ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

এফডিসিতে এলে আমার খারাপ লাগে : রুবেল


এফডিসিতে এলে আমার খারাপ লাগে : রুবেল

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির মেয়াদের নির্বাচনে ভোট দিতে এসে জনপ্রিয় চিত্রনায়ক রুবেল বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি) নিয়ে নিজের আক্ষেপের কথা উত্থাপন করেছেন। তিনি জানান, ২০২৬–২৮ মেয়াদে অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগের পর, আজকের এফডিসি সেই প্রাণচঞ্চল এফডিসি নয়, যার প্রতিটি কোণায় রয়েছে তাঁর অসংখ্য স্মৃতি।

শুক্রবার সকাল থেকে শিল্পী সমিতির নির্বাচন চলাকালীন এফডিসি উৎসবমুখর পরিবেশে ছিল। ভোট দিতে আসা শিল্পীদের ফুল দিয়ে স্বাগত জানান প্রার্থী এবং তাঁদের সমর্থকরা। সেই উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দেন রুবেল।

ভোট সম্পন্ন করার পর, বর্তমান এফডিসির অবস্থান নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘এফডিসির প্রত্যেকটা কোণায় আমার স্মৃতি আছে। এখন যখন এখানে আসি তখন দেখি সবকিছু খাঁ খাঁ করছে। মাসের পর মাস এখন এফডিসির ফ্লোর ফাঁকা থাকে। কোনো শুটিং হয় না। এগুলো দেখলে অনেক খারাপ লাগে, কষ্ট লাগে। এই কষ্টের কারণে আমি এফডিসিতে আসি না।’

আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না

অতীতের ব্যস্ত সময়ের কথা স্মরণ করে রুবেল আরো বলেন, ‘আগে যখন আমি এফডিসিতে ঢুকতাম নব্বইয়ের দিকে, তখন সকাল সাতটা সাড়ে সাতটার পর থেকে এফডিসিতে পা ফেলা যেত না। আট-দশ পার্টির শুটিং চলত। আমাদের সময় ১২৫-১৩০টি ছবি হতো। অথচ এখন ১৫-২০টি ছবি হয়।’

এবারের শিল্পী সমিতির নির্বাচনে দুটি পূর্ণাঙ্গ প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। এক প্যানেলে সভাপতি পদে রয়েছেন মকবুল হোসেন আরমান এবং সাধারণ সম্পাদক পদে রুমানা ইসলাম মুক্তি। অন্য প্যানেলে সভাপতি পদে লড়ছেন শিবা সানু, এবং সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জয় চৌধুরী।

শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে শুরু হওয়া ভোটগ্রহণ চলবে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। এবারের মোট ভোটার ৫৭৩ জন। তাঁদের ভোটেই আগামী দুই বছরের জন্য নির্বাচিত হবে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নতুন নেতৃত্ব।

আরও পড়ুন: আদাবরে যুবদল নেতাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বৃদ্ধা মা ও কিশোরী মেয়েকে নির্যাতন, চট্টগ্রামে মাদকাসক্ত ব্যক্তির কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৫৪ পি.এম


বৃদ্ধা মা ও কিশোরী মেয়েকে নির্যাতন, চট্টগ্রামে মাদকাসক্ত ব্যক্তির কারাদণ্ড

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় একটি অভিযোগের ভিত্তিতে মো. কামাল উদ্দিন (৪৪) নামের একজন ব্যক্তিকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

উল্লেখ্য, ৮০ বছর বয়সী বৃদ্ধা মা ও তার কিশোরী মেয়েকে দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে কামালের বিরুদ্ধে।

ব্যাপক তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাতে উপজেলার সাধনপুর ইউনিয়নের বৈলগাঁও নয়াদিঘীর পাড় এলাকায় এই দণ্ড প্রদান করা হয়।

