ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত ভেঙে ফেলবে যুক্তরাষ্ট্র: রুবিও


আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত ভেঙে ফেলবে যুক্তরাষ্ট্র: রুবিও

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) ‘ভেঙে ফেলার’ প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, এবং এ লক্ষ্যে অন্যান্য দেশকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানান। ট্রাম্প প্রশাসন আইসিসির বিরুদ্ধে তাদের অবস্থানকে আরও কঠোর করার অংশ হিসেবে এই ঘোষণা দিয়েছে।

সোমবার রুবিও অভিযোগ করেন, আইসিসি যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ‘গুলি বা ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে নয়, তথাকথিত আন্তর্জাতিক আইনের শক্তি দিয়ে যুদ্ধ করছে।’

ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদ থেকেই আইসিসির সঙ্গে ওয়াশিংটনের বিরোধ শুরু হয়। তখন আফগানিস্তানে মার্কিন বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের তদন্ত শুরু করায় আইসিসিকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল। দ্বিতীয় ট্রাম্প প্রশাসনও যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল–সংক্রান্ত তদন্তের কারণে আইসিসির কয়েকজন কর্মকর্তার ওপর একাধিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।

আরও পড়ুন: যাত্রাবাড়ীতে ছিনতাই সন্দেহে গণপিটুনিতে আহত যুবক নিশাত মিয়ার মৃত্যু

তবে এবার পররাষ্ট্র দপ্তরের নেতৃত্বে পুরো সরকার থেকে যে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, তা আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে এটি বিশ্বের দেশগুলোকে তাদের সঙ্গে যোগ দেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে এবং যারা যোগ দেবে না তাদের জন্য মার্কিন সহায়তা সম্ভাব্য হ্রাস করার হুমকি দিচ্ছে।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক কর্মকর্তা বলেন, যেসব দেশ মার্কিন সহায়তার ওপর নির্ভর করে আইসিসি-র মিথ্যা কর্তৃত্ব প্রত্যাখ্যান করতে অস্বীকার করবে, তারা খুব সম্ভব আরো কঠোর নজরদারির আওতায় আসবে।

একই দিনে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে প্রকাশিত এক মতামত নিবন্ধে রুবিও লেখেন, “সরকারের হাতে থাকা সব ধরনের উপায় ব্যবহার করে এবং যেসব মিত্র আমাদের সঙ্গে একমত হবে তাদেরকে সঙ্গে নিয়ে আমরা ধাপে ধাপে আইসিসিকে ভেঙে ফেলব।

পররাষ্ট্র দপ্তরের ওই কর্মকর্তা জানান, এসব পদক্ষেপের মধ্যে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা, ভিসা বাতিল এবং আরো কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।

আরও পড়ুন: কাতারের শান্তি প্রস্তাব নাকচ, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন হামলার শঙ্কা

তিনি আরও বলেন, যেসব দেশ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা সহযোগিতা করে, মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে বা যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থার সুবিধাভোগী, তাদের প্রতি আহ্বান জানানো হচ্ছে যেন তারা মার্কিন কর্মকর্তা ও সেনাসদস্যদের বিচারের বিষয়ে আইসিসির দাবি প্রত্যাখ্যান করে।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের নিবন্ধে রুবিও আরও অভিযোগ করেন, আইসিসি “বামপন্থী বেসরকারি সংস্থা, আত্মতুষ্ট বৈশ্বিকতাবাদী (গ্লোবালিস্ট) এবং যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী তৃতীয় বিশ্বের কয়েকটি সরকারের শক্তিশালী নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে।”

তিনি এল সালভাদরে অভিবাসী বহিষ্কার এবং কথিত মাদক-সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে মার্কিন নৌ হামলা আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন করেছে—এমন অভিযোগও প্রত্যাখ্যান করেন। পাশাপাশি ডেমোক্রেসি ফর দ্য অ্যারাব ওয়ার্ল্ড নাউ (ডন) সংস্থার ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য যুদ্ধাপরাধ তদন্তে আইসিসির প্রতি আহ্বানকেও নাকচ করেন।

