ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কয়লা শিল্পের উন্নয়নে ট্রাম্পের বিশাল তহবিলের ঘোষণা


কয়লা শিল্পের উন্নয়নে ট্রাম্পের বিশাল তহবিলের ঘোষণা

আমেরিকার কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর আধুনিকায়ন এবং এশিয়ায় কয়লা রপ্তানি বাড়ানোর লক্ষ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্প কয়েক কোটি ডলারের বিশাল তহবিল ঘোষণা করেছেন। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) ওভাল অফিসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এই ঘোষণা দেন।

এই তহবিলের বড় অংশই আসবে স্নায়ুযুদ্ধকালীন একটি বিশেষ জরুরি আইন থেকে। তবে ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।

ট্রাম্প ১৩টি কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের আধুনিকায়নের জন্য ৪২৫ মিলিয়ন (৪২ কোটি ৫০ লাখ) ডলার এবং ক্যালিফোর্নিয়ার একটি কয়লা রপ্তানি টার্মিনালের জন্য ৭৫ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ করেছেন। এ অর্থায়নের জন্য তিনি ১৯৫০ সালের ‘ডিফেন্স প্রোডাকশন অ্যাক্ট’ নামক একটি বিশেষ আইন প্রয়োগ করছেন, যা জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে রাষ্ট্রপতিকে শিল্প খাতের ওপর ব্যাপক ক্ষমতা দেয়।

আরও পড়ুন: কাতারের শান্তি প্রস্তাব নাকচ, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন হামলার শঙ্কা

এ ছাড়া আলাস্কা ও ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ার নতুন প্রকল্পসহ চারটি কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উন্নয়নে আরো ৩৫০ মিলিয়ন ডলারের তহবিল চূড়ান্ত করার বিষয়টি মার্কিন জ্বালানি বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ডেটা সেন্টারগুলোর জন্য নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিত করতে এবং অন্য দেশের ওপর নির্ভরতা কমাতে এই পদক্ষেপটি নিয়েছে।

ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের পর পরই পরিবেশবাদীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন। তাদের দৃষ্টিতে, কয়লার দূষণ মানুষের হৃদরোগ ও ফুসফুসের রোগ বাড়ায়, যা মানুষের আয়ু কমিয়ে দিচ্ছে।

পরিবেশবাদী সংগঠন সিয়েরা ক্লাব-এর জলবায়ু নীতি পরিচালক প্যাট্রিক ড্রাপ এটিকে করদাতাদের অর্থের অপচয় হিসাবে উল্লেখ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তারা আদালতে লড়াই করবেন।

আমেরিকায় নবায়নযোগ্য শক্তি এবং সস্তা প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় কয়লা বিদ্যুৎ এর ওপর নির্ভরতা অনেক কমেছে। ১৯৯০ সালে আমেরিকার অর্ধেকের বেশি বিদ্যুৎ কয়লা থেকে এলেও এখন তা এক-পঞ্চমাংশেরও নিচে নেমে গেছে। এমনকি ট্রাম্পের নানামুখী চেষ্টা সত্ত্বেও দেশটিতে কয়লা খনি শ্রমিকের সংখ্যা ২০১৭ সালের ৫১,৫০০ থেকে কমে গত বছর প্রায় ৩৯,৮০০-তে এসে দাঁড়িয়েছে।

আরও পড়ুন: গণভোটের রায় না মানলে তারেক রহমানের ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই: জুনায়েদ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মার্কিন বাণিজ্যচুক্তির পর্যালোচনা প্রয়োজন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৫৭ এম


মার্কিন বাণিজ্যচুক্তির পর্যালোচনা প্রয়োজন

মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি (শুল্কসংক্রান্ত চুক্তি) পর্যালোচনা করা দরকার, এ মন্তব্য করেছেন বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি নতুন করে ১০ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করে, তবে জোরপূর্বক শ্রম সমস্যা সমাধান হবে না। বরং এর ফলে জোরপূর্বক শ্রম আরও বেশি বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে।

গত মঙ্গলবার মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধির কার্যালয় বা ইউএসটিআর বাংলাদেশসহ ৬০টি দেশের পণ্যে অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের প্রস্তাব দেয়। তারা জোরপূর্বক শ্রমে তৈরি পণ্যমালার আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপে ব্যর্থতার অভিযোগ করে। এসব দেশের জন্য যুক্তরাষ্ট্র অতিরিক্ত ১০ থেকে সাড়ে ১২ শতাংশ শুল্ক আরোপ করতে আগ্রহী। বাজেটকে সামনে রেখে সিপিডির পক্ষ থেকে গতকাল বৃহস্পতিবার আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই বিষয়ে সাংবাদিকেরা প্রশ্ন করেন।

