ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

হাত বাঁধা অবস্থায় গলায় রশি পেঁচানো নারীর লাশ উদ্ধার


হাত বাঁধা অবস্থায় গলায় রশি পেঁচানো নারীর লাশ উদ্ধার

টাঙ্গাইলে পুলিশ উদ্ধার করেছে এক নারীর মরদেহ, যা হাত বাঁধা, গলায় রশি পেঁচানো এবং রক্তাক্ত অবস্থায় ছিল। রোববার (২৮ জুন) দুপুরের দিকে পৌর শহরের শিবনাথ পাড়া এলাকার তার নিজ বাড়ি থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত নারীর নাম নাজমা আলম (৫১), যিনি ওই এলাকার ভেটেরিনারি ডাক্তার শফিউল আলম শাহীনের স্ত্রী হিসেবে পরিচিত।

নিহতের স্বজন এবং স্থানীয় এলাকাবাসীরা জানান, সকালে শফিউল আলম অফিসে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হন। পরে তিনি স্ত্রী নাজমাকে একাধিকবার মুঠোফোনে কল করেন, কিন্তু কোন খবর না পেয়ে সাবেক ভাড়াটিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এরপর, তিনি বাসার নিচতলার ভাড়াটিয়ার সঙ্গে কথা বলে জানতে পারেন নাজমা আলমের অবস্থা আংশঙ্কাজনক।

আরও পড়ুন: যুবদলের ৪৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে সুনামগঞ্জ জেলা যুবদলের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত

এ সময় বাড়ির ভেতরে গিয়ে হাত বাঁধা, গলায় রশি পেঁচানো ও রক্তাক্ত অবস্থায় নামজার মরদেহ দেখতে পেয়ে তিনি আলোড়িত হন। পরে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।

এ ঘটনার পর পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে এসে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল এইচ এম মাহবুব রেজওয়ান সিদ্দিকী বলেন, "এটি নিঃসন্দেহে হত্যা। ঘটনার গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরে নিশ্চিত হওয়া যাবে তার মৃত্যু কীভাবে হয়েছে।"

আরও পড়ুন: রহমতপুরে চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে চান নিজাম উদ্দিন, উঠান বৈঠকে জনসম্পৃক্ততার ওপর গুরুত্ব

তিনি আরো জানান, ঘটনার সাথে জড়িতদের শনাক্ত এবং গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শাবিপ্রবিতে রুদ্রসেন লেক ভরাটে গ্যারেজ নির্মাণ, ব্যয় ৭.৫ কোটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৫১ পি.এম


শাবিপ্রবিতে রুদ্রসেন লেক ভরাটে গ্যারেজ নির্মাণ, ব্যয় ৭.৫ কোটি

একদিকে বিভিন্ন উদ্যোগে জলাধার সংরক্ষণে সরকারের প্রচেষ্টা, অন্যদিকে একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় সাড়ে ৭ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত লেকের একটি অংশ ভরাট করে গাড়ির গ্যারেজ নির্মাণ হচ্ছে। সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘শহিদ রুদ্র সেন লেক’ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে এখন চলছে তীব্র বিতর্ক। শিক্ষার্থীদের দাবি, উন্নয়ন প্রকল্পের আড়ালে অন্য এক উন্নয়ন চাপা দিয়ে ক্যাম্পাসের সৌন্দর্য এবং জীববৈচিত্র্য ধ্বংস করে লেকের উপরে গ্যারেজ নির্মাণ হচ্ছে, যা প্রশাসনের সমন্বয়হীনতার অভাব নির্দেশ করে।

অন্যদিকে, দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে দীর্ঘদিন ধরেই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রকৌশলী জয়নাল ইসলাম চৌধুরী আলোচনা কেন্দ্রবিন্দুতে। লেক নিয়ে চলা সমালোচনার মাঝে সময়ে সময়ে সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরা এড়িয়ে গেছেন এই প্রধান প্রকৌশলী। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নের জন্য যে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে, তা অবশ্যই সঠিক।

এই সবুজ পাহাড়ঘেরা ক্যাম্পাসের মাঝখানে একটি জলাধার অবস্থিত। যে জলাধার কেবল সৌন্দর্য বাড়াচ্ছে না, বরং বর্ষায় জলাবদ্ধতা দূরীতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সেখানে ফুটে আছে লাল শাপলা এবং সবুজ ঘাস। শিক্ষার্থীরা সেখানে নিজেদের স্বতঃস্ফূর্ত সময় কাটান।