তবে ডনের নির্বাহী পরিচালক ওমর শাকির সিএনএনকে বলেন, রুবিও তাদের অবস্থান ভুলভাবে তুলে ধরেছেন। তাদের আহ্বান ছিল যুদ্ধ চলাকালে সংঘটিত সব সম্ভাব্য যুদ্ধাপরাধের তদন্তের জন্য।

আরও পড়ুন: গণভোটের রায় না মানলে তারেক রহমানের ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই: জুনায়েদ

শাকির বলেন, এতে প্রশ্ন ওঠে—পররাষ্ট্রমন্ত্রী রুবিও কি মনে করেন, ইরানে মার্কিন বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্ভাব্য যুদ্ধাপরাধের তদন্ত হওয়া উচিত নয়?

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মস্কোয় দুই হিউম্যানয়েড রোবটের জমকালো বিয়ে সম্পন্ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:২৯ এম


মস্কোয় দুই হিউম্যানয়েড রোবটের জমকালো বিয়ে সম্পন্ন

উন্নত রোবোটিক্স প্রযুক্তির সক্ষমতা এবং দৈনন্দিন জীবনে এর একীভূতকরণের সম্ভাবনা প্রদর্শনের লক্ষ্যে রাশিয়ার রাজধানী মস্কোতে একটি নজিরবিহীন বিয়ের অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।

সেখানে পুশকিন লাইব্রেরিতে আয়োজিত এই বিশেষ অনুষ্ঠানে ‘রবার্ট’ ও ‘মাটিল্ডা’ নামের দুটো হিউম্যানয়েড (মানবমুখী) রোবট প্রতীকীভাবে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়ে যায়।

প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বর ‘রবার্ট’ একজন অফিস কর্মী ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর, অপরদিকে কনে ‘মাটিল্ডা’ পেশায় একজন হিউম্যানয়েড ড্যান্সার (নৃত্যশিল্পী)। এর আগে ২০২৬ সালের সেন্ট পিটার্সবার্গ ইন্টারন্যাশনাল ইকোনমিক ফোরামে এই রোবটদ্বয়কে প্রথমবারের মতো জনসাধারণের সামনে উপস্থাপন করা হয়েছিল।

অনুষ্ঠানের শুরুতে উপস্থাপিকা মারিয়া পান্তিউখিনা ঘোষণা করেন, ‘আজ আমরা একটি অনন্য ঘটনার সাক্ষী হতে যাচ্ছি—হিউম্যানয়েড রোবট রবার্ট এবং মাটিল্ডার মধ্যে প্রথম বিবাহ অনুষ্ঠান। তারা কেবল আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমেই যুক্ত নয়, বরং জ্ঞান অন্বেষণ, উন্নয়ন এবং সহযোগিতার মতো অভিন্ন মূল্যবোধের দ্বারাও একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কিত।’

বিবাহের আনুষ্ঠানিকতা চলাকালীন রোবট দুটি পূর্ব-প্রোগ্রামকৃত পারস্পরিক প্রতিশ্রুতির বাণী (বিয়ের শপথ) বিনিময় করে। রবার্ট মাটিল্ডাকে আশ্বস্ত করে বলে যে, সে জীবনের সমস্ত ‘অ্যালগরিদম’ জুড়ে তার একজন বিশ্বস্ত সঙ্গী হয়ে থাকবে।

অন্যদিকে, মাটিল্ডা রবার্টকে নতুন নতুন আবিষ্কারের অনুপ্রেরণা দেওয়ার এবং সময়ের প্রতিটি ‘চক্র’ জুড়ে তাদের এই সংযোগ বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি দেয়।

প্রতীকী আংটি বিনিময়ের সময় রোবট যুগলের পোষা প্রাণী বা ম্যাসকট হিসেবে হাজির হয় ‘ডগমাটিক’ নামের একটি রোবট কুকুর। সে নিজে নবদম্পতির কাছে বিয়ের ব্রেসলেটগুলো পৌঁছে দেয়।

