মুহাম্মদ কাইসার হামিদ, কুলিয়ারচর (কিশোরগঞ্জ)
১১:১০ পি.এম
কুলিয়ারচর উপজেলা দলিল লেখক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জামাল উদ্দিন কিশোরগঞ্জ জেলা দলিল লেখক সমিতির সহ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে মনোনীত হয়েছেন।
এই তথ্যটি নিশ্চিত হওয়া গেছে রোববার (৩০ আগষ্ট) দুপুরে, যখন কিশোরগঞ্জ জেলা দলিল লেখক সমিতির নির্বাচন-২০২৬ এর প্রধান নির্বাচন কমিশনার মো. লুৎফুর রহমান এবং আহবায়ক মো. বাছির উদ্দিন সরকারের যৌথ স্বাক্ষরিত একটি পত্রমূলে বিষয়টি উল্লেখ করা হয়। পত্রে জানানো হয়, গত ১৩ জুন-২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের পর নব-নির্বাচিত সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক ও অন্যান্য মনোনীত সদস্যদের নিয়ে আগামী ৫ সেপ্টেম্বর শনিবার সকাল ১১টায় কিশোরগঞ্জের গাইটালস্থ আলমগীর হোসেন সিটি'র "সিটি কনভেনশন হলে" শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। মো. জামাল উদ্দিন-কে সময়মতো উপস্থিত থেকে শপথ নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এ খবর ছড়িয়ে পড়ার পর কুলিয়ারচর উপজেলা দলিল লেখক সমিতির নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ সদস্যদের মাঝে আনন্দের আমেজ ও উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।
মনোনয়ন প্রাপ্তির পর এক প্রতিক্রিয়ায় মো. জামাল উদ্দিন "ঐক্যই শক্তি, ঐক্যবদ্ধ দলিল লেখক সমাজই আমাদের অঙ্গীকার" স্লোগানকে স্মরণ করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি জেলা দলিল লেখক সমিতির নব-নির্বাচিত সভাপতি আলহাজ্ব মো. মহি উদ্দিন বাবুল, সাধারণ সম্পাদক মো. ফুরকান উদ্দিন মানিক, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম সরকার এবং আহ্বায়ক মো. বাছির উদ্দিন সরকারসহ আহ্বায়ক কমিটির সকল সদস্যের প্রতি ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানান।
তিনি বলেন, "আমাকে জেলা কমিটির সহ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে মনোনীত করে যে আস্থা, বিশ্বাস ও সম্মান আপনারা দিয়েছেন, তার জন্য আমি চিরকৃতজ্ঞ। এই মনোনয়ন আমার কাছে কেবল একটি পদবী বা সম্মান নয়, বরং এটি একটি বড় দায়িত্ব ও আমানত। কিশোরগঞ্জ জেলা দলিল লেখক সমিতির ঐক্য, মর্যাদা ও পেশাগত স্বার্থ রক্ষায় এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে আমি সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাব, ইনশাআল্লাহ।"
তিনি সমিতির ভবিষ্যৎ অগ্রযাত্রায় সকলের দোয়া, ভালোবাসা ও সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেপাল ভয়াবহ দুর্যোগের পরও ভারতের বেসরকারি ত্রাণ নেপাল সীমান্ত থেকেই ফিরিয়ে দিচ্ছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। এসব বেসরকারি সংস্থাকে নেপাল কাস্টমস জানিয়েছে ত্রাণ দিতে হলে নেপাল থেকে কিনে দিতে হবে।
