ঢাকা রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

আইজেনকটকে সরকার গঠনের দায়িত্ব দিল ইসরাইলের প্রেসিডেন্ট


আইজেনকটকে সরকার গঠনের দায়িত্ব দিল ইসরাইলের প্রেসিডেন্ট

দখলদার ইসরাইলে নতুন জোট সরকার গঠনের জন্য প্রেসিডেন্ট দেশটির বিরোধীদলীয় নেতা গাদি আইজেনকটকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন।

গত সপ্তাহের নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু কিংবা আইজেনকট—কোনো পক্ষই দেশটির পার্লামেন্ট নেসেটে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে দফায় দফায় আলোচনা শেষে প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজোগ এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।

নতুন সরকার গঠনের জন্য সাবেক সেনাপ্রধান আইজেনকটকে ২৮ দিন সময় দেওয়া হবে। তবে প্রয়োজন হলে এই মেয়াদ ১৪ দিন বাড়ানো হতে পারে।

আরও পড়ুন: ৬ বছর ১০ মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রায় ৩০০ পরিবার পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) একটি পোস্টে আইজেনকট উল্লেখ করেন, ‘এখন সময় এসেছে একটি জাতীয় জরুরি সরকার গঠনের। জনগণের বিশ্বাসের প্রতি পূর্ণ সম্মান রেখে আমি সবটুকু করার চেষ্টা করব।’

ইসরাইলের রাজনৈতিক ইতিহাসে আজ পর্যন্ত কোনো দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি, ফলে দেশটিতে সবসময়ই জোট সরকার গঠিত হয়ে আসছে।

তবে এবারের নির্বাচনে দুই আরব জোট—ইউনাইটেড আরব লিস্ট এবং জয়েন্ট লিস্ট—সবচেয়ে বড় চমক দেখিয়েছে। আরব ভোটারদের উপস্থিতির হার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় এই জোট দুটি একসঙ্গে রেকর্ড ১৯টি আসনে জয়লাভ করেছে।

এমন ফলাফলে আরব দলগুলো সরকার গঠনের অন্যতম কিংমেকার হয়ে ওঠার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। যদিও একটি ব্যতিক্রমি দল ছাড়া সবকটি ইহুদি রাজনৈতিক দলই নির্বাচনের আগে আরব দলগুলোর সঙ্গে কোনো সরকার না গড়ার অঙ্গীকার করেছিল।

আরও পড়ুন: ইয়েমেনে ২৪ ঘণ্টায় সংঘাতে নিহত ৫০ জনের বেশি

সপ্তাহজুড়ে সব দলের সঙ্গে আলোচনা শেষে প্রেসিডেন্ট হারজোগ জানান, তিনি সরকার গঠনের প্রথম সুযোগটি আইজেনকটকেই দিতে যাচ্ছেন।

প্রেসিডেন্টের কার্যালয় থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, এই সিদ্ধান্তের কথা ইতোমধ্যে আইজেনকট ও নেতানিয়াহু উভয়কেই অবহিত করা হয়েছে।

নবনির্বাচিত নেসেট সদস্যদের মধ্যে আইজেনকট ৬৭ জন আইনপ্রণেতার সমর্থন পেয়েছেন। অন্যদিকে নেতানিয়াহুর পক্ষে সমর্থন এসেছে ৪৬ জনের—এটি ওই বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

নির্বাচনের ফলাফলের পর সরকার গঠনের তিনটি পথ খোলা রয়েছে—নেতানিয়াহু ও আইজেনকটের সমন্বয়ে একটি জাতীয় ঐক্যের সরকার, নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন ডানপন্থি জোট (যেখানে আইজেনকট জোটের এমপিদের ভাগিয়ে আনার প্রয়োজন হতে পারে) অথবা আরব দলগুলোর সমর্থনে আইজেনকটের নেতৃত্বাধীন সরকার।

আরও পড়ুন: শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনতে আইনগত পদক্ষেপ নেবে সরকার

