মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:২২ এম
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে একটি বাস ও লরির মধ্যে সংঘর্ষের ফলে নারীসহ পাঁচজন নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আরও অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন।
এ দুর্ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার (২৬ অক্টোবর) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার কুমিরা রয়েল গেইট এলাকায়।
দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের একটি দল স্থানীয়দের সহযোগিতায় উদ্ধার কাজ শুরু করে। উদ্ধার অভিযানের সময় ঘটনাস্থল থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাদের বাড়ি নেত্রকোনায় বলে জানা গেছে।
গুরুতর আহত ছয়জনকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নিহতদের পরিচয় শনাক্ত করার কাজ করছে পুলিশ। তবে দুর্ঘটনার কারণ সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন হাইওয়ে পুলিশ।
এদিকে, দুর্ঘটনার পর মহাসড়কের ঢাকামুখী লেনে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচল বন্ধ ছিল। পরবর্তীতে দুর্ঘটনাকবলিত বাস ও লরিকে হেফাজতে নিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করে বার আউলিয়া হাইওয়ে থানা পুলিশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অপেক্ষার সময় শেষ হয়েছে। গতকাল রাতে লন্ডনের প্যালাডিয়াম থিয়েটারে ২০২৬ ব্যালন ডি’অর বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। মর্যাদাপূর্ণ এই পুরস্কারটি শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি হিসেবে জিতেছেন হ্যারি কেইন, অ্যালেক্সিয়া পুতেয়াস, এবং লামিনে ইয়ামালসহ অন্যান্যরা।
চলুন এক নজরে দেখে নেওয়া যাক ২০২৬ ব্যালন ডি’অর বিজয়ীদের তালিকা—
ছেলেদের ব্যালন ডি’অর বিজয়ী : হ্যারি কেইন (ইংল্যান্ড ও বায়ার্ন মিউনিখ)
মেয়েদের ব্যালন ডি’অর বিজয়ী : অ্যালেক্সিয়া পুতেয়াস (স্পেন ও লন্ডন সিটি লায়নেস)
ছেলেদের সেরা উদীয়মান খেলোয়াড় : লামিনে ইয়ামাল (স্পেন ও বার্সেলোনা)
মেয়েদের সেরা উদীয়মান খেলোয়াড় : ভিকি লোপেজ (স্পেন ও বার্সেলোনা)
মেয়েদের ফুটবলে সেরা কোচ : পেরে রোমেউ (বার্সেলোনা)
ছেলেদের ফুটবলে সেরা কোচ : লুইস দে লা ফুয়েন্তে (স্পেন)
মেয়েদের ফুটবলে সেরা গোলরক্ষক : কাতা কোল (বার্সেলোনা)
ছেলেদের ফুটবলে সেরা গোলরক্ষক : উনাই সিমোন (স্পেন)
সক্রেটিস পুরস্কার : বুকায়ো সাকা (ইংল্যান্ড ও আর্সেনাল)
মেয়েদের সেরা ক্লাব : বার্সেলোনা
ছেলেদের সেরা ক্লাব : পিএসজি
ছেলেদের সেরা স্ট্রাইকার : হ্যারি কেইন (ইংল্যান্ড ও বায়ার্ন মিউনিখ)
মেয়েদের সেরা স্ট্রাইকার : শার্লিন কোবরাল (মেক্সিকো ও পাচুয়া)
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রে বিমান ছিনতাইয়ের হুমকি দিয়ে বার্তা পাঠানোর অভিযোগে পুলিশ ২৫ বছর বয়সী এক যাত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে। ওই যাত্রীর পাঠানো বার্তায় বিমান ছিনতাই এবং নির্দিষ্ট আসনের সারিতে আঘাত করার হুমকির বিষয়টি উঠে এসেছে। এই ঘটনার কারণে ইউনাইটেড এয়ারলাইনসের একটি বিমান মাঝআকাশ থেকে ফিরে যেতে বাধ্য হয়।
অভিযুক্তের নাম দান্তে মিলনে। আদালতে জমা দেওয়া অভিযোগপত্র অনুযায়ী, তিনি নিজের মুঠোফোনে লিখেছিলেন, তিনি বিমানটি ছিনতাই করবেন এবং একটি নির্দিষ্ট আসনের সারিতে আঘাত করবেন। তবে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়নি কীভাবে বার্তাটি পাঠানো হয়েছিল কিংবা কাকে উদ্দেশ্য করে লেখা হয়েছিল।