নেপালে এখন পর্যন্ত প্রায় ৬৮.৫ টন ত্রাণ সামগ্রী পাঠিয়েছে ভারত। যার মধ্যে রয়েছে প্রয়োজনীয় ওষুধ, জরুরি খাদ্যসামগ্রী, তাবু ও অস্থায়ী আশ্রয় তৈরির কিট, কম্বল, স্লিপিং ব্যাগ, ওয়াটার পিউরিফায়ার এবং জেনারেটর সেট। একটি বিশেষ টানেল উদ্ধারকারী দল পাঠিয়েছে ভারত।
এ ছাড়াও ২৩০ ফুটের একটি মডুলার স্টিল বেইলি ব্রিজ তৈরির সরঞ্জাম। সহ আরো ১৭টি ব্রিজ তৈরির সরঞ্জাম। ১৬ ট্রাকে ও চারটি বিমানে নেপালে পাঠিয়েছে ভারত।
দুর্যোগের পর শুধু ভারত সরকার নয়, ভারতের সাধারণ নাগরিক বিভিন্ন এনজিও নিজের নিজের উদ্যোগে নেপালে সাহায্যে পৌঁছানোর কাজ শুরু করেছে। কিন্তু অভিযোগ প্রত্যেক ক্ষেত্রেই নেপালের সীমান্তে সেইসব ত্রাণবাহী গাড়ি আটকে দেওয়া হয়েছে।
অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অভিযোগ নেপালের কাস্টম এই ত্রাণ সামগ্রী নেপালের ভেতরে প্রবেশ করতে দেয়নি। অভিযোগ কাস্টমস এসব বেসরকারি সংস্থাকে জানিয়েছে ত্রাণ দিতে হলে সেই ত্রাণ নেপাল থেকে কিনে তবে দিতে হবে।
ত্রাণের গাড়ি ফিরিয়ে দেওয়ার ঘটনায় রাগান্বিত উত্তরপ্রদেশের যুবক রতন ধিল্লোর বলেন, এই জন্যই বলি বিনা নিয়ন্ত্রণের কোথাও যাওয়া উচিত নয়। ভারত সবসময় নেপাল কে স্বার্থ ছাড়া সাহায্য করে আসছে। কিন্তু নেপাল ভারতকে অপমান করতে ব্যস্ত।
নেপালের সিনিয়র সাংবাদিক গজেন্দ্র বুদ্ধঠোকি বলেন, নেপাল কাস্টমস বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, যে কোনো বিদেশি সহায়তা বা ত্রাণসামগ্রী ছাড়পত্রের জন্য নেপালের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অথবা জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের আগাম অনুমোদন প্রয়োজন। সঠিক অনুমোদন বা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় কাস্টমস কর্তারা বেসরকারি ত্রাণ গ্রহণে অস্বীকৃতি জানান।
এ ছাড়াও নেপাল সরকার ব্যক্তিগত বা বেসরকারি সংস্থার মাধ্যমে সরাসরি ত্রাণ বিতরণের চেয়ে সরকারের কেন্দ্রীয় তহবিলের মাধ্যমে বা নির্ধারিত একচ্ছত্র ব্যবস্থার অধীনে ত্রাণ বিতরণকে প্রাধান্য দিয়েছে।
নেপাল কাস্টমস বিভাগ কোনো দেশবিরোধী উদ্দেশ্যে নয়, বরং তাদের নিজস্ব রাজস্ব ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন মেনে আগাম অনুমোদন না থাকা বেসরকারি কনসাইনমেন্টগুলোকে সীমান্তে আটকে ফেরত পাাঠিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুদ্ধ শুরুর ছয় মাস পর তীব্র অর্থনৈতিক সংকট আর ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে স্বজনদের খোঁজার এক অবর্ণনীয় যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে ইরানিরা। একদিকে মার্কিন-ইসরায়েলি জোটের হামলার ধ্বংসলীলা, অন্যদিকে আকাশছোঁয়া মূল্যস্ফীতি—সব মিলিয়ে সাধারণ মানুষের জীবনে নেমে এসেছে এক চরম স্থবিরতা ও হতাশা।
তেহরানের কেন্দ্রস্থলে একটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে ডেটা অ্যানালিস্ট হিসেবে কাজ করেন ৩৩ বছর বয়সী বিজন। আল জাজিরাকে তিনি জানান, তিন বছর আগেও তার মাসিক বেতন ছিল এক হাজার ডলারের বেশি। কিন্তু মূল্যস্ফীতি তার আয়ের বড় অংশই কেড়ে নিয়েছে। তিনি বলেন, তিনবার বেতন বাড়ার পরও আমার বর্তমান বেতন ৫০০ ডলারের নিচে নেমে এসেছে। পরিস্থিতি দিন দিন এতটাই খারাপ হচ্ছে যে, এক দশক আগে স্নাতক শেষ করেই দেশ না ছাড়ার জন্য এখন আক্ষেপ করেন এই তরুণ।
