মোঃ নাজির খান নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি,
০৭:০১ পি.এম
২০২৬ খ্রিস্টাব্দের ২৯ শে জুন সোমবার, নাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস ২০২৬ উপলক্ষে একটি রেলি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এ দিক থেকে আয়োজক ছিল কলকারখানা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর নারায়ণগঞ্জ। সভায় সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণ জেলার জেলা প্রশাসক বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ রায়হান কবির মহোদয়।
রেলি ও আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ করেন নারায়ণ পূজার বিভিন্ন এনজিও নেতৃবৃন্দ। মানব কল্যাণ পরিষদের চেয়ারম্যান এম এ মান্নান, প্রভাত কল্যাণ সংস্থার সভাপতি প্রদীপ কুমার দাসসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দও সভায় অংশ নেন।
শিশুশ্রমকে না বলার আহ্বান জানিয়ে শুভ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলনে আজ 'বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস ২০২৬' উপলক্ষে সভা অনুষ্ঠিত হয়।
নির্দেশক মোঃ নাজির খান নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি, ২৯ শে জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দে সোমবার, বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস ২০২৬ উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে রেলি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শিশুশ্রমকে না বলি, শোভন কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করি শ্লোগানে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আজ 'বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস ২০২৬' উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভা ও র্যালিতে মানব কল্যাণ পরিষদ নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করতে উপস্থিত ছিলেন। এ সময় সরকারি, বেসরকারি কর্মকর্তা এবং এনজিও প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফুটবল বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে কুমিল্লায় উৎসবের আমেজ শুরু হয়েছে। প্রিয় দল আর্জেন্টিনার প্রতি তাদের ভালোবাসা প্রকাশের লক্ষ্যে এবার সমর্থকরা একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন। নগরীর ঈদগাহ-জিলা স্কুল রোডে পুলিশ সুপারের বাসভবন সড়কের ওপর টাঙানো হয়েছে আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দলের একটি বিশাল আকৃতির জার্সি।
সোমবার (২৯ জুন) দুপুরে এই জার্সিটি সড়কের দুই পাশে বেঁধে ঝুলিয়ে দেন সমর্থকরা। আকাশি-সাদা ডোরাকাটা বিশাল জার্সিটি মূহূর্তেই পথচারী ও ফুটবলপ্রেমীদের নজর কেড়ে নেয়। অনেকে সেখানে দাঁড়িয়ে ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এই জার্সিটির ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে।
আর্জেন্টিনা সমর্থকদের দাবি, বিশ্বকাপকে ঘিরে শহরে একটি উৎসবের আবহ তৈরি করতেই তাদের এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তারা জানান, ফুটবল শুধুমাত্র একটি খেলা নয়, এটি আবেগেরও নাম। সেই ভয়েই প্রিয় দলের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করতে বিশাল জার্সি টাঙানো হয়েছে।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বিশ্বকাপ এলেই কুমিল্লাজুড়ে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা সমর্থকদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়। বিভিন্ন সড়ক ও মহল্লায় রঙিন পতাকা, ব্যানার ও ফেস্টুন শোভা পায়। এবার সেই আয়োজনের সাথে যুক্ত হয়েছে বিশাল আকৃতির জার্সি, যা শহরের অন্যতম আকর্ষণে পরিণত হয়েছে।
বিশ্বকাপের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই ফুটবলপ্রেমীদের উন্মাদনা বাড়ছে। সমর্থকদের প্রত্যাশা, মাঠের খেলায়ও আর্জেন্টিনা তাদের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় এক বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ওই বৃদ্ধের নাম আবুল মালেক মাবুদ, বয়স ৭৫।