ঘটনার পর মিলনেকে লাস ভেগাসের ক্লার্ক কাউন্টি আটককেন্দ্রে নেওয়া হয়। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের হুমকি দেওয়া বা এ-সংক্রান্ত মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে তার বিরুদ্ধে গুরুতর অপরাধের মামলা দায়ের করা হয়েছে। আদালতের নথি অনুযায়ী, পরে ১০ হাজার ডলারের মুচলেকায় তিনি মুক্তি পান। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) আদালতে হাজির হওয়ার কথা রয়েছে তার।
ঘটনাটি ঘটে শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাতে। লাস ভেগাসের হ্যারি রিড আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে নিউ জার্সির নেওয়ার্কগামী ইউনাইটেড এয়ারলাইনসের ১৬৮১ নম্বর ফ্লাইটে ১৫০ জন যাত্রী ও ছয়জন ক্রু ছিলেন। বিমানটি বোয়িং ৭৩৭ মডেলের ছিল।
উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পর এক বিমানবালা মিলনেকে বিমানটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার কথা লিখতে দেখেন। নিরাপত্তা বিধি মেনে তিনি সরাসরি ওই যাত্রীর মুখোমুখি না হয়ে দ্রুত পাইলটকে খবর দেন। এরপর পাইলট ককপিটের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেন এবং লাস ভেগাসে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রণকক্ষের সঙ্গে পাইলটের কথোপকথনের রেকর্ডিংয়ে ঘটনার বিবরণ পাওয়া গেছে। পাইলট জানান, বিমানবালা ওই যাত্রীর বার্তা দেখে ছিনতাইয়ের হুমকির কথা জানান। এরপর তারা নিরাপত্তা ব্যবস্থা চালু করে ফিরে আসেন।
নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে জানতে চাওয়া হলে সন্দেহভাজন যাত্রীকে আটকানো হয়েছে কি না, পাইলট জানান, তাকে বেঁধে রাখা হয়নি। কারণ, ক্রুরা যে তার বার্তা দেখেছেন, তা তিনি জানতেন না।
বিমানের গতিপথের তথ্য অনুযায়ী, এটি এক ঘণ্টারও কম সময় আকাশে ছিল। স্থানীয় সময় রাত ১১টা ৫ মিনিটের দিকে বিমানটি নিরাপদে লাস ভেগাসের হ্যারি রিড আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। সেখানে লাস ভেগাস মহানগর পুলিশের সদস্যরা অপেক্ষা করছিলেন। তারা কোনো বাধা ছাড়াই মিলনেকে আটক করেন।
পরে সব যাত্রীকে বিমান থেকে নামানো হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বোয়িং ৭৩৭ বিমানটিতে বিস্তারিত তল্লাশি চালায়। এ ঘটনায় কেউ আহত হননি।
তবে বিমানটির গতিপথ পরিবর্তনের কারণে পাইলট ও ক্রুদের নির্ধারিত কর্মঘণ্টা শেষ হয়ে যায়। ফলে বাকি ১৪৯ যাত্রীকে লাস ভেগাসে রাত কাটাতে হয়। রোববার (২৫ অক্টোবর) সকালে নতুন সময়সূচি অনুযায়ী তাদের নেওয়ার্কের উদ্দেশে যাত্রা করার কথা ছিল।
নেভাডা অঙ্গরাজ্যের আইন অনুযায়ী, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড নিয়ে হুমকি দেওয়া বা মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হলে এক থেকে ২০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল বিমান চলাচল প্রশাসন জানিয়েছে, ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালে বাণিজ্যিক বিমানে যাত্রীদের অসদাচরণের এক হাজার ৪০০টির বেশি ঘটনা নথিভুক্ত করা হয়েছে।
সূত্র: নিউইয়র্ক পোস্ট