রাজধানীর আরেক তরুণ সাসানের কণ্ঠেও একই হতাশার সুর। তার মতে, যখনই বাইরের আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ে, তখনই দেশের ভেতরে কর্তৃপক্ষ নিজেদের নিয়ন্ত্রণ আরও কঠোর করে। সাসান বলেন, মাঝেমধ্যে আমি চরম হতাশার যন্ত্রণা অনুভব করি। সবসময় চেষ্টা করে যাচ্ছি, অথচ দেখছি সবকিছুই আমার বিরুদ্ধে যাচ্ছে। নিজের ভবিষ্যৎ এখন আর নিজের হাতে নেই।
তরুণদের এই অর্থনৈতিক ও মানসিক পঙ্গু দশার পাশাপাশি দেশটিতে চলছে মার্কিন-ইসরায়েলি সামরিক আগ্রাসন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে অন্তত ৭ হাজার ২৫০ জনকে উদ্ধার করেছে ইরানের রেড ক্রিসেন্ট।
সংস্থাটির ইরানি শাখার প্রধান পীরহোসেন কোলিভান্দ জানান, বিমান হামলার মতো চরম বৈরী ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যেও উদ্ধারকারীদের কাজ করতে হচ্ছে। তবে এই যুদ্ধাপরাধ ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় রেড ক্রিসেন্ট নীরব থাকবে না। মানবিক অবকাঠামোর ওপর হওয়া হামলার প্রমাণ এরই মধ্যে আন্তর্জাতিক আইনি সংস্থাগুলোতে পাঠানো হয়েছে এবং এর বিরুদ্ধে উপযুক্ত আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
বিডিপ্রতিদিন/কেকে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০১১ সালের আগস্ট মাস। স্বাস্থ্যগত কারণে স্টিভ জবস যখন অ্যাপল ছাড়েন, তখন কোম্পানির প্রধান নির্বাহীর দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন টিম কুক। অনেকেই তখন সন্দিহান ছিলেন। কারণ কুক পরিচিত ছিলেন সাপ্লাই-চেইন বিশেষজ্ঞ হিসেবে। তিনি কি জবসের মতো উদ্ভাবনী ধারা ধরে রাখতে পারবেন? ১৫ বছর পর আজ টিম কুক যখন পদত্যাগ করছেন, তখন সেই প্রশ্নের অকাট্য উত্তর দিচ্ছে পরিসংখ্যান।
কুকের এই দীর্ঘ মেয়াদে অ্যাপলের বাজার মূলধন ৩৫০ বিলিয়ন ডলার থেকে আকাশ ছুঁয়ে প্রায় ৪ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। তিনি দায়িত্ব নেওয়ার সময় অ্যাপলের শেয়ারের দাম ছিল মাত্র ১৩ ডলার। সেটি ২,৩৫৯ শতাংশেরও বেশি বেড়ে এখন ৩১৯.৭০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। একইসঙ্গে কোম্পানির বার্ষিক আয় ১০৮ বিলিয়ন থেকে ছাড়িয়েছে ৪০০ বিলিয়ন ডলার।
টিম কুকের সবচেয়ে বড় সাফল্য হলো অ্যাপলকে হার্ডওয়্যারের গণ্ডি পেরিয়ে একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা। অ্যাপল মিউজিক, অ্যাপল পে ও অ্যাপ স্টোরের মতো সার্ভিস খাতগুলো এখন কোম্পানির অন্যতম আয়ের উৎস, যা থেকে বছরে ১০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি আয় হচ্ছে।
হার্ডওয়্যারের জগতেও তার বড় ছাপ রয়েছে। ইন্টেলের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে ম্যাক কম্পিউটারের জন্য নিজস্ব প্রসেসর ‘অ্যাপল সিলিকন’ তৈরি করে তারা। ২০১৫ সালে বাজারে আসে স্বাস্থ্য ও ফিটনেসনির্ভর অ্যাপল ওয়াচ। এর ঠিক এক বছর পর ওয়্যারলেস এয়ারপডস এনে বিশ্বজুড়ে নতুন উন্মাদনা তৈরি করে অ্যাপল।
