সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:০৯ পি.এম
সাহসিকতা, বীরত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন ও প্রশংসনীয় কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম) পেয়েছেন বাংলাদেশ পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) সুদীপ বিশ্বাস।
২০২৫ সালের ১ মার্চ থেকে ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সাহসিকতা, বীরত্ব ও প্রশংসনীয় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এ বছর বাংলাদেশ পুলিশের ৯২ সদস্যকে চারটি ক্যাটাগরিতে পদক দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর মধ্যে রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম) অর্জন করেছেন এএসআই সুদীপ বিশ্বাস।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর রাজারবাগ বাংলাদেশ পুলিশ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত পুলিশ পদক প্রদান অনুষ্ঠানে নির্বাচিত পুলিশ সদস্যদের হাতে পদক তুলে দেওয়া হয়। এ বছর বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম), বিপিএম-সেবা, রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম) ও পিপিএম-সেবা—এই চার ক্যাটাগরিতে মোট ৯২ জনকে পদক দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এএসআই সুদীপ বিশ্বাস দায়িত্ব পালনের সময় সাহসিকতা, বীরত্বপূর্ণ কর্মকাণ্ড এবং প্রশংসনীয় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এ সম্মাননা অর্জন করেন। বর্তমানে তিনি গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের টঙ্গী পশ্চিম থানায় কর্মরত রয়েছেন।
এর আগে সুদীপ বিশ্বাস দীর্ঘদিন সুনামগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা শাখায় (ডিবি) কর্মরত ছিলেন। সেখানে দায়িত্ব পালনকালে তিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ অভিযানে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, অপরাধী গ্রেপ্তার ও বিভিন্ন অভিযানে সাহসিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে একাধিক অভিযান সফলভাবে সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে তিনি ভূমিকা রাখেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম) বাংলাদেশ পুলিশের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি। পেশাগত দায়িত্ব পালনে সাহসিকতা ও বীরত্ব প্রদর্শন, গুরুত্বপূর্ণ ও চাঞ্চল্যকর ঘটনায় দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন এবং জননিরাপত্তা রক্ষায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এ পদক প্রদান করা হয়।
সুদীপ বিশ্বাসের এই অর্জনে তার সহকর্মী ও পরিচিতজনদের মধ্যে আনন্দ ও প্রশংসা দেখা দিয়েছে। তারা জানান, দীর্ঘদিনের দায়িত্ব পালনে নিষ্ঠা, ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে সাহসিকতা এবং পেশাগত দক্ষতার স্বীকৃতি হিসেবে এই পদক তার কর্মজীবনে গুরুত্বপূর্ণ অর্জন।
পদকপ্রাপ্তির পর সুদীপ বিশ্বাস ভবিষ্যতেও দেশ ও মানুষের নিরাপত্তায় আরও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। পেশাগত দায়িত্ব সততা, নিষ্ঠা ও সাহসিকতার সঙ্গে পালন করে জনগণের আস্থা অর্জন করাই তার লক্ষ্য বলে জানা গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় পুকুরে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার জয়চণ্ডী ইউনিয়নের গৌরীশংকর গ্রামে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশুদের মধ্যে রয়েছে মৃত আবু মিয়ার ছেলে আলী জিবান (৮) এবং লোকমান মিয়ার মেয়ে রাহমা (৯)।
স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, পরিবারের সদস্যদের অজান্তে শিশু দুজন বাড়ির পাশের পুকুরে পড়ে যায়। সন্ধ্যার দিকে তাদের খুঁজে না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা পুকুরে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। এক পর্যায়ে পুকুরের পানিতে তাদের মৃতদেহ ভাসতে দেখতে পান স্বজনরা। পরে দ্রুত কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।
কুলাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ জহিরুল ইসলাম মুন্না এই বিষয়ে জানান, পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ নেওয়ার জন্য আবেদন করা হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারত বাংলাদেশ থেকে আমদানি করা পাটপণ্যে প্রতি টনে সর্বোচ্চ ৪৪৫ ডলার অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ভারতের অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে, যেখানে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশ থেকে পাটপণ্যের রপ্তানি কমেছে। খবরটি প্রকাশ করেছে ইকোনমিক টাইমস।