আইজেনকট ও তার ব্লকের প্রায় সব সদস্য এতদিন আরব দলগুলোর সঙ্গে সরকার গঠনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে আসছিলেন। তবে পর্দার আড়ালে কোনো ধরনের সমঝোতা হতে পারে বলেও গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে।

এর বাইরে তিনি আল্ট্রা-অর্থোডক্স দলগুলোর সঙ্গেও চুক্তি করার চেষ্টা চালাতে পারেন, যদিও সেটি বেশ কঠিন ও জটিল এক হিসাব।

অবশ্য ইসরাইলে ঐক্যের সরকার গঠনের ইতিহাস নতুন নয়। এর আগে ২০২০ সালে পরপর তিনটি নির্বাচন অচল হয়ে পড়লে নেতানিয়াহু এবং তার তৎকালীন প্রতিদ্বন্দ্বী বেনি গ্যান্টস ক্ষমতার হাতবদলের (রোটেশনাল গভর্মেন্ট) ভিত্তিতে একটি চুক্তি করেছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০১৯ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত চরম রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্য দিয়ে গেছে ইসরাইল। নেতানিয়াহু ও তার বিরোধীদের মধ্যে সমঝোতার অভাবে সে সময় তিন বছরে পাঁচবার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

আরও পড়ুন: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৪ ঘণ্টা পর অবরোধ প্রত্যাহার, ট্রেন চলাচল শুরু

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জোয়ারের নোনা পানিতে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নদ-নদীতে বাড়ছে লবণাক্ততা, কৃষি হুমকিতে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৪৭ এম


জোয়ারের নোনা পানিতে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নদ-নদীতে বাড়ছে লবণাক্ততা, কৃষি হুমকিতে

জোয়ারের সঙ্গে আসা নোনা পানি ধীরে ধীরে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নদ-নদী ও খাল-বিলকে গ্রাস করতে শুরু করেছে। যদিও পরিস্থিতি এখনও অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছায়নি, তবে গোপালগঞ্জসহ বিভিন্ন জেলার কৃষিজমিতে এর প্রভাব দেখা দিতে শুরু করেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নদীতে উজানের মিষ্টি পানির প্রবাহ কমে গেলে পরিস্থিতি দ্রুত ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। তাই জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় এখনই কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি।

মধুমতী নদীর পাশে কৃষক আসাদুজ্জামানের একটি জমি রয়েছে। আগে নদীর পানি দিয়ে সেচ দিলেই ফসলে মাঠ ভরে উঠত। কিন্তু গত কয়েক বছরে নদীর পানিতে লবণাক্ততা বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে গাছগুলো মরে যাচ্ছে এবং নানা রোগবালাই দেখা দিচ্ছে। ফলস্বরূপ, ফসলের ফলন অর্ধেকে নেমে এসেছে।

কৃষক আসাদুজ্জামান জানান, "ভালো ফসল হয় না। আগে অল্প সার প্রয়োগ করেই ভালো ফলন পাওয়া যেত। কিন্তু এখন আর তা হচ্ছে না।"

একদিকে নদ-নদীতে উজান থেকে আসা মিষ্টি পানির প্রবাহ কমছে, অন্যদিকে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়ছে। ফলে জোয়ারের সঙ্গে আসা নোনা পানি ক্রমেই উত্তরের দিকে ছড়িয়ে পড়ছে। মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের (এসআরডিআই) গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, গত ছয় বছরে সাতক্ষীরার তালায় কপোতাক্ষ নদে লবণাক্ততার মাত্রা ৩২ দশমিক ১২ ডিএস/এম-এ পৌঁছেছে।