তবে তার এই দীর্ঘ সফল যাত্রা পুরোপুরি বাধাহীন ছিল না। ২০১২ সালে ভুল তথ্যের কারণে সমালোচনার মুখে পড়েছিল অ্যাপল ম্যাপস। দাম বেশি হওয়ায় ২০২৩ সালে বাজারে আসা ‘ভিশন প্রো’ হেডসেটটিও সাধারণ গ্রাহকদের খুব একটা টানতে পারেনি। এছাড়া বিপুল খরচের পর শেষমেশ বাতিল করতে হয় তাদের উচ্চাভিলাষী ইলেকট্রিক ও স্বয়ংক্রিয় গাড়ি প্রকল্প ‘প্রজেক্ট টাইটান’।
কুকের বিদায়ের পর অ্যাপলের সামনে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই। মাইক্রোসফট, গুগল বা ওপেনএআই যখন এই দৌড়ে আগ্রাসী, অ্যাপল তখন গোপনীয়তা ও সফটওয়্যার ইন্টিগ্রেশনের দিকে সতর্কতার সঙ্গে এগোচ্ছে। টিম কুকের রেখে যাওয়া এই বিশাল সাম্রাজ্য এবং এআই প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার এই কঠিন পরীক্ষা এখন দিতে হবে তার উত্তরসূরি জন টার্নাসকে। ব্যর্থতার কিছু গল্প থাকলেও, কুকের হাত ধরে অ্যাপলের এই অবিশ্বাস্য আর্থিক উত্থান সত্যিই অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
বিডিপ্রতিদিন/কেকে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে নতুন স্কুলব্যাগ বিতরণ করা হয়েছে শিক্ষার্থীদের মাঝে। এই উদ্যোগের ফলে শিক্ষার্থীরা স্কুলব্যাগ হাতে পেয়ে আনন্দ ও উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠে। গাইবান্ধা-৩ আসনের এমপি মাওলানা আবুল কাওছার মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন শিশু শিক্ষার্থীদের পাঠগ্রহণের আগ্রহ বাড়ানোর উদ্দেশ্যে।
স্কুলব্যাগ হাতে পেয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনেককেই হাসিমুখে দেখা যায়। কিছু শিক্ষার্থী নতুন ব্যাগ কাঁধে নিয়ে সহপাঠীদের সঙ্গে আনন্দে মেতে ওঠে, আবার কেউ কেউ ব্যাগটি নিয়ে বাড়ি ফেরার জন্য অপেক্ষা করছিল।
রোববার (৩০ আগস্ট) সকালে সাদুল্লাপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুলব্যাগ বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন উপজেলা জামায়াতের সেক্রটারী সিরাজুল ইসলাম, বনগ্রাম ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি আব্দুল ওয়ারেছ, সেক্রেটারী মাহবুবুর রহমান, ছাত্রনেতা কাওছার রহমান কাজল, বিদ্যালয়ের সভাপতি শামীম আরা, প্রধান শিক্ষক উম্মে হাবিবা মোছা. লেহিনা আক্তার বানু, সহকারী শিক্ষক অলিউর রহমান মিলনসহ অনেকে।
অনুষ্ঠানে বক্তারা উল্লেখ করেন, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ বাড়াতে পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনেক দরিদ্র ও অসচ্ছল পরিবারের শিক্ষার্থীদের জন্য স্কুলব্যাগসহ প্রয়োজনীয় উপকরণ কেনা খুবই কষ্টকর হয়ে দাঁড়ায়। তাদের সহযোগিতায় সমাজের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের এগিয়ে আসার প্রয়োজন রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