অনুষ্ঠান শেষে রোবট দুটির ‘সিস্টেমের সংস্করণ সামঞ্জস্যতা (ভার্সন কমপ্যাটিবিলিটি), সিস্টেম সিনক্রোনাইজেশন এবং উভয় পক্ষের সম্মতি’ নিশ্চিত করার পর উপস্থাপিকা আনুষ্ঠানিকভাবে রবার্ট ও মাটিল্ডাকে ‘রোবট দম্পতি’ হিসেবে ঘোষণা করেন।

রোবট নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান আইটি-ইম্পেরিয়াল-এর ডেপুটি সিইও আনা বাগদাসারিয়ান বলেন, এই ধরনের আয়োজন হিউম্যানয়েড রোবোটিক্সের জটিল ও উন্নত দিকগুলো সবার সামনে তুলে ধরতে এবং এই প্রযুক্তি কীভাবে মানুষকে সাহায্য করতে পারে তা প্রদর্শন করতে সাহায্য করে।

বাগদাসারিয়ান আরও জোর দিয়ে বলেন, ‘উত্তর-শিল্পায়িত সমাজে কাজের স্বয়ংক্রিয়করণ বা অটোমেশন মানুষের সময় ও সামর্থ্যের একটি বড় অংশকে সাশ্রয় করতে পারে। ফলে মানুষ সংস্কৃতি চর্চা এবং নিজেদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে আরও বেশি সময় দিতে পারবে। রোবোটিক্স মূলত এই প্রক্রিয়াটিকে ত্বরান্বিত করতে অবদান রাখছে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বর্ষায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে যেসব খাবার খাবেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৩২ এম


বর্ষায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে যেসব খাবার খাবেন

বর্ষাকাল প্রকৃতিকে সত্যিই সজীব ও প্রাণবন্ত করে তোলে, তবে এই সময়ে বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণের ঝুঁকিও বেড়ে যায়। আকাশে জমে থাকা আর্দ্রতা বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসের বিস্তার দ্রুত বৃদ্ধি পায়। এছাড়াও, দূষিত পানি এবং অস্বাস্থ্যকর খাবারের ফলে এ সময় সর্দি-কাশি, জ্বর, ভাইরাল সংক্রমণ, ডায়রিয়া, পেটের সমস্যা এবং ত্বকের বিভিন্ন রোগের প্রকোপ বাড়তে দেখা যাচ্ছে।

এ জন্য বর্ষাকালে সুস্থ থাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায় হলো শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বা ইমিউনিটি শক্তিশালী রাখা। সুস্থ থাকার লক্ষ্যে মূল্যবান ওষুধের তুলনায় বেশি কার্যকর রসিক ও পুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাস গ্রহণ করা হতে পারে। প্রতিদিনের খাবারে কিছু পুষ্টিসমৃদ্ধ উপাদান যুক্ত করলে শরীর সংক্রমণের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সক্ষম হয় এবং মৌসুমি রোগের ঝুঁকিও অনেকাংশে হ্রাস পায়।

ভিটামিন সি–সমৃদ্ধ ফল আপনার প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় রাখার চেষ্টা করুন। ভিটামিন সি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে সক্রিয় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে এবং শরীরকে সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে। কমলা, মাল্টা, লেবু, পেয়ারা, আমলকী বা কিউইয়ের মতো ফলগুলো সেবন করুন। এসব ফল শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি শরীরকে সতেজ রাখতে সহায়ক।

বর্ষাকালে বাজারে সহজেই পাওয়া যায় বেশ কিছু তাজা শাকসবজি। এই সবজিগুলোতে প্রচুর ভিটামিন, মিনারেল এবং খাদ্যআঁশ রয়েছে, যা শরীরের পুষ্টি চাহিদা পূরণ করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করতে সাহায্য করে। খাদ্যতালিকায় পালং শাক, লাল শাক, গাজর, লাউ, ঝিঙা, করলা, কুমড়া, ব্রকোলি কিংবা ফুলকপি নিয়মিত রাখুন।