গোপালগঞ্জের মধুমতী নদীতে লবণাক্ততার মাত্রা ৪ দশমিক ১৬ ডিএস/এম পাওয়া গেছে, যেখানে কৃষিকাজের জন্য পানির আদর্শ সহনীয় মাত্রা ২ ডিএস/এম। মূলত উজানের পানির প্রবাহ ধীরে ধীরে কমে যাওয়ার কারণে সাগরের নোনা পানি নদীপথ ধরে ভেতরের দিকে প্রবেশ করছে। এর ফলে লবণাক্ততা ছড়িয়ে পড়ছে, যা মাটি, পানি, ফসল ও প্রাকৃতিক বাস্তুতন্ত্রকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নদীগুলোর মিষ্টি পানির অন্যতম প্রধান উৎস গঙ্গা-পদ্মার প্রবাহ। তবে শুষ্ক মৌসুমে ভারত এসব নদীর পানি আটকে রাখায় এ অঞ্চলের বিভিন্ন নদ-নদীতে লবণাক্ততা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ হারুন চৌধুরী বলেন, "উজান থেকে পানির প্রবাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জোয়ারের সঙ্গে আসা পলি নদীর তলদেশ ভরাট করছে। এ প্রক্রিয়া চলতে থাকলে বিস্তীর্ণ এলাকা লবণাক্ততার ঝুঁকিতে পড়বে।"

এ পরিস্থিতি থেকে রক্ষা পেতে শুধুমাত্র নদী খনন করাই যথেষ্ট নয়। পানির স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি আন্তঃসীমান্ত নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

ড. আবদুল্লাহ হারুন চৌধুরী আরও বলেন, "উজানের দিকে খাল-নদীর সঙ্গে সংযুক্ত যেসব জলপথ ভরাট হয়ে আছে, সেগুলো যথাযথ প্রক্রিয়ায় খনন করতে হবে। একই সঙ্গে মিষ্টি পানির স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করতে হবে। এ খননকাজ সর্বোচ্চ প্রশাসনিক সক্ষমতা ও সততার সঙ্গে বাস্তবায়ন করা জরুরি।"

বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, সংকট সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে খাদ্যনিরাপত্তা, জনস্বাস্থ্য ও জনবসতির ওপর হুমকি আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইয়েমেনে সৌদির বিমান হামলায় নিহত ৩৩, আহত ৩৯

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৪৮ এম


ইয়েমেনে সৌদির বিমান হামলায় নিহত ৩৩, আহত ৩৯

ইয়েমেনের রাজধানী সানার নিকটবর্তী একটি গ্রামে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের বিমান হামলার ফলে নিহতের সংখ্যা ৩৩ জনে পৌঁছেছে। এই হামলায় আহত হয়েছেন আরও ৩৯ জন।

হুথি নিয়ন্ত্রিত ইয়েমেনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আনিস আলাসবাহি এই তথ্য প্রকাশ করেছেন। আল জাজিরায় প্রকাশিত খবর অনুযায়ী,

তিনি জানান, শনিবার (৭ নভেম্বর) সানার পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত বানি হাশিশ জেলার আল শারিয়াহ গ্রামে একাধিক বিমান হামলা চালিয়েছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট।

আলাসবাহি দাবি করেছেন, হামলার ফলে গ্রামের বেশ কিছু বাড়ি, সড়ক, অ্যাম্বুলেন্স কর্মী এবং বেসামরিক প্রতিরক্ষা দলের সদস্যরা লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, হামলার পর নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৩ জনে দাঁড়িয়েছে এবং আহত হয়েছেন অন্তত ৩৯ জন।

এদিকে, সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের পক্ষ থেকে এ হামলার বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আজকের নামাজের সময়সূচি প্রকাশিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৪৮ এম


আজকের নামাজের সময়সূচি প্রকাশিত

নামাজ ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হিসেবে বিবেচিত হয়। এটি পঞ্চস্তম্ভের মধ্যে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে, তাই নির্দিষ্ট সময়ে নামাজ আদায় করা অত্যন্ত জরুরি।

রোববার (৮ নভেম্বর) ঢাকা এবং এর পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য নামাজের সময়সূচি নিম্নরূপ উল্লেখ করা হলো।