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যখন কোনো ব্যক্তি চরম হঠকারিতা, অহংকার এবং বারবার সত্য প্রত্যাখ্যান করে, তখন তার হৃদয়ে এমন এক অবস্থা তৈরি হয় যেখানে কোনো ভালো কথা, উপদেশ বা হেদায়েত আর কাজ করে না। কোরআনের ভাষায় বলা হয়েছে, ‘এদের অন্তরে মোহর মেরে দেওয়া হয়েছে।’ কোনো পাত্রের মুখ বন্ধ করে সিল বা মোহর মেরে দিলে যেমন তাতে আর নতুন কিছু ঢোকানো যায় না, তেমনি অন্তরে মোহর পড়ার পর সেখানে আর কোনো ঈমান, অনুশোচনা বা সত্যের আলো প্রবেশ করতে পারে না। ব্যক্তি তখন ভালো ও মন্দের পার্থক্য করার অনুভূতি হারিয়ে ফেলে।
পবিত্র কোরআনের আয়াতের আলোকে যেসব কাজ ও বৈশিষ্ট্যের কারণে মানুষের অন্তরে মোহর পড়ে, সেগুলো জানা ঈমান রক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোরআনে এমন ৯ শ্রেণি ও বৈশিষ্ট্যের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যেগুলোর সঙ্গে অন্তরে মোহর পড়ার বিষয়টি সম্পর্কিত।
১. কুফর বা অবিশ্বাস : আল্লাহ তাআলা বলেন, এসব জনপদের কিছু সংবাদ আমি তোমার কাছে বর্ণনা করছি। নিশ্চয়ই তাদের কাছে তাদের রাসুলরা সুস্পষ্ট নিদর্শনাবলি নিয়ে এসেছিলেন। কিন্তু তারা আগে থেকেই যা অস্বীকার করেছিল, তার প্রতি ঈমান আনতে প্রস্তুত ছিল না। এভাবেই আল্লাহ কাফিরদের অন্তরে মোহর মেরে দেন।’ (সুরা আল-আরাফ, আয়াত : ১০১)
২. মুনাফিকি বা কপটতা : মুনাফিকদের সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তারা পেছনে থেকে যাওয়া লোকদের সঙ্গে থাকতে সন্তুষ্ট হয়েছে। আর তাদের অন্তরে মোহর মেরে দেওয়া হয়েছে; ফলে তারা বুঝতে পারে না।’ (সুরা আত-তাওবা, আয়াত : ৮৭)
৩. পাপাচারে ডুবে থাকা : আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘যারা পৃথিবীর পূর্ববর্তী অধিবাসীদের পর তাদের উত্তরাধিকারী হয়, তাদের কি এ বিষয়টি স্পষ্ট হয়নি যে আমি ইচ্ছা করলে তাদের পাপের কারণে তাদেরও বিপদে আক্রান্ত করতে পারি এবং তাদের অন্তরে মোহর মেরে দিতে পারি? ফলে তারা শুনতে পায় না।’ (সুরা আল-আরাফ, আয়াত : ১০০)
৪. অজ্ঞতা : আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘এভাবেই আল্লাহ তাদের অন্তরে মোহর মেরে দেন, যারা জানে না।’ (সুরা আর-রুম, আয়াত : ৫৯)
অজ্ঞতা দুই ধরনের হতে পারে—সত্য সম্পর্কে জ্ঞান না থাকা। সত্য জানার পরও সে অনুযায়ী আমল না করা।
৫. আখিরাতের তুলনায় দুনিয়াকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া : আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘এটি এ কারণে যে তারা আখিরাতের তুলনায় দুনিয়ার জীবনকে বেশি পছন্দ করেছে। আর আল্লাহ কাফির সম্প্রদায়কে হেদায়েত দেন না। তারাই সেই লোক, যাদের অন্তর, কান ও চোখের ওপর আল্লাহ মোহর মেরে দিয়েছেন; আর তারাই উদাসীন।’ (সুরা আন-নাহল, আয়াত : ১০৭-১০৮)
৬. প্রবৃত্তির অনুসরণ করা : আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তারাই হলো সেসব লোক, যাদের অন্তরে আল্লাহ মোহর মেরে দিয়েছেন এবং যারা নিজেদের প্রবৃত্তির অনুসরণ করেছে।’ (সুরা মুহাম্মাদ, আয়াত : ১৬)
অর্থাৎ যারা সত্যকে গ্রহণ করার পরিবর্তে নিজেদের কুপ্রবৃত্তি ও খেয়ালখুশির অনুসরণ করে, তাদের অন্তর সত্য উপলব্ধি করা থেকে বঞ্চিত হতে পারে।
৭. অহংকার ও ঔদ্ধত্য : আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘যারা নিজেদের কাছে আগত কোনো দলিল-প্রমাণ ছাড়াই আল্লাহর আয়াতসমূহ সম্পর্কে বিতর্ক করে, তাদের এ কাজ আল্লাহর কাছে এবং মুমিনদের কাছে অত্যন্ত ঘৃণিত। এভাবেই আল্লাহ প্রত্যেক অহংকারী ও উদ্ধত ব্যক্তির অন্তরে মোহর মেরে দেন।’ (সুরা গাফির, আয়াত : ৩৫)