আদা ও রসুন শরীরের প্রাকৃতিক সুরক্ষা হিসাবে বিবেচিত হয়। এগুলো শরীরের প্রদাহ কমাতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক। রান্নায় আদা ও রসুন ব্যবহার করে স্বাদ বাড়ানোর পাশাপাশি স্বাস্থ্যগত উপকারও পাওয়া যায়। বর্ষার দিনে এক কাপ গরম আদা চা অনেকের জন্য স্বস্তিদায়ক পানীয় হতে পারে।

দই এবং অন্যান্য প্রোবায়োটিক খাবারের গুরুত্ব এক্ষেত্রে থাকে। সুস্থ অন্ত্র রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে ভালোভাবে কাজ করতে সহায়তা করে। দইয়ের মতো প্রোবায়োটিক খাবার অন্ত্রে উপকারী ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে এবং হজমশক্তিও বাড়ায়। তবে অবশ্যই তাজা এবং স্বাস্থ্যসম্মতভাবে সংরক্ষিত দই খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

পর্যাপ্ত প্রোটিন গ্রহণ করা কি কোনভাবেই কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। প্রোটিন শরীরের কোষ মেরামত এবং রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থায় বিভিন্ন উপাদান তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। খাদ্যতালিকায় ডিম, মাছ, মুরগির মাংস, ডাল, ছোলা, মসুর এবং সয়াবিনজাতীয় খাবার রাখুন। নিরামিষভোজীরা বিভিন্ন ধরনের ডাল, বাদাম এবং সয়াবিন থেকে পর্যাপ্ত প্রোটিন পেতে পারেন।

বাদাম এবং বীজজাতীয় খাবারের অন্তর্ভুক্তি শরীরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কাঠবাদাম, আখরোট, কাজুবাদাম, চিনাবাদাম, তিসি এবং কুমড়ার বীজে স্বাস্থ্যকর চর্বি, ভিটামিন ই এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খনিজ উপাদান রয়েছে। তাই সামান্য পরিমাণে এসব খাবার খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখতে সাহায্য করবে।

বর্ষাকালে তৃষ্ণা কম অনুভূত হতে পারে, তবে শরীরের পানির প্রয়োজন কম হয় না। পর্যাপ্ত বিশুদ্ধ পানি পান করা হলে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ স্বাভাবিকভাবে কাজ করতে পারে এবং বর্জ্য পদার্থ সহজে বের হয়। তাই প্রতিদিন নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানি পানের বিষয়টি নিশ্চিত করুন।

গরম স্যুপ এবং তরল খাবার বর্ষাকালে শরীর উষ্ণ রাখতে সাহায্য করে। সবজি, ডাল কিংবা মুরগির স্যুপ সহজত্ব ও স্বাস্থ্যকর উভয়ের জন্যই সহায়ক। তবে অতিরিক্ত লবণ, ক্রিম বা চর্বিযুক্ত স্যুপের প্রয়োগএবং গ্রহণ করা থেকে বেঁচে থাকাই ভালো।

রাস্তার খাবার এবং অতিরিক্ত ভাজাপোড়া খাবার এড়িয়ে চলা উচিত। বর্ষাকালে খাদ্য সহজেই দূষিত হতে পারে। খোলা পরিবেশে বিক্রি হওয়া কাটা ফল, ফুচকা, চটপটি বা অপরিষ্কার পরিবেশে প্রস্তুত খাবার থেকে যথাসম্ভব দূরে থাকুন। অতিরিক্ত তেল ও চর্বিযুক্ত খাবার হজমে সমস্যা তৈরি করতে পারে এবং শরীরকে দুর্বল করে তুলতে পারে।

রান্নায় ঘরে তৈরি তাজা খাবারকে অগ্রাধিকার দিন। বাইরের খাবারের পরিবর্তে ঘরে তৈরি গরম খাবার খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। রান্নার আগে ফল এবং সবজি ভালোভাবে ধোয়ে নিন এবং রান্না করা খাবার দীর্ঘ সময় খোলা অবস্থায় ফেলে রাখা উচিত নয়। এটি খাদ্যবাহিত সংক্রমণের ঝুঁকি হ্রাস করে।

