ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং
ইউরোপজুড়ে তীব্র দাবদাহ

স্পেনে জরুরি অবস্থা জারি, ইইউর সহায়তা চাইল ফ্রান্স


স্পেনে জরুরি অবস্থা জারি, ইইউর সহায়তা চাইল ফ্রান্স

ইউরোপজুড়ে বইছে তীব্র তাপপ্রবাহ, এরই প্রভাবে বিভিন্ন দেশে ভয়াবহ দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং লাখ লাখ প্রাণ বাঁচাতে বিশাল অঞ্চলের অধিবাসীদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এমন এক বৈরী পরিস্থিতিতে শুক্রবার (২৪ জুলাই) স্পেনে প্রথমবারের মতো দাবানলজনিত জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। একইসঙ্গে, নিজেদের আটলান্টিক উপকূলের অগ্নিকাণ্ড সামাল দিতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) জরুরি সহযোগিতা চেয়েছে ফ্রান্স।

ফ্রান্সের প্রিয় পর্যটন গন্তব্য ক্যাফ ফেহে উপদ্বীপে লোকালয়ের একদম কাছে আগুনের লেলহান শিখা ও ঘন ধোঁয়া পৌঁছে যাওয়ায় পুরো এলাকাটি ফাঁকা করার নির্দেশ দেয় ফরাসি প্রশাসন। অঞ্চলটি থেকে ইতোমধ্যেই প্রায় ৬৩ হাজার নাগরিককে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সরকারি কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, এর মধ্যে একটি বড় অংশকে নৌপথের মাধ্যমে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) শেষ রাতে পুলিশের নির্দেশে এলাকা ছেড়ে আসা ২৬ বছর বয়সী ইয়োয়ান ইউরিয়েন স্মৃতিচারণ করে বলেন, "আমাদের বসতবাড়ি থেকেই আগুনের ভয়াবহ রূপ চোখে পড়ছিল... আকাশজুড়ে ধোঁয়ার মেঘ কীভাবে ক্রমশ গাঢ় ও কালো হয়ে উঠছিল, তা আমরা প্রত্যক্ষ করছিলাম।"

আরও পড়ুন: যাত্রাবাড়ীতে ছিনতাই সন্দেহে গণপিটুনিতে আহত যুবক নিশাত মিয়ার মৃত্যু

ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরেন নুনেজ এক স্থানীয় টিভি চ্যানেলকে জানান, ক্যাফ ফেহেরের উত্তর প্রান্তের ‘সাওমুস’ এলাকা থেকে জন্ম নেওয়া আগুনটি উপদ্বীপ থেকে বেরোনোর একমাত্র প্রধান সড়কটিকে প্রায় অবরুদ্ধ করে ফেলেছে। এটি চলতি বছরের মধ্যে ফ্রান্সে ঘটে যাওয়া সবচেয়ে ভয়াবহ দাবানল।

তিনি উল্লেখ করেন, এই আগুনে ইতোমধ্যেই প্রায় ১০ হাজার হেক্টর এলাকা ভস্মীভূত হয়ে গেছে। অন্তত ৮০টি বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার মধ্যে ৫০টি বাড়ি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে।

অপরদিকে স্পেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফার্নান্দো গ্রান্দে-মার্লাসকা জানান, রাজধানী মাদ্রিদের পশ্চিমাঞ্চলীয় পাহাড়ি এলাকার নানা শহর থেকে ১০ হাজারেরও বেশি বাসিন্দাকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এই এলাকা এবং সীমান্তবর্তী আভিলা প্রদেশের তিনটি আলাদা দাবানল যেন একত্রিত হয়ে আরও ভয়াবহ রূপ নিতে না পারে, সে লক্ষ্যে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

মার্লাসকা আরও জানান, জরুরি অবস্থা জারি করার ফলে সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয় সাধন অনেক সহজ হবে।

আরও পড়ুন: কাতারের শান্তি প্রস্তাব নাকচ, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন হামলার শঙ্কা

সূত্র: রয়টার্স।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাহাবুদ্দীনের ‘সেফ এক্সিট’ নয়, বিচার দাবি এনসিপির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৩২ পি.এম