খাল খননের মাধ্যমে শুরু হয়েছিল এই যাত্রা। পরবর্তীতে সেটি লেকের আকার ধারণ করে, এবং শিক্ষার্থীদের কাছে পরিচিতি লাভ করে ‘সাস্ট লেক’ নামে। ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে নিহত শিক্ষার্থী রুদ্র সেনের স্মরণে লেকটির নামকরণ করা হয় ‘শহিদ রুদ্র সেন লেক’। কিন্তু এক বছরের ব্যবধানে দৃশ্যপট কতটুকু বদলে গেছে আমরা সবাই জানি। লেকের একটি বড় অংশ বর্তমানে মাটিতে ভরাট করে গ্যারেজ নির্মাণের কাজ চলছে।

অভিযোগ উঠেছে, গ্যারেজ নির্মাণের জন্য পাশের টিলার কিছু অংশ কেটে ফেলা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য, নির্মিতব্য গ্যারেজে মাত্র ২২টি গাড়ি রাখা সম্ভব হবে। কিন্তু বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন পুলে ৪২টি গাড়ি রয়েছে। ভবিষ্যতে এ সংখ্যা বাড়ার সম্ভাবনা আছে। ফলে প্রকল্পটির যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

গ্যারেজের পাশেই একটি বড় খালি জায়গা থাকাগেও কেন এখানে গ্যারেজ নির্মাণের জন্য জায়গা নির্বাচন করতে হবে, এই নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শিক্ষার্থীরা। তারা মনে করছেন সৌন্দর্য নষ্ট করে অপরিকল্পিত উন্নয়নকে তারা স্বাভাবিকভাবে নিতে পারছেন না, পাশাপাশি এখানে দুর্নীতির ছায়াও দেখছেন। এর সাথে তারা জানিয়েছেন উন্নয়ন প্রকল্পের আড়ালে অন্য একটি উন্নয়ন চাপিয়ে বাজেট নষ্ট করার কারণে তারা ক্ষুব্ধ।

উন্নয়ন প্রকল্পের আড়ালে লেক ভরাট করে গ্যারেজ নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রকৌশলী জয়নাল ইসলাম চৌধুরীর বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, তার নানা সিদ্ধান্ত এবং অনিয়মের ফলে ক্যাম্পাসের পরিবেশ ও সৌন্দর্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এবার লেক ভরাট করে গ্যারেজ নির্মাণের অভিযোগে তিনি কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন। পরিবেশকে ধ্বংসের এই বিতর্কে সমালোচনার তির তার দিকেই। যখন সময় সংবাদ অনুসন্ধান শুরু করে, তখন যেন এই কর্মকর্তা লাপাত্তা হয়ে যান।

একাধিকবার অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানাতে তার কার্যালয়ে গেলেও দেখা হয়নি। প্রথমে বলা হয়েছিল তিনি অফিসে আছেন, পরে জানানো হয় তিনি বাইরে গেছেন। মোবাইল ফোনে বারবার যোগাযোগের প্রচেষ্টা চালালেও তার কাছ থেকে সাড়া মেলেনি।

লেক ভরাটের অভিযোগ যত ঘনীভূত হচ্ছে, ততই বাড়ছে প্রশ্ন, কেন প্রধান প্রকৌশলী নীরব? অভিযোগের জবাব এড়িয়ে যাওয়ার পেছনে কি কেবল ব্যস্ততা, নাকি রয়েছে অন্য কোনো কারণ?