জবাবে সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, উভয় দেশের বাস্তবতা প্রতিফলিত হয় না। অনেক সময় যুক্তরাষ্ট্রের দৃষ্টিভঙ্গি আমাদের দেশের পরিস্থিতিকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করে না। মতো, আমাদের ইটভাটা ও অন্যান্য স্থানে শিশুশ্রম বিদ্যমান। তবে বাস্তবতা হলো, সত্যিকার অর্থে অনেক সময়ে পরিবারগত প্রয়োজনেই শিশুরা কাজে যায়। তাই, শিশুশ্রম কমাতে সহায়তা তহবিল না দিলে এবং উল্টো রপ্তানির ওপর অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করলে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্য প্রশ্নবিদ্ধ হয়।

মোস্তাফিজুর রহমান জানালেন, এর আগে যুক্তরাষ্ট্র পাল্টা শুল্ক বসিয়েছিল ৬০টি দেশের ওপর, যার মধ্যে মাত্র ৯টি দেশ চুক্তি করেছে। বাংলাদেশের গড় শুল্ক যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ১৫ শতাংশ। এর ওপর অতিরিক্ত ১৯ শতাংশসহ মোট ৩৪ শতাংশ শুল্ক বসে। আমরা এর জন্য চুক্তি করেছি। পুরোনো শুল্কের সঙ্গে নতুনভাবে ১০ শতাংশ শুল্ক যোগ হলে মোট শুল্ক দাঁড়াবে ৪৪ শতাংশ। এই শুল্ক আরোপ হলে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা কোথায় দাঁড়াবে, সেটি ভালো করে বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন।

উত্থিত পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে মার্কিন শুল্ক চুক্তিটি পর্যালোচনা করা খুবই দরকার। এই চুক্তি এখন পুনর্বিবেচনা করা উচিত।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মিরপুরের পূরবী মার্কেটে অগ্নিকাণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৫৯ এম


মিরপুরের পূরবী মার্কেটে অগ্নিকাণ্ড

রাজধানী ঢাকার মিরপুরের পূরবী সুপার মার্কেটে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট কার্যক্রমে নিয়োজিত রয়েছেন।

শুক্রবার সকালে ফায়ার সার্ভিসের কন্ট্রোলরুমের কর্মকর্তা রাফি আল ফারুক ঘটনাটির সত্যতা নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, ‘পূরবী মার্কেটের নিচতলায় আগুন লাগে। কিসের দোকানে আগুন লেগেছে তা আমরা এখনো নিশ্চিতভাবে জানতে পারিনি। আগুন নির্বাপণের পর বিস্তারিত জানানো যাবে।’

রাফি আল ফারুক জানিয়েছেন, তারা আগুনের সংবাদ সকাল ৯টা ১৮ মিনিটে পান। পরে ৯টা ২৮ মিনিটে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। বর্তমানে আগুন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

তবে তাৎক্ষণিকভাবে আগুনের সূত্রপাত ও ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা কিছু জানাতে পারেননি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণেও এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা করা হচ্ছে: ডিএনসিসি প্রশাসক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:০২ এম


শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণেও এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা করা হচ্ছে: ডিএনসিসি প্রশাসক

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান জানান, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণেও এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

তিনি শুক্রবার (৫ জুন) সকালে রাজধানী ঢাকা গুলশানে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সচেতনতামূলক সমাবেশে যোগ দিয়ে এই কথা বলেন।

ডিএনসিসি প্রশাসক উল্লেখ করেন, ‘যদি আমাদের মাইন্ড সেটাপ থাকে আমরা পরিবেশ নিয়ে সচেতন হবোই, তাহলে যেকোনো কিছু বাস্তবায়ন করা যাবে। আমরা আমাদের দ্বায়িত্ব পালন করছি, যারা পরিবেশ নিয়ে কাজ করেন তারাও এগিয়ে আসবেন।’

তিনি আরও জানান, ‘আমরা বলছি না একদিনেই পারবো, আমরা তাদের মাধ্যমে বাস্তবায়ন কর‍তে চাই। আমরা সবাই মিলে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে কাজ করবো।’

শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আজকের পর থেকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সম্পূর্ণরূপে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রিত থাকবে। কোনো লঙ্ঘন হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

ডিএনসিসি প্রশাসক ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে এআই-এর সফলতার কথাও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘ট্রাফিকের পাশাপাশি শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণেও এআই ব্যবহার করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আড়াই বছরেও চালু হয়নি আইসিইউ, ৩০ কোটি টাকার হাসপাতালেও সুবিধাবঞ্চিত মাদারীপুরবাসী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:০৩ এম


আড়াই বছরেও চালু হয়নি আইসিইউ, ৩০ কোটি টাকার হাসপাতালেও সুবিধাবঞ্চিত মাদারীপুরবাসী