মৃত মাবুদ উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের কালিকাপুর গ্রামের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মুন্সিবাড়ির বাসিন্দা ছিলেন। সোমবার, ২৯ জুন, দুপুরে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয় কালিকাপুর গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায় যে, মাবুদ ব্যক্তিগত জীবনে দুইবার বিয়ে করলেও তিনি কোনো সংসারই দীর্ঘস্থায়ী করতে পারেননি। তিনি নিঃসন্তান ছিলেন এবং এই কারণে দীর্ঘ সময় ধরে একাকী জীবনযাপন করছিলেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে যে, পারিবারিক ও ব্যক্তিগত হতাশা থেকে সোমবার সকালে তিনি নিজ বসতঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ময়নাতদন্তের উদ্দেশ্যে মরদেহ উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট মর্গে প্রেরণ করে।
বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামসুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চীন তিস্তা নদীর সমন্বিত ব্যবস্থা এবং পুনরুদ্ধার প্রকল্পে (টিআরসিএমআরপি) বাংলাদেশের প্রতি তার সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে। বেইজিং মন্তব্য করেছে যে, বাংলাদেশ-চীন সহযোগিতা অবশ্যই তৃতীয় পক্ষের প্রভাবমুক্ত হওয়া উচিত।
ভারতের উদ্বেগের প্রসঙ্গে, চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি জোর দিয়ে বলতে চাই, চীন-বাংলাদেশ সহযোগিতা কোনো তৃতীয় পক্ষকে লক্ষ্য করে নয় এবং এটি তৃতীয় পক্ষের প্রভাবমুক্ত থাকা উচিত।’
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানাচ্ছে, তিস্তা অববাহিকা ভারতীয় উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় এলাকার অত্যন্ত কাছে অবস্থিত, এবং এই বিষয়টি ঢাকা-বেইজিং যৌথ উদ্যোগ নিয়ে নয়াদিল্লির উদ্বেগের মূল কারণ।
চীনের মতে, তিস্তা প্রকল্পটি বাংলাদেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়নের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প।
গুও জিয়াকুন আরও বলেন, তিস্তা নদীর সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পটি একটি জীবনযাত্রা-কেন্দ্রিক প্রকল্প, যেটিকে বাংলাদেশ অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়। চীন এই প্রকল্পের বাস্তবায়নে সম্ভাব্য সকল ধরনের সহায়তা দিতে প্রস্তুত।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে উন্নয়ন কৌশলের সমন্বয়কে আরও জোরদার করতে এবং বাণিজ্য, পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা ও জনকল্যাণসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা প্রসারিত করতে চীন প্রস্তুত।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান বলেছেন, দুই দেশের বিশেষজ্ঞরা প্রথমবারের মতো এই প্রকল্পটির ওপর একটি কারিগরি সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ পরিচালনা করবেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘উভয় পক্ষই এ বিষয়ে একমত হয়েছে, যা গতবার এমন অবস্থায় ছিল না। চীন জানিয়েছে যে তারা এই প্রকল্পে সম্ভাব্য সকল ধরনের সহায়তা দেবে, কারণ সম্ভাব্যতা যাচাই প্রতিবেদনে এর যৌক্তিকতা প্রমাণিত হয়েছে।’
বাংলাদেশ ও চীন সম্প্রতি তিস্তাসহ দেশের নদী ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা বৃদ্ধি করার বিষয়ে সমঝোতায় পৌঁছেছে। তাই তিস্তা প্রকল্প নিয়ে যেকোনো অগ্রগতি ভারতের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছে বলে এনডিটিভি জানাচ্ছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতের উদ্বেগের অন্যতম কারণ হলো, তিস্তা নদী কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ শিলিগুড়ি করিডরের (চিকেন’স নেক) নিকটবর্তী। নয়াদিল্লির আশঙ্কা, ওই এলাকার চীনের উপস্থিতি বাড়লে ভারতের নিরাপত্তা এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে মূল ভূখণ্ডের সংযোগকারী এই গুরুত্বপূর্ণ করিডরের কৌশলগত নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।
সূত্র: এনডিটিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিশ্বের সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল এবং বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনে মাছ ও বন্যপ্রাণীর প্রজনন মৌসুম চলছে। তবে, এর মধ্যেও থামছে না অবৈধ মাছ ও কাঁকড়া শিকার।.