জোহরের নামাজের সময় শুরু হবে বেলা ১১টা ৪৩ মিনিটে।

আসরের নামাজের সময় শুরু হবে ৩টা ৪০ মিনিটে।

মাগরিবের নামাজের সময় নির্ধারিত হয়েছে ৫টা ১৭ মিনিটে।

এশার নামাজের সময় শুরু হবে ৬টা ৩৩ মিনিটে।

উল্লিখিত সময়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভাগের সময় যোগ-বিয়োগ করতে হবে, সেগুলো হলো-

যোগ করতে হবে:

খুলনা: ০৩ মিনিট

রাজশাহী: ০৭ মিনিট

রংপুর: ০৮ মিনিট

বরিশাল: ০১ মিনিট

বিয়োগ করতে হবে:

চট্টগ্রাম: ০৫ মিনিট

সিলেট: ০৬ মিনিট

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রোনালদোর ৯টি রেকর্ড ভাঙা প্রায় অসম্ভব, দাবি ফুটবল বিশেষজ্ঞদের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৪৯ এম


রোনালদোর ৯টি রেকর্ড ভাঙা প্রায় অসম্ভব, দাবি ফুটবল বিশেষজ্ঞদের

দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা বর্ণাঢ্য আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার শেষ করেছেন পর্তুগিজ সুপারস্টার ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। জাতীয় দলের জার্সি পরে মাঠে আর দেখা যাবে না তাকে। তবে এই দীর্ঘ সময়ে পর্তুগালের হয়ে অসংখ্য অবিশ্বাস্য কীর্তি ও রেকর্ড গড়েছেন তিনি। এর মধ্যে এমন ৯টি অনন্য রেকর্ড রয়েছে, যা ফুটবল ইতিহাসে অক্ষত থাকার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।

১. আন্তর্জাতিক ম্যাচে সর্বোচ্চ গোল

রোনালদো ইতিহাসের সবচেয়ে বেশি আন্তর্জাতিক গোলদাতা হিসেবে শীর্ষে রয়েছেন। জাতীয় দলের জার্সিতে তার মোট গোলসংখ্যা ১৪৬টি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী লিওনেল মেসি, যিনি আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানিয়েছেন, তার চেয়ে ২০ গোল পেছনে রয়েছেন। ইরানের কিংবদন্তি আলী দাইয়ীও রোনালদোর চেয়ে ৩৮ গোল পেছনে। বর্তমান প্রজন্মের ফুটবলারদের মধ্যে রোমেলু লুকাকু (৯৪ গোল) বা রবার্ট লেভানডোভস্কি (৯২ গোল) কিংবা হ্যারি কেইনের পক্ষে এই বিশাল ব্যবধান ঘুচিয়ে রোনালদোকে টপকানো প্রায় অসম্ভব।

পর্তুগালের হয়ে ২৩ বছরের বিশাল ক্যারিয়ারে রোনালদো সর্বোচ্চ ২৩৪টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন। এই সংখ্যায় তিনি অন্য সবার চেয়ে অনেক দূরে অবস্থান করছেন। মেসির ঝুলিতে রয়েছে ২০৮ ম্যাচ। বর্তমান প্রজন্মের খেলোয়াড়দের মধ্যে কাতার জাতীয় দলের অধিনায়ক হাসান আল হায়দোস ১৯৩ ম্যাচ খেলে তার কাছাকাছি থাকলেও, শীর্ষস্থান দখল করতে তাকে অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে।

