা কমবে না: ডিএনসিসি প্রশাসক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৪৫ পি.এম


খাল পুনরুদ্ধার না হলে নগরের জলাবদ্ধতা কমবে না: ডিএনসিসি প্রশাসক

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান সম্প্রতি জানিয়েছেন, খালগুলো যদি পুনরুদ্ধার না করা হয়, তবে নগরের জলাবদ্ধতা কখনোই কমবে না। এছাড়া তিনি উল্লেখ করেন, এভাবে জনদুর্ভোগ দূর করা সম্ভব নয়।

সোমবার (১৩ জুলাই) গুলশান-২ এর ১০৪ নাম্বার রোডে মানারত বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে লেকের পাড় ভাঙন এবং বৃষ্টির পানি জমে থাকা স্থান পরিদর্শনের সময় তিনি এই মন্তব্য করেন।

এসময় ডিএনসিসির প্রশাসক ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ভবিষ্যতে যেকোনো লেক পারের রাস্তার ভাঙন রোধ এবং বৃষ্টির পানি যাতে আর জমে না থাকে, সেজন্য রাজউক ও ওয়াসাসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করার প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন।

প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান বলেন, "আমরা যদি নগরবাসী সবাই সচেতন হই এবং ড্রেন ব্যবস্থা যদি আরো উন্নত করা যায়, তাহলে ভবিষ্যতে বৃষ্টির পানি আর কোনো রাস্তায় জমে থাকবে না।" এছাড়া তিনি নগরবাসীকে ময়লা আবর্জনা যেখানে সেখানে না ফেলতে এবং ড্রেনগুলো পরিষ্কার রাখার কাজে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

তিনি আরো বলেন, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের যেসব খাল বেদখল হয়ে গেছে, সেগুলোকে দখলমুক্ত করে নগরের জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করতে হবে। খালগুলো পুনরুদ্ধার না করা পর্যন্ত নগরের জলাবদ্ধতা কখনোই কমবে না এবং জনদুর্ভোগ দূরী করা সম্ভব নয়। তাই নগরকে বাঁচাতে হলে এবং ভবিষ্যতে সুন্দর নগর গড়ার জন্য খালগুলো দখলমুক্ত করা জরুরি।

প্রশাসক জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে মুসলিম বাজার খালসহ কয়েকটি খাল এবং ড্রেন ব্যবস্থা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা করার কারণে ঢাকা শহরের মশা অনেকটাই কমে গেছে।

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন রাস্তায় জমে থাকা পানির দ্রুত অপসারণ এবং ভবিষ্যতে যাতে পানি জমে না থাকে, সেজন্য সিটি কর্পোরেশন কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের পরামর্শ তিনি দেন।

পরে প্রশাসক খিলক্ষেতের নামাপাড়ায় জলাবদ্ধতা নিরসনে পানি নামার স্থান পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি জলাবদ্ধতা নিরসনে পানি নামার স্থান নামাপাড়া খাল সংস্কার করে পানি নামার উপযোগী করার নির্দেন দেন।

পরিদর্শনের সময় ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা, প্রধান প্রকৌশলী এবং প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মালয়েশিয়ায় বড় ধরনের সাঁড়াশি অভিযান, আটক ২৯০ বাংলাদেশি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৪৭ পি.এম


মালয়েশিয়ায় বড় ধরনের সাঁড়াশি অভিযান, আটক ২৯০ বাংলাদেশি

মালয়েশিয়া জুড়ে একটি বড় ধরনের সাঁড়াশি অভিযান চালিয়েছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ। অভিবাসন বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ১৮টি ভিন্ন স্থানে একযোগে পরিচালিত এই অভিযানে অন্তত ৫০৩ জন বিদেশি নাগরিককে আটক করা হয়েছে। আটকদের মধ্যে ২৯০ জন বাংলাদেশি নাগরিক রয়েছেন।

সোমবার (১৩ জুলাই) এক বিবৃতিতে এ সংক্রান্ত তথ্য নিশ্চিত করেন মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের মহাপরিচালক জাকারিয়া শাবান। খবরটি প্রকাশিত হয়েছে দ্য স্টারের মাধ্যমে।