অবৈধভাবে নিষিদ্ধ বিষ প্রয়োগ, পাটা জাল এবং লোহার শিক ব্যবহার করে এক শ্রেণির অসাধু জেলে অবাধে মাছ ও কাঁকড়া আহরণ করছেন বলে অভিযোগ এসেছে। একইসাথে বন বিভাগের কতিপয় অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীর যোগসাজশে প্রজনন মৌসুমে বন প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হচ্ছে না বলেও অভিযোগ রয়েছে। এটি সূচিত করছে যে, বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য ও মৎস্যসম্পদ এই কারণে হুমকির মুখে পড়তে পারে।
সরকার প্রতিবছরের মতো চলতি বছরও সুন্দরবনে মাছ ও কাঁকড়া আহরণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে জুন থেকে আগস্ট পর্যন্ত তিন মাসের জন্য। এ সময়কালে পর্যটন কার্যক্রম এবং জেলে-বাওয়ালিদের পাস-পারমিটও বন্ধ রাখা হয়েছে। কিন্তু স্থানীয়দের অভিযোগ, জেলে ও ব্যবসায়ীদের একটি চক্র বন বিভাগের কিছু অসাধু সদস্যকে উৎকোচ দিয়ে গোপনে বনাঞ্চলে প্রবেশ করে অবাধে মাছ ও কাঁকড়া শিকার করছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক জেলে জানিয়েছেন, অমাবস্যা ও পূর্ণিমার সময়ে বন বিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তাকে নির্ধারিত হারে অর্থ দিয়ে তারা বনে প্রবেশ করেন। ব্যবহৃত জাল ও শিকারের ধরন অনুযায়ী উৎকোচের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়। তারা বলছেন, অর্থ দিলে নির্বিঘ্নে মাছ শিকার করা যায়, এবং অর্থ না দিলে মামলা দিয়ে আদালতে পাঠানো হয়।
স্থানীয় সূত্রে অভিযোগ এসেছে যে, বনের গহীনে মাছ ধরার সময় নিষিদ্ধ বিষ ব্যবহার করা হচ্ছে, যা মাছের ডিম, পোনা ও অন্যান্য জলজ প্রাণীর জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। এছাড়া কাঁকড়া ধরার জন্য নদীর চরে ‘আটন’ বসাতে গিয়ে নির্বিচারে কেটে ফেলা হচ্ছে সুন্দরীসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা। এতে বনাঞ্চলের প্রাকৃতিক পুনর্জন্ম প্রক্রিয়াও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
ফিশ ফার্ম ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ (ফোয়াব) এবং খুলনা কেন্দ্রীয় মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির সভাপতি মোল্লা সামছুর রহমান সাহীন বলেছেন, “প্রজনন মৌসুমে সুন্দরবনে মাছ ও কাঁকড়া নিধন বন্ধ করা না গেলে অচিরেই এ মূল্যবান প্রাকৃতিক সম্পদ মারাত্মক সংকটে পড়বে। বন বিভাগকে আরও কঠোর হতে হবে। শুধু অভিযান পরিচালনা করেই নয়, অবৈধ শিকারিদের বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা এবং বন বিভাগের বিরুদ্ধে উঠা দুর্নীতির অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া আবশ্যক।”
এ বিষয়ে পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করিম চৌধুরী জানিয়েছেন, “প্রজনন মৌসুমে বন প্রবেশ ও মাছ ধরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কিছু জেলে যে গোপনে বনে প্রবেশ করছে, তাতে অস্বীকার করার কিছু নেই। তবে আগের তুলনায় পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে। বন বিভাগের টহল ও অভিযান চলমান রয়েছে এবং ইতোমধ্যে বেশ কিছু নৌকা আটক করা হয়েছে। আমাদের কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীর সম্পৃক্ততার ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
পরিবেশবিদ এবং বন বিশেষজ্ঞদের মতে, সুন্দরবন বাংলাদেশে প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলার এক অন্যতম প্রাকৃতিক ঢাল এবং বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জীববৈচিত্র্যের আবাসস্থল। প্রজনন মৌসুমে অবৈধ মাছ ও কাঁকড়া নিধন বন্ধে কঠোর নজরদারি, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা, স্থানীয় জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং বিকল্প জীবিকার সুযোগ সৃষ্টি এখন সময়ের দাবি। অন্যথায় সুন্দরবনের মৎস্যসম্পদ ও পরিবেশগত ভারসাম্য দীর্ঘমেয়াদে মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়তে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