বিজ্ঞানীদের মতে, লেকের জায়গায় লেক রেখে বিকল্প জায়গায় গ্যারেজ নির্মাণ ও উন্নয়নের নামে যে সমন্বয়হীনতার প্রকল্প হচ্ছে, পরিবেশবিদরা তা মেনে নিতে পারবে না। বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন বাপার সাধারণ সম্পাদক কাসমির রেজা বিষয়টি জানিয়েছেন।

অন্যদিকে, সদ্য দায়িত্ব গ্রহণকারী নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল ইসলাম বলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ভালো হবে এমন সিদ্ধান্তই প্রশাসন এখন থেকে নেবে। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন।

প্রায় ৩২০ একর জায়গায় বিস্তৃত পুরো ক্যাম্পাসে রয়েছে ৯০০ থেকে ১০০০ মিটার দীর্ঘ দুটি দৃষ্টিনন্দন লেক, যা কিলোরোডকে দিয়েছে আলাদা সৌন্দর্য।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে জলবায়ু সংকট ও তরুণদের ভূমিকা নিয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৫৩ পি.এম


জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে জলবায়ু সংকট ও তরুণদের ভূমিকা নিয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত

বিশ্বজুড়ে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের কারণে বাংলাদেশে জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় তরুণ সমাজ ও গণমাধ্যমের ভূমিকা দিন দিন আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। এ প্রেক্ষাপটে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ আয়োজিত "জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় গণমাধ্যম ও যুবসমাজের ভূমিকা" শীর্ষক একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (২৮ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এ সেমিনারে জলবায়ু সংকটের বাস্তবতা, জনসচেতনতা তৈরিতে সংবাদমাধ্যমের দায়িত্ব এবং তরুণদের অংশগ্রহণের বিভিন্ন দিক উঠে আসে। অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন জবির গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আশরাফুল আলম। এসময় তিনি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় গণমাধ্যম ও তরুণ প্রজন্মকে গুরুত্বপূর্ণ এজেন্ট হিসেবে উল্লেখ করেন। কিনোট স্পিকার হিসেবে বক্তব্য রাখেন শাহ ইশরাত আজমেরী। তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন কেবল পরিবেশগত সংকট নয়; বরং এটি অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রেও গভীর চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। এ সংকট মোকাবিলায় তরুণ শক্তি, গণমাধ্যম ও সচেতন নাগরিকদের ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি একই সাথে উল্লেখ করেন, জলবায়ু পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় ঝুঁকিতে রয়েছে শিশু, নারী ও বয়স্ক জনগোষ্ঠী। সেমিনারে মূল আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন দ্য ডেইলি স্টারের চিফ রিপোর্টার পিনাকী রায়। তিনি বলেন, সমুদ্রের পানি বেড়ে যাওয়া বা মেরু অঞ্চলের বরফ গলে যাওয়াই কেবল জলবায়ু পরিবর্তন নয়; কৃষকের সেচের পানি না পাওয়া মৃত্যুর সমান। তিনি উল্লেখ করেন, রাজশাহী ও খুলনা অঞ্চলের কৃষকরা এরইমধ্যে সেচ সংকটের মতো কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হচ্ছেন, যা জলবায়ু পরিবর্তনের প্রত্যক্ষ প্রভাব। তিনি আরও বলেন, কৃষকদের এই সংকট সমাজের সামনে তুলে ধরা গণমাধ্যমের দায়িত্ব, যাতে বিশেষজ্ঞরা কার্যকর সমাধানে কাজ করতে পারেন। একই সাথে তরুণদের নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব সম্পর্কে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান। সেমিনারের শেষে নোয়াখালীর নিঝুম দ্বীপে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব নিয়ে একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। এতে পরিবেশ রক্ষায় বেশি বেশি গাছ লাগানোর গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। শেষে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রাইস উদ্দিন এবং ট্রেজারার ড. সাবিনা শারমিন। অনুষ্ঠান শেষে শাহ ইশরাত আজমেরী শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা উপহার দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
জামায়াতকে প্রশ্ন স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাখাওয়াত হোসেনের বক্তব্য: আদ্-দ্বীন হাসপাতালের অবহেলা নিয়ে সংসদে জবাব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৫৪ পি.এম


স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাখাওয়াত হোসেনের বক্তব্য: আদ্-দ্বীন হাসপাতালের অবহেলা নিয়ে সংসদে জবাব

সংসদে বিরোধী দলের সমালোচনার জবাব দিতে গিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, ‘আপনারা প্রতিটি জিনিসকে কেন নিজেদের দলীয় আদর্শের সঙ্গে একীভূত করেন? দলীয় আদর্শ দিয়ে দেশের বিরোধিতা করা যায় না, যা করেছেন ৭১ সালে।’