তিনি উল্লেখ করেন, যৌথ এই অভিযানে ইমিগ্রেশন বিভাগ, জাতীয় নিবন্ধন বিভাগ, পুলিশ এবং স্থানীয় সরকারের প্রায় ৮৭৬ জন কর্মকর্তা অংশ নেন। অভিযান চলাকালীন নিয়োগকর্তা ও বিদেশি নাগরিকসহ মোট ২ হাজার ২৬০ জনের কাগজপত্র পরীক্ষা করে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের কারণে ৫০৩ জনকে আটক করা হয়।

আটক হওয়া ২৯০ জন বাংলাদেশির পাশাপাশি রয়েছেন মিয়ানমারের ১০১ জন, ইন্দোনেশিয়ার ৬৬ জন, নেপালের ৩৮ জন, ভারতের ৩৬ জন এবং অন্যান্য দেশের ১০ জন নাগরিক। আটকদের মধ্যে ২১ থেকে ৫২ বছর বয়সি ৯৫ জন নারীও রয়েছেন, যাদের সবাইকে পরবর্তীতে তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়ার জন্য বিভিন্ন ইমিগ্রেশন ডিপোতে পাঠানো হয়েছে।

এছাড়া, সংশ্লিষ্ট তদন্তে সাক্ষী হিসেবে সহায়তার জন্য আরও ১২০ জন ব্যক্তিকে বিশেষ নোটিশ (বোরং ২৯) দেওয়া হয়েছে বলেও অভিবাসন বিভাগ নিশ্চিত করেছে। অভিযানের মূল উদ্দেশ্য ছিল অবৈধভাবে বিদেশি কর্মী নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান এবং বিদেশিদের মাধ্যমে পরিচালিত ব্যবসাগুলোকে টার্গেট করা।

মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, আটকদের বিরুদ্ধে মূলত বৈধ কাগজপত্র না থাকা, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অবস্থান করার এবং ভিসার শর্ত অপব্যবহারের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। উদাহরণ হিসেবে বলা যেতে পারে, অনেকের কাছে নির্মাণ খাতের ভিসা থাকলেও তারা কাপড়ের দোকানে কাজ করছেন। পাশাপাশি কিছু কার্ডধারীর কার্ডের সত্যতা যাচাইয়ের জন্যও তাদের আটক করা হয়েছে। মহাপরিচালক আরো জানিয়েছেন, পুরো মালয়েশিয়াজুড়ে দুই শতাধিক 'হটস্পট' চিহ্নিত করা হয়েছে, যার অর্ধেকই দেশটির ক্লাং ভ্যালি এলাকায় অবস্থিত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সংসদ ভবনের ছাদ সংস্কার শুরু, এক সপ্তাহে সমাধানের আশা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৪৭ পি.এম


সংসদ ভবনের ছাদ সংস্কার শুরু, এক সপ্তাহে সমাধানের আশা

জাতীয় সংসদ ভবনের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির পানি চুইয়ে পড়ার সমস্যা সমাধানে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে সংস্কার কাজ শুরু করেছে। মঙ্গলবার সংসদে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে জানানো হয়েছে, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে।

আজ সোমবার জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অধিবেশনে পয়েন্ট অব অর্ডারে সরকারি দলের হুইপ জি কে গউছ সংসদ ভবনের মসজিদসহ বিভিন্ন স্থানে ছাদ চুইয়ে পানি পড়ার বিষয়টি সংসদের নজরে আনেন এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।

জবাবে সংসদ কার্য পরিচালনাকারী চিফ হুইপ জানান, বিষয়টি গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং ভবনের যেসব স্থানে পানি চুইয়ে পড়ছে সেগুলো মেরামতের কাজ গতকাল থেকেই শুরু হয়েছে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে সংস্কারকাজ সম্পন্ন হলে পানি চুইয়ে পড়ার সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে।

এ সময়, ডেপুটি স্পিকার বিষয়টির গুরুত্বপূর্ণতার কথা উল্লেখ করে বলেন, সংসদ ভবনের ছাদ থেকে পানি পড়ার বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে রয়েছে। তিনি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।

ডেপুটি স্পিকারের আহ্বানে সাড়া দিয়ে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী সংসদকে আশ্বস্ত করে বলেন, চিফ হুইপ বিষয়টি মন্ত্রণালয়ের নজরে এনেছেন। ভবনের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ সংস্কারে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যেই সমস্যার স্থায়ী প্রতিকার নিশ্চিত করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%