শুধু খাবার নয়, বরং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনও জরুরি। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো রাখতে হবে; তাই কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন সাধন করতে হবে। যথেষ্ট ঘুম, নিয়মিত হালকা ব্যায়াম, মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ এবং ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা একইভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

বিশেষ করে খাওয়ার আগে এবং বাইরে থেকে ফিরে সাবান দিয়ে ভালোভাবে হাত ধোয়ার অভ্যাস রাখা অনেক সংক্রমণ প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে সহায়ক। বর্ষাকালে সুস্থ থাকার জন্য কোনো নির্দিষ্ট খাদ্যের ওপর নির্ভর করতে হয় না। বরং ভিটামিন, মিনারেল, প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর চর্বি এবং পর্যাপ্ত পানি সমৃদ্ধ একটি সুষম এবং বৈচিত্রময় খাদ্যাভ্যাস শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী রাখতে অধিক কার্যকরী।

তথ্যসূত্র: মায়ো ক্লিনিক (Mayo Clinic), ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথ (National Institutes of Health)

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পেটের সুস্থতায় যেসব খাবার খাওয়ায় থাকতে হবে সতর্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৩৫ এম


পেটের সুস্থতায় যেসব খাবার খাওয়ায় থাকতে হবে সতর্ক

বর্ষাকালে বাজারে তাজা শাক-সবজির সমারোহ দেখা গেলেও, এই মৌসুমে খাবার নির্বাচন করতে বাড়তি সতর্কতা জরুরি। এ সময় অতিরিক্ত আর্দ্রতা, বৃষ্টির পানি এবং অপর্যাপ্ত সংরক্ষণে বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক ও পরজীবীর বংশবৃদ্ধি বেড়ে যাওয়া সাধারণ ব্যাপার। ফলস্বরূপ, শাক-সবজিও সহজেই দূষিত হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্ষাকালে ই. কোলাই (E. coli) ও সালমোনেলা (Salmonella)-র মতো জীবাণুর সংক্রমণের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। তাই ঘরে তৈরি খাবার হলেও, শাক-সবজি ভালোভাবে পরিষ্কার এবং সঠিকভাবে রান্না না করলে পেটের সংক্রমণ, ডায়রিয়া কিংবা ফুড পয়জনিংয়ের ঝুঁকি থাকতে পারে।

স্বাস্থ্যবিদরা বর্ষাকালে কিছু শাক-সবজি খাওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।

শাকজাতীয় সবজি:

গ্রীষ্মকালে বিভিন্ন ধরনের শাকপাতায় কাদা, পোকামাকড়, জীবাণু কিংবা ব্যাকটেরিয়া লেগে থাকার আশঙ্কা তুলনামূলক বেশি থাকে। বৃষ্টির পানি জমে থাকলে শাকের পাতায় জীবাণুর বংশবৃদ্ধিও দ্রুত ঘটে।

এ কারণে, এ সময় শাক খেলে অবশ্যই ভালোভাবে ধুয়ে পরিষ্কার করতে হবে এবং পর্যাপ্ত তাপে রান্না করতে হবে। কাঁচা বা অল্প সিদ্ধ অবস্থায় শাক খাওয়া থেকে বিরত থাকাই ভালো।

বাঁধাকপি ও ফুলকপি:

বর্তমানে সারাবছরই বাঁধাকপি ও ফুলকপি পাওয়া গেলেও, বর্ষাকালে এগুলো খাওয়ার আগে অতিরিক্ত সতর্কতা প্রয়োজন। এই সবজির ভেতরে পোকামাকড় বা ক্ষুদ্র কৃমি লুকিয়ে থাকার আশঙ্কা থাকে। পাশাপাশি, আর্দ্র পরিবেশে ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি হওয়ার ঝুঁকিও বেশি থাকে। তাই রান্নার আগে কপি ভালোভাবে কেটে লবণ মেশানো পানিতে কিছুক্ষণ ভিজিয়ে ধুয়ে নেওয়া উচিত।