মাদারীপুরে হামসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে, কিন্তু কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ১০ শয্যার আইসিইউ ইউনিট চালু হচ্ছে না। ফলে আধুনিক যন্ত্রপাতিগুলো অলস পড়ে গিয়ে নষ্ট হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। আইসিইউ সেবা না থাকায় মুমূর্ষু রোগীদের ফরিদপুর কিংবা ঢাকায় পাঠাতে হচ্ছে, যা চিকিৎসা ব্যয় বাড়ানোর পাশাপাশি রোগী ও স্বজনদের দুর্ভোগও বাড়াচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, মাদারীপুর সদর উপজেলার তালতলা এলাকার বাসিন্দা সাহিদা বেগম তার ছয় মাস বয়সী ছেলে ফাহিমকে নিয়ে ২৫০ শয্যার জেলা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। হামে আক্রান্ত শিশুটিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানোর পরামর্শ চিকিৎসকরা দিয়েছেন। তবে রাজমিস্ত্রির কাজ করা স্বামী ফরিদ চোকিদারের পক্ষ থেকে অর্থাভাবে রাজধানীতে চিকিৎসা করানো সম্ভব হচ্ছে না।

একই পরিস্থিতি দেখা যাচ্ছে হাসপাতালে আসা অনেক মুমূর্ষু রোগীর পরিবারের মধ্যে। অথচ জেলার প্রায় সাড়ে ১৩ লাখ মানুষের চিকিৎসাসেবার জন্য ৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়েছে ২৫০ শয্যার এই হাসপাতাল। পাশাপাশি প্রায় ৩ কোটি টাকা ব্যায়ে আইসিইউসহ বিভিন্ন আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনা হয়েছে। রোগীদের সেবা দেওয়ার উদ্দেশ্যে ২০২৩ সালের নভেম্বরে আইসিইউ ইউনিট উদ্বোধন করার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু আজ পর্যন্ত সেখানে সেবা চালু হয়নি।

গুরুতর অসুস্থ রোগীদের জীবন রক্ষায় আইসিইউ পরিষেবাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে লাইফ সাপোর্টসহ প্রয়োজনীয় সব যন্ত্রপাতি সারিবদ্ধভাবে সাজানো থাকলেও হাসপাতালের সপ্তম তলায় অবস্থিত আইসিইউ ইউনিটটি ২৪ ঘণ্টা বন্ধ থাকে। এ নিয়ে সচেতন নাগরিকদের মধ্যে ক্ষোভ প্রকাশ পাওয়া যাচ্ছে।

তথ্য অনুসারে, মাদারীপুর ২৫০ শয্যার জেলা হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, নার্স ও টেকনিশিয়ানের মোট ২৬৭ পদের মধ্যে ১০২টি দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে। শিশু থেকে বৃদ্ধ; যেকোনো মুমূর্ষু রোগীর জন্য আইসিইউ সেবা অত্যন্ত জরুরি। প্রতিদিন রোগীর সংখ্যা বাড়ছে, কিন্তু কেন এখনো আইসিইউ চালু করা যাচ্ছে না, সেটিই এখন একটি বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সাহিদা বেগম নামে এক রোগীর স্বজন বলেন, বাইরে থেকে বোঝার উপায় নেই যে এত বড় হাসপাতালে আইসিইউ সেবা চালু নেই। আমরা গরিব মানুষ, ঢাকা নিয়ে চিকিৎসা করানো আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়। সরকার যেন দ্রুত এই হাসপাতালে সব ধরনের চিকিৎসাসেবা চালু করে, তাহলে আমাদের মতো মানুষ আরও বেশি উপকৃত হবে।

সদর উপজেলার পাঁচখোলা ইউনিয়নের বাংলাবাজার এলাকার বাসিন্দা মো. মহিউদ্দিন বলেন, আমার ছেলেকে ঢাকায় পাঠানোর পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। কিন্তু সেখানে যাওয়া-আসা যেমন কষ্টের, তেমনই চিকিৎসার খরচও অনেক বেশি। তাই বাধ্য হয়েই ছেলেকে এই হাসপাতালে ভর্তি রেখেছি। আমাদের মতো মানুষের জন্য বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়া প্রায় অসম্ভব।

নিরাপদ চিকিৎসা চাই, মাদারীপুর জেলা শাখার সভাপতি অ্যাডভোকেট মশিউর রহমান পারভেজ বলেন, মানুষের জন্য সাততলা আধুনিক হাসপাতাল নির্মাণ করা হয়েছে, কিন্তু সেই মানের চিকিৎসাসেবা নেই। পর্যাপ্ত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকও নেই। তাহলে কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে এই হাসপাতাল নির্মাণের উদ্দেশ্য কী? আর আইসিইউ সেবা কেন চালু হচ্ছে না, সেটি জানতে চাচ্ছে মাদারীপুরবাসী।

মাদারীপুরের সিভিল সার্জন ডা. শরিফুল আবেদীন কমল বলেন, আইসিইউ চালুর জন্য আমরা নিয়মিত চেষ্টা করে যাচ্ছি। স্বাস্থ্য অধিদফতর, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও অর্থ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দফতরে একাধিকবার চিঠি পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ সম্পন্ন হলে দ্রুত আইসিইউ সেবা চালু করা সম্ভব হবে, এমন আশা প্রকাশ করেন তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%