সাহাবুদ্দীনের ‘সেফ এক্সিট’ নয়, বিচার দাবি এনসিপির

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনার দাবি উঠেছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় দলটির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানান দলের সদস্য সচিব আখতার হোসেন।

সংবাদ সম্মেলনের সময় আখতার হোসেন বলেন, আমরা দাবি জানাচ্ছি যে, অবিলম্বে এই সাহাবুদ্দিন চুপ্পুকে গ্রেপ্তার করতে হবে এবং বিচারের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। তিনি আরও বলেন, আমরা দেখেছি যে, সাহাবুদ্দিন তার যে পদত্যাগপত্রে সেখানে যে ন্যারেটিভ টেনেছেন সেগুলো সত্যিই অপ্রাসঙ্গিক। অসুস্থতার অজুহাতের কথা বললেও, পদত্যাগপত্রের মধ্যে তিনি এমনভাবে ন্যারেটিভ সাজিয়েছেন যে, এটি আসলে তার জন্য একটি সেফ এক্সিটের স্থান তৈরি করে। কিন্তু, সাহাবুদ্দিন চুপ্পুকে সেফ এক্সিট দেওয়া কোনও মানে রাখে না। তার যত অপরাধ হয়েছে, সেই অপরাধগুলোর জন্য তাকে অবশ্যই বিচারের আওতায় আনা উচিত।

তিনি বলেন, সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর মতো একজন ফ্যাসিবাদের দোসর এবং একজন ফ্যাসিস্ট যদি বিচারের আওতায় না আসে, তাহলে ২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে যারা জীবন দিয়েছেন, তাদের বিচার অপূর্ণাঙ্গ থেকে যাবে।

সরকারের কাছে তিনি দাবি জানান যে, এতদিন সাহাবুদ্দিন চুপ্পু রাষ্ট্রপতি পদে থাকার কারণে তার বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে, পদত্যাগ করার সাথে সাথে তার বিরুদ্ধে আইনগত ইনডেমনিটির আর কোনো স্থান নেই। দায়মুক্তির আর কোনও বিধানও নেই। এই অবস্থায়, অনতিবিলম্বে গ্রেপ্তার করে তাকে বিচারের আওতায় নিয়ে আসার জন্য সরকারের অবিলম্বে উদ্যোগ নেওয়া উচিত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিজ সন্তানকে নিজ প্রতিষ্ঠানে পড়ান: শিক্ষকদের প্রতি শিক্ষামন্ত্রীর আহ্বান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৩৪ পি.এম


নিজ সন্তানকে নিজ প্রতিষ্ঠানে পড়ান: শিক্ষকদের প্রতি শিক্ষামন্ত্রীর আহ্বান

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, যদি আপনি নিজ সন্তানকে নিজ প্রতিষ্ঠানে পড়াতে না পারেন, তবে অন্যরা কেন তাদের সন্তানকে আপনার প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করবে?

তিনি জেলা স্কুলগুলোর অতীত ঐতিহ্যের কথা উল্লেখ করে বলেন, প্রশাসনের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা এক সময় নিজেদের সন্তানও সরকারি বিদ্যালয়ে পড়াতেন। সেই মান ও আস্থা পুনরুদ্ধার করতে সকলকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।

শুক্রবার (২৪শে জুলাই) চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার মনোহরপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী আরও জানান, শিক্ষার্থীদের শিক্ষায় শুধু পাঠ্যবই নির্ভর নয়, বরং বিতর্কচর্চা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, ধর্মীয় মূল্যবোধ, খেলাধুলা এবং বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। এ লক্ষ্যে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সঙ্গে চুক্তি করা হয়েছে এবং ৮০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। দেশের প্রতিটি বিদ্যালয়ে পাঠাভ্যাস গড়ে তোলার লক্ষ্যে বই সরবরাহ করা হবে।

তিনি উল্লেখ করেন, ২০২৮ সাল থেকে পর্যায়ক্রমে নতুন কারিকুলামে নতুন বই অন্তর্ভুক্ত করা হবে। পাঠ্যবইয়ে বাংলাদেশের সঠিক, নির্মোহ এবং তথ্যভিত্তিক ইতিহাস স্থান পাবে। ইতিহাসে কোনো ধরনের রাজনৈতিকীকরণ, প্রোপাগান্ডা বা বিকৃতি থাকবে না। তিনি বলেন, "যে ইতিহাস সত্য, সেই ইতিহাসই শিক্ষার্থীদের সামনে তুলে ধরা হবে।"