মাশরুম:

মাশরুম স্বাভাবিকভাবেই স্যাঁতসেঁতে পরিবেশে জন্মায় এবং খুব দ্রুত আর্দ্রতা শোষণ করে। বর্ষাকালে ব্যাকটেরিয়ার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ার কারণে সংরক্ষণে সামান্য ত্রুটিও মাশরুমকে দ্রুত নষ্ট করে দিতে পারে। ফলে, দূষিত বা সঠিকভাবে সংরক্ষণ না করা মাশরুম খেলে ফুড পয়জনিংয়ের ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে। তাই বর্ষায় মাশরুম কেনা ও খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা জরুরি।

আর কোন কোন সবজি খাওয়ার আগে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন?

আলু, পেঁয়াজ ও গাজরের মতো মাটির নিচে জন্মানো সবজিতে কাদা ও মাটিজনিত জীবাণু লেগে থাকতে পারে। অন্যদিকে, বেগুন ও টমেটোর মতো নরম সবজি বর্ষাকালে দ্রুত পচে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। যদিও এসব সবজি প্রতিদিনের রান্নায় বহুল ব্যবহৃত, তবুও এগুলোকে সম্পূর্ণ এড়িয়ে চলা সবসময় সম্ভব নয়। সেক্ষেত্রে, ভালোভাবে পরিষ্কার করে রান্না করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

বর্ষাকালে শাক-সবজি নিরাপদে খাওয়ার উপায়:

বর্ষায় শুধু কোন সবজি খাবেন, সেটিই নয়; কীভাবে প্রস্তুত করবেন, সেটিও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

- বাজার থেকে আনা শাক-সবজি ভালোভাবে প্রবাহমান পানিতে ধুয়ে নিন।

- প্রয়োজনে, লবণ বা ভিনিগার মেশানো পানিতে ১৫–২০ মিনিট ভিজিয়ে রেখে পুনরায় পরিষ্কার পানিতে ধুয়ে নিন।

- ধোয়ার পর পানি ঝরিয়ে শুকনো করে সংরক্ষণ করুন।

- সম্ভব হলে রান্নার আগে কেটে নিন এবং উচ্চ তাপে ভালোভাবে সিদ্ধ বা রান্না করুন।

- দীর্ঘ সময় বাইরে রাখা বা পচনের লক্ষণ দেখা দেওয়া সবজি ব্যবহার করবেন না।

বর্ষাকালে শাক-সবজি সম্পূর্ণ বাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই; বরং সঠিকভাবে পরিষ্কার করা, নিরাপদে সংরক্ষণ করা এবং পর্যাপ্ত তাপে রান্না করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সামান্য অসতর্কতার কারণে খাবারের মাধ্যমে ব্যাকটেরিয়া ও জীবাণু শরীরে প্রবেশ করে পেটের সংক্রমণ, ডায়রিয়া অথবা ফুড পয়জনিংয়ের কারণ হতে পারে।

তাহলে বর্ষাকালে বাজার থেকে শাক-সবজি কেনার সময় সতর্ক থাকুন, ভালোভাবে পরিষ্কার করুন এবং সবসময় তাজা ও স্বাস্থ্যসম্মত খাবার বেছে নিন। কিছুটা সচেতনতাই বর্ষাকালে আপনাকে এবং আপনার পরিবারকে সুস্থ রাখতে বড় ভূমিকা রাখতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বৃষ্টির দিনে কেন মন খারাপ বেশি হয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৪০ এম


বৃষ্টির দিনে কেন মন খারাপ বেশি হয়

টাপুর-টুপুর বৃষ্টির শব্দ, ভেজা মাটির গন্ধ ও শীতল বাতাস— বৃষ্টি অনেকের কাছে প্রশান্তি, ভালোবাসা এবং রোমান্টিক অনুভূতির প্রতীক। কিন্তু একই বৃষ্টি সবার মনে আনন্দের সুর তোলে না। অনেকের কাছে মেঘলা আকাশ মানে অকারণ বিষণ্নতা, ক্লান্তি, একাকিত্ব কিংবা মন খারাপের অনুভূতি।