দণ্ডপ্রাপ্ত কামাল উদ্দিন মৃত আব্দুল হাকিমের ছেলে। স্থানীয় সূত্র জানায়, তিনি দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত। মাদক কেনার জন্য এবং মাদকসেবনের কারণে কামাল নিয়মিতভাবে পরিবারের সদস্যদের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতেন। ৮০ বছর বয়সী বৃদ্ধা মাকে তিনি মারধর করে মাটিতে ফেলে দেওয়ার ঘটনাও ঘটিয়েছিলেন।

এছাড়া, তার মাতৃহীনা কিশোরী মেয়ের সঙ্গেও তিনি প্রায়ই আপত্তিকর ও অপ্রীতিকর আচরণ করতেন। বাবার এমন আচরণে মেয়েটির স্বাভাবিক জীবনযাপন ও লেখাপড়া মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিল বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা।

পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রামদাস মুন্সির হাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সহযোগিতায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কামালের বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করেন। এই সময় ভুক্তভোগী বৃদ্ধা মা ও কিশোরী মেয়ে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে দীর্ঘদিনের নির্যাতনের বিবরণ কাঁদতে কাঁদতে তুলে ধরেন।

অভিযানকালে বসতঘরে মাদক সেবনের বিভিন্ন আলামতও উদ্ধার করা হয়েছে।

বাঁশখালীর সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ওমর সানী আকন বলেন, ‘মাদকাসক্ত অবস্থায় বৃদ্ধা মা ও নিজের মেয়ের ওপর অমানবিক নির্যাতন চালানোর অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর তাকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।’

উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, মাদক, জুয়া ও পারিবারিক সহিংসতার বিরুদ্ধে এরূপ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিবচরে সেতুর নিচে আবারও নদীভাঙন, ঝুঁকিতে সেতু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৫৪ পি.এম


শিবচরে সেতুর নিচে আবারও নদীভাঙন, ঝুঁকিতে সেতু

মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার উৎরাইল-শিবচর সড়কের উপর নির্মিত আড়িয়াল খাঁ নদীর ওপর ৯৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা ‘লিটন চৌধুরী’ সেতুর পশ্চিম প্রান্তে নদী ভাঙন আবারও দেখা দিয়েছে। গত বর্ষার সময় একই স্থানে প্রায় ২০০ মিটার নদীতীর ভেঙে গিয়েছিল। চলতি বর্ষার শুরুতে নতুন করে ভাঙন শুরু হওয়ায় এই সেতুর নিরাপত্তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, সেতুর পশ্চিম প্রান্তের দক্ষিণ পাশে নদীর তীরে তীব্র ঘূর্ণিস্রোত সৃষ্টি হচ্ছে। বালুমাটির পাড় প্রতিনিয়ত নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের আশঙ্কা, যদি দ্রুত কার্যকর কোনো ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তাহলে ভাঙন আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।

স্থানীয় সূত্র জানাচ্ছে, ২০২৫ সালের জুন-জুলাই মাসে একই স্থানে ২০০ মিটার নদীতীর ভাঙন দেখা দিয়েছিল। সে সময় সেতুর একটি পিলারের পাশ দিয়ে নদী অনেকটা ভেতরে ঢুকে পড়েছিল। এবারও একই এলাকায় নতুন করে ভাঙন শুরু হওয়ায় সেতুর স্থায়িত্ব নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মেরাজুল ইসলাম বলেন, ‘গত বছর থেকেই সেতুর পাশে নদী ভাঙন শুরু হয়েছে। নদীতে তীব্র ঘূর্ণিস্রোতের কারণে প্রতিবছরই পাড় ভাঙছে। যদি এভাবে ভাঙন চলতে থাকে, তাহলে একসময় সেতুটি বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়বে।’

আরেক বাসিন্দা মো. এনায়েত হোসেন বলেন, ‘গত বর্ষায় ভাঙনরোধে এলাকাবাসী মানববন্ধন করেছে এবং প্রশাসনকে জানিয়েছে। কিন্তু কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। সেতু নির্মাণের সময় দুই পাশে নদীশাসনের প্রতিশ্রুতি ছিল, কিন্তু তা বাস্তবায়ন হয়নি। নদীতে কংক্রিটের ব্লক ফেললে ভাঙন অনেকটাই রোধ করা সম্ভব।’