আরো জানান, ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষ একটি ঐতিহাসিক সত্য। দুর্ভিক্ষে বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে—সেই ঘটনাও পাঠ্যবইয়ে থাকবে। তবে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর ওপর দায় চাপিয়ে রাজনৈতিক ব্যাখ্যা সংযুক্ত করা হবে না। ইতিহাস তার নিজস্ব গতিতেই উপস্থাপিত হবে।

মনোহরপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি আলহাজ্ব খোরশেদ আলম মান্নানের সভাপতিত্বে ও সাচার ডিগ্রী কলেজের উপাধ্যক্ষ নওশির আলমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, চাঁদপুর জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান, কুমিল্লা মাধ্যমিক উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মোঃ আহসান পারভেজ, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদুল হাসান রাসেল, এসিল্যান্ড আবু নাসির, পালাখাল রোস্তম আলী ডিগ্রী কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ফজলুল হক, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ খায়রুল আবেদীন স্বপন, সাধারণ সম্পাদক মাসুদ এলাহী সুভাষ, ওসি মোঃ আজিজুল ইসলামসহ স্থানীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ।

মনোহরপুর উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের উদ্যোগে আয়োজিত এই শিক্ষক সমাবেশে কচুয়া উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষক ও শিক্ষা-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন। বক্তারা শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন, শিক্ষক সংকট নিরসন, আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা বাস্তবায়ন এবং নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন শিক্ষার্থী গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

ছবিঃ কচুয়ায় শিক্ষক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দক্ষিণাঞ্চলের বৃহত্তম চারা উৎপাদন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে কাউখালী, মৌসুমে জমজমাট কোটি টাকার বাণিজ্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কাউখালী প্রতিনিধি

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৩৪ পি.এম


দক্ষিণাঞ্চলের বৃহত্তম চারা উৎপাদন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে কাউখালী, মৌসুমে জমজমাট কোটি টাকার বাণিজ্য

পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলা, দক্ষিণাঞ্চলে নার্সারিতে চারা উৎপাদনের অন্যতম বৃহত্তম কেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি অর্জন করেছে। প্রতি বছর জ্যৈষ্ঠ থেকে কার্তিক মাস পর্যন্ত চারা বিক্রির মৌসুম চালু থাকলেও আষাঢ় থেকে আশ্বিন—এই চার মাসে বেচাকেনা সবচেয়ে বেশি হয়। এ সময় উপজেলার বিভিন্ন নার্সারি ও ঐতিহ্যবাহী কাউখালী হাটে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে পাইকারি ও খুচরা ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যায়।

প্রতি সপ্তাহের শুক্র ও সোমবার কাউখালী হাটে বসে বিশাল চারা বাজার। এছাড়া পাইকাররা সরাসরি স্থানীয় নার্সারিগুলোতে গিয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী চারা সংগ্রহ করেন। উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা থাকার কারণে নৌকা, ট্রলার, লঞ্চ ও ট্রাকযোগে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সহজেই চারা সরবরাহ করা হচ্ছে।

উপজেলার নার্সারিগুলোতে রেইনট্রি, মেহগনি, চাম্বল, গামার, সেগুন, আকাশমণিসহ ৩০ থেকে ৪০ প্রজাতির বনজ এবং আমড়া, আমলকী, জলপাই, নারকেল, সুপারি, আম, জাম, কাঁঠাল, পেয়ারা ও লিচুসহ ২০ থেকে ২৫ প্রজাতির ফলজ চারা উৎপাদন করা হয়। উন্নত মান ও টেকসই হওয়ায় এসব চারার চাহিদা রয়েছে মাদারীপুর, বাগেরহাট, খুলনা, বরিশাল, ঝালকাঠি ও দক্ষিণ ও মধ্যাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায়।