৩. ত্রিশের পরে গোলমেশিন

বয়স বাড়লেও রোনালদোর মাঠের পারফরম্যান্সে কমেনি ধার। বরং ক্যারিয়ারের ‘দ্বিতীয়ার্ধে’ তিনি আরো বেশি অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেছেন। ত্রিশ বছর বয়স পূর্ণ হওয়ার পর পর্তুগালের হয়ে অবিশ্বাস্যভাবে ৯৪টি গোল করেছেন তিনি, যেখানে ত্রিশের আগে তার গোলসংখ্যা ছিল মাত্র ৫২টি। ত্রিশের পর আন্তর্জাতিক ফুটবলে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৬৮ গোল রয়েছে মেসির। সামগ্রিক ফুটবল ইতিহাসে ৯৪ বা তার বেশি গোল করা খেলোয়াড়ের সংখ্যা মাত্র চারজন, ফলে এই রেকর্ড ভাঙা এক প্রকার অসম্ভব।

রোনালদো পর্তুগালের জার্সিতে মোট ৯৬টি ভিন্ন ম্যাচে গোল করেছেন। বছরের পর বছর ধরে তার গোলের ধারাবাহিকতা অতুলনীয়। আন্তর্জাতিক ফুটবল ইতিহাসে কেবল রোনালদো, মেসি এবং আলী দাইয়ীই এই বিরল ক্লাবের সদস্য।

রোনালদো নিজের দীর্ঘ ২৩ বছরের ক্যারিয়ারের প্রতিটি একক বছরে গোল করার বিরল রেকর্ড গড়েছেন। ক্যারিয়ারের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত গোলমুখের সামনে কখনোই তার ধার বা ধারাবাহিকতায় ভাটা পড়েনি। এই রেকর্ড ভাঙতে হলে কাউকে অতি অল্প বয়সে আন্তর্জাতিক ফুটবলে অভিষিক্ত হতে হবে এবং দীর্ঘ সময় ধরে কোনো বিরতি ছাড়াই নিয়মিত গোল করে যেতে হবে।

৬. টানা ২৩ বছর গোলের দেখা

বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় চূড়ায় না থাকলেও, ইউরোপীয় ফুটবলের সর্বোচ্চ আসর ‘ইউরো’তে সর্বাধিক ১৪টি গোল করার রেকর্ড একচ্ছত্রভাবে রোনালদোর দখলে। এই তালিকায় তার ঠিক পরেই রয়েছেন ফ্রান্সের মিশেল প্লাতিনি (৯ গোল)। স্পেনের আলভারো মোরাতা ও ইংল্যান্ডের হ্যারি কেইন ৭টি করে গোল নিয়ে তার অনেক পেছনে অবস্থান করছেন।

ইউরো টুর্নামেন্টে গোলের রেকর্ডের পাশাপাশি সর্বাধিক ৩০টি ম্যাচ খেলার রেকর্ডও সিআরসেভেনের ঝুলিতে। এই রেকর্ড ভাঙা কেন কঠিন? কারণ একটি দল ফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছালেও এক আসরে সর্বোচ্চ সাতটি ম্যাচ খেলার সুযোগ পায়। ফলে এই রেকর্ড ভাঙতে হলে কোনো খেলোয়াড়কে অন্তত ছয়টি আলাদা ইউরো আসরে খেলে ফাইনাল পর্যন্ত যাওয়ার অবিশ্বাস্য ধারাবাহিকতা দেখাতে হবে।

৯. বিশ্বকাপের ভিন্ন ভিন্ন আসরে গোল

গোলকিপার বাদে কেবল লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোই ইতিহাসের একমাত্র আউটফিল্ড খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপের ছয়টি ভিন্ন আসরে খেলার গৌরব অর্জন করেছেন। তবে এখানে অনন্য এক ব্যবধানে মেসিকে ছাড়িয়ে গেছেন রোনালদো—তিনি খেলেছেন এমন প্রতিটি বিশ্বকাপ আসরেই গোল করার কীর্তি গড়েছেন। চার বছর পর পর অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের ছয়টি আসরে স্কোয়াডে জায়গা পাওয়াটাই যেখানে বড় চ্যালেঞ্জ, সেখানে প্রতিটিতেই গোল করাটা প্রায় অসম্ভব। আর তাই করে দেখিয়েছেন রোনালদো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫১
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%