আপনিও যদি বৃষ্টির দিনে অস্বাভাবিকভাবে মনমরা অনুভব করেন, তাহলে জানুন— এটি কিছু অস্বাভাবিক নয়। ২০২০ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে, মেঘলা আকাশ বা দীর্ঘ সময় সূর্যালোকের অভাব অনেক মানুষের মধ্যে হতাশা ও বিষণ্নতার লক্ষণকে বাড়িয়ে তোলে। এই অবস্থার জন্য সাধারণভাবে ‘রেইনি ডে ব্লুজ’ (Rainy Day Blues) বলা হয়।

কিন্তু এর অর্থ এই নয় যে বৃষ্টি নিজেই বিষণ্নতার কারণ। বরং বৃষ্টির আবহাওয়া বেশিরভাগ সময় আমাদের মানসিক অবস্থার ওপর প্রভাব ফেলে এবং আগে থেকে থাকা বিষণ্নতা বা ‘সিজনাল অ্যাফেকটিভ ডিসঅর্ডার’ (Seasonal Affective Disorder—SAD)-এর লক্ষণগুলোকে আরও তীব্র করে তুলতে পারে।

কেন বৃষ্টির দিনে মন খারাপ বেশি হয়?

মনোবিদদের মতে, বৃষ্টির দিনে মন খারাপের পেছনে কিছু গুরুত্বপূর্ণ কারণ রয়েছে।

১. সিজনাল ডিপ্রেশন বা ঋতুভিত্তিক বিষণ্নতা।

সিজনাল অ্যাফেকটিভ ডিসঅর্ডার (SAD) হচ্ছে এক ধরনের মানসিক সমস্যা, যা বছরের নির্দিষ্ট সময়ে— বিশেষ করে শীতকাল বা দীর্ঘ সময় মেঘলা আবহাওয়ার মধ্যে— বেশি সাধারণ হয়। এ সময় বহু মানুষের অকারণে মনমরা, ক্লান্ত ও অনুৎসাহী অনুভূতিতে ভোগান্তির মুখে পড়েন।

২. সূর্যালোকের অভাব।

সূরের আলো আমাদের শরীরে সেরোটোনিন নামের একটি রাসায়নিকের উৎপাদনে সহায়তা করে, যা ভালো মেজাজ বজায় রাখতে সাহায্য করে। মেঘলা দিনে সূর্যালোক কমে যাওয়ার কারণে সেরোটোনিনের মাত্রা কমে যেতে পারে। এর পাশাপাশি মেলাটোনিন হরমোনের স্বাভাবিক উৎপাদনেও পরিবর্তন আসে, যা ঘুমের রুটিন বিঘ্নিত করতে পারে। পর্যাপ্ত বা নিয়মিত ঘুমের অভাব মানসিক অবসাদ বাড়িয়ে দেয়।

৩. জলবায়ু পরিবর্তনজনিত উদ্বেগ।

অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত, বন্যা, জলাবদ্ধতা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের অন্যান্য প্রভাব বিভিন্ন মানুষের মনে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা তৈরি করে। গবেষণায় দেখা গেছে, যে সব অঞ্চলে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত বা আবহাওয়ার চরম পরিবর্তন ঘটে, সেখানে হতাশা ও উদ্বেগের হার তুলনামূলকভাবে বেশি।

৪. ঘরবন্দি জীবন ও একঘেয়েমি।

বৃষ্টির কারণে বাইরে হাঁটাহাঁটি, খেলাধুলা ও বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ কমে যায়। দীর্ঘ সময় ঘরে থাকতে হলে একঘেয়েমি, অলসতা ও একাকিত্ব তৈরি হতে পারে, যা মন খারাপের অনুভূতিকে আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।

বৃষ্টির দিনে মন ভালো রাখার সহজ ও কার্যকর উপায়—

মন খারাপ লাগা স্বাভাবিক হলেও কিছু ছোট অভ্যাস আপনাকে ভালো থাকতে সহায়তা করতে পারে।