অহংকারের একটি বড় লক্ষণ হলো সত্য স্পষ্ট হওয়ার পরও অহংকারবশত তা প্রত্যাখ্যান করা এবং অন্যদের তুচ্ছজ্ঞান করা।
৮. আল্লাহর কিতাব ও তাঁর রাসুলের শিক্ষাকে অস্বীকার করা : আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘অতঃপর তাদের পরে আমি বহু রাসুলকে তাঁদের জাতির কাছে পাঠিয়েছিলাম। তাঁরা তাদের কাছে সুস্পষ্ট প্রমাণ নিয়ে এসেছিলেন। কিন্তু তারা আগে থেকেই যা মিথ্যা বলে প্রত্যাখ্যান করেছিল, তাতে বিশ্বাস করার ছিল না। এভাবেই আমরা সীমালঙ্ঘনকারীদের অন্তরে মোহর মেরে দিই।’ (সুরা ইউনুস, আয়াত : ৭৪)
৯. ঈমান আনার পর কুফরি করা : আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘এটি এ কারণে যে তারা ঈমান এনেছিল, তারপর কুফরি করেছিল। ফলে তাদের অন্তরে মোহর মেরে দেওয়া হয়েছে; তাই তারা বুঝতে পারে না।’ (সুরা আল-মুনাফিকুন, আয়াত : ৩)
অর্থাৎ ঈমান গ্রহণের পর তা প্রত্যাখ্যান করার কারণে তাদের অন্তরে মোহর পড়ে গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরের গেবরিয়া-আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিস সরকারি কর্মঘণ্টার মধ্যে বন্ধ থাকার কারণে সেবাপ্রার্থীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে অফিসের সামনে জমির পর্চা ও নামজারির জন্য অপেক্ষা করতে দেখা যায় ১০-১২ জন সেবাপ্রার্থীকে।
সরেজমিনে দেখা যায়, অফিসের প্রধান ফটক ও মূল দরজা দুটিই তালাবদ্ধ। প্রয়োজনীয় সেবা নিতে আসা লোকজন দীর্ঘ সময় ধরে অপেক্ষা করেও কাউকে খুঁজে পাচ্ছিলেন না।
লক্ষ্মীপুর ভাটিপাড়া গ্রামের মাসুদ মিয়া জানান, তিনি জমির মাঠ পর্চা নিতে এসে দীর্ঘ সময় ধরে অপেক্ষা করছেন। কিন্তু অফিসে কাউকে না পেয়ে তিনি সেবা পাওয়ার বিষয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছেন। একই ধরনের ভোগান্তির কথা জানান রেখা, আছমা এবং ৬৫ বছর বয়সী আসাদ মিয়াসহ অন্যান্য সেবাপ্রার্থীরা।
অফিস বন্ধ রাখার বিষয়ে অফিস সহায়ক মো. রুকন উদ্দিন বলেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাকে উপজেলা ভূমি অফিসে ডেকে নেওয়ায় তিনি অফিসে তালা দিয়ে সেখানে গেছেন। ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মো. মনির উদ্দিন আহমাদও একই বক্তব্য দেন।
কিন্তু কুলিয়ারচর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এ এইচ এম ইজাজুল হক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মঘণ্টায় ইউনিয়ন ভূমি অফিস তালাবদ্ধ রাখার কোনো বিধান নেই। তিনি বলেন, ওই সময় রুকন উদ্দিনকে উপজেলা ভূমি অফিসে দেখা গেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাফফাত আরা সাঈদ জানান, সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ভূমি অফিসে বর্তমানে নিয়মিত নায়েব নেই। অতিরিক্ত দায়িত্বে একজন কর্মকর্তা রয়েছেন। তিনি দায়িত্ব পালন করলে অফিস খোলা থাকে। তবে অফিসে অফিস সহায়কও থাকার কথা। তিনি বিষয়টি খোঁজ নিয়ে জানাবেন বলে জানান।
সরকারি ভূমি অফিসে সেবা নিতে এসে তালাবদ্ধ দরজার সামনে অপেক্ষা করতে হওয়ায় সেবাপ্রার্থীরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের প্রশ্ন, একজন কর্মচারীকে অন্য দপ্তরে ডাকা হলে সরকারি সেবাকেন্দ্র এভাবে বন্ধ থাকবে কেন? আর এতে সাধারণ মানুষের যে ভোগান্তি হচ্ছে, তার দায়ভার কে নেবে?
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