ভারতের ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ট্রেড রেমেডিজ (ডিজিটিআর) মধ্যমেয়াদি পর্যালোচনার পর এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তিন মাস আগে সংস্থাটি জানিয়েছিল যে, বাংলাদেশি রপ্তানিকারকরা ভারতে পাটপণ্য ডাম্পিং অব্যাহত রেখেছেন, যা দেশটির স্থানীয় শিল্পের জন্য ক্ষতিকর।
ইন্ডিয়ান জুট মিলস অ্যাসোসিয়েশন ও এপি মেস্তা টুইন মিলস অ্যাসোসিয়েশনের আবেদনের ভিত্তিতে ডিজিটিআর গত বছরের জুনে এই পর্যালোচনা শুরু করে। এর উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশ ও নেপাল থেকে আমদানি করা পাটপণ্যে অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক বাড়ানো প্রয়োজন কি না তা নির্ধারণ করা।
বাংলাদেশে ৫৪টি ও নেপালে ৩৬টি মিলের কাছে তথ্য চাওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে বাংলাদেশের ৩৮টি ও নেপালের পাঁচটি মিল সাড়া দেয়। ভারত এর আগে বাংলাদেশ ও নেপাল থেকে আমদানি করা পাটের সুতা, টুইন, হেসিয়ান কাপড় ও পাটের বস্তার ওপর প্রতি টনে ১৯ থেকে ৩৫২ ডলার পর্যন্ত অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক আরোপ করেছিল। পরে বাংলাদেশের পাটের বস্তার কাপড়ও এ শুল্কের আওতায় আনা হয়।
গত ২৪ সেপ্টেম্বর, ভারতের অর্থ মন্ত্রণালয় বাংলাদেশের ৩৬টি পাটপণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রকাশ করে। এসব প্রতিষ্ঠানের পাটের সুতা, বস্তা ও হেসিয়ান কাপড়ে প্রতি টনে ৫৯ ডলার থেকে অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক আরোপ করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে পাটের সুতা রপ্তানিকারক আশা জুট ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ওপর প্রতি টনে সবচেয়ে কম ৫৯ ডলার অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক আরোপ করা হয়েছে।
বাংলাদেশের ১৭টি প্রতিষ্ঠানের পাটের বস্তার ওপর প্রতি টনে ১২০ ডলার শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। ছয়টি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান তাদের রপ্তানি করা সব পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা পেয়েছে। সেগুলো হলো—এএম জুট ইন্ডাস্ট্রিজ, বোনানজা জুট কম্পোজিট, লাভলী জুট মিলস, নওহাটা জুট মিলস, পোদ্দার অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ ও রানু অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ। নাটোর জুট মিলস ও জনতা জুট মিলস পাটের বস্তা ও হেসিয়ান কাপড় রপ্তানিতে শুল্কমুক্ত সুবিধা পেয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, তালিকাভুক্ত ৩৬টি প্রতিষ্ঠানের বাইরে অন্য কোনো উৎপাদনকারী পাটের সুতা বা টুইন রপ্তানি করলে প্রতি টনে ৪৪৫ ডলার শুল্ক দিতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) দেশের সব উপজেলা পর্যায়ে কমিটি গঠনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। দলটির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম রাজনৈতিক পর্ষদের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, অক্টোবরের মধ্যে দেশের সব উপজেলায় কমিটি গঠন সম্পন্ন করা হবে।
এনসিপির কেন্দ্রীয় সদস্য ইয়াসির আরাফাত সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হওয়ার তথ্য জানিয়ে বলেন, জেলা পর্যায়ের কমিটি গঠন সম্পন্ন হওয়ার পর এখন উপজেলায় কমিটি গঠনের দিকে মনোযোগ দেওয়া হচ্ছে। অক্টোবরের মধ্যে উপজেলায় কমিটি গঠনের পরিকল্পনা করা হয়েছে।
বৈঠকে দলের ২৩ সদস্যের সাংগঠনিক উপ-কমিটি গঠন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যার প্রধান হিসেবে মুখ্য সমন্বয়ক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলমকে নিযুক্ত করা হয়েছে।
এ উপ-কমিটিতে রাজনৈতিক পর্ষদ থেকে দুজন উপ-প্রধান থাকবেন, এবং প্রতি বিভাগে একজন করে বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নিযুক্ত করা হবে।
বৈঠকের পর এনসিপির মিডিয়া দলের সদস্য ইয়াসির আরাফাত বলেন, বৈঠকে দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির ‘চরম অবনতি, দেশব্যাপী নৈরাজ্য ও দখলবাজিতে’ নেতারা গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এর প্রতিবাদে দেশব্যাপী কর্মসূচি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
নাহিদ ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে নেতারা সরকারের সংবিধান সংশোধন নিয়ে পদক্ষেপের সমালোচনা করেন। তারা বলেন, গণভোটের গণরায় অগ্রাহ্য করে প্রহসনমূলক সংবিধান সংশোধন কমিটি গঠন করে সরকার জাতির সঙ্গে প্রতারণা করেছে।
বৈঠকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলের কৌশল নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে নেতারা জানিয়েছেন।
এছাড়া, বৈঠকে দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম রাজনৈতিক পর্ষদসহ কেন্দ্রীয় কমিটি পুনর্গঠন ও দায়িত্ব বণ্টনের রূপরেখা চূড়ান্ত করার কাজ চলছে বলে জানানো হয়।
ইয়াসির আরাফাত বলেন, শিগগিরই এ বিষয়ে দলের তরফে ঘোষণা আসবে।
বৈঠকে বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ে রাজনৈতিক কর্মশালা আয়োজনের জন্য দলের নেতা সারজিস আলম, সারোয়ার তুষার, আলী আহসান জুনায়েদ, সালেহ উদ্দিন সিফাতকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দলের সদস্য সচিব আখতার হোসেন, মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ, আব্দুল্লাহ আলামিন, আতিক মুজাহিদ, সারোয়ার তুষার, আরিফুল ইসলাম আদীব, মাহমুদা মিতু, নুসরাত তাবাসসুম, সালেহউদ্দিন সিফাত, আকরাম হোসাইন সিএফ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাসপাতাল প্রশাসনের গঠিত তদন্ত কমিটি তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাকির হোসেনের কাছে সিলগালা খামে এই প্রতিবেদন জমা দেয় কমিটি।
হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মোহাম্মদ মাঈনউদ্দীন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, অগ্নিকাণ্ডের কারণ, যদি কারো গাফিলতি থাকে তবে তা চিহ্নিত করা, প্রয়োজনীয় সুপারিশ, ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে করণীয় এবং অগ্নিকাণ্ডে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণসহ সার্বিক বিষয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে কমিটিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
তিনি আরও বলেন, সোমবার বিকেলে কমিটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। প্রতিবেদনে যে সুপারিশগুলো করা হয়েছে, সেগুলোর ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তবে তিনি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কারো নাম উল্লেখ করে দোষী বলার ব্যাপারে রাজি হননি।
এর আগে, গত ১৪ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৬টার দিকে হাসপাতালের নতুন ভবনের অষ্টম তলায় লিফট কন্ট্রোল রুম অতিরিক্ত গরম হয়ে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয় বলে ধারণা করে ফায়ার সার্ভিস। এ সময় আগুন ছড়িয়ে পড়ার পাশাপাশি প্রচণ্ড ধোঁয়ার সৃষ্টি হয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন ও ধোঁয়া নিয়ন্ত্রণে আসে। এই ঘটনায় ছয়জনের মৃত্যুর খবর পুলিশের বরাতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়।
অগ্নিকাণ্ডের দিন সোমবার রাতেই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটির প্রধান করা হয় হাসপাতালের মেডিসিন ইউনিটের প্রধান অধ্যাপক ডা. গোলাম রহমানকে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. মোহাম্মদ মাঈনউদ্দীন খান, ময়মনসিংহ গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী অর্ণব বিশ্বাস, গণপূর্ত বিভাগের আওতাধীন নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মো. মাজেদুর রহমান এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স ময়মনসিংহের সহকারী পরিচালক পূর্ণ চন্দ্র মুৎসুদ্দী।
জানা যায়, হাসপাতালের লিফটগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনার দায়িত্ব গণপূর্ত অধিদপ্তরের। লিফট কন্ট্রোল রুমে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটিতে গণপূর্ত বিভাগের দুই কর্মকর্তাকে রাখায় সমালোচনা হয়। তদন্তের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সচেতন মহলের কেউ কেউ। এর পরিপ্রেক্ষিতে আগের পাঁচ সদস্যের কমিটি বাতিল করে মঙ্গলবার নতুন ছয় সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। নতুন কমিটি থেকে গণপূর্ত বিভাগের ওই দুই কর্মকর্তাকে বাদ দেওয়া হয়।
হাসপাতাল প্রশাসনের গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময়সীমা প্রথমে নির্ধারণ করা হয়েছিল ২০ সেপ্টেম্বর। তবে তদন্ত শেষ না হওয়ায় সময় পাঁচ কার্যদিবস বাড়ানো হয়। সে অনুযায়ী ২৪ সেপ্টেম্বর প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা ছিল। ওই সময়ের মধ্যেও তদন্ত শেষ না হওয়ায় আরো তিন কার্যদিবস সময় বাড়ানো হয়। পরে সোমবার কমিটি তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