ঝালকাঠি থেকে চারা কিনতে আসা ক্রেতা তানভীর আহমেদ জানান, "আমি প্রতি মৌসুমেই কাউখালী থেকে কয়েক হাজার টাকার চারা কিনে থাকি। এখানকার চারার মান ভালো হওয়ায় আমাদের এলাকায় এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।"

স্থানীয় নার্সারি ব্যবসায়ী মোঃ হানিফ বলেন, "আমি দুই বিঘা জমিতে বিভিন্ন প্রজাতির চারা উৎপাদন করি। প্রতি মৌসুমে প্রায় ৬ থেকে ৭ লাখ টাকা আয় হয়।"

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সোমা রানী দাস বলেন, কাউখালী উপজেলা চারা উৎপাদন ও বিপণন এ অঞ্চলের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। কৃষকরা যাতে উন্নত জাতের ও মানসম্মত চারা উৎপাদন করতে পারেন, সে জন্য কৃষি বিভাগ নিয়মিত কারিগরি পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ দিয়ে যাচ্ছে। মাটির টালির স্বল্পতাসহ অন্যান্য সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় সহায়তা ও প্রণোদনা প্রদান করা হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, "কাউখালীর নার্সারি শিল্প এখন শুধু স্থানীয় চাহিদাই নয়, জাতীয় পর্যায়েও চারা সরবরাহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা, আধুনিক প্রযুক্তি ও অবকাঠামোগত সুবিধা নিশ্চিত করা যেতে পারে, তাহলে কাউখালী দেশের অন্যতম বৃহত্তম চারা উৎপাদন কেন্দ্রে পরিণত হবে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নার্সারি ব্যবসায়ীদের প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।"

স্থানীয়দের মতে, চারা উৎপাদন ও বিপণনের সাথে সম্পর্কিত কাউখালীতে হাজারো মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। পরিকল্পিত উদ্যোগ, সরকারি সহায়তা ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে এ শিল্প আরও সম্প্রসারিত হলে জাতীয় অর্থনীতিতেও এর অবদান উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কল্লোল সংঘকে হারিয়ে দিলকুশা স্পোর্টিং ক্লাবের দাপুটে জয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৩৬ পি.এম


কল্লোল সংঘকে হারিয়ে দিলকুশা স্পোর্টিং ক্লাবের দাপুটে জয়

অনূর্ধ্ব-১৮ ফুটবল লিগ ২০২৫-২৬ মৌসুমের এক রোমাঞ্চকর ম্যাচে জয় অর্জন করেছে দিলকুশা স্পোর্টিং ক্লাব। তারা প্রতিপক্ষ কল্লোল সংঘকে ২-০ গোলে পরাজিত করে পূর্ণ পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) শুরু হতে যাওয়া ম্যাচের প্রথম থেকেই দুই দলের মধ্যে আক্রমণ এবং পাল্টা আক্রমণের মাধ্যমে খেলা প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা লক্ষ্য করা যায়। তবে প্রথমার্ধে উভয় দলের রক্ষণভাগের দৃঢ়তায় কোনো দলই কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায়নি।

দ্বিতীয়ার্ধ শুরু হওয়ার পর দিলকুশা স্পোর্টিং ক্লাব খেলার আক্রমণের ধার আরও বাড়াতে সক্ষম হয়। খেলার ৫৫তম মিনিটে, তাজদুল হাসান তাশরিফ দারুণ একটি ফিল্ড গোল করে তাদের দলকে লিড এনে দেন।

পিছিয়ে পড়া কল্লোল সংঘ গোল শোধের জন্য মরিয়া হয়ে চেষ্টা চালাতে থাকে, কিন্তু দিলকুশা স্পোর্টিং ক্লাবের সুসংগঠিত রক্ষণভাগ ভেদ করা তাদের পক্ষে সম্ভব হয়নি।

ম্যাচের শেষ মুহূর্তে, যখন কল্লোল সংঘ সমতায় ফেরার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছিল, ঠিক তখনই ডানা বাঁধে অতিরিক্ত সময়ে গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন দিলকুশার তরুণ খেলোয়াড় রোহান ইসলাম মিরাজ। ৯০+২ মিনিটের এই গুরুত্বপূর্ণ গোলে জয় নিশ্চিত হয়ে যায় দিলকুশা স্পোর্টিং ক্লাবের।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%