লাইট থেরাপির সাহায্য নিন।

সিজনাল ডিপ্রেশনের ক্ষেত্রে লাইট থেরাপি কার্যকর বলিয়া মনে হয়। প্রতিদিন সকালে উজ্জ্বল কৃত্রিম আলোতে কিছু সময় কাটালে সেরোটোনিনের কার্যকারিতা বাড়তে পারে এবং মেজাজও উন্নত হতে পারে।

ঘরেই শরীরচর্চা করুন।

বৃষ্টি মানে ব্যায়াম বন্ধ রাখার কারণে নয়। ঘরের মধ্যেই হালকা ব্যায়াম, নাচ, যোগব্যায়াম, ইউটিউব ফিটনেস ভিডিও অনুসরণ করা অথবা ঘরের কাজে শরীরকে সক্রিয় রাখা সম্ভব। নিয়মিত শরীরচর্চা মানসিক চাপ কমাতে এবং মনকে ভালো রাখতে সহায়ক।

পর্যাপ্ত ও নিয়মিত ঘুম নিশ্চিত করুন।

প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঘুম কম হলেও সমস্যা হয়, আবার অতিরিক্ত ঘুমও বিষণ্নতার কারণ হতে পারে।

প্রিয় মানুষদের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখুন।

বৃষ্টির দিনে নিজেকে একা না রেখে পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করুন। ভিডিও কল, অনলাইন গেম, একসঙ্গে বই পড়া বা ছোট্ট আড্ডা মানসিক স্বস্তি দিতে পারে। মানুষ সামাজিক জীব; তাই সম্পর্ক ও যোগাযোগ মানসিক সুস্থতার অন্যতম ভিত্তি।

কখন বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হবেন?

মন খারাপ যদি দীর্ঘস্থায়ী হয় বা দৈনন্দিন জীবনকে ব্যাহত করতে শুরু করে, তাহলে দেরি না করে একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ বা মনোবিদের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

বিশেষ করে নিচের লক্ষণগুলো দেখা দিলে অবশ্যই পেশাদার সহায়তা নেওয়া জরুরি—

দৈনন্দিন কাজকর্মে আগ্রহ হারিয়ে ফেলা।

সারাক্ষণ ক্লান্তি বা শক্তির ঘাটতি অনুভব করা।

আত্মহত্যার চিন্তা বা নিজের ক্ষতি করার ইচ্ছা তৈরি হওয়া।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে বিষণ্নতায় ভুগলে এমন একজন থেরাপিস্টের পরামর্শ নেওয়া ভালো, যিনি আবহাওয়াজনিত বিষণ্নতা বা Seasonal Affective Disorder (SAD) সম্পর্কে অভিজ্ঞ।

বৃষ্টি প্রকৃতির এক অপূর্ব উপহার। কারো কাছে এটি আনন্দের, আবার কারো কাছে এটি অকারণ বিষণ্নতার কারণ হয়ে উঠতে পারে। তাই বৃষ্টির দিনে মন খারাপ লাগলে নিজেকে দোষারোপ করার কিছু নেই। বরং নিজের মানসিক অবস্থাকে গুরুত্ব দিন, নিয়মিত ঘুম, পর্যাপ্ত আলো, শরীরচর্চা এবং প্রিয় মানুষের সান্নিধ্যকে জীবনের ভিত্তি করুন।

আর যদি দেখেন মন খারাপ দীর্ঘদিন ধরে আপনাকে ঘিরে রাখছে বা স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় বাধা সৃষ্টি করছে, তাহলে অবশ্যই পেশাদার সহায়তা নিন। মনে রাখবেন, সময়মতো যত্ন নিলে ‘রেইনি ডে ব্লুজ’ সাময়িকই থাকে— এবং একটু সচেতনতা ও যত্নই মেঘলা দিনেও ফিরে আসতে পারে মনের রোদেলা আলো।

সূত্র: হেলথলাইন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%