রবিবার (২৮ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে মন্ত্রী এই কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, ‘আজকে অনেক সংসদ সদস্য আদ্-দ্বীন নিয়ে কথা বলেছেন। বলেছেন, ২০০ থেকে ২৫০ টাকায় তারা ডায়ালাইসিস করায়, সত্য। মাথাব্যথায় কি মাথা কেটে ফেলা যায়? না, কাটা যায় না।’

ফলে যারা মাথা কাটে, তাদের বিচারের আওতায় আনতে হবে, নাকি অস্বীকার করবেন? করতে পারেন না। আনতে হবে।’

সম্প্রতি আদ্-দ্বীন হাসপাতালে চিকিৎসকদের গাফিলতি, সেন্ট্রাল এসি বন্ধ থাকা এবং পর্যাপ্ত অক্সিজেনের অভাবে একই দিনে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর কথা উল্লেখ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘গত মে মাসে আদ্-দ্বীন হাসপাতালে চরম অবহেলা এবং অসতর্কতার কারণে ছয়টি মায়ের বুক খালি হয়েছে। হাইপারক্যাপনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে শিশুদের হাত-পা কাঁপার সময় সেখানে এসি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল এবং জরুরি অক্সিজেন সাপোর্টও ছিল না। ১৬ থেকে ১৭ জন মা তখন সন্তানদের বাঁচানোর জন্য কাঁদতে কাঁদতে ছোটাছুটি করছিলেন, কিন্তু সেখানে কোনো অন-ডিউটি ডাক্তার পাওয়া যায়নি, এমনকি নার্সরাও ডাকলে সাড়া দেননি।’

তিনি আরও বলেন, ‘কার্বন ডাই-অক্সাইডের বিষক্রিয়ায় নিরীহ শিশুরা মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে।’ ঘটনাটির পরদিন তিনি হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে চিকিৎসকদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে এ গুরুতর অবহেলার প্রমাণ পেয়েছেন বলে সংসদকে জানিয়েছেন।

মন্ত্রী দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, এমন নির্মম ঘটনার পরও হাসপাতালের মালিকপক্ষ ভুক্তভোগীদের পাশে দাঁড়ানোর বা সান্ত্বনা দেওয়ার ন্যূনতম নৈতিক সৌজন্যতা দেখায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৯ জুলাই আয়াতুল্লাহ খামেনির শেষ জানাজা ও দাফন, অংশ নিতে পারেন ২ কোটি মানুষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৫৫ পি.এম


৯ জুলাই আয়াতুল্লাহ খামেনির শেষ জানাজা ও দাফন, অংশ নিতে পারেন ২ কোটি মানুষ

ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষ জানাজা ও দাফনকে ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। একই সাথে প্রতিবেশী ইরাকেও একটি পৃথক শোকানুষ্ঠান আয়োজনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। ইরানি কর্মকর্তাদের আশা, শোকানুষ্ঠান ও দাফনে অংশগ্রহণ করতে প্রায় দুই কোটি মানুষের সমাগম হতে পারে।

কাতার ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা রবিবার দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের উদ্ধৃতি দিয়ে এ তথ্য জানায়। উল্লিখিত তথ্য অনুযায়ী, আগামী ৪ জুলাই রাজধানী তেহরান এবং ধর্মীয় নগরী কোমে শোকানুষ্ঠান শুরু হবে। পরে ৯ জুলাই খামেনির জন্মস্থান উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মাশহাদে তাঁকে দাফন করা হবে।

শোকানুষ্ঠান নির্বিঘ্নভাবে সম্পন্ন করার জন্য পুলিশ ও দেশটির বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এদিকে বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরাকের কারবালার একটি শিয়া পবিত্র স্থানে পৃথক শোকানুষ্ঠান আয়োজনের পরিকল্পনাও রয়েছে। তবে বিষয়টি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।

৮৬ বছর বয়সী আলি খামেনি ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানে তাঁর সরকারি বাসভবনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় নিহত হন। প্রথমে তাঁর দাফন আরও আগে সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু নিরাপত্তাজনিত কারণে তা কয়েক দফা পিছিয়ে দেওয়া হয়। কারণ, অনুষ্ঠানে ইরানের শীর্ষ রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রায় সকলেই উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%