স্থানীয় শিক্ষক গিয়াস উদ্দিন মীর বলেন, ‘গত বছর বর্ষার শুরুতেই সেতুর নিচে ব্যাপক ভাঙন হয়েছিল। এবারও ভাঙন শুরু হয়েছে। এখনই ব্যবস্থা না নিলে পুরো বর্ষায় পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে যেতে পারে।’

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ৪ নভেম্বর যান চলাচলের জন্য ৫৫০ মিটার দৈর্ঘ্য ও ৯ দশমিক ৮০ মিটার প্রস্থের ‘লিটন চৌধুরী’ সেতুটি খুলে দেওয়া হয়েছিল। সেতুটি চালু হওয়ার ফলে শিবচর সদরের সঙ্গে দত্তপাড়া, শিরুয়াইল ও নিলখী ইউনিয়নের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপিত হয়েছে এবং লক্ষাধিক মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ দূর হয়েছে।

উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা গেছে, ৯৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত সেতুটিতে ১১টি স্প্যান, ৯টি পিয়ার এবং ১২৩টি পাইল রয়েছে। প্রতিটি পাইলের দৈর্ঘ্য ৪৮ মিটার। এর পাশাপাশি, সেতুর দুই পাশে প্রায় ১ দশমিক ৫০ কিলোমিটার সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে শিবচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এইচ এম ইবনে মিজান বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা আছে। নদীভাঙনের বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে অবহিত করা হয়েছে। তাদেরকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্পিকার হাফিজ উদ্দিনের সঙ্গে ইরানের স্পিকারের সাক্ষাৎ, খামেনি হত্যার নিন্দা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৫৬ পি.এম


স্পিকার হাফিজ উদ্দিনের সঙ্গে ইরানের স্পিকারের সাক্ষাৎ, খামেনি হত্যার নিন্দা

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ ইরানের ইসলামিক কনসালটেটিভ অ্যাসেম্বলির স্পিকার মোহাম্মদ বাগের গালিবাফের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। শুক্রবার (৩ জুলাই) তেহরানে তাদের এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

স্পিকার গালিবাফ ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির রাষ্ট্রীয় শেষকৃত্য উপলক্ষে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ এবং বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলকে অভ্যর্থনা জানান।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং তার নৃশংস হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি জাতীয় শোকের এই সময়ে ইরান সরকার ও ভ্রাতৃপ্রতিম জনগণের প্রতি বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের সংহতি প্রকাশ করেন।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন ইরান ও বাংলাদেশের মধ্যে শতাব্দী প্রাচীন বন্ধুত্ব এবং গভীর সাংস্কৃতিক ও মানুষে মানুষে সম্পর্কের কথাও তুলে ধরেন।

তিনি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সাম্প্রতিক শান্তি সমঝোতা স্মারক সহজতর করার ক্ষেত্রে স্পিকার গালিবাফের গঠনমূলক ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং আশা প্রকাশ করেন যে এই চুক্তি ইরানের জনগণ এবং বৃহত্তর অঞ্চলের জন্য স্থায়ী শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং সমৃদ্ধি বয়ে আনবে।

তিনি চলমান শান্তি প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন এবং আশা প্রকাশ করেন যে, সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমে অমীমাংসিত ইস্যুগুলোর টেকসই সমাধান অর্জনে সব পক্ষ এই গতিবেগ গড়ে তুলবে।

স্পিকার গালিবাফকে পারস্পরিক সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান হাফিজ উদ্দিন আহমেদ।

রাষ্ট্রীয় শেষকৃত্যে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিতে স্পিকার গতকাল তেহরানে পৌঁছেছেন।

ইরানের ইসলামিক কনসালটেটিভ অ্যাসেম্বলির ডেপুটি স্পিকার হামিদ রেজা হাজী বাবাই বিমানবন্দরে প্রতিনিধি দলকে অভ্যর্থনা জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাভারের বহিষ্কৃত ছাত্রদল নেতা সামির কারাগারে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৫৭ পি.এম


সাভারের বহিষ্কৃত ছাত্রদল নেতা সামির কারাগারে

গুরুতর আঘাত, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং চাঁদাবাজির অভিযোগে সাভার মডেল থানায় দায়ের করা মামলায় ছাত্রদলের বহিষ্কৃত সাভার থানা সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব হোসেন সামির, যিনি ফেন্সি সামির নামেই পরিচিত, তাকে (৩৫) কারাগারে পাঠানোর জন্য আদালত আদেশ প্রদান করেছেন।

শুক্রবার (৩ জুলাই) বিকালে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাজুল ইসলাম সোহাগ, তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে আদালত তার জামিন আবেদনের শুনানির জন্য আগামী রোববার একটি নির্ধারিত দিন ধার্য করেছেন।

সংশ্লিষ্ট থানার জিআরও শাখার এসআই বাহাজ উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে, বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর সদরঘাট জংশন রোড এলাকায় চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আদালতে আসামির পক্ষে আইনজীবী মো. মহসিন মিয়া জামিন আবেদন করেন। তবে আদালত তাৎক্ষণিক শুনানি না করে রোববার দিন ধার্য করেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, চাঁদা না পেয়ে গত ২৪ মে দুপুরে সামির ও তার সহযোগীরা ব্যবসায়ী শামীম রেজার বাড়িতে অনধিকার প্রবেশ করে ভাংচুর চালায় এবং নগদ ৪ লাখ ১৭ হাজার ৬০০ টাকা লুট করে। পরে তারা শামীম রেজার রিকশা গ্যারেজে গিয়ে ক্যাশবক্স থেকে ৯০ হাজার টাকা এবং প্রায় ২১ লাখ ৬০ হাজার টাকা মূল্যের ১২টি ব্যাটারিচালিত রিকশা নিয়ে যায়। পরবর্তীতে একই গ্যারেজ থেকে আরো প্রায় ৯ লাখ টাকা মূল্যের পাঁচটি ব্যাটারিচালিত রিকশা লুট করার অভিযোগ রয়েছে।

এজাহারে আরো উল্লেখ করা হয়েছে যে, গত ১২ জুন রাতে সামির ও তার সহযোগীরা শামীম রেজার বাসায় গিয়ে পুনরায় চাঁদা দাবি করেন। টাকা না পেয়ে পরিবারের সদস্যদের মারধর করেন। এ সময় শামীম রেজার খালা সুরাইয়া বেগমের গলা থেকে প্রায় ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা মূল্যের এক ভরি ওজনের স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেওয়া হয়। বাধা দিতে গেলে একরামুল হককে ধারালো অস্ত্র ও হকিস্টিক দিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। এ ছাড়া এক নারীকে লাঞ্ছিত করা এবং দুই বছরের এক শিশুকে আছড়ে ফেলে হত্যাচেষ্টারও অভিযোগ রয়েছে।

ঘটনার কারণে মোট ২৯ লাখ ১৭ হাজার ৬০০ টাকার নগদ অর্থ, রিকশা এবং স্বর্ণালংকার লুটের অভিযোগ রয়েছে।

এ ব্যাপারে শামীম রেজার খালাতো বোন লাবনী বেগম গত ২৪ জুন সাভার মডেল থানায় ১১ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরো ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে বলেন, মামলার সুষ্ঠু তদন্ত এবং এজাহারভুক্ত অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারের স্বার্থে সামিরকে কারাগারে রাখা প্রয়োজন।

এর আগে গত ২ জুন রিপন ঋষি নামের এক কিশোরকে অপহরণ করে নির্যাতনের অভিযোগেও মাহাবুব হোসেন সামিরের বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা দায়ের হয়েছে, যা বর্তমানে বিচারাধীন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%